বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০২ পি.এম
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে না পারায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, ২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ প্রদান করেছে। পাশাপাশি, এসব প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের বোর্ডের জরুরি সভায় সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কুদরাত-ই-খোদার স্বাক্ষরিত একটি নোটিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কেন বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে। এ জন্য আগামী মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বোর্ডের সভাকক্ষে অধ্যক্ষদের সশরীরে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গত পাঁচ বছরের প্রশাসনিক ও একাডেমিক সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বোর্ডের শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে— খিলগাঁওয়ের ই. হক কলেজ, সবুজবাগের সিটি মডেল কলেজ, এশিয়ান আইডিয়াল কলেজ, ফরিদপুরের কবি জসীমউদ্দীন হাই স্কুল, মেঘচামী আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাজী সিরাজুল ইসলাম গার্লস হাই স্কুল, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গাজীপুরের জালাল উদ্দিন মাস্টার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোপালগঞ্জের দূর্বাশুর মডেল হাই স্কুল, কিশোরগঞ্জের সিটি কলেজ, লে. কর্নেল (অব.) করিম ভূঁইয়া কলেজ এবং আবুল কাশেম কলেজ।
এছাড়া, মানিকগঞ্জের ড. আব্দুর রহিম খান মহিলা কলেজ ও গোলাম মনির হোসেন মহিলা কলেজ; মুন্সিগঞ্জের মেদিনীমণ্ডল গার্লস কলেজ, রাজদিয়া অভয় পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও হাসাড়া কালীকিশোর হাই স্কুল; নারায়ণগঞ্জের নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ; রাজবাড়ীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আবদুল জব্বার কলেজ ও কাচারীপাড়া হাই স্কুল; শরীয়তপুরের নাগেরপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং টাঙ্গাইলের আলোয়া হাই স্কুল, খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি, সিমলা পাবলিক হাই স্কুল ও সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনার বন্ধ শিল্পকারখানা দ্রুত পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যাতে শিল্পাঞ্চলের অতীত গৌরব পুনরুদ্ধার করা যায়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খুলনা নগরীর ডাকবাংলা মোড়ে একটি আকস্মিক পথসভায় তিনি এসব আশ্বাস প্রদান করেন।
এ পথসভা সফরসূচিতে না থাকলেও বিএনপি নেতাদের অনুরোধে প্রধানমন্ত্রী এতে অংশগ্রহণ করেন। বিকেল ৩টা ২১ মিনিটে, যখন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসটি ডাকবাংলা মোড় অতিক্রম করছিল, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন পথসভা মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি বাস থেকে নেমে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সামনে নির্মিত মঞ্চে যান।
এর আগে একই মঞ্চে বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি। তিনি খুলনার সার্বিক উন্নয়ন ও সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন জানান, সকাল থেকে হাজার হাজার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তাদের প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী কিছু সময় পথসভায় দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পায়নি ৩ স্পিনার নিয়ে। সিলেটের উইকেটের পরিস্থিতি বিবেচনায় ১ জন স্পিনার কমিয়ে ৩ পেসার খেলানোর সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ আগের কম্বিনেশন নিয়েই মাঠে নেমেছে। প্রথম দিনের শেষে তাসকিনের কণ্ঠে খানিকটা আক্ষেপ শোনা যায়, "এক পর্যায়ে মনে হয়েছে, আরেকজন পেসার থাকলে ভালো হতো। সকালের এক ঘণ্টার ময়েশ্চার আমরা ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারছিলাম, তখন মনে হচ্ছিল, আরেকজন পেসার থাকলে হয়তো আরেকটু লম্বা সময় বোলিং করা যেত। আমাদের তখন যেভাবে মুভ করছিল, আরও দুই একটা উইকেট যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।"
ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তাসকিন বলেন, "আমাদের তিন ফাস্ট বোলারকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। হয়তো উইকেট দেখে শেষ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ ম্যাচের আগের দিন পর্যন্ত অনেকটা ঘাস ছিল, পরে যখন দেখছি একটু ড্রাই টাইপের, তারপর হয়তো স্পিনারের (৩ স্পিনার খেলানোর) সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"
সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শুরুতে ভালো হলেও শেষটা বাংলাদেশের জন্য সুখকর হয়নি। তবে আগামীকাল সেই আক্ষেপ ভুলে শুরুতে "অসাধারণ" কিছু করতে চায় বাংলাদেশ। এ প্রসঙ্গে তাসকিন বলেন, "অতীত ইতিহাস বলে সিলেটের উইকেট প্রথম ২-৩ দিন বেশ ভালো থাকে ব্যাটিংয়ের জন্য। কিন্তু সকালের এক ঘণ্টায় যদি আমরা অসাধারণ কিছু করতে পারি, তাহলে দ্রুত অলআউট করা সম্ভব। উইকেট বেশ ফ্ল্যাট ছিল। সকালের এক ঘণ্টার ময়েশ্চারে যদি বাড়তি কিছু নিতে পারি...।"
প্রথম দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেভিন উইকহ্যাম সফরকারীদের সাড়ে চারশ' রানের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন। তবে তাসকিন মনে করেন, উইকহামদের এমন লক্ষ্য উচ্চাশা। প্রথম দিন শেষে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে মাত্র ৫০ রানের মধ্যেও উইন্ডিজকে অলআউট করা সম্ভব বলে তার বিশ্বাস, "ও খুব এক্সাইটেড, ওর আজকে অভিষেক হয়েছে। অভিষেক ম্যাচে রান পেয়েছে, এইজন্য এক্সাইটেড, অনেককিছুই বলতে পারে। কাল খেলা এমনও হতে পারে, ওরা ৪৫০ করতে পারে, আবার এক ঘণ্টায় ৫০ রানে অলআউট হতে পারে। এটাই মজা টেস্ট ক্রিকেটের। ওর কথায় বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই, নতুন এসেছে তো...।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বড় ছেলে শাহরিয়ার জামান রানার ওপর বর্বরোচিত হামলার পেছনে স্থানীয় মাদক কারবারি চক্র ও তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়দাতারা জড়িত।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কল্যাণপুর ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহরিয়ার জামান রানাকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় তিনি আহতের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
জামায়াত আমির আরও জানান, মেজর আখতারুজ্জামানের প্রতিষ্ঠিত গচিহাটা কলেজের খেলার মাঠে দীর্ঘদিন ধরে একটি মাদকসেবী ও কারবারিদের দল আড্ডা দিত এবং বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত ছিল। রানার পক্ষ থেকে সম্প্রতি ওই মাদকচক্রকে সেখানে উৎপাত না করতে সতর্ক ও ধমক দেওয়া হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলাকারীরা কোনো কথা না বলেই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং বুকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে।
হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হামলাকারীরা সরাসরি কোনো দলের নেতাকর্মী নয়, তবে তারা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছে। তিনি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এই সময় তারা কার কাছে আশ্রয় পেতে পারে, এটা তো বুঝতেই পারছেন। আমার এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই।’
তিনি অভিযোগ করেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপির ছেলের ওপর এমন প্রাণঘাতী হামলা হওয়ার পরও থানায় সুনির্দিষ্ট মামলা গ্রহণে রহস্যজনক টালবাহানা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রেঞ্জ ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলে যোগাযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি। ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, ‘প্রশাসন আসলে কার পক্ষে? দুষ্টের পক্ষে, নাকি শিষ্টের পক্ষে?’ তিনি অবিলম্বে হামলাকারী ও তাদের মদদদাতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান অভিযোগ করেন, হামলাকারী হিসেবে সুনির্দিষ্ট ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দেওয়া হলেও থানার ওসি তা অজ্ঞাতনামা করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এটিকে আইনের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ বলে তিনি অভিহিত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবনী ধারণা এবং বাস্তব সমস্যা সমাধানে অর্থায়ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
তিনি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের আয়োজিত সেমিনারে এই তথ্য জানান।
মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এবং অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের এবং শিক্ষকদের ভালো আইডিয়া ও গবেষণায় অর্থায়ন করতে চাই। যারা মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে আছেন, অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে রয়েছেন, তাদেরও ভালো আইডিয়া থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী সিড ফান্ডিং দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মাহদী আমিন দেশের মেধার অভাব নেই বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অনেক প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং উদ্যোক্তা বিদেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। মূল চ্যালেঞ্জ হলো, তাদের মেধা বিকাশ ও কাজে লাগানোর জন্য উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ