বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:২৮ পি.এম
সিরাজগঞ্জে একটি মানববন্ধন কর্মসূচিতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শহর বিএনপির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. মিন্টু শেখকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে জেলা বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে একটি মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার পর ওই স্লোগান দেন মিন্টু শেখ। পরে তার স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্বশীল দলীয় পদে থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় স্লোগান দেওয়ার বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ কারণে তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা বিএনপির পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, মিন্টু শেখ একটি মানববন্ধনে বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থেকে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পতিত ও নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দলীয় স্লোগান দেওয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর মান্দায় মেয়ে শিক্ষার্থীদের বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের নামে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বিশেষ বরাদ্দের প্রায় ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আখতার জাহান সাথীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। কাগজে কলমে দুই দিনের পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ ও বড় অঙ্কের ভাতার হিসাব দেখানো হলেও বাস্তবে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন। একদিনেই দায়সারাভাবে প্রশিক্ষণের প্রকল্প হরিলুট করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভাতার টাকা না দিয়ে একটি স্যানিটারি প্যাড ও সামান্য নাস্তা দিয়েই বিদায় করা হয়েছে।
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের (এডিপি)-র বিশেষ বরাদ্দ থেকে ৬৪ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন প্রশিক্ষকের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৭৮ টাকা। বাজেটের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য দৈনিক ১,৫০০ টাকা হারে ২ দিনে ৩,০০০ টাকা পাওয়ার কথা। ৪ জন প্রশিক্ষকের প্রত্যেকের জন্য দৈনিক ৩,০০০ টাকা হারে ২ দিনে ৬,০০০ টাকা হিসাবে মোট ২৪,০০০ টাকা পাবে। অথচ কাগজে কলমে পূর্ণ উপস্থিতি দেখিয়ে সব জায়েজ করেছেন।
১৫ জুন আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নথি-কলমে শতভাগ উপস্থিতি দেখানো হলেও বাস্তবে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা কেউ কোন ভাতা পাননি অথচ ভুয়া স্বাক্ষর করে ২ দিন প্রশিক্ষণের পুরো ৬০ শিক্ষার্থীর টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ক শিক্ষিকা পারভীন বেগম বলেন, "আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণে গিয়েছিলাম। তারা দুপুরের খাবার ছাড়া কোনো ভাতা দেওয়া হয়নি।" বিদ্যামাধুরী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভারতী রানী জানান, "শিক্ষার্থীদের কোন ভাতা দেওয়া হয়নি। তাদের হাতে খাবার প্যাকেট ও স্যানিটারি প্যাড দেখেছি। আর যাতায়াতের জন্য ১ হাজার টাকা খরচ দেওয়া হয়েছে।"
প্রশিক্ষক হিসাবে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. জয়নাল আবেদিন জানান, "১৫ জুন ১ দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আমি ১ দিনের ভাতা হিসেবে ৩ হাজার টাকা পেয়েছি। বাজেট অনুযায়ী ২ দিনের জন্য ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও ৪ জন প্রশিক্ষককে ১ দিনের ভাতা হিসেবে মোট ১২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।" এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আখতার জাহান সাথীর বলেন, "শিক্ষার্থীদের নগদ ভাতা না দিয়ে স্যানিটারি প্যাড এবং খাবার দেওয়া হয়েছে। তবে কোন ভাতা দেওয়া হয়নি। ভাতার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কিছু খরচ দেওয়া হয়েছে।" তবে সরকারের নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ভুয়া স্বাক্ষর ও জাল বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাতের এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। সচেতন মহল পুরো বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের রাসুয়া জেলা ভয়াবহ হড়পা বান ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দেশটির পুলিশ সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে। বন্যার পর বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা কাদার নিচ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে নেপাল পুলিশ ৩৫৯ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছিল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই মৃতের সংখ্যা আরও ৩০ জন বেড়েছে। উদ্ধারকাজ চলতে থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আকস্মিক বন্যার সময় যারা ঘটনাস্থলে ছিলেন, তাদের অনেকেই প্রবল স্রোতের সঙ্গে আসা কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়েছেন। ফলে উদ্ধারকারীদের এখন কাদার স্তর সরিয়ে মরদেহ উদ্ধার করতে হচ্ছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজও শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি নতুন করে বন্যা দেখা দিলে ঝুঁকিতে পড়তে পারেন এমন বাসিন্দাদেরও নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার সকালে হঠাৎ করে রাসুয়া জেলার দিকে ভয়াবহ ঢল নেমে আসে। ত্রিশূলি ও নারায়নি নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ভোটেকোশি নদীর পানিও বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে যায়। পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে যুক্ত হয় ভূমিধসের কাদা ও পাথর। এতে মুহূর্তেই ভয়াবহ রূপ নেয় পরিস্থিতি।
প্রবল স্রোতে রাস্তার পাশের ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভেসে যায়। অনেক এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং উদ্ধারকাজও কঠিন হয়ে উঠেছে।
এই দুর্যোগে নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। এর আগে চীন তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল।
উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফলে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সরকারি মোটরসাইকেল ব্যবহার এবং নিয়মিত অফিসে আসা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রকল্পের কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সামনে ব্যক্তিগত চেম্বার পরিচালনা করে সরকারি সেবা নিতে আসা লোকজনকে সেখানে যাওয়ার জন্য প্রভাবিত করছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে সরেজমিনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে গিয়ে দেখা যায়, ডা. মো. আব্দুস সালাম নির্ধারিত কক্ষে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলছেন। এ সময় দপ্তরের বাইরে তাঁর ব্যবহৃত সরকারি মোটরসাইকেলটি পার্ক করা ছিল।
সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, এলডিডিপি প্রকল্পটি ১ জানুয়ারি ২০১৯ সালে শুরু হয়, যা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। বিভিন্ন ধাপে মেয়াদ বাড়ানোর পর প্রকল্পটির মেয়াদ ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে ৩০ জুন চূড়ান্ত ইমপ্যাক্ট রিপোর্ট হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, ডা. মো. আব্দুস সালাম ২০ অক্টোবর ২০২০ সালে আলফাডাঙ্গায় এলডিডিপি প্রকল্পের প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি নিয়মিত অফিসে আসছেন এবং সরকারি মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের মূল ফটকের সামনেই ‘আলফাডাঙ্গা ভেট কেয়ার প্লাস’ নামে একটি ব্যক্তিগত চেম্বার পরিচালনা করছেন ডা. আব্দুস সালাম। সরকারি দপ্তরে প্রাণিসম্পদ-সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা কয়েকজন সেবাগ্রহীতাকে বিভিন্নভাবে তাঁর ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
পৌর এলাকার কুসুমদি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ আলী এবং নাওয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কামরুজ্জামানসহ একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন, “আমরা প্রাণিসম্পদ-সংক্রান্ত সেবা নিতে সরকারি অফিসে গেলে তাঁকে ব্যক্তিগত চেম্বারে যাওয়ার কথা বলা হয়। সেখানে গেলে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়। এতে আমরা বিভ্রান্তিতে পড়ি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ পাওয়া সরকারি মোটরসাইকেল প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর সরকারি যানবাহনটি কেন এখনও তাঁর কাছে রয়েছে এবং কোন অনুমোদনের ভিত্তিতে সেটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
@
আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রভাস চন্দ্র সেন বলেন, প্রকল্পের কার্যক্রম শেষ হলেও ডেইরি ফার্মারদের সমিতির নিবন্ধনসংক্রান্ত কিছু কাজ চলমান রয়েছে। ওই কাজের কারণে তিনি মাঝেমধ্যে সরকারি মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন এবং অফিসে আসেন।
ফরিদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আসজাদ বলেন, সরকারি গাড়ি বা মোটরসাইকেল ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যাবে না। অফিসের কাজে ব্যবহার করতে হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রকল্প শেষ হলে সরকারি যানবাহন জমা দেওয়ার বিষয়টিও নিয়ম অনুযায়ী হওয়ার কথা। কেন এখনও জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে ডা. মো. আব্দুস সালামের বক্তব্য জানতে তাঁর কক্ষে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে যান। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে কামরুজ্জামান টুটুল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পাপ্পু মাহমুদ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে সমন্বয় কমিটির সভায় নতুন কমিটি গঠন করা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম লিটন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সমন্বয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মুন্সী মোহাম্মদ মনির, সদস্যসচিব অধ্যাপক এসএম চিশতি, সদস্য গাজী সালাউদ্দিন এবং কাজী হারুনুর রশিদ। এছাড়া প্রেসক্লাবের বর্তমান সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম ও সাধারণ সম্পাদক এনায়েত মজুমদারও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি কামরুজ্জামান টুটুল দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের ব্যুরো ইনচার্জ এবং দৈনিক কালের কণ্ঠ ও ৭১ টিভির হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু মাহমুদ দৈনিক দেশ রূপান্তরের হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি এবং দৈনিক শপথের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—সহসভাপতি মো. মেহেদী হাছান সর্দার ও মো. সাইফুল ইসলাম সিফাত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মিরাজ মুন্সী ও মো. মঞ্জুর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মহিন উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মো. হাবীব উল্যাহ, দপ্তর সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, প্রচার সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক সুমন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সুজন দাস।
কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. আরিফ ইমাম মিন্টু, খালেকুজ্জামান শামীম, মহিউদ্দিন আল আজাদ, হাছান মাহমুদ, এনায়েত মজুমদার, খন্দকার আরিফ, কাউছার আহমেদ রিপন, রেজাউল করিম নয়ন ও মুনছুর আহমেদ বিপ্লব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ