ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলায় বিদ্যুৎ সংকটে নাগরিকদের দিশেহারা, বাড়ছে বিক্ষোভ


ভেনেজুয়েলায় বিদ্যুৎ সংকটে নাগরিকদের দিশেহারা, বাড়ছে বিক্ষোভ

ভেনেজুয়েলায় বিদ্যুৎ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় জনজীবন ক্রমাগত বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে। ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং জরুরি সেবায় বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিয়মিততা সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করছে। বিভিন্ন শহরে এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে বিক্ষোভও ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশটির কারাবোবো রাজ্যের ভ্যালেন্সিয়ায় ৩৪ বছর বয়সী অনাসিস মুনোজ সপ্তাহে তিনবার কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য হাসপাতালে যান। কিন্তু বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে তার চিকিৎসা একাধিকবার ব্যাহত হয়েছে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রতিদিন প্রায় সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই। ক্লিনিকের জরুরি ব্যাটারির মজুত শেষ হয়ে গেছে এবং বিকল্প জেনারেটরও কাজ করছে না।

মুনোজ বলেন, "বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ায় আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।" বাড়ি ফেরার পরও অনেক সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গরম ও মশার কারণে বিশ্রাম নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে ভারতে ৫.৮৪ কোটি রুপির স্বর্ণ চোরাচালান জব্দ

ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকটের বিরুদ্ধে মানুষ ‘কাসেরোলাজোস’ নামে পরিচিত বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন। এই ধরনের প্রতিবাদে মানুষ হাঁড়ি-পাতিল পিটিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। কোথাও কোথাও বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে এবং রাস্তায় টায়ারে আগুনও দিয়েছেন।

আনোভা পলিসি রিসার্চের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৬ সালে ভেনেজুয়েলার ৬২ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হবে। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ। একই সময়ে মাত্র ৬ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার জলবায়ু পরিস্থিতি এবং এল নিনোর প্রভাবকে সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ বিদ্যুৎ জলবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত হওয়ায় অতিরিক্ত তাপ ও খরার মতো পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ নেলসন হার্নান্দেজের মতে, শুধুমাত্র জলবায়ু পরিস্থিতি দিয়ে চলমান সংকট ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। তার দাবি, বিদ্যুৎ অবকাঠামোর দীর্ঘদিনের অবহেলা, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত পরিকল্পনার অভাব এবং পুরোনো প্রযুক্তি সংকটকে আরও গভীর করেছে।

আরও পড়ুন: ২০২৭ সালে প্রতিরক্ষা খাতে ২২৯ শতাংশ বাজেট বাড়াল তুরস্ক

ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পের পরিবর্তনও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলে মনে করেন হার্নান্দেজ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুতের অধিকারী দেশটি সম্প্রতি তেল উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে দেশটির দৈনিক তেল উৎপাদন ছিল ৯ লাখ ২৪ হাজার ব্যারেল। আগস্টে তা বেড়ে ১২ লাখ ১ হাজার ব্যারেলে দাঁড়ায়, অর্থাৎ এ সময়ে উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

হার্নান্দেজের মতে, তেলক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানো হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ঘাটতির বড় অংশ আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ওপর গিয়ে পড়ছে। তার হিসাব অনুযায়ী, তেল উত্তোলন, পাম্পিং, পরিবহন ও পরিশোধন কার্যক্রমে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ প্রয়োজন হতে পারে।

তবে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের সরকার জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থিতিশীল করতে কাজ চলছে। বছরের শেষ প্রান্তিকে আরও ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমাতে জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে নিজেদের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় বিনিয়োগের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র সংস্কার এবং স্থানীয় ও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশিদের স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের ৭০% প্রত্যাখ্যাত

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব শুধু ব্যবসা ও উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও এর বড় প্রভাব পড়ছে। কারাবোবোর নাগুয়ানাগুয়া এলাকার বেকারি ব্যবসায়ী ম্যানুয়েল রেয়েস জানান, ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় নিয়মিত উৎপাদন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক দিন বিদ্যুৎ থাকার সময় কাজে লাগাতে তাদের মধ্যরাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে হয়।

বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাট তাদের মানসিক চাপও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আরাগুয়া রাজ্যের মারাকে শহরের বাসিন্দা মাইলেইদি ব্লাঙ্কো প্রতিদিন ভোর ৪টার দিকে উঠে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার আগেই পরিবারের খাবার প্রস্তুত করেন।

তার ছয় বছর বয়সী মেয়েও বিদ্যুৎ সংকটে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে বলে জানান ব্লাঙ্কো। একদিন মেয়ের স্কুলে, পরে বাড়িতে এবং এরপর নাচের ক্লাসে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে। বিদ্যুৎ কখন আসবে এবং এই পরিস্থিতি আর কতদিন চলবে, তা জানতে চেয়ে সে বারবার প্রশ্ন করতে থাকে।

বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে দেশজুড়ে ক্ষোভ বাড়ার মধ্যে বিক্ষোভও অব্যাহত রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন শুধু জনজীবনের সংকট নয়, ক্রমেই বড় সামাজিক অসন্তোষের কারণ হয়ে উঠছে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

আরও পড়ুন: বিক্ষোভের মধ্যেই সৌদি সফরে গেলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোহাম্মদ অহিদুল ইসলাম ফাহিম, ফটো সাংবাদিক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ

নারায়ণগঞ্জকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করার উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসন এবং নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই কার্যক্রমটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে চানমারী মাইক্রোস্ট্যান্ড পর্যন্ত পরিচালিত হচ্ছে।

নগরীর পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে এই ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলতে থাকবে। জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ সকলের প্রতি অনুরোধ করেছেন—যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলুন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন।

আমরা সবাই মিলে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরো পাবে ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরো পাবে ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত জানিয়েছেন, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির অধীনে সারা দেশে ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী এক মাসের মধ্যে প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো মোকাবেলার জন্য নতুন সরকারের নেতৃত্বে কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে জনগণের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কর্মসূচির ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকার বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং বিশেষভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।

হাম প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া কার্যক্রম তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ১৫ দিন পর থেকেই যে লড়াই শুরু করেছে, তার অগ্রগতি ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার পরেও সরকার থেমে নেই। প্রতিটি শিশুর জীবন মূল্যবান। একটি শিশুও যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণেই এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, এসব শিশুর প্রতিটি ঘরে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের জনগণের কাছে সরকারের অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আগামী এক মাসের মধ্যে আরো প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।

টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এই কর্মসূচি সফল করা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি ও ইউনিসেফ সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সবাই অনেক কষ্ট করে কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিশুকে খুঁজে বের করছেন।

তিনি বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুর কাছে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যত বাধা বা চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এবং দেশি-বিদেশি সব প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। স্বাস্থ্যের বিষয়ে জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে আজ শেষ হচ্ছে প্রার্থিতা প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে আজ শেষ হচ্ছে প্রার্থিতা প্রত্যাহার

ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ বুধবার ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়।

এ তথ্য আজ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইসির তফসিল অনুযায়ী, আগামীকাল ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ওবায়দুল্লাহ মাসুদ এবং মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

ইসির কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের না হওয়ায় ৬ জন প্রার্থীই বহাল আছেন।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২০৩ জন। তবে সম্প্রতি নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জনে।

এছাড়া উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচিত সরকারকে বিপাকে ফেলতে অপচেষ্টা করছে পতিত দোসররা : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


নির্বাচিত সরকারকে বিপাকে ফেলতে অপচেষ্টা করছে পতিত দোসররা : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনেতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন যে, নির্বাচিত সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পতিত দোসররা অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তার মতে, এই পতিত সরকারের দোসররা নাশকতায় জড়িত হয়ে পড়েছে।

আজ বুধবার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছে।

রিজভী বলেন, “একটি নির্বাচিত সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ও দেশকে অস্থির করতে পতিত দোসররা নানাভাবে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা নাশকতামূলক কাজে জড়িত হচ্ছে।” এসময় তিনি দেশবাসীকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার কোনো প্রকার নৈরাজ্য ও অপরাধকে প্রশ্রয় দেবে না। তিনি বলেন, “তারেক রহমান সরকার জনগণের সরকার। কোনো নৈরাজ্য-অপরাধকে প্রশ্রয় দেবেন না প্রধানমন্ত্রী।”

লিফলেট বিতরণকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, “আগে থেকে সচেতন হওয়া গেলে ডেঙ্গু অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে হবে সবার প্রচেষ্টায়।”

রিজভী জানান, প্রধানমন্ত্রী পচা ও জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করার নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে করে ডেঙ্গু বাসা না বাঁধতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%