ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হুথিদের হুমকিতে পথ বদলালো চীন ও ভারতগামী সৌদির দুই তেলবাহী ট্যাংকার


হুথিদের হুমকিতে পথ বদলালো চীন ও ভারতগামী সৌদির দুই তেলবাহী ট্যাংকার

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের কঠোর হুঁশিয়ারির কারণে লোহিত সাগরে গতিরোধ করে উল্টো দিকে যাত্রা করে সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেলবাহী দুটি বিশাল ট্যাংকার। চীন ও ভারতের উদ্দেশে যাত্রা করা ‘জিন লং ইয়াং’ এবং ‘রোডোস’ নামের জাহাজ দুটি লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব এল-মান্দেব প্রণালির ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে সুয়েজ খালের দিকে মোড় নিয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার পর লোহিত সাগরের এই বিকল্প শিপিং রুটটিতে বাধা তৈরি হওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন করে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এর আগে সোমবার সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌ-অবরোধ ঘোষণা করে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। তারা বিভিন্ন নৌ-পরিবহন কোম্পানিকে পাঠানো এক ইমেইলে সৌদি আরবের যেকোনো বন্দরে পণ্য ওঠানো বা নামানো থেকে বিরত থাকার সতর্কবার্তা দেয়। ওই বার্তায় স্পষ্ট জানানো হয়, এই নির্দেশ অমান্য করলে তাদের সামরিক সক্ষমতার আওতায় যেকোনো স্থানে ওই জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে ভুয়া চিকিৎসক মো. রাকিব আটক, থানায় হস্তান্তর

সমুদ্র ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে, সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২০ লাখ ব্যারেল তেলবোঝাই করে চীনের উদ্দেশে রওনা হওয়া ‘জিন লং ইয়াং’ এবং প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে ভারতের দিকে যাওয়া ‘রোডোস’—উভয় ট্যাংকারই বাব এল-মান্দেব প্রণালি এড়িয়ে সুয়েজ খালের দিকে ফিরে গেছে। এ ছাড়া একই বন্দরে তেলবোঝাই করতে আসা ‘নিউ প্রাইম’ নামের আরও একটি ট্যাংকার ওমান উপকূলেই পথ পরিবর্তন করেছে।

লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব এল-মান্দেব প্রণালির উপকূলীয় এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখা হুথিদের এই নতুন হুমকিতে লোহিত সাগরে চলাচলের ক্ষেত্রে যুদ্ধঝুঁকি বিমার মাশুল ইতিমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ‘অ্যামব্রে’ সৌদি বন্দরে নোঙর করা বা গমনাগমনকারী জাহাজগুলোকে লোহিত সাগর অতিক্রমের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছে।

সমুদ্র বিশ্লেষকদের মতে, বাব এল-মান্দেব প্রণালি ব্যবহার করতে না পেরে জাহাজগুলোকে যদি সুয়েজ খাল, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকার চারপাশ ঘুরে এশিয়ার গন্তব্যে যেতে হয়, তাহলে প্রতিটি চালানে অতিরিক্ত কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যাবে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের টানাপোড়েনের মধ্যে নতুন এই সামুদ্রিক অবরোধের ঝুঁকি বৈশ্বিক অর্থনীতিকে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলছে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন দশম গ্রেডে উন্নীত করার তিন দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী ও শিশু উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৯ পি.এম


নারী ও শিশু উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে শারলে আজ আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, যিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে আলোচনা করা হয় নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু কল্যাণ এবং সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যে। নারীর অধিকার, নারী ও শিশুর টেকসই উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি, এমসিবিপি, মিড-ডে মিল কর্মসূচি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে সহযোগিতা সম্পর্কিত পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন জানান, ফ্রান্স বাংলাদেশের একটি দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফ্রান্সের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তিনি দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নারীর ক্ষমতায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারের বৃহত্তর লিঙ্গসমতা নীতির অংশ হিসেবে নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, সরকার নারীদের জন্য স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে উচ্চশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ যেমন বেড়েছে, তেমনি কর্মক্ষেত্রে তাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মজীবী মায়েদের সহায়তায় দেশে ডে-কেয়ার সেন্টারের সংখ্যা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি জানান।

এসময় ফরাসি রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গসমতা এবং শিশু সুরক্ষায় বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি আরো বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি এবং প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের উদ্যোগগুলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তিনি নারীর দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, এবং জলবায়ু-সহনশীল জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ফ্রান্সের কারিগরি ও উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে, মন্ত্রী ফ্রান্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নারী কেয়ারগিভারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশি নারীদের তৈরি হস্তশিল্প পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে ফ্রান্সের সহযোগিতা কামনা করেন। এ বিষয়ে ফরাসি রাষ্ট্রদূত ইতিবাচক সাড়া দেন।

অতীতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনগুলোর ধারাবাহিকতায়, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠেয় নারীবাদভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য মন্ত্রী জাহিদ হোসেনকে আমন্ত্রণ জানান ফরাসি রাষ্ট্রদূত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফেসবুক লাইভে অপদস্থের অভিযোগ

ফটিকছড়িতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


ফটিকছড়িতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরী শিপনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মারধর, অপহরণের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি, জোরপূর্বক খালি ¯ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং ফেসবুক লাইভে অপদস্থ করার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভূজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূজপুর এলাকার ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী মো. হাসেম (৪০)। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন—ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরী শিপন, শওকত ওসমান, আজগর সালেহী, জয়নাল আজহার, মাহিন হাসান, জামাল আজহার, মুহিব্বুল্লাহ আমিনি, খায়রুল বশর, আবু বক্কর, আব্দুর রহিম ও মাওলানা আবু তালেব।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তিনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়ম নিয়ে নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করে থাকেন। সম্প্রতি একটি রাস্তা সংস্কার কাজ নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ভিডিও প্রকাশ করার জেরে অভিযুক্তরা তার প্রতি ক্ষুব্ধ হন।

গত ১২ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্তরা বাদীর দোকানে গিয়ে তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে তাকে ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় এবং সেই দৃশ্য ফেসবুক লাইভে প্রচার করা হয়, যা তার সামাজিক মর্যাদাহানির কারণ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া, অভিযুক্তদের কয়েকজন জোরপূর্বক ৩০০ টাকার একটি খালি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বাদীর স্বাক্ষর নেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভিডিও প্রকাশ করলে ওই স্ট্যাম্প ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকিও দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন বাদী। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, মানহানির প্রতিকার এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া স্ট্যাম্পের অপব্যবহার রোধে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযুক্ত भूজपुर ইউপি চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরী শিপন বলেন, "মামলার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাই এই বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।"

এই মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম বলেন, "মামলাটি চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়েছে এবং আদালত তা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে কালিগঞ্জ থানার শহিদুল ইসলাম নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মামুন বিল্লাহ কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে কালিগঞ্জ থানার শহিদুল ইসলাম নির্বাচিত

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় কর্মদক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কালিগঞ্জ থানার ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম।

মাসিক কল্যাণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

সভায় সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) খালিদ মোঃ আরাফাত বিগত মাসের কার্যবিবরণী ও গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন। চলতি মাসে বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের আবেদন ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলোও উপস্থাপন করা হয়।

পুলিশ সুপার উপস্থিত সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা মনোযোগ সহকারে শুনেছেন। তিনি বেশিরভাগ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান প্রদান করেন এবং অবশিষ্ট বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাস দেন। তিনি সকল কর্মকর্তা ও সদস্যকে সরকারি বিধি-বিধান মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও জনবান্ধব মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।

এ সময় পুলিশ মেসে উন্নতমানের খাবার নিশ্চিতকরণ, ড্রেস কোড যথাযথভাবে অনুসরণ, ছুটি ও টিএ বিল প্রদানে স্বচ্ছতা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করবার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবল মোঃ আলী হায়দার সেখকে দীর্ঘ কর্মজীবনের সফল সমাপ্তি উপলক্ষে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের সদস্যদের নগদ অর্থ ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বিশেষভাবছেন, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলামকে কর্মদক্ষতা ও পেশাগত সাফল্যের ভিত্তিতে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মিথুন সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) শাওন রেজা, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মোঃ ইমরান খান, পুলিশ হাসপাতাল সাতক্ষীরার চিকিৎসক ডা. আবু হোসেন, জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ অনেক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও জনসেবার মান উন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ঝুঁকিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো. মাহমুদুল হাছান রোহান, কুবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ঝুঁকিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা জেলায় চুরি, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের ওপরও। বিশেষ করে আবাসিক সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন বিভিন্ন মেসে বসবাসকারী শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ১৭ জুলাই জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাসূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত সাত মাসে কুমিল্লায় ৮৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার কয়েকটিতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হলেও পরে অনেকেই জামিন বা অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্ত হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত অপরাধ চিত্রে দেখা যায়—ডিসেম্বরে ৯টি, জানুয়ারিতে ১৪টি, ফেব্রুয়ারিতে ১২টি, মার্চে ১১টি, এপ্রিলে ১০টি, মে মাসে ১৭টি এবং জুনে ১০টিসহ মোট ৮৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ৯৭টি।

এ ছাড়া গত ছয় মাসে চুরির ঘটনা ঘটেছে ৩০২টি, ডাকাতি ৩৩টি এবং অপহরণের ঘটনা ১৪টি। অপমৃত্যু হয়েছে ৩৪৮টি। এ সময় পুলিশ ৪৮টি অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

মাদক ব্যবসা এবং এলাকার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ২৫ জুন নগরীর কাঁটাবিল এলাকায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলা ও গুলির ঘটনায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন আহত হয়। গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী ইথান আহম্মেদ প্রেম কাঁটাবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।

সবশেষ চলতি মাসে নগরীর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় একটি জলাশয় থেকে জুম্মান নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া চলতি বছরের ৪ মার্চ দুপুরে ঢাকা যাওয়ার সময় অপহরণের শিকার হন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল। জোরপূর্বক তাকে গাড়িতে তুলে অপহরণকারীরা ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট-সংলগ্ন সড়ক ধরে নিয়ে যায় এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। এ সময় তার কাছে থাকা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, মানিব্যাগে থাকা প্রায় ১৫ হাজার টাকা এবং বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা।

৫ মার্চ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. হোসাইন ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী সায়েদ হাসান কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগর পাড় এলাকা দিয়ে হাঁটার সময় শপিং ব্যাগের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হামলার শিকার হন। এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করা হয়। তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান শিপন।

২২ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে লোকাল সেন্টমার্টিন পরিবহণ নামের একটি চলন্ত বাসে ধর্ষণের চেষ্টা করে পাঁচজন। এর মধ্যে দুইজনকে সেদিনই শিক্ষার্থীরা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বাকি তিনজন পালিয়ে যায়। পলাতক তিন আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুইজন এখনো পলাতক রয়েছে।

এ ছাড়া গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর কুমিল্লায় নিজ বাসায় খুন হন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন রিনথী ও তার মা তাহমিনা।

এদিকে, শহর ও মহাসড়কগুলোতে রাত গভীর হলে ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। সম্প্রতি ছিনতাইকারীদের হামলায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর নিহত হওয়ার ঘটনা জেলাজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীরা কখনো যাত্রীর, আবার কখনো চালকের ছদ্মবেশে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে অপরাধ সংঘটিত করছে।

অন্যদিকে, কুমিল্লা নগরীতে কয়েক ডজন কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সম্প্রতি এসব গ্যাংয়ের কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সময় দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের মহড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে তুলনামূলক কমসংখ্যক সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বয়স কম হওয়ায় অনেক সদস্য দ্রুত আইনি সুবিধা পেয়ে আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

সম্প্রতি অস্ত্রসহ আটক কয়েকজন অপরাধী ও কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের সদস্যদের কথিত ওঠাবসার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এসব ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এসব পরিস্থিতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর মাত্র প্রায় ২৩ শতাংশ আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে কুমিল্লা শহর কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন বিভিন্ন মেসে বসবাস করতে হয়।

প্রতিদিন ক্লাস, পরীক্ষা, টিউশন ও অন্যান্য প্রয়োজনে শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করায় তারা ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঝুঁকিতে থাকছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময় শহর থেকে ক্যাম্পাসে কিংবা ক্যাম্পাস থেকে শহরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া রাতে বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিজের অপহরণের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ সবুজ বলেন,
“আমাকে যখন অপহরণ করা হয়, তখন রাত প্রায় ১০টা। এই সময়ে টিউশন শেষ করে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। শহর থেকে সর্বশেষ বাস আসে সাড়ে ৮টায়। ফলে যারা বিভিন্ন কারণে এই সময়ের পর ফিরে আসেন, তাদের একটি নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই যায়। সবকিছু বিবেচনায় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছিলাম, অন্তত একটি বাস যেন রাত ৯টায় দেওয়া হয়। বাস সংকটের কারণে তখন দেওয়া হয়নি। নতুন ভিসি স্যার এসেছেন, তার চিন্তায় ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’। বাসও আছে। তাই বলব, নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় অন্তত একটি বাস রাত ৯টায় দেওয়া হোক।”

তিনি আরও বলেন,
“এর বাইরে শহরে আমাদের প্রশাসনিক কোনো কেন্দ্র নেই। শহরে থাকা বা টিউশনে যাওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকেই বিভিন্ন সময় ছিনতাই, চুরি, অপহরণ এমনকি খুনেরও শিকার হন। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের রেসপন্সের ওপর নির্ভর করতে হয়। শহরে যদি একটি স্থায়ী হেল্প ডেস্ক থাকত, তাহলে বিষয়গুলো খুব সহজে দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা যেত।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন বলেন,
“কুমিল্লা শহরে খুন, ছিনতাইসহ অপরাধ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। হল সংকটের কারণে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী শহরের মেস ও ভাড়া বাসায় থাকেন এবং প্রতিদিন যাতায়াত করেন। ফলে তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বাড়ছে। এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ মাদকের সহজলভ্যতা ও মাদকাসক্তির বিস্তার। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ, নিয়মিত টহল এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা জরুরি।”

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সৈয়দা নাজিফা নাফিল বলেন,
“কুমিল্লা শহরে তুলনামূলকভাবে ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দিন দিন বাড়ছে। খুন-খারাবির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা সংকটে ভুগছেন। শুধু মেয়েরা নয়, বর্তমানে সব শিক্ষার্থীই ঝুঁকিতে আছেন। বিগত কয়েক দিন আগে ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষার্থীকে মাদকাসক্ত কয়েকজন মিলে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের কাছ থেকেও কোনো রেসপন্স পাওয়া যায়নি। আসলে এ ব্যাপারে প্রশাসনের আরও সচেতন হওয়া উচিত এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন,
“এ বিষয়ে আমরা এসপি বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছি এবং প্রতিনিয়ত আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।”

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রোজী আক্তার বলেন,
“আপনি এ বিষয়ে আমার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম)-এর সঙ্গে কথা বলুন।”

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন,
“আমাদের ডিসি অফিসে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া আছে যে, যখন যেখানে যেমন অপরাধ দেখা দেবে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নেবে। অপরাধ প্রবণতা বাড়ার বিষয়ে আলাদাভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং আমাদের সিদ্ধান্তও সেভাবেই রয়েছে। পুলিশও আমাদের সভায় উপস্থিত থাকে। সব বাহিনী বিশেষভাবে কাজ করছে। অবশ্যই আমাদের আলাদা নজর রয়েছে। অপরাধ বাড়লে বিষয়টি আমরা আলাদাভাবে দেখি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%