ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খালেদা জিয়ার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে: বাকৃবি ভিসি


খালেদা জিয়ার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে: বাকৃবি ভিসি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া জানান, ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে এটি গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই উদ্যোগ আরও বেগবান হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১ টায় কৃষি অনুষদ পশ্চিম ভবন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশনারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এটি দেশের সবুজ পরিবেশ তৈরি করার মাধ্যমে মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য সহায়ক হবে। তাছাড়া বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা যে বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে আছি, সেটাও অনেকটা কমানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

কৃষি অনুষদীয় ছাত্র সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হক এবং সিনিয়র প্রফেসর ড. মাসুম আহমাদ।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালি দলের সাধারণ সম্পাদক, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, হল প্রভোস্টবৃন্দ, আমন্ত্রিত শিক্ষক-কর্মকর্তা, কৃষি অনুষদ ছাত্র সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং কর্মচারীবৃন্দ।

উল্লেখযোগ্য যে, কৃষি অনুষদের পশ্চিম ভবনের সামনে ৫টি নাকাচুয়া গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় তিনদিনের ফল মেলা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


নেত্রকোণায় তিনদিনের ফল মেলা শুরু

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলায় আজ থেকে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘ফল মেলা ২০২৬’।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা শহরের খামারবাড়িস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাড. নুরুজ্জামান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে আজ থেকে শুরু হওয়া মেলা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এবারের কৃষি মেলায় মোট ৪৭টি স্টল অংশ নিয়েছে। স্টলগুলোতে স্থানীয় ও দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীদের জন্য প্রায় ১৫০ প্রজাতির দেশি ও বিদেশি ফল এবং বিভিন্ন প্রকারের উন্নত জাতের ফলদ বৃক্ষ প্রদর্শন করা হয়েছে।

মেলায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চেনা-জানা প্রচলিত ফলের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের দুর্লভ ও অপ্রচলিত ফল এবং আম প্রেমীদের জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উন্নত ও বৈচিত্র্যময় প্রজাতির আমের বিশেষ প্রদর্শনী করা হচ্ছে।

মেলা সম্পর্কে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আমিরুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, ‘জাতীয় ফল মেলার ধারাবাহিকতায় আমাদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এবারের মেলার একটি বিশেষত্ব হলো, আমরা দেশীয় প্রচলিত এবং অপ্রচলিত জাতের ফলগুলো এখানে সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি; যাতে আমাদের জেলার কৃষকরা ও সাধারণ মানুষ এগুলো দেখতে পারে এবং এগুলোর আবাদ বাড়াতে পারে।’

কৃষির বাণিজ্যিকীকরণের ওপর জোর দিয়ে উপপরিচালক আরও বলেন, ‘আমরা যেহেতু এখন বাণিজ্যিক কৃষির দিকে যাচ্ছি, তাই এখানে বেশ কিছু বিদেশি জাতের আমও প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলোÑ যারা সৌখিন, অগ্রগামী ও উদ্যোক্তা চাষি আছেন, তারা যেন এগুলো দেখে অনুপ্রাণিত হন এবং দেশে এই উন্নত জাতের আমের সম্প্রসারণ ঘটে, যা আমাদের সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।’

ফসল কাটার পরবর্তী অপচয় রোধের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ফল সংগ্রহের পরে নষ্ট হয়ে যায়। এই মেলায় আমরা কৃষকদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছি, যা এই অপচয় কমাতে সাহায্য করবে এবং এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বারটান এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোসা. আলতাফ-উন-নাহার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ড. চন্দন কুমার মহাপাত্র, উপপরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ মুকশেদুল হক, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ ফারুক আহমেদ, জেলা কৃষক দলের সভাপতি সালাহউদ্দিন খান মিল্কী প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত নীহার, ‘আমি আর সিঙ্গেল নই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত নীহার, ‘আমি আর সিঙ্গেল নই’

অভিনেত্রী নাজনীন নীহাকে ঘিরে ফের একবার শুরু হয়েছে ব্যক্তিজীবনের আলোচনা। তবে এই আলোচনার সূত্রপাত ঘটেছে তিনি নিজেই।

ফেসবুকের মাধ্যমে তার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস পরিবর্তনের পর অনুরাগীদের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে বাগদানের খবর। যদিও অভিনেত্রী নীহা জানিয়েছেন, বিষয়টি মোটেও এমন কিছু নয়।

সোমবার (২৯ জুন) নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে ‘এনগেজড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন নাজনীন নীহা। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের জল্পনা শুরু হয়ে যায়।

অনেকেই ধরে নেন, এই অভিনেত্রী চুপিসারে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

স্ট্যাটাস পরিবর্তনের পর মন্তব্যের ঘর শুভেচ্ছা ও প্রশ্নে ভরে ওঠে। কেউ তার হবু জীবনসঙ্গীর পরিচয় জানতে চান, কেউ আবার মিষ্টি খাওয়ার দাবিও তুলে ধরেন। তবে এসব মন্তব্যের কোনো উত্তর দেননি নীহা।

পরে এই বিষয়টি নিয়ে জানতে নীহার সঙ্গে যোগাযোগ করলে, তিনি কালের কণ্ঠের কাছে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটান।

কালের কণ্ঠকে নাজনীন নীহা জানান, ‘আমি কিন্তু কোথাও বাগদানের কথা উল্লেখ করিনি। শুধু লিখেছি, এনগেজড। তার মানে আমি এখন আর সিঙ্গেল না। কারও না কারও সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছি। বাকিটুকু সময় হলে জানতে পারবেন।’

এছাড়াও, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ক্যাপশন দিয়ে হলুদ মাখানো দুটি হাতের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নাজনীন নীহা। সেই পোস্ট নিয়ে বিয়ের গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। তবে অভিনেত্রী পরবর্তীতে জানান, সেটি ছিল একটি নাটকের প্রচারণার অংশ, বাস্তব জীবনের কোনো ঘটনা নয়।

সবশেষে, সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করলেও, নাজনীন নীহা তার সঙ্গীর পরিচয় এখনই প্রকাশ করতে রাজি নন। তিনি বলেন, সময় হলেই সবকিছু জানাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে সরকার দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট সফলভাবে মোকাবেলা করতে চায়।’

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল। দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা, ভুল নীতি, অর্থপাচার, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সংকট এবং বিনিয়োগে স্থবিরতার মতো বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে। এসব সংকট অস্বীকার না করে বাস্তবতা মেনেই সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংকট উত্তরণে কাজ করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক সরকার হিসেবে জনগণের প্রতি সরকারের যে দায়িত্ব রয়েছে, তার কিছুটা হলেও সরকার পালন করতে সক্ষম হয়েছে।

একই সঙ্গে জনগণকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পেরেছে।’

তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের চিফ হুইফ আগের দিনের বক্তব্যে যে প্রেক্ষাপটে বর্তমান সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে, তা উল্লেখ করেছেন। সরকারও মনে করে, দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক।’

বক্তার ভাষায়, দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা এবং ভুল নীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক খাত কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল।

পাশাপাশি হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়েও স্বীকৃত। দেশের উৎপাদন ও বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল এবং দুই থেকে আড়াই বছর আগে মূল্যস্ফীতি যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তার প্রভাব দেশের মানুষ প্রত্যক্ষভাবে অনুভব করেছে।

তিনি আরো বলেন, ‘পুঁজিবাজারের অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে অনেক বিনিয়োগকারী সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছিলেন। অন্যদিকে একটি গোষ্ঠী কোটি কোটি মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করেছে।’

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘অর্থপাচার ও অপচয়ের কারণে রিজার্ভ ভয়াবহ অবস্থায় নেমে গিয়েছিল।

একই সঙ্গে টাকার বিনিময় হার প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ‘ভ্যানিটি প্রজেক্ট’ বাস্তবায়নের জন্য দেশি-বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছিল, যা এখন জাতির ওপর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব প্রকল্প থেকে পর্যাপ্ত রাজস্ব না আসায় বিদেশি ঋণ পরিশোধে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী দীর্ঘ সময় ধরে এই বোঝা বহন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার সংকটকে অস্বীকার করছে না এবং সংকটকে অজুহাতও বানাতে চায় না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমেই এই সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএসএফের পুশ ইন চেষ্টা ব্যর্থ, মুজিবনগর সীমান্তে বিজিবির বাধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


বিএসএফের পুশ ইন চেষ্টা ব্যর্থ, মুজিবনগর সীমান্তে বিজিবির বাধা

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৭ জনকে পুশ ইন করার চেষ্টা চালিয়েছে। ২৯ জুন, সোমবার ভোরে উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশ ইন করার প্রচেষ্টা হয়।

 

স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, ভারতের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার পাথরঘাটা গ্রামের দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১১০ নম্বর মেইন পিলার ব্যবহার করে ৭ জনকে পুশ ইন করার চেষ্টা করেছে বিএসএফ।

 

নাজিরাকোনা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মোজাম্মেল হক জানান, বিএসএফ সদস্যরা পুশ ইন করার চেষ্টা করলেও বিজিবি ও গ্রামবাসীর শক্ত প্রতিরোধে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

 

এ মাসে মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফ একাধিকবার পুশ ইন করার চেষ্টা চালিয়েছে। গত ৬ জুন তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জন, ১৯ জুন বুড়িপোতা ইউনিয়নের খালপাড়া সীমান্তে ৪ জন, ২৫ জুন গাংনী উপজেলার শেওড়াতলা সীমান্তে ৭ জন, ধলা সীমান্তে ৩ জন এবং কাজিপুর সীমান্তে ২ জনকে পুশ ইন করার চেষ্টা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%