প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাসের সুপারভাইজার সাজু লস্কার এবং হেলপার মাহবুব আলম মনির, যারা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, আদালতে তাদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেছেন।রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এছাড়া, বাসচালক সোহেল রানার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তার রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
এই দিন গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরার সময় আসামি সাজু ও মনির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।পরে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং বনানী থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম তালুকদার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আবেদন করেন।
একইসঙ্গে আসামি সোহেলের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর আসামি সাজুর এবং ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ আসামি মনিরের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এ ছাড়া, শুনানি শেষে আসামি সোহেলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে ইসমাইল হোসেন জামালপুর থেকে গাজীপুরের বাসায় আসার জন্য রওনা দেন। এ সময় তিনি গ্রামের বাড়ির জমি বিক্রির নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য সঙ্গে নিয়ে বাসে উঠেন। তার আসার খবর পেয়ে ছেলে মো. হাসান গাজীপুর জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন।
কিন্তু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর পিতার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পান। পরে সকাল ১০টা পর্যন্ত জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করে বাসায় ফিরে যান।
পরদিন দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার বনানী থানা থেকে প্রতিবেশী মন্টুকে ফোন করে জানানো হয়, ইসমাইল হোসেনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। পরে মৃতদেহের ছবি দেখে ছেলে হাসান সনাক্ত করেন। তাদের জানানো হয় যে বনানী থানাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলগামী রাস্তার ১৭৯ ও ১৮০ নং পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে তার পিতার মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে, সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা কোন মালামাল পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের সময় তার পিতার শরীরে জখমের চিহ্ন এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন