ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইনফান্তিনোর বিরোধিতায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা


ইনফান্তিনোর বিরোধিতায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ঢাকা, ১১ আগস্ট ২০২৬ : ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ফুটবল ফেডারেশন সোমবার ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সমালোচনা করে তিনটি কনফেডারেশনের দেওয়া বিবৃতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।

ইউএস সকার, কানাডা সকার, ক্যারিবিয়ান ফুটবল ইউনিয়ন (সিএফইউ) এবং সেন্ট্রাল আমেরিকান ফুটবল ইউনিয়ন (ইউএনসিএএফ) বলেছে, "ফিফার পরিচালনব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করতে অর্থবহ পরিবর্তনের আহ্বান জানাতে আমরা বিশ্বের অন্যান্য সহকর্মীদের সঙ্গে একযোগে অবস্থান করছি।"

এর ফলে এবারের বিশ্বকাপের তৃতীয় সহ-আয়োজক মেক্সিকোর কথার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার অবস্থানের পার্থক্য স্পষ্ট হলো। কারণ মেক্সিকো ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়ে রেখেছে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

নতুন একটি বাণিজ্যিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) গঠন করার প্রস্তাব দেওয়ার পর মেক্সিকো ইনফান্তিনোর পক্ষে রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠান ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ সংগ্রহের পরিকল্পনা প্রথমে প্রস্তাবিত হয়েছিল এবং পরে বাতিল করা হয়। ইনফান্তিনো এই মুহূর্তে তীব্র চাপের মুখোমুখি আছেন।

ফিফা পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছে, ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ইনফান্তিনোকে দুর্বল করে দেওয়ার জন্য কিছু বিশেষ মহলের সমন্বিত ও চলমান প্রচেষ্টা চলছে।

তবে সোমবার ইনফান্তিনো আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। ইউরোপীয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফা, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের কনকাকাফ এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)- এই তিন কনফেডারেশনের যৌথ চিঠিতে বলা হয়, "ফুটবল কোনও ব্যক্তির মালিকানাধীন নয়।" কনফেডারেশনগুলো চিঠিতে আরও লিখেছে, "ফুটবলে নেতৃত্ব কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি ক্ষমতা ধরে রাখা অথবা ক্ষমতা ধরে রাখার দাবি করা নিয়ে নয়।"

ইউএস সকার ও কানাডা সকারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ওই যৌথ চিঠিটির একটি লিংকও যুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টা, গ্রাম আদালতে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টা, গ্রাম আদালতে মামলা

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চরনী পত্তাশী এলাকায় ভোগদখলীয় জমির গাছ কেটে দখলের চেষ্টা এবং সেখানে অবকাঠামো নির্মাণের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি জিয়ানগর থানায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন হাওলাদার মো. গোলাম মোস্তফা পত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মো. বিপ্লব হোসেনকে গ্রাম আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরনী পত্তাশী মৌজার এসএ-৫৯৫ নম্বর খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিকদের কাছ থেকে গোলাম মোস্তফা ২০০৮ ও ২০১৪ সালে পৃথক দুটি কবলা দলিলের মাধ্যমে মোট ৩২ শতাংশ জমি সাবকবলা নেওয়ার দাবি করেন। পরবর্তী সময়ে জমিতে বালি ও মাটির ভরাট করে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন বলে অভিযোগে জানানো হয়।

গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, গত ৩১ জুলাই মো. বিপ্লব হোসেন ওই জমিতে থাকা বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলেছেন। এরপর ৫ আগস্ট বিপ্লব হোসেনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫-৭ জন জমিতে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্যে নির্মাণসামগ্রী নিয়ে আসেন। এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

গোলাম মোস্তফা জানান, জমিটি নিয়ে পিরোজপুরের আদালতে বর্তমানে দুটি দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা ১২/১৫ নম্বরে সাবজজ-১ আদালতে ও অপরটি ০২/২০২২ নম্বরে সহকারী জজ আদালতে চলমান।

এদিকে একই জমি নিয়ে বিরোধের কারণে ২ নম্বর পত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, গোলাম মোস্তফা হাওলাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটির নম্বর ৪/২০। এই মামলায় জবাব দেওয়ার জন্য বিপ্লব হোসেনকে সমন দেওয়া হয়েছে। সমনে ৬ আগস্ট সকাল ১০টায় গ্রাম আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে গ্রাম আদালতের সমনে বিরোধপূর্ণ জমির বিস্তারিত বিবরণ এবং অভিযোগের সব বিষয় উল্লেখ করা হয়নি।

গোলাম মোস্তফা বলেন, আদালতে জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকার সময় গাছ কাটা এবং নির্মাণকাজের মাধ্যমে জমিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হচ্ছে। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জমিতে কোনো পক্ষ যাতে হস্তক্ষেপ না করতে পারে, সে বিষয়ে আইনগত সহায়তা চান তিনি। তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. বিপ্লব হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জিয়ানগর থানার ওসি মো. মহব্বত খান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই পক্ষের দলিলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মার তীব্র স্রোতে ভয়াবহ ভাঙন, বিলীন হয়েছে ১০০ মিটার এলাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


পদ্মার তীব্র স্রোতে ভয়াবহ ভাঙন, বিলীন হয়েছে ১০০ মিটার এলাকা

পদ্মার তীব্র স্রোতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া গ্রামের প্রায় ১০০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে অন্তত ১০টি বসতঘর ও ছয়টি দোকান সরিয়ে নিয়েছেন স্থানীয়রা। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অনেক ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাত থেকে পদ্মার স্রোত বাড়তে শুরু করে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে স্রোতের তীব্রতা আরও বেড়ে গেলে কাথুরিয়া গ্রামে শুরু হয় ব্যাপক ভাঙন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বসতভিটা, দোকানপাট ও সড়কের বিভিন্ন অংশ নদীতে বিলীন হতে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে চোখের সামনে নদীতে চলে যায় গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভাঙনের আতঙ্কে অনেকে ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ ঘরগুলো দ্রুত সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

ভাঙনের কবলে পড়েছে স্থানীয়দের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কও। সড়কের বেশ কিছু অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কাথুরিয়া গ্রামের বাসিন্দারা।

ভাঙন ঠেকাতে ঘটনাস্থলে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলছেন শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, পদ্মার তীব্র স্রোতের তুলনায় জিও ব্যাগ ফেলার পরিমাণ খুবই কম। ফলে ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর ফল মিলছে না। দ্রুত স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ভাঙন নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং জিও ব্যাগের মাধ্যমে আপাতত ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তারা।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শামীম আল মামুন বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

স্থানীয়দের আশঙ্কা, পদ্মার স্রোত অব্যাহত থাকলে নতুন করে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। তাই জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের পাশাপাশি স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার কর্মচারী ওসমানকে বিধিবর্হিভূত ভাবে অব্যাহতির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার কর্মচারী ওসমানকে বিধিবর্হিভূত ভাবে অব্যাহতির অভিযোগ

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার কর্মচারী ওসমান গণিকে বিধিবহির্ভূত ও অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে লক্ষীপাশা এলাকায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ওসমান গণি জানান, তিনি লোহাগড়া পৌরসভায় ১০ বছর যাবৎ চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কর্মরত আছেন। অসহায়ভাবে হঠাৎ করে কোনো প্রকার পূর্ব নোটিশ বা কারণ দর্শানোর চিঠি ছাড়া গত ২৬ জুলাই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। লোহাগড়া পৌরসভার তৎকালীন প্রশাসক সুস্মিতা সাহা স্বাক্ষরিত একটি পত্রে ওসমান গণিকে ডাকযোগে অব্যাহতির এই আদেশ পাঠানো হয়েছে। পরের দিন (২৭ জুলাই) তিনি লোহাগড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক হিসেবে শেষ অফিস করেন। এরপর সুস্মিতা সাহা পড়ালেখার জন্য সরকারের তরফে আমেরিকায় চলে গেছেন। বিষয়টি লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওসমান গণি আরো বলেন, কোনো প্রকার কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠিতে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

পত্রে বলা হয়েছে, তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না, অফিসের কাজে পাওয়া যায় না এবং কোনো কর্মকর্তার আদেশ মানেন না। ওসমান গণি বলেন, আমি যথাযথভাবে অফিসে হাজিরা দিয়েছি, যা হাজিরা খাতায় প্রমাণ আছে। আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। যদি দায়িত্ব পালনে কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মানুযায়ী কর্তৃপক্ষ আমাকে সতর্ক করতে পারতেন বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে পারতেন। কিন্তু, আমার প্রতি এ ধরনের কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। সরাসরি চাকরি থেকে অব্যাহতির নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ১০ জন চুক্তিভিত্তিক কর্মচারির মধ্যে সম্প্রতি ছয়জনের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। অপর চারজনকে ঠিকমত অফিস না করার অভিযোগে তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়নি তৎকালীন পৌর প্রশাসক কর্তৃক। অথচ, বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এতে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে।

এদিকে, পৌর কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত মাসিক সভায় তার চাকরিচ্যুতির বিষয়টি যথাযথভাবে আলোচনা করা হয়েছে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণী, রেজুলেশন ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাই করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি জোর দাবি জানাচ্ছেন।

ভুক্তভোগী ওসমান গণি বলেন, তার চাকরিচ্যুতির নেপথ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে। তিনি পৌরসভার প্রকৌশল শাখায় কাজ করেছেন এবং সেখানেই দায়িত্ব পালনের সময় পৌরসভার কার্যসহকারীর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন। তাদের প্ররোচণায় তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য তিনি আবারো জোর দাবি জানাচ্ছেন।

এছাড়া, লোহাগড়া পৌরসভার কিছু কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন, পদায়ন, আর্থিক লেনদেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল-ভাউচার ও নকশা অনুমোদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনেক পারস্পরিক অভিযোগ রয়েছে। এসব ঢাকায় তার চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, সব অনিয়মের সঠিক তদন্ত করে তার চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তিনি করছেন।

এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক সুস্মিতা সাহা মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন যে, তিনি চাইলেই আউটসোর্সিংয়ের (চুক্তিভিত্তিক) কাউকেও অব্যাহতি দিতে পারেন। তবে, ওসমান গণিকে কোথাও কোন প্রকার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে কিনা, তা তিনি সঠিকভাবে জানাননি।

আরও জানান, লোহাগড়া উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার বর্তমান প্রশাসক এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিনি ওসমান গণিকে চাকরি থেকে অব্যাহতির বিষয়টি অবগত হয়েছেন। বিধিমতো বা নীতিগতভাবে আপিল করার সুযোগ থাকলে তিনি (ওসমান গণি) তা ব্যবহার করতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপির গলায় রামদা ধরে দলিলে সই নেন সৎভাইয়েরা—অভিযোগে স্ত্রীর মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


এমপির গলায় রামদা ধরে দলিলে সই নেন সৎভাইয়েরা—অভিযোগে স্ত্রীর মামলা

 

নাছির উদ্দিন চৌধুরীর অসুস্থতার সময়ের সুযোগ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে গলায় রামদা ধরে বাড়িসহ অন্যান্য সম্পত্তির দলিলে সই করিয়ে নেওয়ার। তার তিন সৎ ভাইসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২২ সালের ঘটনা নিয়ে গত সোমবার সংসদ সদস্যের স্ত্রী পারভিন আক্তার দিরাই আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা ও আদালতের আদেশের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহিত লাল চন্দ।

মামলায় অভিযুক্তরা হচ্ছেন, নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সৎ ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী। এছাড়া দিরাই উপজেলার মাতারগাঁও গ্রামের মৃত নাজমুল ইসলামের ছেলে আমিরুল ইসলাম, পুরাতন কর্ণগাঁও গ্রামের আব্দুন নুর মিয়ার ছেলে ছয়ফুল চৌধুরী, তল বাউসী গ্রামের দলিল লেখক মুজিবুর রহমান, কলিয়ার কাপন গ্রামের নাজমুল ইসলামের ছেলে তাজুল ইসলাম এবং দিরাইয়ের নুরুল ইসলামের মেয়ে মোহরার মমতাজ বেগম।

মামলায় পারভীন আকতার অভিযোগ করেছেন, নাছির চৌধুরীর (৭৫) গলায় রামদা ধরে হুমকি দিয়ে তার তিন সৎ ভাই বাড়ি ও অন্যান্য সম্পদের দলিলে সই করিয়ে নিয়েছেন। নাছির তখন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন এবং মানসিকভাবে অবুঝ ছিলেন। তার মৃত্যুর পর সৎ ভাইয়েরা এই সম্পত্তি নিজেদের নামে দলিল করার পরিকল্পনা করেছিলেন যেন তিনি এবং পৈতৃক সম্পত্তির দুই স্ত্রী ও দুই সন্তান বঞ্চিত হন। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকা থেকে আসা সময় অসুস্থ নাছির চৌধুরীকে দেখা করতে গিয়ে পারভীন মারপিট ও শ্লীলতাহানির শিকার হন। তার পর তিনি অসুস্থ নাছিরকে তার প্রথম স্ত্রী নিঃসন্তান শেলী চৌধুরী ও বোন শামীমা চৌধুরীর কাছে রেখে আসেন, তখন তারা দুজনও অসুস্থ ছিলেন। এরপর আসামিরা ২৫ জানুয়ারি দিরাই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দুই কর্মচারীকে নিয়ে এসে নাছির চৌধুরীকে দলিলে সই করতে চাপ দেন। তিনি এতে অসম্মতি জানান। পরে গলায় রামদা ধরে সই না করলে হত্যার ভয় দেখান। স্ত্রী শেলী চৌধুরী বাধা দিতে গেলে তারাও তাকেও হত্যার হুমকি দেন। পরে বাধ্য হয়ে তিনি সই করেন।

পারভীন আকতার দাবি করেন যে, পরবর্তীতে তিনি পুলিশের সহায়তায় নাছির চৌধুরীকে উদ্ধার করে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। সেখানে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর তিনি জোর করে দলিলে সই নেওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলে আসামিরা ক্ষমা চান এবং দ্রুত দলিল বাতিলের আশ্বাস দেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা কোনো উদ্যোগ নেননি। ঘটনার পরে শেলী চৌধুরী ও শামীমা চৌধুরী দুজনই মারা গেছেন।

এ প্রসঙ্গে মামলার অন্যতম আসামি মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘‘দলিল রেজিস্ট্রি করেন সাবরেজিস্ট্রার। আমার বোন এবং নাছির উদ্দিন চৌধুরীর ‘প্রকৃত’ স্ত্রী বিষয়টি জানতেন। মামলা কী হয়েছে তা জানি না। জানার পর আইনিভাবেই জবাব দেব।’’.

নাছির চৌধুরী সুনামগঞ্জ-২ আসন থেকে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%