মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি
০১:৫৯ পি.এম
আসন্ন সরিষাবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা ক্রমেই জমে উঠছে। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশের মধ্যেই স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়তার আলোচনায় উঠে এসেছেন সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিন সেলিম (বেলজিয়াম সেলিম)।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, শিক্ষা বিস্তার, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক উন্নয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগের কারণে তিনি পৌর এলাকার মানুষের আস্থা এবং গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা তৃণমূল পর্যায়ে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, স্কুলজীবন থেকেই তিনি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে তিনি হরতাল, মিছিল ও পিকেটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সরিষাবাড়ী রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৬ সালে পরিচালিত অপারেশন ক্লিন হার্ট অভিযানে তিনি সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হন এবং এর ফলে কারাভোগ করেন, যা দলীয় সূত্র দাবি করছে।
পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি দেশ ছেড়ে বেলজিয়ামে চলে যান। সেখানে অবস্থানকালেও তিনি বেলজিয়াম বিএনপির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, এবং বিভিন্ন আওয়ামী লীগবিরোধী কর্মসূচি, সমাবেশ ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। দেশে ফিরে এসে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে আবার সক্রিয় হন। তার সমর্থকদের দাবী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি একাধিক রাজনৈতিক মামলার মুখোমুখি হন। একই সময়ে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বপ্ননীল পার্ক ও সেলিম ব্রিকস-এ হামলার ঘটনাও ঘটে। এসব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম-এর নেতৃত্বে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছেন। এছাড়া তিনি সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ আজিম উদ্দিন-এর ভাতিজা।
পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন সমাজসেবক হিসেবে তিনি মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তার অবদান ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন অনেকেই। ফলে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় অনেকেই তাকে শক্ত অবস্থানে দেখছেন।
লোকজনের দাবি, নিজস্ব অর্থায়নে তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও পূজামণ্ডপে সহযোগিতা প্রদান, ঈদ উপলক্ষে শত শত অসহায় পরিবারের মাঝে উপহার বিতরণ, বন্যার্তদের ত্রাণ সহায়তা, দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান, বৃক্ষরোপণ এবং বৃক্ষ বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এসব উদ্যোগের কারণে পৌরবাসীর কাছে তিনি একজন উদার, সেবামুখী এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।
এ বিষয়ে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মো. রুহুল আমিন সেলিম বলেন,"আমি দুর্নীতিমুক্ত থেকে সরিষাবাড়ী পৌরবাসীর সেবা করতে চাই। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকার সমস্যা নিরসন এবং দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হবে আমার অঙ্গীকার। জননেতা ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমি অতীতেও মানুষের পাশে ছিলাম, বর্তমানে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। নির্বাচিত হলে সরিষাবাড়ী পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন এবং নাগরিকবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত হয় এবং দল ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করে, তাহলে রুহুল আমিন সেলিম সরিষাবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান থমাস ম্যাসি দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতির জন্য ইসরায়েল দায়ী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে ম্যাসি লিখেছেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে গেছে, জ্বালানির মজুত কমেছে, সামরিক সদস্যদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, ভোক্তা পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জাতীয় ঋণও আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
ম্যাসি লিখেছেন, ‘এই প্রশাসন আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিঃশেষ করেছে, তেলের মজুত কমিয়েছে, আমাদের নারী ও পুরুষ সেনাদের মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিয়েছে, ভোক্তা পণ্যের দাম বাড়িয়েছে, ঋণ বৃদ্ধি করেছে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা উপেক্ষা করেছে। সবই ইসরায়েলের জন্য। সব দোষ তাদের।’
রিপাবলিকান দলের এই আইনপ্রণেতার মন্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান নীতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য সমালোচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে তিনি বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপ এবং এ খাতে ব্যয়ের বিষয়ে একটি সমালোচনামূলক অবস্থান নিয়েছিলেন।
তবে ম্যাসির অভিযোগের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল-অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন তাঁর খালাতো ভাই ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান টাইগার। মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তাঁর ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান টাইগার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার জানান, বাদীর অভিযোগ শুনে আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে বাদীর ব্যাবসায়িক সুনাম ও পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাঁকে হেয় করার চেষ্টা করে আসছেন ডিপজল। অভিযোগ অনুযায়ী, এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি দারুসসালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয় যে, আজিজুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ডিপজলের ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সাইনবোর্ড ভেঙে নিজেদের নামে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সম্পত্তিটির মালিকানা দাবি করে পরবর্তী মাস থেকে ভাড়া দাবি করা হয়। তবে ওই জিডির তদন্তে আজিজুর রহমানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনিই। কিন্তু ডিপজল সেটিকে নিজের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেন। মামলায় আরো বলা হয়েছে, ফেসবুক পোস্টের পাশাপাশি বিষয়টি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা হয়। এতে আজিজুর রহমানের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি তাঁর ব্যাবসায়িক সুনাম নষ্ট হয়েছে। এর ফলে তিনি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার এবং যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা ও বিভিন্ন আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে সরকার। এটি নিশ্চিত করা হয়েছে সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে।
নতুন হার অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের পরিবারের জন্য মাসিক সম্মানি ভাতা, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, মহান বিজয় দিবস ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ অনুদান বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই সুবিধা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। জানানো হয়েছে যে, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্যও ভাতা এবং অনুদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রণীত সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা অধিকতর জোরদার করার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক নেওয়া পদক্ষেপ।
নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীর উত্তম খেতাবধারীরা মাসিক ৩০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন। এছাড়া উৎসব ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে ২ হাজার টাকা দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ২৫ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন। তাঁদের জন্যও উৎসব ভাতা ১০ হাজার টাকা, মহান বিজয় দিবস ভাতা ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন হার অনুযায়ী, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা মাসিক ২৩ হাজার টাকা মূল সম্মানি ভাতা, ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা, খাদ্য ভাতা ৫ হাজার টাকা, উৎসব ভাতা ২৩ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ২ হাজার টাকা পাবেন।
এ ছাড়া যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অক্ষমতার মাত্রা অনুযায়ী চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে এবং মাসিক সম্মানি ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির (৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ অক্ষম) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ৩০ হাজার টাকা, ‘খ’ শ্রেণির (৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ অক্ষম) মুক্তিযোদ্ধারা ২৮ হাজার টাকা, ‘গ’ শ্রেণির (২০ থেকে ৬০ শতাংশ অক্ষম) মুক্তিযোদ্ধারা ২৩ হাজার টাকা এবং ‘ঘ’ শ্রেণির (১ থেকে ১৯ শতাংশ অক্ষম) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ডা. মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, সরকার মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তান এবং তাঁদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সর্বশেষ এই ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগও সেই কর্মসূচির অংশ, যা মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ও নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির কঠোর অবস্থান তার সিদ্ধান্তে কোন প্রভাব ফেলবে না। আগামী আসন্ন সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। রবিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজে এক সাক্ষাৎকারে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানান, নিরাপত্তা সম্পর্কিত বড় কোন সমস্যা না থাকলে তিনি আন্তর্জাতিক এই কূটনীতিক সম্মেলনে প্রতি বছরই অংশগ্রহণ করেন। এ বছরও সেই সম্মেলনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। এর আগে মেয়র জোহরান মামদানি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, নিউইয়র্ক শহরে তাকে স্বাগত জানানো হবে না। তিনি মার্কিন প্রশাসনের প্রতি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আইসিসির পরোয়ানা কার্যকর করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সফরকালে নেতানিয়াহুকে কোনওভাবেই গ্রেফতার করা হবে না এবং তাকে পূর্ণ সুরক্ষা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আইসিসি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ