রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে বিক্ষোভকারীরা রাজপথে নেমেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উত্তর ইসরায়েলজুড়ে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
মারিভ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি স্থানে জড়ো হয়েছে। রোশ পিনা, কারমিয়েল, হাদেরা এবং হাইফাসহ বিভিন্ন এলাকায় এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।
এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কাতারে বোমা হামলা চালানোর বিষয়টি স্বীকার করে নিজের দম্ভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইসরায়েলের ‘আই২৪নিউজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন। শনিবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাক্ষাৎকারটি শেয়ার করেন। সেখানে নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যায় কাতার কোনো নীতি নির্ধারণ করে দেয়নি, বরং কাতার একটি ‘শত্রুতাপূর্ণ’ রাষ্ট্র। অহংকারের সুরে তিনি বলেন, আমি কাতারে হামলা চালিয়েছি, যুদ্ধের সময় আমি সেখানে বোমা হামলাও করেছি এবং তাদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছি, আর তারাও আমার ওপর আক্রমণ করেছে। সূত্র: আল জাজিরা,
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুরে পৃথক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত এবং মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত মোট ৬ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর আদালত ও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন। তারা হলেন—মোঃ বিপুল হোসেন, মোঃ নাঈম (২০) ও অজুফা প্রকাশ আন্জুআরা (৩৯)।
এছাড়া মোবাইল কোর্টের পৃথক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত মোঃ মামুন হোসেন (৩৮), মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (২৬) ও মোঃ নাঈম ইসলাম (২৪)-কেও প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে হাকিমপুর ও কোতোয়ালি কুমিল্লা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের পৃথক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে, মোবাইল কোর্ট মামলা নং-৮১ ও ৮২, তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মাধ্যমে মোঃ মামুন হোসেন, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও মোঃ নাঈম ইসলামকে এক মাস করে কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার ও সাজাপ্রাপ্ত ৬ আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশের স্কটের মাধ্যমে দিনাজপুর জেলা কারাগার ও সদর কোর্ট, দিনাজপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও কার্যকলাপ সন্দেহজনক। গোপন তথ্য রয়েছে যে, আসামিদের মধ্যে কেউ কেউ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা করতে পারে। এই কারণে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
এর আগে, গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু করেছে তদন্ত সংস্থা। ব্রিফিংয়ের সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু আসামির সন্দেহজনক গতিবিধি ও কার্যকলাপের কারণে সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বর্তমানে ২৫১ জন গুমের শিকার হওয়ার অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ‘মায়ের ডাক’র ব্যানারে একাধিকবার প্রসিকিউশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে এবং লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ঘটনায় একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে বা তাদের মাধ্যমে ব্যক্তিদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং ‘ওয়াইডস্প্রেড’ ও ‘সিস্টেমেটিক’ অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘এগুলো শুধু গুম নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।’
তদন্ত দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা।
চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, গুমের মামলাগুলোর তদন্ত শুরুর পর কিছু অভিযুক্ত ব্যক্তির কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে যাদের বিরুদ্ধে বিচার চলছে, তাদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করা যেমন জরুরি, তেমনি গুমের শিকার পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষের দিনেই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখা শিবিরের এক নেতার দ্বারা ছাত্রদল কর্মীর উপর চড় মারার ঘটনার পর জামায়াত-শিবির ও বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী উত্তেজনা বিরাজ করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ আগামী তিন মাসের জন্য ইবি শাখার ২৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উত্তেজনার মধ্যে রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়লী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এই কমিটি প্রকাশ করে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হাফিজকে মনোনীত করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কমিটির মেয়াদ শেষে সাংগঠনিক কার্যক্রম ও রাজনৈতিক সক্রিয়তা বিবেচনায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুন-অর-রশিদ, আলী শ্রাবণ, তরিকুল ইসলাম তরুণ, রতন কুমার রায়, সামিউল ইসলাম, শাহিন আলম, মামুন রানা, সাব্বির আহমেদ আকিফ, রাব্বি হোসেন, নাছিম হাসান নাঈম, রাসেল আলী, রাকিবুল ইসলাম, সোহানুর রহমান, মেসবাহুল ইসলাম, নাবিল আহমেদ ইমন, মো. সাদিদ খান সাদি, হুসাইন তুষার, অনিক কুমার, সোহাগ শেখ, তানভীর হাসান, রাব্বি হাসান, আকিব মাসুদ, পিয়াস মুস্তাকিম, সাগর আহম্মেদ, মো. রাকিব হোসেন, শাহরিয়ার হিমেল ও পাভেল মোল্লা।
ক্যাম্পাসের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে পরীক্ষা শেষে কাজী জুহায়ের হলের খাবার খেতে আসেন। হলের গেট পেরিয়ে করিডোরে পৌঁছালে অভিযুক্ত আলীনুর হঠাৎ এসে জুহায়েরকে চড় মারেন এবং গালিগালাজ করেন। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও অভিযুক্ত আলীনূর তাদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করে। এরপর সে হলের ২১৭ নম্বর কক্ষে চলে যায়। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশিত হয়েছে। এর পরপরই শিবির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজিত হয়ে আলীনূরের কক্ষ ভাঙতে যায়। এ সময় তারা রুমের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে তাদের সরিয়ে নেয়। এরপর প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় অভিযুক্তকে হল থেকে উদ্ধার করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। একইদিনে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শাখা ছাত্রদল ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে লাঠিসোটা নিয়ে বিক্ষোভ করে এবং জিয়া মোড়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেয় শিবিরের নেতাকর্মীরা।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয় ছাত্রদল ও বহিরাগত বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় অনেকের হাতে দেশীয় অস্ত্র রামদা, ছুরি ও হাতুড়ি দেখা যায়। পরে সেখানে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়।
এক পর্যায়ে উভয়পক্ষকে নিয়ে প্রক্টর অফিসে আলোচনা শুরু করে প্রক্টরিয়াল বডি। এ সময় তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের দুজন ছাত্রের মধ্যে সংঘটিত ঘটনার তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন।
কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ সংঘর্ষের বিষয়ে বলেন, "এখানে দুপক্ষের মধ্যে একটা ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। আমরা পুলিশ এসে বিষয়টা দুপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে বর্তমানে একটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করিয়েছি। তার পরও আমরা আমাদের অবস্থান এখানে রেখেছি, যাতে পরে আর উত্তপ্ত না হয়।"
এ বিষয়ে সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর বলেন, "ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছি। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়াও বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাসের সুপারভাইজার সাজু লস্কার এবং হেলপার মাহবুব আলম মনির, যারা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, আদালতে তাদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছেন।রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এছাড়া, বাসচালক সোহেল রানার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তার রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
এই দিন গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরার সময় আসামি সাজু ও মনির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।পরে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং বনানী থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম তালুকদার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আবেদন করেন।
একইসঙ্গে আসামি সোহেলের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর আসামি সাজুর এবং ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ আসামি মনিরের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এ ছাড়া, শুনানি শেষে আসামি সোহেলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে ইসমাইল হোসেন জামালপুর থেকে গাজীপুরের বাসায় আসার জন্য রওনা দেন। এ সময় তিনি গ্রামের বাড়ির জমি বিক্রির নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য সঙ্গে নিয়ে বাসে উঠেন। তার আসার খবর পেয়ে ছেলে মো. হাসান গাজীপুর জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন।
কিন্তু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর পিতার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পান। পরে সকাল ১০টা পর্যন্ত জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করে বাসায় ফিরে যান।
পরদিন দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার বনানী থানা থেকে প্রতিবেশী মন্টুকে ফোন করে জানানো হয়, ইসমাইল হোসেনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। পরে মৃতদেহের ছবি দেখে ছেলে হাসান সনাক্ত করেন। তাদের জানানো হয় যে বনানী থানাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলগামী রাস্তার ১৭৯ ও ১৮০ নং পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে তার পিতার মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে, সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা কোন মালামাল পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের সময় তার পিতার শরীরে জখমের চিহ্ন এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ