ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নকলায় এসবিসি প্রকল্পের মতবিনিময় সভা


নকলায় এসবিসি প্রকল্পের মতবিনিময় সভা

শেরপুরের নকলায় মা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের কল্যাণে জনসম্পৃক্ততায় সামাজিক ও আচরণ পরিবর্তন (এসবিসি) প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির আয়োজনে ও ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

সভায় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রোমান হাসান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাফায়েত হোসেন সৌরভ, সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা (শাওন), স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মীগন, জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তার প্রকল্পের উদ্দেশ্য, প্রকল্পে সম্পৃক্ত দপ্তর ও অংশীজন এবং এর মূলকার্যক্রম সমূহ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো গর্ভবতীদের গর্ভকালীন অন্ততপক্ষে ৪টি সেবা ও প্রসূতিদের প্রসব পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা। জনগণকে প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারিতে উৎসাহিত করা। গর্ভবতী নারী, প্রসূতি মা ও শিশুদের পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস তৈরীতে ইতিবাচক আচরণ চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা। নবজাতক শিশুর ৫টি অত্যাবশ্যকীয় সেবা সম্পর্কে জনগনকে উদ্বুদ্ধ করা এবং এই আচরণ চর্চায় সাহায্য করা। ১ দিন থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের ইপিআই টিকা নিশ্চিতকরণে অভিভাবক ও পরিচর্যাকারীদের উদ্বুদ্ধ করা। শিশুর জন্মের পর ছয়মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে পরিবারের সদস্যদের সচেতন করা এবং মায়ের জন্য সহযোগী পরিবেশ তৈরী করা। কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য অধিকার, বয়ঃসন্ধিকালীন পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা। মা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে জনপ্রতিনিধি, সামাজিক নেতা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তি এবং সিজি কমিটির সদস্যদেরকে সক্রিয় করা। প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করা। জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে সেবার মান বৃদ্ধি করা ও কমিউনিটি একাউন্টেবিলিটি সিস্টেম তৈরি করা।

এছাড়া প্রকল্পটির অংশীজন হলেন, জেলা-উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সমাজসেবা বিভাগ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার, এনজিও, কমিউনিটি লিডার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তি, গর্ভবতী, প্রসূতি, অভিভাবক, পরিচর্যাকারী ও কিশোর-কিশোরী। এদের সাথে সমন্বয় করে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে নার্গিস আক্তার জানান।

জানাগেছে, এই প্রকল্পের কর্মকর্তাদের মূলকার্যক্রম হলো, মা-দলের ইস্যুভিত্তিক উঠানবৈঠক, কিশোর দল ও কিশোরী দলের ইস্যুভিত্তিক উঠানবৈঠক, পুরুষদের নিয়ে ইস্যুভিত্তিক টি-স্টল সভা, গার্লস গাইড ও বয়েজ স্কাউট সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন, জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের ওরিয়েন্টেশন, সিজি কমিটির সদস্যর সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন, কমিউনিটি ডায়ালগ ও অ্যাকশন প্ল্যান, স্থানীয় প্ল্যাটফর্ম ও নেটওয়ার্ক সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন, ওয়ার্ডভিত্তিক লোকসঙ্গীতের আয়োজন, স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মীদের প্রশিক্ষণ, মতবিনিময় ও ভিজিট করা।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচয় লুকাতে পরা হুডিই ধরিয়ে দিল কেতনের খুনিকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


পরিচয় লুকাতে পরা হুডিই ধরিয়ে দিল কেতনের খুনিকে

ভারতের পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন ওঠা নতুন কিছু নয়। এই মৃত্যু যে সিনেমা নয়, তা স্পষ্ট। বাগদত্তা সিয়া গোয়াল এবং তার প্রেমিক চেতন বাবুলাল চৌধুরীর নিখুঁত পরিকল্পনা কেতনের মৃত্যুর পেছনে।

গত ফেব্রুয়ারিতে কেতন আগরওয়াল এবং সিয়া গোয়ালের বাগদান হয়। জমকালো বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। বিয়ের জন্য জয়পুরে ১৭ কোটি টাকায় রাজপ্রাসাদ ভাড়া নেওয়া হয়েছিল, অতিথিদের আনা-নেওয়ার জন্য দুটি বিমানও ভাড়া হয়েছিল। তবে সিয়া গোয়ালের মন ছিল অন্যদিকে। তার মনিয়ার ২২ বছর বয়সী প্রেমিক চেতন চৌধুরীর ওপর।

বিয়ের পরিকল্পনা এগোলেই সিয়া এবং চেতন মিলে কেতনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। সিয়া প্রথমে মনে করেছিলেন দেশের বাইরে কোনো নিরিবিলি স্থানে কেতনকে হত্যা করবেন। কিন্তু সে বিষয়টি একা সম্ভব হয়নি। কেতনের ট্র্যাকিংয়ের প্রতি আগ্রহকে কাজে লাগানো হয়। ৩১ মে কেতন এবং সিয়া পুনের লোহাগড় দুর্গে ট্র্যাকিংয়ের জন্য যান। কিন্তু সেবার সিয়ার পরিকল্পনা সফল হয়নি।

৬ জুন তাদের ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যাওয়ার কথা ছিল প্রি-ওয়েডিং ফটোশ্যুটের জন্য। কিন্তু সিয়া সেখানে যেতে চাননি। এদিকে, বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে মুম্বাইয়ের একটি রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে গিয়ে সিয়া কেতনের ব্যাগ থেকে পাসপোর্টটি চুরি করে ফেলে। মুম্বাই এয়ারপোর্টে গিয়ে কেতন দেখেন তার পাসপোর্ট নেই, ফলে বালি যাওয়া বাতিল হয়।

১৪ জুন আবার তারা লোহাগড় দুর্গে যান। সেখানে সিয়া কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু কেতনের অভিজ্ঞতার জন্য তা সফল হয়নি। ১৯ জুন সিয়ার জন্মদিনের আগে তারা ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে ফের যান। এবার চেতনকে ডেকে এনে তারা কেতনকে ভারি বস্তু দিয়ে আঘাত করে, এরপর ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে দেন।

সার্বিক হত্যা পরিকল্পনার পেছনে সিয়া তার ইনস্টাগ্রামে কেতনের প্রতি প্রেমের অভিনয় চালিয়ে যান। তাদের ইনস্টাগ্রাম পোস্টগুলো দেখে কেউ বোঝতেও পারবেন না তার মন কেমন। সিয়ার পোস্টে কেতনের জন্য ভালোবাসার প্রকাশ ছিল। কিন্তু অবশেষে হত্যার ঘটনাটি পুলিশের কাছে ধরা পড়ে।

লোহাগড় দুর্গে কেতনের মৃত্যু দুর্ঘটনা হিসেবে ভাবা হয়েছিল। তবে পুলিশ ও কেতনের পরিবার এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকে। একটি সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের সন্দেহকে নিশ্চিত করে। সেখানে হুডি পরা এক যুবক তাদের অনুসরণ করে। ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তীব্র গরমে হুডি পরে থাকার কারণ খুঁজতে পুলিশ দুর্ঘটনার মূল পেছনের তথ্য জানতে পারে।

সাঁতার ও মোবাইল কল রেকর্ড খুঁজলে পুলিশের সন্দেহ আরও বৃদ্ধি পায়। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৪টি টেলিফোন কল হয়েছে। ২২ বছর বয়সী চেতন শুকনো ফলের ব্যবসায়ী। পুলিশ ঘটনাটির ৫ দিন পরে ২৩ জুন সিয়া এবং চেতনকে গ্রেপ্তার করে। আদালত তাদের ৭ দিন রিমান্ডে পাঠিয়েছে।

কেতন আগরওয়ালের বাবা বিশাল আগরওয়াল একটি প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি। কেতন ছিলেন সাকসেস গ্রুপের পরিচালক। কেতনকে হারিয়ে বিশাল আগরওয়াল দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তার প্রশ্ন একটাই, বিয়েতে না চাইলে বললে তো হতো, কেন কেতনকে হত্যা?

এই প্রশ্ন এখন ভারতের মানুষের মুখে মুখে। কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু বাগদত্তা ও তার প্রেমিকের পরিকল্পনায় মানুষের বিশ্বাসকে চূর্ণবিচূর্ণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কটকে ছড়াল স্কুলছাত্রকে পেটানোর ভিডিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


কটকে ছড়াল স্কুলছাত্রকে পেটানোর ভিডিও

নোয়াখালীর সেনবাগে এক স্কুলছাত্রকে মারধরের ভিডিও ধারণ করে টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে ভিডিওটি স্থানীয়দের নজরে আসে। এর আগে, গত সোমবার ২২ জুন সন্ধ্যায় উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের গোরকাটা এলাকার কাশেম খালাসি বাড়ি সংলগ্ন একটি কালভার্টের ওপর এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার মাশরাফি ইব্রাহীম (১৬) অর্জুনতলা ইউনিয়নের উত্তর গোরকাটা এলাকার সৌদি প্রবাসী নুরুল আজমের ছেলে। তিনি স্থানীয় বাতাকান্দি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী মাশরাফির অভিযোগ করে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় সেনবাগ বাজার থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে কাদরা ইউনিয়নের ইমনের নেতৃত্বে একদল কিশোর গ্যাং সদস্য তার সাইকেলের গতিরোধ করে। পরে তারা তার কাছে সিগারেট ও টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহির সঙ্গে তার বিরোধ রয়েছে দাবি করে তাকে বেধড়ক চড়-থাপ্পড় শুরু করেন। এ সময় হামলাকারীরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। যা পরে টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি রাহিকে জানালে তিনি জানান, মারধরের ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

 সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.হযরত আলী মিলন বলেন, ভিডিওটি এখনো পুলিশের নজরে আসেনি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিগত অর্থবছরে ভ্যাট বাবদ ১,৪১,৫৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে : মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


বিগত অর্থবছরে ভ্যাট বাবদ ১,৪১,৫৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে : মন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান যে, বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। তিনি এই তথ্য আজ সংসদে সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে উল্লেখ করেন। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, কতিপয় ব্যবসায়িক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এসব খাতের মধ্যে রয়েছে- মুদির দোকান, তৈরী পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিক্স এর দোকান, প্লাস্টিকের ও সিরামিকের গৃহস্থালী পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস, টাইলস এর দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্ণিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ও রেস্টুরেন্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য থ্রি-আর কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য থ্রি-আর কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাকে মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার থ্রি-আর স্ট্র্যাটেজি (রিকাভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাক্সেলারেশন) বাস্তবায়ন করছে। এই কৌশলের আওতায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে দেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত করা এবং মোট বিনিয়োগকে জিডিপির ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আজ সংসদে নেত্রকোনা-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার ব্যবসার ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত করে আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা ও ব্যয় কমিয়ে ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ উন্নত করা এবং বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এভাবে, অর্থনীতিতে বিনিয়ন্ত্রণকরণ (ডিরেগুলেশন) প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দিয়ে একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় ও বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগ উৎসাহিত হয়।

অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার বেশ কয়েকটি প্রত্যক্ষ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে- একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাবিজ চালু, ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে এফডিআই আকর্ষণে হিট ম্যাপ প্রকাশ, পটুয়াখালী ও যশোরে নতুন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের কাজ এবং কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, চাঁদপুর ও কুষ্টিয়ায় নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ।

এসব প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় আড়াই লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ), প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) এবং ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ)-সহ বিভিন্ন চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, একক পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্নিচার, ইলেকট্রনিক্স, স্টিলজাত পণ্য, প্লাস্টিক ও চামড়াজাত শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে শুল্কমুক্তভাবে কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানির সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী খাতে কাস্টমস বন্ডেড ও অনুরূপ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক বিনিয়োগের সহায়ক আর্থিক অবকাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে পুঁজিবাজার, করপোরেট বন্ড মার্কেট, মিউচুয়াল ফান্ড, গ্রিন বন্ড, সুকুক এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

একই সঙ্গে যোগ্য কোম্পানির তালিকাভুক্তি সহজ করা, তথ্য প্রকাশের শর্তাবলী বাস্তবসম্মত করা এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব সমন্বিত উদ্যোগ দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%