মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
০৮:০৬ পি.এম
“তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি”- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে ১২ জুলাই রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আইইএম ইউনিটের আয়োজনে ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের বাস্তবায়নে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মিছবাহ উদ্দিন আহাম্মদ এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী আবু হামজা এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আদনান আখতার।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন, সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাইয়ুম, ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মোবারক হোসেন ও উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. লিপি আক্তার।
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিবার কল্যাণ সহকারী, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক ও পরিদর্শিকাবৃন্দ, পরিবার পরিকল্পনা সহকারীগণ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা পরিবার পরিকল্পনা সেবার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের ভূমিকা অপরিসীম। তবে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে পরিবার কল্যাণ সহকারী ও পরিদর্শিকারা যে সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হন, তা নিরসনে প্রশাসনিক নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কর্মীদের যাতায়াত ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। কয়েকজন ভুক্তভোগী কর্মী জানান, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তারা নিয়মিত সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন, তবে কাজের যথাযথ মূল্যায়ন ও মাঠ পর্যায়ে তদারকি আরও জোরদার করা হলে সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। সেবা প্রদানকারীদের এই সরাসরি বক্তব্য ও বাস্তব পরিস্থিতির বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট হয় যে, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের কাজের পরিবেশ উন্নত করা এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের মধ্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ তাদের বক্তব্যে সরকারি সেবার সুফল প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে নিয়মিত মনিটরিং ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আলোচনা সভা শেষে মা ও শিশু স্বাস্থ্য, কিশোর স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পরিবার কল্যাণ সহকারী দোলেনা আক্তার, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক মো. মুহসিন খাঁন এবং পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা আফরোজা খানম-কে সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হিসেবে রামদী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে সদর ইউনিয়ন (কুলিয়ারচর পৌরসভা)-কে সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়, যা মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের কাজের গতি বৃদ্ধিতে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে হত্যা মামলায় আদালত একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুইজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ এর বিচারক মো: নেজাম উদ্দীন এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার সুরুজ্জামানের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (২৫)। অন্যদিকে, কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন একই এলাকার গোলাম মোস্তাফা গোলাপের স্ত্রী লাভলী বেগম (৪০) এবং তার কন্যা আরফিন আক্তার তিশা (২০)।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার মঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম তাকি (২২) এর সঙ্গে গোলাম মোস্তফা গোলাপের কন্যা আরফিন আক্তার তিশার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি এলাকার গফুর কাজির ছেলে শিপন কাজি (২৩) দেখেন। শিপন কাজি বিষয়টি নাজমুল ইসলাম তাকি, আফরিন আক্তার তিশা এবং তাদের বাবা-মা এবং এলাকার লোকজনকে জানিয়ে দেয়।
এরপর ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে শাহবাজপুর এলাকার সুরুজ্জামানের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫), প্রেমিক নাজমুল ইসলাম তাকি, প্রেমিকা আরফিন আক্তার তিশা, তার ভাই মাহবুব হাসান তাকি এবং মা লাভলী বেগম ফোন করে শিপন কাজিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। কিন্তু শিপনের বাড়ির লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর তাকে না পেয়ে জামালপুর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে পুলিশ ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে আরিফুল ইসলামের বাড়ির পিছনের জঙ্গলে পরিত্যক্ত টয়লেটের টাংকির মধ্যে থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় শিপনের মরদেহ উদ্ধার করে।
এই ঘটনায় নিহতের বাবা গফুর কাজি ঐ দিনই পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট দিদারুল ইসলাম দিদার এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোতাকব্বির হোসেন রুবেল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
০৮/০৭/২৬ ইং তারিখ বদলগাছি থানাধীন পারআধাই পুর গ্রামে বুড়াকালী মন্দিরের পাশে রাত আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে গলা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত ছুরিকাঘাত অবস্থায় একজন মহিলাকে বদলগাছি থানা পুলিশ চিকিৎসার জন্য বদলগাছি হাসপাতালে ভর্তি করায়। শারিরীক অবস্থার অবনতি হকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মহিলার নাম তহমিনা @রেবা স্বামী শফিকুল ইসলাম সাং ধুরাইল থানা ধামইর হাট জেলা নওগাঁ।
ঘটনাটা পুলিশ সুপার নওগাঁ জানার পর বদলগাছি থানাকে মামলা রুজু করে করে মামালার রহস্য উদঘাটন করে আসামি গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ কে মামালার মুল রহস্য উদঘাটন, আসামি সনাক্ত করণ করে গ্রেফতারের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেন। জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা স্পেশাল টীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমান ও প্রযুক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে বিচার বিশ্লেষণ করে ঘটনা সংক্রান্তে আসামি সনাক্ত করে। আসামি সনাক্ত করার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা গাজিপুর ও ঢাকায় অভিযান পরি চালনা করে ঢাকা মেট্রপলিটন শাহ আলী থানা এলাকা হতে ১১-০৭-২৬ তারিখ বিকেলের দিকে আসামি সৌখিন (২৫) পিতা মোনায়েম গ্রাম মদনচক থানা মান্দা জেলা নওগাঁ কে গ্রেফতার করা হয়। অতঃপর আসামি সৌখিন কে জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে গ্রেফতারকৃত সৌখিন পুলিশের কাছে তাহমিনাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার কথা স্বীকার করে।
আসামি সৌখিন কে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তির পূর্বে দর্শকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে তামিল সুপারস্টার বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়াগন’। বিজয়ের এই সিনেমাকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহের প্রতিফলন অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে দৃশ্যমান হয়েছে।
সম্প্রতি, ছবিটি ভারতের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র প্রশংসাপত্র বোর্ড (সিবিএফসি) থেকে প্রদর্শনের অনুমতি পেয়ে গেছে। আগামী ২৪ জুলাই ‘জন নায়াগন’ বিশ্বব্যপী মুক্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ছবির পরিবেশক আহিমসা এন্টারটেইনমেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর জানিয়ে জানিয়েছে, দর্শকরা এখন সিনেওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি দাবী করেছে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিপুলসংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবেশক সংস্থার দাবি, টিকিট বিক্রি শুরুর প্রথম ঘণ্টাতেই হাজার হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে।
তাদের মতে, বিজয়ের শেষ অভিনীত সিনেমাকে ঘিরে দর্শকদের যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, এর মাধ্যমে এই অগ্রিম বুকিং তারই স্পষ্ট প্রমাণ।
রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর ‘জন নায়াগন’কে বিজয়ের শেষ সিনেমা বলে মনে করা হচ্ছে।
ফলে, ছবিটির মুক্তিকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশে তার ভক্তদের মধ্যে একটি বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ