মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৬ এম
হবিগঞ্জের মাধবপুরে গত রাতে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের মধ্যে প্রায় ৫–৬ বার বিদ্যুৎ চলে যায়, ফলে প্রচণ্ড গরমে অনেকেই স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারেননি।
স্থানীয়রা জানান, দিনের তুলনায় রাতে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে পরিবারগুলোকে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে গরম বেড়ে যায়। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে বা খোলা জায়গায় অবস্থান করেন। আবার বিদ্যুৎ আসার পর কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই পুনরায় চলে যাওয়ায় স্বস্তি মেলেনি।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে রাতভর এভাবে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ কী? বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার সীতারামপুর এলাকায় একটি টিনশেডের দেওয়াল ঘরে পটকা জাতীয় বস্তু বিস্ফোরিত হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাস্তার পাশে সীতারামপুরের ছবুরোন নেসার একটি ঘরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ এটিকে ‘হোম মেইড আইইডি বা পটকা’ জাতীয় বিস্ফোরক দ্রব্য বলছে।
বাড়ির মালিক ছবুরোন নেসা বলেন, যে ঘরটিতে বিস্ফোরিত হয়েছে; সেই ঘরের জানালার বাইরে একটি লম্বা রশি বের করা ছিল। জানালার বাইরে লম্বা রশি দেখে আমি গুছানোর চেষ্টা করি। হঠাৎ রশি টান পড়লে ঘরের ভেতরে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। মুর্হূতে ঘরের মধ্যে ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়। ছবুরোন নেসার ধারণা, কে বা কারা এই বিস্ফোরক দ্রব্যটি তার ঘরের মধ্যে রেখে গেছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশেপাশের লোকজন তার বাড়িতে জড়ো হন।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী জানান, যে ঘরটিতে পটকা জাতীয় দ্রব্যটি বিস্ফোরিত হয়েছে, সেখানে কেউ থাকেন না। ঘরের জানালা এবং দরজাও নেই। সেখানে পাতিলের মধ্যে বিস্ফোরিত দ্রব্যের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বিস্ফোরিত বস্তুটি ককটেল নয়। এটিকে ‘হোম মেইড আইইডি বা পটকা’ জাতীয় জিনিস বলা হয়। এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক দ্রব্যটি রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। #
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার জন্য দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি মন্তব্য করেন, জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে বাংলাদেশ কুষ্ঠের মতো সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে থাকলেও দেশের বৃহৎ জনসংখ্যাই আমাদের শক্তি। চিকিৎসকরা নানা সীমাবদ্ধতা ও জনসংখ্যার চাপের মধ্যে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, যা তিনি উল্লেখ করে তাদের অবদানের প্রশংসা করেন।
ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কুষ্ঠমুক্ত বাংলাদেশ: প্রমাণ, চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের রূপরেখা—বাংলাদেশে কুষ্ঠরোগ পরিস্থিতি নিয়ে যৌথ পর্যবেক্ষণ মিশনের উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কুষ্ঠ নির্মূলে সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশন যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এনজিও অংশীদাররাও কুষ্ঠ নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, তিনি তাদের কাজের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা কামনা করেন।
সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, ডা. রাজেশ নারওয়াল, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, প্রফেসর ডা. তাকাহিরো নানরী, শেখ মোমেনা মনি, ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদ, ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ এবং ডা. মাহবুব আরেফিন রেজানুর। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ডা. আফসানা আলমগীর খান, ডা. আয়া ইয়াজিমা ও ডা. ভিভেক লাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পড়তে বা লিখতে জানেন না। অথচ রেডিওতে কুরআন তিলাওয়াত শুনে ও দীর্ঘদিনের অনুশীলনে পবিত্র কুরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করেছেন মিশরের ৭১ বছর বয়সি সুকরা সেলিম এবং তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ৭১ বছর বয়সি থানা জিদানও সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ হয়েছেন। মেনুফিয়া প্রদেশের মিত শেহালা গ্রামের এই দুই নারীর কুরআনের সঙ্গে দীর্ঘ পথচলার ঘটনা দেশটির সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
সুকরা ৫০ বছর বয়সে কুরআন হিফজ শুরু করেন। প্রথম দিকে প্রতিদিন মাত্র দুই আয়াত মুখস্থ করতেন এবং সারা দিন সেগুলো বারবার পড়তেন। পড়তে-লিখতে না জানায় রেডিওতে কুরআন তিলাওয়াত শোনা ও হিফজের আসরে অংশ নেওয়াই ছিল তার প্রধান অবলম্বন। স্বামী মারা যাওয়ার সময় তার ১৬ পারা মুখস্থ ছিল। এরপরও অনুশীলন চালিয়ে গিয়ে তিনি পুরো কুরআন মুখস্থ করেন। বর্তমানে সুকরা ও থানা প্রতিদিন পাঁচ পারা করে একসঙ্গে কুরআন পুনরাবৃত্তি করেন এবং সপ্তাহে একবার পুরো কুরআন খতম করেন।
থানা জিদানের কুরআন হিফজের ইচ্ছা ছিল ছোটবেলা থেকেই। পারিবারিক দায়িত্ব ও সন্তানদের বড় করার পর তিনি হিফজে মনোনিবেশ করেন এবং ৬৫ বছর বয়সে পুরো কুরআন মুখস্থ সম্পন্ন করেন। এরপর থেকে সুকরার সঙ্গে নিয়মিত কুরআন পুনরাবৃত্তি করে আসছেন।
গত ৩০ আগস্ট ‘বিশ্ব কুরআন বর্ণনা দিবস’-এর আয়োজনে অংশ নিয়ে ফজরের নামাজের পর তিনি কুরআন তেলাওয়াত শুরু করেন। প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে এক বৈঠকে মুখস্থ থেকে পুরো কুরআন তেলাওয়াত করেন থানা।
একই আয়োজনে সুকরাও অংশ নেন এবং মুখস্থ থেকে কুরআন তেলাওয়াত করেন। আল-আজহারের তত্ত্বাবধানে তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এই কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘পড়ো ও উন্নত হও’। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে হাফেজদের মুখস্থ থেকে কুরআন তেলাওয়াতের সুযোগ দেওয়া হয়।
তাদের কুরআন হিফজ ও তেলাওয়াতের স্বীকৃতি হিসেবে পরে মেনুফিয়া প্রদেশের ধর্মবিষয়ক কর্তৃপক্ষ সুকরা ও থানাকে সম্মাননা দেয়। এরপর সৌদি আরবপ্রবাসী মিশরীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হাইসাম সুলতান দুজনকে ওমরাহ পালনের জন্য দুটি সফর উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেন। তাদের ওমরাহ পালনে পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।
পড়তে-লিখতে না জেনেও শুনে শুনে কুরআন মুখস্থ করা ৭১ বছর বয়সি সুকরা সেলিম এবং দীর্ঘ সাধনায় একই বয়সে পুরো কুরআন হিফজ করে এক বৈঠকে তা তেলাওয়াত করা থানা জিদানের ঘটনা মিশরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ