প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চরনী পত্তাশী এলাকায় ভোগদখলীয় জমির গাছ কেটে দখলের চেষ্টা এবং সেখানে অবকাঠামো নির্মাণের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি জিয়ানগর থানায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন হাওলাদার মো. গোলাম মোস্তফা পত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মো. বিপ্লব হোসেনকে গ্রাম আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরনী পত্তাশী মৌজার এসএ-৫৯৫ নম্বর খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিকদের কাছ থেকে গোলাম মোস্তফা ২০০৮ ও ২০১৪ সালে পৃথক দুটি কবলা দলিলের মাধ্যমে মোট ৩২ শতাংশ জমি সাবকবলা নেওয়ার দাবি করেন। পরবর্তী সময়ে জমিতে বালি ও মাটির ভরাট করে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন বলে অভিযোগে জানানো হয়।
গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, গত ৩১ জুলাই মো. বিপ্লব হোসেন ওই জমিতে থাকা বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলেছেন। এরপর ৫ আগস্ট বিপ্লব হোসেনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫-৭ জন জমিতে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্যে নির্মাণসামগ্রী নিয়ে আসেন। এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
গোলাম মোস্তফা জানান, জমিটি নিয়ে পিরোজপুরের আদালতে বর্তমানে দুটি দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা ১২/১৫ নম্বরে সাবজজ-১ আদালতে ও অপরটি ০২/২০২২ নম্বরে সহকারী জজ আদালতে চলমান।
এদিকে একই জমি নিয়ে বিরোধের কারণে ২ নম্বর পত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, গোলাম মোস্তফা হাওলাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটির নম্বর ৪/২০। এই মামলায় জবাব দেওয়ার জন্য বিপ্লব হোসেনকে সমন দেওয়া হয়েছে। সমনে ৬ আগস্ট সকাল ১০টায় গ্রাম আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে গ্রাম আদালতের সমনে বিরোধপূর্ণ জমির বিস্তারিত বিবরণ এবং অভিযোগের সব বিষয় উল্লেখ করা হয়নি।
গোলাম মোস্তফা বলেন, আদালতে জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকার সময় গাছ কাটা এবং নির্মাণকাজের মাধ্যমে জমিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হচ্ছে। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ জমিতে কোনো পক্ষ যাতে হস্তক্ষেপ না করতে পারে, সে বিষয়ে আইনগত সহায়তা চান তিনি। তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. বিপ্লব হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জিয়ানগর থানার ওসি মো. মহব্বত খান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই পক্ষের দলিলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন