বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:১৯ পি.এম
পাবনার চাটমোহরে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ পারভেজ লিখন, অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালু, অধ্যক্ষ মাহমুদুল আলম, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক আমাদের বড়াল সম্পাদক হেলালুর রহমান জুয়েল, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক তাপস রঞ্জন তলাপাত্র, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরকেএম আঃ রব মিঞা, ডিএ জয়েন উদ্দিন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সন্ধ্যা কিরিটি, কৃতি শিক্ষার্থী পাবনা জেলার সেরা সামিউল ইসলাম, জুলেখা খাতুন, রাইয়ান খান, খাদিজা খাতুন, কনিকা রহমান মিম, সব্যসাচি কুন্ডু, অভিভাবক সানোয়ার হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে চলতি বছরে চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত দেড় শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার চাটমোহরে ভোজ্য তেল, কস্টিক সোডা, চিনি, জেলিসহ বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল দুধ। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গোপনে চাটমোহর পৌর সদরে নকল এই দুধ বাজারজাত করা হচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী পৌর সদরের মধ্য শালিখা মহল্লার ঘোষ বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ৩০০ লিটার ভেজাল ও নকল দুধ জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় সুমন ঘোষ (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে প্রশাসন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত সুমন ঘোষ মধ্য শালিখা মহল্লার মিষ্টি ও ঘি ব্যবসায়ী অমল চন্দ্র ঘোষের ছেলে। এলাকাবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে অমল ঘোষ, তার স্ত্রী ও ছেলে গোপনে ভেজাল ঘি ও দুধ তৈরি করে আসছেন।
চাটমোহর পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ দুলাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযানের সিদ্ধান্ত নেন। বুধবার রাতে অভিযানে সংশ্লিষ্ট বাড়িটি ঘিরে ফেলার পর সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ প্রস্তুতকৃত দুধ পাওয়া যায়। উদ্ধার করা হয় দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ। এর মধ্যে ছিল জেলি, ভোজ্য তেল, চিনি, কস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য। এসব উপকরণ মিশিয়ে কৃত্রিমভাবে দুধের মতো তরল নকল দুধ তৈরি করা হচ্ছিল। পরে তা বাজারে সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুসা নাসের চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, "জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা বরদাশত করা হবে না।" ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল তার নির্বাচনী এলাকার বাজিতপুরে একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।
শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের একটি প্রস্তাবের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, 'আমি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ আসনের আব্দুল মান্নানের প্রস্তাবের সাথে আমার নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জ ৫-এ বাজিতপুরে একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে উনার প্রস্তাবের সাথে এই শব্দটি সংযুক্ত করা হোক। বাজিতপুর একটি কৃষি নির্ভর এলাকা। ওখানে রাস্তাঘাট নাই, কৃষি যন্ত্রপাতি সম্বন্ধে আমাদের এলাকার কৃষকরা কিছুই জানেন না। উপরে আসমান নিচে মাটি, কাঁধে জোয়াল হাতে কোদাল—এছাড়া তাদের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নাই।'
তিনি আরও বলেন,' এখানে প্রচুর পরিমাণ শাক সবজি, ধান, পাট সবকিছু আবাদ হয়। যদি একটি কৃষি কলেজ হয়, আমাদের কৃষক সন্তানরা, ছেলেরা যদি কৃষিতে শিক্ষিত হয়, তাহলে আবাদ বাড়বে, দেশের উন্নতি হবে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। অতএব জরুরি ভিত্তিতে এই আব্দুল মান্নানের প্রস্তাবের সাথে আমি একাত্মতা পোষণ করে আমার এলাকায় একটি কৃষি কলেজ নির্মাণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চাঁড়ালডাঙ্গা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ৬ জন পুরুষকে ঠেলে পাঠানোর (পুশ-ইন) চেষ্টা করেছে। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে রহনপুর ইউনিয়নের ওই সীমান্তের ২১৬/এমপি পিলারের নিকটে এই ঘটনা ঘটে। বিজিবির প্রতিরোধের কারণে তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ১৬, বিজিবি নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম এক ক্ষুদে বার্তায় এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে রামদাসপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ১২ ব্যাটালিয়নের শমসের নগর ক্যাম্পের সদস্যরা আন্তর্জাতিক পিলার ২১৬/এমপি পিলারের কাছ দিয়ে ৬ জন পুরুষকে বাংলাদেশী অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছিল। সেই সময় রামদাসপুর বিওপির টহল সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। সেখানে অনুপ্রবেশকারী ৬ জনকে ভারতীয় শূণ্য লাইনে অবস্থানরত শনাক্ত করা হয়। পরে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়। ১৬, বিজিবি নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, ওই ৬ জনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাধা প্রদানপূর্বক ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে সীমান্তে নজরদারী ও টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জে একটি মানববন্ধন কর্মসূচিতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শহর বিএনপির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. মিন্টু শেখকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে জেলা বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে একটি মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার পর ওই স্লোগান দেন মিন্টু শেখ। পরে তার স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্বশীল দলীয় পদে থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় স্লোগান দেওয়ার বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ কারণে তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা বিএনপির পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, মিন্টু শেখ একটি মানববন্ধনে বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থেকে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পতিত ও নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দলীয় স্লোগান দেওয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ