ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইডটকো ও ফ্লোসোলারের চুক্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাব্যতা যাচাই


ইডটকো ও ফ্লোসোলারের চুক্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাব্যতা যাচাই

দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অবকাঠামো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইডটকো বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে এ লক্ষ্যে ফ্লোসোলার সলিউশনস লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফ্লোসোলারের সঙ্গে যৌথ এই উদ্যোগের মাধ্যমে টেলিকম টাওয়ার পরিচালনায় পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, সম্ভাব্য সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে ইডটকোর টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর কার্যক্রমে সরবরাহের সুযোগ যাচাই করবে উভয় প্রতিষ্ঠান। এ লক্ষ্যে ফ্লোসোলার সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের স্থান নির্বাচন, গ্রিড সংযোগ এবং প্রকল্প উন্নয়নের দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে, ইডটকো উপযুক্ত স্থান চিহ্নিত করা এবং বিদ্যুতের চাহিদা মূল্যায়নে সহযোগিতা করবে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ উদ্ভাবন বাণিজ্যিক কাজে লাগানোর উদ্যোগ

এই অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য হলো ইডটকোর টেলিকম টাওয়ার পরিচালনায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করা। এর ফলে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য আনা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং ডিজিটাল অবকাঠামোর দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ মন্তব্য করেন, "ডিজিটাল অবকাঠামোর পরিসর প্রতিনিয়ত বাড়ছে। একই সঙ্গে এসব অবকাঠামোয় বিদ্যুৎ সরবরাহের পদ্ধতি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।" তিনি আরও জানান, "বৃহৎ পরিসরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাইয়ের মাধ্যমে এই উদ্যোগ কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।"

ফ্লোসোলার সলিউশনস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা আজিম কাসেম খান বলেন, "টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সচল থাকে। ফলে এ খাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি উল্লেখ করেন, "এই সমঝোতা স্মারক দুই প্রতিষ্ঠানকে ধাপে ধাপে নেটওয়ার্কে পরিচ্ছন্ন ও দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ সরবরাহের একটি পরিকল্পিত কাঠামো তৈরিতে সহায়তা করবে।"

প্রস্তাবিত মডেল অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদন অবকাঠামোতে ইডটকোকে কোনো প্রারম্ভিক মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে না। ফ্লোসোলার সম্ভাব্য প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন ও অর্থায়নের দায়িত্ব পালন করবে। এর ফলে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং চূড়ান্ত বাণিজ্যিক ও নিয়ন্ত্রক শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে ইডটকো দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সংগ্রহের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরের ব্যবসায়ীদের অনলাইনে ইলিশ বিক্রিতে জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স নিতে হবে

প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, প্রতি ১০০ মেগাওয়াট পিক উৎপাদনক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বছরে প্রায় ১৩০ গিগাওয়াট-ঘণ্টা নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এতে বছরে প্রায় ৮০ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ এড়ানো যাবে। তবে প্রকৃত উৎপাদন ও কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের পরিমাণ নির্ভর করবে চূড়ান্ত প্রকল্পের ধরন, প্রযোজ্য গ্রিড নিঃসরণ সূচক এবং গ্রিডের প্রচলিত বিদ্যুতের কতটুকু প্রতিস্থাপিত হচ্ছে তার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, গ্রেপ্তার ৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, গ্রেপ্তার ৩ জন

সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার এবং এর সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তাঁর নির্দেশনার পর বিষ বিক্রেতাসহ এই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ সোহেল শেখ (৩৬), তার স্ত্রী লাইজু বেগম (৩২) এবং বিষ বিক্রেতা মোঃ সেলিম মিয়া (৫২)। সোহেল ও লাইজুর বিরুদ্ধে বন বিভাগের টহল দলের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে।

গত ২ নভেম্বর সুন্দরবনের ছোট জোংড়া খালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জোংড়া বন টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ মতিউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে টহল দেয়ার সময় খালের পানিতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের অভিযোগে একটি নৌকা জব্দ করতে যান। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কয়েকজন তাঁদের ওপর হামলা চালান। হামলায় ফাঁড়ির ইনচার্জ মতিউর রহমান এবং নৌকার চালক মোঃ এরশাদ আলী আহত হন।

এজাহার অনুযায়ী, সোহেল শেখ ধারালো দা দিয়ে এরশাদ আলীকে কোপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে বৈঠা দিয়ে মতিউর রহমানের মাথায় আঘাতের চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করতে গিয়ে তাঁর ডান হাতে আঘাত লাগে।

এই ঘটনায় ফাঁড়ির ইনচার্জ মতিউর রহমান বাদী হয়ে সোহেল শেখ (৩৬), তাঁর স্ত্রী লাইজু বেগম (৩২), ইউনুস আলী (৩৮) ও নূপুর খী (৩০) এর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে দাকোপ থানায় মামলা দায়ের করেন। এদের সবার বাড়ি মোংলার জয়মনি এলাকায়। গত ৪ নভেম্বর মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

এদিকে শনিবার রাতে মোংলা ও দাকোপ থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে জয়মনি এলাকা থেকে সোহেল ও লাইজুকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা মোংলা বাজারের সার ও কীটনাশক বিক্রেতা সেলিম মিয়ার দোকান থেকে মাছ শিকারের বিষ কেনার তথ্য দেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। পরে একই রাতে সেলিম মিয়াকেও গ্রেপ্তার করে দাকোপ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দাকোপ থানার ওসি মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, রোববার দুপুরে আটক তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নজরে এলে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ ও বন বিভাগ বিষ দস্যুদের আটকাতে তৎপর হন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, "বিষ বিক্রি ও বিষ দিয়ে মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত ছাড় দেওয়া হবে না। সুন্দরবনে এ অপরাধ কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।" এ অপরাধে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চক্ষুসেবায় ৭ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


চক্ষুসেবায় ৭ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত

দেশে প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী কমানোর লক্ষ্যে স্বাস্থ্যখাতের পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি, শিল্পসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে তিন বছর মেয়াদি বহুখাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত এই পরিকল্পনার আওতায় চক্ষুসেবার প্রসার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বয় এবং সেবার মানোন্নয়নে কাজ করা হবে।

রবিবার (৮ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক জাতীয় কর্মশালায় ‘বাংলাদেশে চক্ষুস্বাস্থ্যের বহুখাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০২৭–২০২৯)’ চূড়ান্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘের সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত ও চক্ষুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের সহযোগিতায় চক্ষুস্বাস্থ্যবিষয়ক বহুখাতীয় জাতীয় প্ল্যাটফর্মটি চালু করেছে দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন (এফএইচএফ)। এতে অংশীদার হিসেবে রয়েছে সাইটসেভার্স এবং আন্তর্জাতিক এনজিও ফোরাম ফর আই হেলথের সদস্যরা। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগিতায় প্ল্যাটফর্মটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি শিক্ষা, শ্রম ও কর্মসংস্থান, কৃষি, শিল্প, মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে যুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, চক্ষুস্বাস্থ্যকে শুধুমাত্র চিকিৎসাসেবার বিষয় হিসেবে দেখা যাবে না। মানুষের শিক্ষা, কর্মক্ষমতা, উৎপাদনশীলতা ও সামাজিক অংশগ্রহণের সঙ্গেও এটি সরাসরি সম্পর্কিত। তাই অন্ধত্ব ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা মোকাবেলায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এবং জাতীয় প্ল্যাটফর্মের সভাপতি মো. মহসিন। তিনি জাতীয় পর্যায়ে চক্ষুসেবার উন্নয়নে বিভিন্ন খাতের সম্মিলিত অঙ্গীকার ও কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

কর্মপরিকল্পনার মূল রূপরেখা তুলে ধরেন জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এবং প্ল্যাটফর্মের সহসভাপতি ডা. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির। তিনি পরিকল্পনার কৌশলগত অগ্রাধিকার, বিষয়ভিত্তিক কর্মক্ষেত্র এবং প্রস্তাবিত কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে চোখের স্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবিষয়ক বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি জরুরি। বিভিন্ন খাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে আর্থসামাজিক অবস্থার ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজনীয় চক্ষুসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করতে চায়।

কর্মশালায় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা ও দায়িত্ব, কৌশলগত অগ্রাধিকার এবং বাস্তবায়নের ধাপ ও লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আলোচনা হয়। ২০২৭–২০২৯ সালের মধ্যে বিভিন্ন পক্ষের অংশগ্রহণে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ তৈরি করাই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চক্ষুসেবায় বাংলাদেশ অগ্রগতি করলেও প্রতিরোধযোগ্য দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা ও অন্ধত্ব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সেবার বিস্তার এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় চক্ষুস্বাস্থ্যকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশনের দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ক্লাস্টার ডিরেক্টর মোসাব্বির আলম বলেন, সম্মিলিত অঙ্গীকারকে সমন্বিত কার্যক্রমে রূপ দেওয়া এখন প্রধান অগ্রাধিকার। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

কর্মপরিকল্পনাটির লক্ষ্য হলো বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দক্ষতা ও সম্পদের কার্যকর ব্যবহার করে দেশব্যাপী চক্ষুসেবার পরিধি বাড়ানো। তবে পরিকল্পনার সাফল্য নির্ভর করবে নির্ধারিত কর্মসূচির বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর জবাবদিহির ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোর বিবাদ ভুলে সামনে এগোচ্ছেন হ্যামিলটন-লেক্লের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


মেক্সিকোর বিবাদ ভুলে সামনে এগোচ্ছেন হ্যামিলটন-লেক্লের

মেক্সিকো গ্রাঁ প্রিতে লুইস হ্যামিলটন জানিয়েছেন যে, সতীর্থ চার্লস লেক্লেরের সঙ্গে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে। ব্রাজিলের সাও পাওলো গ্রাঁ প্রির আগে ফেরারি দলের প্রধান ফ্রেডেরিক ভাস্যুরের উপস্থিতিতে দুজনের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হ্যামিলটন উল্লেখ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি মিটে গেছে এবং এখন তাঁরা সামনে এগিয়ে যেতে চান।

মেক্সিকো গ্রাঁ প্রির প্রথম ল্যাপে দুই ফেরারি চালকের দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে রেস জিতেছিলেন ম্যাক্স ভার্স্টাপেন। ওই ঘটনার পর লেক্লেরের প্রতি সমালোচনা করেছিলেন হ্যামিলটন। তিনি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে দুই চালকের মধ্যে লড়াইয়ের নিয়ম আরও স্পষ্ট করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিলেন। সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে হ্যামিলটন এ বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাজিলে হ্যামিলটন, লেক্লের ও দলের প্রধান ভাস্যুর বৈঠকে বসেন। শনিবার আলোচনার পর প্রথমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে হ্যামিলটন বলেন, ‘চার্লস ও আমি বসে কথা বলেছি। বিষয়টি মিটিয়ে নিয়েছি, এখন সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের মধ্যে এখনো অনেক সম্মান রয়েছে। কথা বলতে পেরে ভালো লেগেছে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা একে অপরের সঙ্গে ভালো আছি। কখনো কখনো এমন পরিস্থিতিতে আলোচনার প্রয়োজন হয়। কারও পক্ষ থেকে কোনো দাবি ছিল না। দুজনই নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কোথায় উন্নতি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেছি। সামনে আরও ভালো রেস করার আশা করছি।’

লেক্লেরও জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে বিরোধের অবসান ঘটেছে। তাঁর ভাষায়, ‘গত এক সপ্তাহে অনেক কিছু ঘটেছে, সম্ভবত প্রয়োজনের চেয়েও বেশি। আমরা কথা বলেছি। আমার মনে হয়, সবকিছু মিটে গেছে। এখন সপ্তাহান্তের বাকি অংশের দিকে মনোযোগ দিতে চাই।’

ফেরারি দলের প্রধান ভাস্যুর জানিয়েছেন, দুই চালকের জন্য দলের নির্ধারিত নিয়মে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর মতে, পরপর কয়েকটি রেসে পাশাপাশি অবস্থান থেকে শুরু করার কারণে দুই চালকের মধ্যে কিছুটা হতাশা জমেছে। তবে দলের স্বার্থ ও একে অপরের প্রতি সম্মান বজায় রাখার নির্দেশনা আগের মতোই রয়েছে।

ভাস্যুর বলেন, ‘নির্দেশনা একই আছে। তাদের একে অপরকে সম্মান করতে হবে। দুজনই প্রতিদ্বন্দ্বী এবং জয়ের জন্য লড়াই করে, কিন্তু সতীর্থের প্রতি সম্মান থাকা জরুরি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, দল, ব্র্যান্ড এবং কারখানা ও ট্র্যাকে কাজ করা মানুষদের সম্মান করা।’

এদিকে ইতালির মোনজা গ্রাঁ প্রিতেও প্রথম ল্যাপে হ্যামিলটন ও লেক্লেরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। ওই ঘটনায় হ্যামিলটন ট্র্যাকের বাইরে চলে গিয়ে কয়েকটি অবস্থান হারান। তখন নিজের ভুল স্বীকার করেছিলেন লেক্লের।

এদিকে নতুন পাওয়ার ইউনিট ব্যবহারের কারণে সাও পাওলো গ্রাঁ প্রিতে পেছন থেকে রেস শুরু করবেন হ্যামিলটন। অন্যদিকে নতুন ইন্টারনাল কম্বাসশন ইঞ্জিন ব্যবহারের কারণে ১০ গ্রিড পেনাল্টি পেয়ে ১৪তম স্থান থেকে শুরু করবেন লেক্লের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ উদ্ভাবন বাণিজ্যিক কাজে লাগানোর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ উদ্ভাবন বাণিজ্যিক কাজে লাগানোর উদ্যোগ

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও জ্ঞানকে কাজে লাগানোর জন্য এবং তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টিতে একটি বড় উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এই উদ্যোগের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প যৌথ গবেষণায় অর্থায়ন বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর কার্যালয় (টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস—টিটিও) প্রতিষ্ঠা এবং স্টার্টআপ ইনকিউবেটর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

রবিবার (৮ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম (আইআইইউসি)-তে তিন দিনব্যাপী ‘পঞ্চম ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইনোভেশনস ইন সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এই আশার কথা জানান।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ গবেষণার পরিধি কেবল গবেষণাপত্র লেখা ও প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “গবেষণার ফলাফলকে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান, প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং শিল্পের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগাতে হবে। গবেষণার সাফল্য শুধু প্রকাশনা বা উদ্ধৃতির সংখ্যা দিয়ে মূল্যায়ন না করে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, কার্যকর প্রোটোটাইপ তৈরি এবং মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের মাধ্যমেও মূল্যায়ন করতে হবে।”

তিনি দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো বিদেশি প্রযুক্তি ও পরামর্শসেবার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল উল্লেখ করে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সরবরাহব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়করণ, তৈরি পোশাক খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার কিংবা বিদ্যুৎ সঞ্চালনব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির মতো সমস্যাগুলোর দেশীয় সমাধান দেওয়ার সক্ষমতা দেশের গবেষকদের রয়েছে। এই লক্ষ্যে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণাগারে বিনিয়োগের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি গবেষকদেরও শিল্পের বাস্তব চাহিদা চিহ্নিত করতে সরাসরি কারখানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পের যৌথ গবেষণায় অর্থায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘টিটিও’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উদ্ভাবনের পেটেন্ট গ্রহণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে স্টার্টআপ ইনকিউবেটর প্রতিষ্ঠায় কৌশলগত অনুদান দেওয়া হবে।

দেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা এবং আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য অর্জনে তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও জীবপ্রযুক্তির মতো সম্ভাবনাময় খাতে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%