ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মামুনুল হকের হাতে ‘উত্তরাধিকার’ সংখ্যা তুলে দিল ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স


মামুনুল হকের হাতে ‘উত্তরাধিকার’ সংখ্যা তুলে দিল ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স

ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের উদ্যোগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকের হাতে গবেষণা সাময়িকী ‘তুরাস’-এর ‘উত্তরাধিকার’ সংখ্যা তুলে দেওয়া হয়েছে।

এটি বুধবার কেরানীগঞ্জের কলাতিয়ায় অবস্থিত জামিয়াতুত তারবিয়াহ আল ইসলামিয়া ও বাবরি মসজিদ কমপ্লেক্সের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান মুফতি মাহমুদ হাসান, গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের সম্পাদক মাওলানা ত্বহা মাহমুদ, সহসম্পাদক মাওলানা শারাফাত শরীফ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফারহান আব্দুল্লাহ এবং আদাবর থানার সদস্য মাওলানা তাওহীদুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দোয়া বেশি পড়তেন

সাক্ষাৎকালে মাওলানা মামুনুল হক প্রকাশনাটি পর্যালোচনা করেন এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় সংগঠনের গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমের পাশাপাশি শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)-সহ দেশের বরেণ্য আলেমদের জীবন, কর্ম ও স্মৃতি সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, ‘তুরাস’-এর এই সংখ্যায় মাওলানা মামুনুল হকের একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখাও স্থান পেয়েছে।

সাক্ষাতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিরা ‘উত্তরাধিকার’ সংখ্যার প্রকাশনা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি শায়খুল হাদীস (রহ.)-এর জীবন ও অবদান নিয়ে ‘তুরাস’-এর একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজা উদযাপন সরকারের সাফল্য, বললেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


দুর্গাপূজা উদযাপন সরকারের সাফল্য, বললেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপির নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে স্মরণকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা জাঁকজমকপূর্ণ, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, "এটি এই সরকারের একটি সফলতা। এতে আমরাসহ সবাই সন্তুষ্ট।"

আজ বুধবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কেন্দ্রীয় শ্মশানঘাটে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম তদারকির অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

প্রিন্স বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি তদারকি ও নির্দেশনা এবং মাঠপর্যায়ে সরকারি প্রশাসন ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় এবারের দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্মরণকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক পূজামণ্ডপে মহাসমারোহে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতিষ্ঠার ইতিবাচক ফল। সম্প্রীতির এই শান্তিপূর্ণ ধারা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ সময় তিনি উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রতিমা বিসর্জনে বিএনপির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবকেরা সহযোগিতা করেন। এর আগে তিনি হালুয়াঘাটের উত্তর খয়রাকুড়ি এবং তাঁর নিজ গ্রামে ধারা ঋষিবাড়ি পূজামণ্ডপে বিজয়া দশমীর আনন্দ উৎসবে যোগ দেন। তিনি সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে, সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪%

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে, সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪%

দেশে মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে মজুরি বৃদ্ধির হার হ্রাস পেয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। এর মানে হলো, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির তুলনায় ০ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। টানা তৃতীয় মাসের জন্য মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে অবস্থান করছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষের আয় এবং পণ্য ও সেবার মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে ব্যবধানের বিষয়টি সামনে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

খাত-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে না। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষের আয়ের একটি বড় অংশ খাবার, বাসাভাড়া, যাতায়াত ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় হয়ে যায়। ফলে, যখন মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম থাকে, তখন তাদের জন্য সংসারের ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা এবং শ্রমজীবী মানুষের আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, আগস্ট মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ০ দশমিক ০৮ শতাংশ। অন্যদিকে, আগস্টে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বরে কমে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, একদিকে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, অন্যদিকে মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে। এই দুই সূচকের বিপরীতমুখী পরিবর্তন আয় বৃদ্ধির তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

মূল্যস্ফীতির চেয়ে পিছিয়ে মজুরি

মূল্যস্ফীতি সাধারণভাবে পণ্য ও সেবার গড় মূল্যস্তরের বৃদ্ধিকে বোঝায়। অন্যদিকে, মজুরি বৃদ্ধির হার শ্রমিকদের মজুরি কতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার একটি নির্দেশক। যখন মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম থাকে, তখন একই পরিমাণ পণ্য ও সেবা কিনতে আয়ের তুলনামূলক বেশি অংশ ব্যয় করতে হয়। ফলে, যদিও আয় বৃদ্ধি পায়, সেই বৃদ্ধির পুরো সুবিধা ক্রয়ক্ষমতায় প্রতিফলিত হয় না।

সেপ্টেম্বরের হিসাবে সাধারণ মূল্যস্ফীতি এবং মজুরি বৃদ্ধির হারের ব্যবধান ০ দশমিক ৪৪ শতাংশীয় পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, গড় হিসাবে মূল্যস্ফীতির হার মজুরি বৃদ্ধির হারের তুলনায় বেশি। তবে এ ব্যবধানের মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যক্তি বা পরিবারের প্রকৃত আয় কতটা কমেছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। কারণ, ব্যক্তিভেদে আয়, পেশা, ব্যয়ের ধরন এবং কেনাকাটার পণ্যের তালিকা ভিন্ন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, টানা তৃতীয় মাস মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে রয়েছে। এটি শুধুমাত্র সেপ্টেম্বরের এক মাসের ব্যবধান নয়; বরং পরপর কয়েক মাস ধরে দুই সূচকের এই অবস্থান বজায় রয়েছে।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে সংযুক্ত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৭ দশমিক ২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এক মাসে এই হার বেড়েছে ০ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি মানুষের দৈনন্দিন ব্যয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি সূচক। খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়লে নির্দিষ্ট আয়ের পরিবারগুলোর মাসিক ব্যয়ের হিসাবেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে কোন খাদ্যপণ্যের দাম কতটা বেড়েছে, কোন পণ্যের দাম কমেছে এবং পরিবারের ব্যয়ে তার প্রভাব কতটা পড়েছে—এসব জানতে পণ্যভিত্তিক মূল্য ও ব্যয়ের তথ্য আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়লেও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিতে সামান্য হ্রাস দেখা গেছে। আগস্টে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বরে কমে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, এক মাসে এই হার কমেছে ০ দশমিক ০২ শতাংশীয় পয়েন্ট। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনো খাদ্য মূল্যস্ফীতির তুলনায় বেশি। এতে দেখা যায়, সেপ্টেম্বরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—দুই ধরনের মূল্যস্ফীতির গতিপথ এক ছিল না। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। ফলে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির পরিবর্তন বুঝতে উভয় সূচকের গতিবিধিই বিবেচনায় নিতে হয়।

১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি ৮.৬৫ শতাংশ

পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতিও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, সেপ্টেম্বরে ১২ মাসের গড় সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। আগস্টেও এ হার ছিল ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ, এক মাসে ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। সেপ্টেম্বরে ১২ মাসের গড় খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির ১২ মাসের গড় আগস্টের ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ থেকে বেড়ে সেপ্টেম্বরে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ হয়েছে। এখানে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট এবং ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট হিসাবে আগের বছরের একই মাসের সঙ্গে বর্তমান মাসের মূল্যস্তরের তুলনা করা হয়। আর ১২ মাসের গড় হিসাবে সর্বশেষ ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতিকে তার আগের ১২ মাসের সঙ্গে তুলনা করা হয়। তাই এক মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি বেড়ালেও ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি সামান্য কমতে পারে।

জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে ক্রয়ক্ষমতার প্রশ্ন

মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে থাকলে সাধারণভাবে প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। কারণ, আয় বৃদ্ধির তুলনায় পণ্য ও সেবার গড় মূল্য বেশি হারে বৃদ্ধি পেলে একই আয় দিয়ে আগের তুলনায় কম পণ্য ও সেবা কেনা সম্ভব হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পরিবারের আয়ের বড় অংশ নিয়মিত প্রয়োজনীয় ব্যয়ে চলে যায়, তাদের ক্ষেত্রে আয় ও ব্যয়ের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তবে মূল্যস্ফীতি এবং মজুরি বৃদ্ধির হারের ব্যবধান থেকে সবার জীবনযাত্রার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট পরিবর্তন নির্ধারণ করা যায় না। কোনো পরিবারের ব্যয়ে খাদ্যের অংশ বেশি, আবার কোনো পরিবারের ক্ষেত্রে বাসস্থান, পরিবহন, চিকিৎসা বা অন্যান্য সেবার ব্যয় বেশি হতে পারে। ফলে একই মূল্যস্ফীতির মধ্যেও বিভিন্ন পরিবারের ওপর প্রভাব এক রকম নাও হতে পারে।

এ ছাড়া, মজুরি বৃদ্ধির সামগ্রিক হার সব পেশা, শিল্প বা আয়ের শ্রেণির পরিস্থিতি আলাদাভাবে তুলে ধরে না। কোন খাতে মজুরি কতটা বেড়েছে, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও কাজের সময়ের পরিবর্তন কী ছিল এবং বিভিন্ন আয়ের মানুষের ব্যয় কীভাবে বদলেছে—এসব তথ্য ছাড়া সামগ্রিক চিত্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণির পরিস্থিতি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।

তবু বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যে মূল্যস্ফীতি এবং মজুরি বৃদ্ধির হারের ব্যবধান একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করছে। সেপ্টেম্বরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে উঠেছে, অথচ মজুরি বৃদ্ধির হার নেমে এসেছে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশে। একই সঙ্গে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ফলে আয় বৃদ্ধির সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির সম্পর্ক এবং মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণে এই সূচকগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সাবকে নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে. মুজেরী মন্তব্য করেছেন, "মজুরি বৃদ্ধির হার দীর্ঘসময় ধরে মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম থাকলে শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় কমে যায়। এতে নিম্ন ও স্থির আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং তাদের ভোগক্ষমতা কমে যায়।"

তিনি বলেন, "এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু মজুরি বৃদ্ধির দিকে নজর দিলেই হবে না; কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগের গতি বাড়ানো এবং শ্রমের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগে গতি না এলে মজুরি বৃদ্ধির ওপর চাপ সীমিত থাকতে পারে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আয় বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক মো. রায়হান নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক মো. রায়হান নিহত

রাজধানীর মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় মো. রায়হান (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রায়হান ছিলেন ফুটপাতের এক হোটেলের কর্মচারী। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালে অবস্থিত।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রেললাইনের পাশে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রায়হানকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. আকাশ জানান, রায়হান মহাখালীর রেলগেট এলাকার ফুটপাতের একটি খাবার হোটেলের কর্মচারী ছিলেন। সন্ধ্যার সময় মহাখালী রেলগেট এলাকায় রেললাইনের পাশে হাঁটার সময় ট্রেনের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ থেকে ভারতে ৫.৮৪ কোটি রুপির স্বর্ণ চোরাচালান জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


বাংলাদেশ থেকে ভারতে ৫.৮৪ কোটি রুপির স্বর্ণ চোরাচালান জব্দ

ভারতের ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) দাবি করেছে যে, বাংলাদেশ-কলকাতা-হায়দ্রাবাদ রুটে সক্রিয় একটি সোনা চোরাচালান চক্রকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার কাছ থেকে সংস্থাটি বিদেশি সোনা ও বিদেশি মুদ্রাসহ মোট ৫.৮৪ কোটি রুপি মূল্যের সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। ডিআরআই-এর হায়দ্রাবাদ ইউনিট এবং বিজয়ওয়াড়া আঞ্চলিক ইউনিটের যৌথ অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আইএএনএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সংস্থাটি জানায় যে তারা বাংলাদেশ থেকে কলকাতা হয়ে হায়দ্রাবাদে সোনা পাচারকারী একটি চক্রকে চিহ্নিত করে। এই অভিযানে ৩,১৪৭.১ গ্রাম সোনা, ৬০,০০০ মার্কিন ডলার এবং ২১,৫০০ ইউরো জব্দ করা হয়, যার সম্মিলিত বাজারমূল্য প্রায় ৫.৮৪ কোটি রুপি।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিআরআই কর্মকর্তারা বিজয়ওয়াড়ার বহির্ভাগে একটি এসইউভি গাড়ি আটক করেন। গাড়িটির একটি গোপন কুঠুরি (সিক্রেট ক্যাভিটি) থেকে বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। গাড়িতে থাকা দুই আরোহী কর্মকর্তাদের জানান যে তারা ইতোমধ্যে সোনা বিক্রি করে দিয়েছেন এবং জব্দ করা বিদেশি মুদ্রা সেই সোনা বিক্রির অর্থের একটি অংশ।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা হায়দ্রাবাদের দিকে যাওয়া একটি বাস থামিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেন। উদ্ধার করা সোনা দিয়ে তৈরি বিস্কুট বা বারগুলোর ওজন ছিল প্রায় ৩.১ কেজি, যা তারা কোমরে বাঁধা থলিতে লুকিয়ে পরিবহন করছিলেন।

চোরাচালানের সোনা সংগ্রহ ও পরিবহনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত পাঁচজনকেই গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাদের বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ডিআরআই জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

চলতি মাসে অন্ধ্রপ্রদেশে ডিআরআই কর্তৃক উদঘাটিত সোনা চোরাচালানের এটি দ্বিতীয় বড় ঘটনা। এর আগে, বিশাখাপত্তনমের কাছ থেকে ৮.৯৮ কোটি রুপি মূল্যের বিদেশি সোনা জব্দ করেছিলেন কর্মকর্তারা। কলকাতা থেকে হায়দ্রাবাদে সোনা পরিবহনের সময় দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডিআরআই জানায়, ৮-৯ অক্টোবরের রাতে পিছু ধাওয়া করে একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫,৮৩২.৯০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। সোনাগুলো গাড়ির সিটের নিচে লুকানো ছিল।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে সোনা পাচার

ডিআরআই জানিয়েছে, বিশাখাপত্তনমের কাছ থেকে জব্দ করা সোনা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করা হয়েছিল এবং তা কলকাতা থেকে হায়দ্রাবাদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ১৯৬২ সালের কাস্টমস আইনের বিধান অনুযায়ী কর্মকর্তারা সোনাগুলো বাজেয়াপ্ত করেন। গ্রেপ্তারকৃত দুই যাত্রীকে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত তাদের বিচারিক হেফাজতে পাঠান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%