বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৮ পি.এম
সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড (বাকেশি) স্থায়ী পদে জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পদে যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনলাইনে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড (বাকেশি) একটি সরকারি মালিকানাধীন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড (বাকেশি)।
পদের সংখ্যা: ২৪
আবেদন শুরু: ০৫ নভেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:০০ টা।
আবেদন শেষ: ৬ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:০০ টা।
পদের নাম ও বেতন-গ্রেড
১. সহকারী ব্যবস্থাপক (উৎপাদন/রক্ষণাবেক্ষণ/উৎপাদন পরিকল্পনা): বাকেশি গ্রেড-৫; বেতন: ২৮ হাজার ১৬০ থেকে ৬৭ হাজার ৯১০ টাকা।
২. সহকারী ব্যবস্থাপক (সমন্বয়): বাকেশি গ্রেড-৫; বেতন: ২৮ হাজার ১৬০ থেকে ৬৭ হাজার ৯১০ টাকা।
৩. সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা): বাকেশি গ্রেড-৫; বেতন: ২৮ হাজার ১৬০ থেকে ৬৭ হাজার ৯১০ টাকা।
৪. প্রশাসনিক কর্মকর্তা: বাকেশি গ্রেড-৬; বেতন: ২০ হাজার ৯৮০ থেকে ৪১ হাজার ৪৪০ টাকা।
৫. হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা (ফিন্যান্স): বাকেশি গ্রেড-৬; বেতন: ২০ হাজার ৪৮০ থেকে ৪২ হাজার ৪৪০ টাকা।
৬. উপসহকারী প্রকৌশলী (উৎপাদন): বাকেশি গ্রেড-৬; বেতন: ২০ হাজার ৪৮০ থেকে ৪৯ হাজার ৪৪০ টাকা।
৭. অর্থ সহকারী: বাকেশি গ্রেড-১৩; বেতন: ১১ হাজার ৭০০ থেকে ২৮ হাজার ২৯০ টাকা।
৮. অডিটর কাম কম্পিউটার অপারেটর: বাকেশি গ্রেড-১০; বেতন: ১১ হাজার ৭০০ থেকে ২৮ হাজার ২৯০ টাকা।
৯. অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর (ঢাকা সিটি অফিসের জন্য): বাকেশি: গ্রেড-১৩; বেতন ১১ হাজার ৭০০ থেকে ২৮ হাজার ২৯০ টাকা।
১০. প্রকর্মী (ল্যাব): বাকেশি গ্রেড-১৩; বেতন: ১১ হাজার ৭০০ থেকে ২৮ হাজার ২৯০ টাকা।
১১. মেশিন অপারেটর (চালক): বাকেশি গ্রেড-১৩; বেতন: ১১ হাজার ৭০০ থেকে ২৮ হাজার ২৯০ টাকা।
১২. ফিটার: বাকেশি গ্রেড-১৪; বেতন: ১১ হাজার ৪৪০ থেকে ২৭ হাজার ৬৯০ টাকা।
১৩. পাইপ মিস্ত্রি: বাকেশি গ্রেড-১৪; বেতন: ১১ হাজার ৪৪০ থেকে ২৭ হাজার ৬৯০ টাকা।
১৪. প্রকর্মী (মটর গ্যারেজ): বাকেশি গ্রেড-১৪; বেতন: ১১ হাজার ৪৪০ থেকে ২৭ হাজার ৬৯০ টাকা।
১৫. গাড়িচালক (ঢাকা সিটি অফিসের জন্য): বাকেশি গ্রেড-১৪; বেতন: ১১ হাজার ৪৪০ থেকে ২৭ হাজার ৬৯০ টাকা।
১৬. সহকারী বাবুর্চি: বাকেশি গ্রেড-১৬; বেতন: ১০ হাজার ৭৩০ থেকে ২৫ হাজার ৯৭০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
সহকারী ব্যবস্থাপক (উৎপাদন/রক্ষণাবেক্ষণ/উৎপাদন পরিকল্পনা): ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি প্রয়োজন। অভিজ্ঞতা ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সহকারী ব্যবস্থাপক (সমন্বয়): স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন। ইংরেজিতে পারদর্শী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা): স্নাতক পাস এবং সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী বা বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হতে হবে। কম্পিউটার ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে। বয়স অনূর্ধ্ব ৪৫ বছর। অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীর ক্ষেত্রে বয়স ৫০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা: চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি প্রয়োজন। কম্পিউটার ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে।
হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা (ফিন্যান্স): হিসাববিজ্ঞানে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি প্রয়োজন। কম্পিউটার ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে।
উপসহকারী প্রকৌশলী (উৎপাদন): ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার বা মেকানিক্যাল টেকনোলজিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাস হতে হবে। বৈদ্যুতিক অথবা টেলিযোগাযোগ ক্যাবল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
অর্থ সহকারী: বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক পাস হতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনায় পারদর্শী হতে হবে।
অডিটর কাম কম্পিউটার অপারেটর: স্নাতক পাস হতে হবে।
অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর: স্নাতক পাস হতে হবে। সরকার স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থাকতে হবে।
প্রকর্মী (ল্যাব): এইচএসসি (বিজ্ঞান) বা সমমান পাস হতে হবে।
মেশিন অপারেটর (চালক): এসএসসি ভোকেশনালসহ এসএসসি বা সমমান পাস হতে হবে।
ফিটার: এসএসসি ভোকেশনাল (জেনারেল মেকানিক্স/মেশিন টুলস অপারেশন) পাস হতে হবে। দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে এসএসসি বা সমমান পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। বৈদ্যুতিক অথবা টেলিযোগাযোগ ক্যাবল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে মেশিন রক্ষণাবেক্ষণের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পাইপ মিস্ত্রি: এসএসসি ভোকেশনাল (প্লাম্বিং অ্যান্ড পাইপ ফিটিং) পাস হতে হবে। দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে এসএসসি বা সমমান পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
প্রকর্মী (মটর গ্যারেজ): এসএসসি ভোকেশনাল (অটোমোটিভ) পাস হতে হবে। পাঁচ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
গাড়িচালক: অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। গাড়ি চালানোর বৈধ লাইসেন্সসহ পাঁচ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
সহকারী বাবুর্চি: অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। রান্নার কাজে পারদর্শী হওয়াসহ পাঁচ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীদের বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেডের নির্ধারিত অনলাইন আবেদন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার জন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। অনলাইন ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জানতে এখানে ক্লিক করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন।
তিনি বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীপাবলির উৎসবের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই উৎসবের আনন্দের অংশ হিসেবে বাজি পোড়ানোর পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব দীপাবলি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিনোদন জগতের একাধিক তারকা। সম্প্রতি, অভিনেত্রী দিয়া মির্জার মাধ্যমে একটি সচেতনতামূলক ভিডিওবার্তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে বৃহন্মুম্বই পৌরসভা (বিএমসি)। তবে পরে সেই ভিডিওটি মুছে ফেলা হয়।
এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার বাজি পোড়ানোর বিরোধিতা করেছেন অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের মা, সোনি রাজদান।
বুধবার, সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে সোনি রাজদান। সেখানে দীপাবলিতে বাজি পোড়ানোর ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
সোনি রাজদান মন্তব্য করেন, "যে কোনো ছোট শিশুর বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন, বায়ুদূষণের কারণে তাদের সন্তানরা কতটা ভুগছে। অসুস্থতার জন্য কত দিন স্কুলে যেতে পারছে না তারা।" এর পরেই বাজি পোড়ানোর পক্ষে যারা যুক্তি দিচ্ছেন, তাদের নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সোনি রাজদান।
আলিয়ার মা আরও বলেন, "পরিবেশকে গুরুত্ব না দিয়ে যারা বাজি পোড়ানোকে সমর্থন করছেন, তারাই আসলে দেশদ্রোহী।" এমন পরিস্থিতিতেও যদি কেউ বলেন, এ বছর দীপাবলিতে অন্তত একটি বাজি পোড়ানো উচিত, তাহলে তাকেই তিনি জীবনবিরোধী, স্বাস্থ্যবিরোধী এবং দেশবিরোধী বলবেন।
তিনি বলেন, "নিজের এবং সন্তানের স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।" দিয়া মির্জার ভিডিও নিয়ে বিতর্কের কয়েক দিন পরেই সোনি রাজদান এ মন্তব্য করেছেন।
এদিকে, মুম্বাইয়ের বাসিন্দাদের উদ্দেশে ভিডিওতে দিয়া মির্জা বলেছিলেন, উৎসবের মৌসুমে আনন্দের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে হবে ঠিকই, তবে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের কথাও মাথায় রাখতে হবে। বাজি থেকে তৈরি হওয়া শব্দ ও বায়ুদূষণ আমাদের সবার জন্য ক্ষতিকর। তাই শব্দ নয়, আনন্দ দিয়ে দীপাবলি উদযাপন করুন। কিন্তু সেই ভিডিও মুছে দেয় বৃহন্মুম্বই পৌরসভা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আবারও উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়েছে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ৬ টাকা ৩২ পয়সা বৃদ্ধি পেয়ে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা থেকে ১৮৯ টাকা ৩ পয়সা হয়েছে। গত চার মাসে এটি চতুর্থ দফায় দাম বৃদ্ধি করা হলো।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিইআরসি নতুন দাম নির্ধারণ করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। নতুন দাম আজ রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য ১৮৯ টাকা ৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে, দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইনসের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১ দশমিক ১৬৩৭ মার্কিন ডলার হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জেট ফুয়েলের দাম গত চার মাসে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগস্ট মাসে প্রতি লিটারের দাম ছিল ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা, যা সেপ্টেম্বর মাসে বেড়ে ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা হয়েছে। অক্টোবরে দাম আরো বৃদ্ধি পেয়ে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা হয়েছে। সর্বশেষ নভেম্বরে নতুন দাম ১৮৯ টাকা ৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জেট এ-১-এর প্ল্যাটস রেটের গড় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলসি সেটেলমেন্টে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী বিপিসি এবং পদ্মা অয়েল কম্পানি লিমিটেডের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে ১৩ মে ২০২৫ তারিখে জেট এ-১-এর মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। পরে কমিশন মাসভিত্তিতে প্ল্যাটস রেটের ভিত্তিতে এই মূল্য সমন্বয়ের ব্যবস্থা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকার দাবি করেছে যে, গত অক্টোবর মাসে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের ওপর ৪০ হাজারেরও বেশি সামরিক হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলাগুলোর ফলে প্রায় ২০ হাজার হুথি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল জানায়, ৫ অক্টোবর ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’ শুরু হওয়ার পর থেকে এসব সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
কাউন্সিলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারি বাহিনী বিভিন্ন রণাঙ্গনে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে মোট ৪০ হাজার ৭৬১টি সামরিক অভিযান চালিয়েছে।
প্রথম মাসের অভিযানে প্রায় ২০ হাজার হুতি যোদ্ধা ও কমান্ডার নিহত, আহত অথবা অন্য কোনোভাবে যুদ্ধের সক্ষমতা হারিয়েছেন।
তবে ইয়েমেন সরকারের এই দাবির বিষয়ে হুথি বিদ্রোহীরা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ