মোঃ এমাদ মিয়া, নরসিংদী প্রতিনিধি
০৯:১৭ পি.এম
নরসিংদীর কামারগাঁও এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে এক মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) অপরাহ্নে কামারগাঁও শাহী ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় কামারগাঁও এলাকাবাসী-এর উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী সদর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক। এ ছাড়াও নরসিংদী জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে পুলিশের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।"
সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এ আর এম আল মামুন। তিনি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং তরুণদের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং কামারগাঁও এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা নিজ নিজ এলাকাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রয়োজনে আমি এটিকে �দৈনিক ইত্তেফাক, যুগান্তর, কালের কণ্ঠ বা স্থানীয় পত্রিকার নিউজ স্টাইলে আরও আকর্ষণীয়ভাবে সাজিয়ে দিতে পারি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৪টায় বিএমপির কোতোয়ালি মডেল থানা আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনকালে তিনি থানার সার্বিক কার্যক্রম, কর্মকর্তা ও সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার থানার আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাদক ও জুয়াবিরোধী অভিযান, অনলাইন জুয়া দমন, মামলা তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট তামিল, সিডিএমএস ব্যবস্থাপনা, চুরি ও দস্যুতা প্রতিরোধ, ইভটিজিং, সাইবার অপরাধ এবং কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ থানার সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। এসব বিষয়ে তিনি পরিদর্শন বইতেও প্রয়োজনীয় মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে পুলিশ কমিশনার থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রত্যাশিত সেবা দ্রুত ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিশ্চিত করতে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-কে নির্দেশ দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শরফুদ্দীন, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি) অলক কান্তি শর্মা, কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলামসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা।
বিএমপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, জনসেবার মানোন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং থানার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরের ৮ নং ওয়ার্ডের টেংরী এলাকায় সন্ত্রাস,চুরি, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত করতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধায় টেংরি সিএন্ডবি মোড়ে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর সভার মেয়র পদপ্রার্থী খন্দকার মোতালিব হোসেন। এসময় তিনি টেংরি এলাকা সহ পৌর শহরকে
একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত পৌরসভা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেন। এসময় তিনি বলেন, এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি জনগণের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আপনাদের ভালোবাসা, সহযোগিতা ও দোয়াই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আজ টেংরী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে একমত পোষন করেন।
এসময় তিনি আরও জানান, আগামী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আপনাদের মূল্যবান ভোট, দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি নিরাপদ, উন্নত, সুশাসিত ও জনবান্ধব পৌরসভা গড়ে তুলি। এসময় পৌর বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সহ ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মী ও টেংরি এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এআই প্রযুক্তিকে মানবজাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেওয়া যাবে না।
জেনেভা থেকে এএফপি জানায়, সোমবার জেনেভায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল ডায়ালগ অন এআই গভর্ন্যান্স’-এর প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, সরকার, প্রযুক্তি কোম্পানি, শিক্ষাবিদ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সংলাপ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন এআই ‘নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে’ এগিয়ে চলেছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের নিজেদের সমাজের ওপর কোনো পরিকল্পনা ছাড়া এবং জনগণের সম্মতি ছাড়াই এক ধরনের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা টেকসই নয়।’
গুতেরেস বলেন, ‘এআই ইতোমধ্যে আমাদের বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো, আমরা কি সম্মিলিতভাবে এ পরিবর্তনের দিকনির্দেশনা দেব, নাকি এটিই আমাদের পরিচালিত করবে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, এআই ব্যবস্থা এখন আর কেবল নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকা একটি প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম নয়।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘এগুলো এখন নিজেই কোড লিখছে, অনলাইনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং মানুষের তত্ত্বাবধান ক্রমাগত কমে যাওয়ার মধ্যে নিজস্ব সিদ্ধান্তও নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো এমন যন্ত্র পরিচালনার জন্য গড়ে উঠেছে, যেগুলো মানুষের নির্দেশ অনুসরণ করে। কিন্তু যে যন্ত্র নিজেই সিদ্ধান্ত নেয়, সেগুলো পরিচালনার জন্য এসব প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত নয়।’
গুতেরেস উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এআই সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য আরও অস্পষ্ট করে তুলছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এআইয়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং তার দেওয়া ফলাফল অন্ধভাবে বিশ্বাস করার প্রবণতাও বাড়ছে।
তিনি বলেন, নিজে প্রোগ্রামিং না করে এআইকে কী করতে হবে তা নির্দেশ দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি, অর্থাৎ তথাকথিত ‘ভাইব-কোডিং’, অনেক বিস্ময়কর কাজ করতে পারে।
তবে তিনি বলেন, ‘সত্যকে ভাইব-কোড করা যায় না। মানবজাতির ভবিষ্যৎও ভাইব-কোড করা যায় না।’
ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ বড় ঝুঁকি। গুতেরেস বলেন, এআই-সংশ্লিষ্ট আরেকটি বড় ঝুঁকি হলো, এ প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ অল্প কয়েকটি কোম্পানি ও অল্প কয়েকটি দেশের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ছে।
তিনি বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেরই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো ভূমিকা নেই, যা তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে দেশগুলোর সামনে দুটি পথ খোলা রয়েছে, পরিকল্পিত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা অথবা কোনো দিকনির্দেশনা ছাড়াই পরিস্থিতির স্রোতে ভেসে যাওয়া।
জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার বিস্তৃত সুযোগ নিশ্চিত করাসহ বহু ক্ষেত্রে এআই বিপুল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ প্রযুক্তির উন্নয়ন অবশ্যই নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং সবার জন্য সমান সুফল নিশ্চিত করার নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হতে হবে।
তিনি এআইয়ের ঝুঁকি মূল্যায়ন ও যাচাইয়ের জন্য অভিন্ন পদ্ধতি এবং যৌথভাবে নির্ধারিত মানদণ্ড প্রণয়নের আহ্বান জানান। বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ এআই ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
গুতেরেস বলেন, ‘নিরাপদ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো ওষুধ শিশুর হাতে তুলে দিই না। প্রতিটি খেলনা পরীক্ষা করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘কিন্তু এআই ইতোমধ্যেই আমাদের শিশুদের শিক্ষা, বন্ধুত্ব এবং তাদের সবচেয়ে ব্যক্তিগত প্রশ্নের জগতে প্রবেশ করেছে—এটি তাদের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, সেই প্রশ্ন তোলার আগেই।’
তিনি শিশুদের সুরক্ষায় একটি ‘এআই চাইল্ড সেফটি প্লেজ’ গ্রহণের আহ্বান জানান। এর আওতায় শিশুদের জন্য উন্মুক্ত প্রতিটি এআই ব্যবস্থা নিরাপদ এবং যৌন নির্যাতনের বিষয়ে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করছে—এটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে প্রমাণ করতে হবে।
তিনি বলেন, কোনো শিশুর মানসিক বিপর্যয়ের লক্ষণ দেখা দিলে এআই ব্যবস্থাকে তাকে অবশ্যই বাস্তব মানবিক সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘অনিয়ন্ত্রিত এআইয়ের পরীক্ষাগারের ইঁদুর হিসেবে কোনো শিশুকে ব্যবহার করা যাবে না।’
‘ঘাতক রোবট’ নিষিদ্ধের আহ্বান। গুতেরেস বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এআই সক্ষমতা ও প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার বাড়ানোও অত্যন্ত জরুরি, যাতে বিদ্যমান গভীর ডিজিটাল বৈষম্য ‘এআই বৈষম্যে’ পরিণত না হয়।
তিনি জানান, দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা এবং সাশ্রয়ী কম্পিউটিং সুবিধা নিশ্চিত করতে ‘গ্লোবাল ফান্ড ফর এআই’ গঠনের প্রস্তাব তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করবেন।
এআইয়ের পরিবেশগত প্রভাব কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে তাদের ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত প্রভাব প্রকাশ করতে হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সব ডেটা সেন্টার নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে পরিচালনার অঙ্গীকার করতে হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, সামরিক ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার, বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় প্রাণঘাতী অস্ত্রব্যবস্থা নিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।
তিনি বলেন, ‘এসবকে প্রকৃত নামেই ডাকা উচিত, ঘাতক রোবট।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের নিয়ন্ত্রণ ও বিবেচনা ছাড়াই লক্ষ্য নির্বাচন, আক্রমণ এবং প্রাণহানি ঘটাতে সক্ষম এমন যন্ত্র নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অস্ত্র আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করতে হবে।’
গুতেরেস বলেন, এআইকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করতে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘মানুষ ও যন্ত্রের সহাবস্থানের শর্ত নির্ধারণ করার সুযোগ হয়তো আমাদের প্রজন্মের হাতেই শেষবারের মতো রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ সুযোগের দরজা এখনো খোলা আছে। তবে এটি বেশিদিন খোলা থাকবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানে সড়কের ওপর বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রামের সাথে বাসসহ সমস্ত ধরনের ভারী যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে গেছেন চট্টগ্রাম ও ঢাকাগামী যাত্রীরা। তাছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় পুরো শহর অন্ধকারে রয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের রেইচা বাজার এলাকায় ৩৩ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুতের খুঁটি সড়কে পড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা গেছে, টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রেইচা এলাকায় খুঁটিটির নিচ থেকে মাটি সরে যায়। এর ফলে খুঁটিটি কাত হয়ে সড়কের ওপর পড়ে গেলে বাস, ট্রাকসহ সমস্ত ধরনের ভারী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
তবে বিকল্প হিসেবে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ ও মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারছে। অনেকেই পায়ে হেঁটে ওই স্থানটি পার হয়ে সিএনজি, নোয়া বা মোটরসাইকেলে করে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। এদিকে বিদ্যুতের খুঁটিটি পড়া যাওয়ার ফলে সন্ধ্যা থেকেই বান্দরবান শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে; ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বান্দরবান বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ আমির হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে মাটি সরে ৩৩ কেভির একটি পোল রাস্তায় পড়ে গেছে। আমাদের কাছে যে ক্রেন আছে, সেটি দিয়ে এটি সরানো সম্ভব হচ্ছে না। আমরা খবর দিয়েছি, চট্টগ্রামের মইজ্জারটেক থেকে একটি বড় ক্রেন আসছে। সেটি আসার পর আমরা পোলটি সরাতে পারব, এতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগবে। রাত ১২টার মধ্যে আশা করি বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করতে পারব।’
উল্লেখ্য, টানা বৃষ্টিপাতের ফলে বান্দরবানের বিভিন্ন স্থানে সড়কে মাটি ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে তা অপসারণ করে সড়ক যোগাযোগ সচল রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ