প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এআই কোম্পানিদের শেয়ারে জনগণের অংশীদারত্ব নিয়ে দাবি জানাচ্ছে দেশের বেশির ভাগ মানুষ। প্রযুক্তি খাতে বাড়তে থাকা চাকরি ছাঁটাইয়ের ফলে এমন দাবি অনেক বেশি জোরালো হচ্ছে।
রবিবার (১২ জুলাই) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভেরাসাইট একটি জরিপ প্রকাশ করে। জরিপের অংশ হিসেবে ১ হাজার ৬৯০ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশগ্রহণ করেছেন।
জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, ৬৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন, বড় বড় এআই কোম্পানিগুলোকে তাদের ৫০ শতাংশ শেয়ার একটি সরকারি সম্পদ তহবিলে (সোভারেন ওয়েলথ ফান্ড) দিতে হবে। এই তহবিলের উপকারিতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা যাবে।
ভেরাসাইটের প্রধান নির্বাহী বেঞ্জামিন লেফ উল্লেখ করেন, সাধারণ জনগণ চান যে, এআই শিল্পের লাভের একটি অংশ সমাজের সব মানুষের কাছে পৌঁছাবে। গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স আমেরিকান এআই সোভারেন ওয়েলথ ফান্ড অ্যাক্ট নামে একটি বিল উত্থাপন করেন। যদি এই বিলটি পাস হয়, তাহলে দেশের বড় বড় এআই কোম্পানির ৫০ শতাংশ শেয়ার জনগণের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
আরো পড়ুন: এআইয়ের চাহিদা কমেনি, তবে ব্যয়ের পরিমাণ বাড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
স্যান্ডার্স বলেন, এআই থেকে যা আয় হবে, তার সুবিধা শুধুমাত্র ধনীদের জন্য নয়, বরং দেশের সমস্ত মানুষের পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এদিকে, প্রযুক্তি খাতে চাকরি ছাঁটাই বাড়ছে। এজন্য অনেক কর্মী নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো এআই খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েই চলেছে।
বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরে এআই প্রযুক্তির কারণে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিনি চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে আছেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে এআই নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি করবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এআই সম্পদ তহবিল গঠন করা হয়, তবে এআই খাতের লাভের একটি অংশ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা সম্ভব হবে। তবে এ ধরনের তহবিল পরিচালনায় নানা চ্যালেঞ্জও বিদ্যমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন