০৮:০২ পি.এম
রোববার দুপুরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত জমে থাকা পানি অপসারনের জন্য নির্দেশ দেন, যাতে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হয় এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা পরিদর্শন করা যায়।
আজ দুপুরে প্রশাসক গুলশান, বনানী, মহাখালী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের সড়ক, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া এবং কাজীপাড়া খাল এলাকা পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি প্রতি এলাকায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন, ড্রেন এবং নালার কার্যকারিতা ও জলাবদ্ধতার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
অন্যদিকে, প্রশাসক সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত পানি অপসারণের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি একই সঙ্গে গুলশান, বনানী ও মহাখালী এলাকায় ভবিষ্যতে যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন: ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের আহ্বান
প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদ ভবনের এলাকার সড়কে কোনো অবস্থাতেই যেন পানি জমে না থাকে, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বরাবর বলেছিলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় জলাবদ্ধতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে তিনি শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া এবং কাজীপাড়া খালের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। এসব এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে কোথায় প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান নিজে হাঁটু সমান পানির মধ্যে নেমে ড্রেন এবং পানি নিষ্কাশন নালার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি আশপাশের দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ড্রেন এবং নালায় ময়লা-আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানান। বৈঠকে তিনি বলেন, 'নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রচেষ্টা পুরোপুরি সফল হবে না।'
এই পরিদর্শনের সময় প্রশাসক কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকায় আটকে পড়া পথচারীদের খাবার বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রশাসকের একান্ত সহকারী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
আরও পড়ুন: শিক্ষকদের সাংবাদিকতা করার অনুমতি নেই: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন