ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করেছি: প্রধানমন্ত্রী


ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে সরকার দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট সফলভাবে মোকাবেলা করতে চায়।’

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল। দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা, ভুল নীতি, অর্থপাচার, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সংকট এবং বিনিয়োগে স্থবিরতার মতো বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে। এসব সংকট অস্বীকার না করে বাস্তবতা মেনেই সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংকট উত্তরণে কাজ করছে।’

আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদের স্পেন ও ইইউর সহযোগিতার প্রশংসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক সরকার হিসেবে জনগণের প্রতি সরকারের যে দায়িত্ব রয়েছে, তার কিছুটা হলেও সরকার পালন করতে সক্ষম হয়েছে।

একই সঙ্গে জনগণকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পেরেছে।’

তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের চিফ হুইফ আগের দিনের বক্তব্যে যে প্রেক্ষাপটে বর্তমান সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে, তা উল্লেখ করেছেন। সরকারও মনে করে, দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক।’

বক্তার ভাষায়, দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা এবং ভুল নীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক খাত কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: কংগ্রেস ভারতকে 'বাংলাদেশ' বানানোর চক্রান্তে লিপ্ত, নির্বাচন ছাড়াই ক্ষমতা দখল করতে চায়

পাশাপাশি হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়েও স্বীকৃত। দেশের উৎপাদন ও বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল এবং দুই থেকে আড়াই বছর আগে মূল্যস্ফীতি যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তার প্রভাব দেশের মানুষ প্রত্যক্ষভাবে অনুভব করেছে।

তিনি আরো বলেন, ‘পুঁজিবাজারের অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে অনেক বিনিয়োগকারী সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছিলেন। অন্যদিকে একটি গোষ্ঠী কোটি কোটি মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করেছে।’

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘অর্থপাচার ও অপচয়ের কারণে রিজার্ভ ভয়াবহ অবস্থায় নেমে গিয়েছিল।

একই সঙ্গে টাকার বিনিময় হার প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ‘ভ্যানিটি প্রজেক্ট’ বাস্তবায়নের জন্য দেশি-বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছিল, যা এখন জাতির ওপর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব প্রকল্প থেকে পর্যাপ্ত রাজস্ব না আসায় বিদেশি ঋণ পরিশোধে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী দীর্ঘ সময় ধরে এই বোঝা বহন করতে হবে।’

আরও পড়ুন: মিরপুর-১০-এ উদ্বোধন হলো ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্পীডি

তিনি বলেন, ‘সরকার সংকটকে অস্বীকার করছে না এবং সংকটকে অজুহাতও বানাতে চায় না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমেই এই সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএসএফের পুশ ইন চেষ্টা ব্যর্থ, মুজিবনগর সীমান্তে বিজিবির বাধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


বিএসএফের পুশ ইন চেষ্টা ব্যর্থ, মুজিবনগর সীমান্তে বিজিবির বাধা

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৭ জনকে পুশ ইন করার চেষ্টা চালিয়েছে। ২৯ জুন, সোমবার ভোরে উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশ ইন করার প্রচেষ্টা হয়।

 

স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, ভারতের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার পাথরঘাটা গ্রামের দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১১০ নম্বর মেইন পিলার ব্যবহার করে ৭ জনকে পুশ ইন করার চেষ্টা করেছে বিএসএফ।

 

নাজিরাকোনা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মোজাম্মেল হক জানান, বিএসএফ সদস্যরা পুশ ইন করার চেষ্টা করলেও বিজিবি ও গ্রামবাসীর শক্ত প্রতিরোধে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

 

এ মাসে মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফ একাধিকবার পুশ ইন করার চেষ্টা চালিয়েছে। গত ৬ জুন তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জন, ১৯ জুন বুড়িপোতা ইউনিয়নের খালপাড়া সীমান্তে ৪ জন, ২৫ জুন গাংনী উপজেলার শেওড়াতলা সীমান্তে ৭ জন, ধলা সীমান্তে ৩ জন এবং কাজিপুর সীমান্তে ২ জনকে পুশ ইন করার চেষ্টা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের: দূতাবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


শেনজেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের: দূতাবাস

ইউরোপের শেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণকারীদের প্রবেশের সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সীমান্ত পুলিশের হাতে থাকে।

সুতরাং, ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার জন্য ঢাকায় অবস্থিত শেনজেনভুক্ত দেশগুলোর দূতাবাস একটি অনুরোধ জানিয়ে আছে।

এ সংক্রান্ত একটি বার্তা সোমবার (২৯ জুন) প্রকাশিত হয়। বার্তায় বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে যে, আপনার ভিসা আপনাকে ভ্রমণের পূর্বানুমতি দেয়।

তবে, যেকোনো শেনজেন দেশে ভ্রমণকারীদের প্রবেশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সবসময় সীমান্ত পুলিশের হাতে থাকে।

এই কারণে আপনাকে অবশ্যই সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে পুলিশ আপনার তথ্যাদি যাচাই করে নিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গজলডোবা ব্যারাজের গেট খোলায় তিস্তার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


গজলডোবা ব্যারাজের গেট খোলায় তিস্তার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার পরিবার

ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের গেট খুলে দেওয়ার ফলে তিস্তার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ার পর তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে কিছুটা কমে গেলেও নিচের দিকে পানি বেড়ে গেছে। এর ফলস্বরূপ নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে, এমন তথ্য দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এদিকে, পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেটও খুলে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে নদীতীরবর্তী ওই নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

সোমবার সকালবেলায় লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় জানিয়েছেন, ভারতে গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ার কারণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার বিকেলে ব্যারাজের গেটগুলো খুলে দেওয়ার পর তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। তবে সোমবার বিকেলে পানি কমে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙনের ঘটনাও ঘটছে বলে পাউবো জানিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলায় ১৩টি ঘরবাড়ি নদীর স্রোতে বিলীন হয়ে গেছে।

হঠাৎ তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ার ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান, নিজ শেখ সুন্দর, বাঘেরচর, সিঙ্গীমারী, ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ি এবং কালীগঞ্জ উপজেলার শৈলমারী, চর বৈরাতী, রুদ্রেশ্বর, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, গোবর্ধন ও স্পারবাঁধ এলাকার চরাঞ্চলের বাদামক্ষেত, আমনের বীজতলা, মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা বিপাকের মুখোমুখি রয়েছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলার কাশীরাম এলাকার বাদামচাষি লোকমান মিয়া দাবি করছেন যে, তিনি তিস্তার চরে ৭০ শতক জমি লিজ নিয়ে চিনাবাদাম চাষ করেছেন। কিন্তু কয়েকদিন ধরে জমিতে পানি জমে থাকার কারণে বাদামে পচন ধরেছে এবং গাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে। এতে ফলনে কমে যাওয়ার পাশাপাশি লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, রাতে পানি কমলেও সকালে ফের বাড়ছে। এই পানির ওঠানামায় তারা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। চলতি মৌসুমে আমন আবাদের জন্য প্রস্তুত করা অনেক বীজতলা পানিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই নতুন করে বীজতলার প্রয়োজন হতে পারে।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী গ্রামের কৃষক আনোয়ারুল হক বলেছেন, রবিবার রাতে টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি শুনেছেন যে, ভারতও পানি ছেড়ে দিয়েছে। পানি যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তাহলে চরাঞ্চলের ধানের চারা, বাদাম ও মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে।

তিস্তার চর রাজপুর এলাকার কৃষক মকবুল হোসেন জানিয়েছেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ঘরবাড়িতে পানি তুলে দিয়েছে। ফলে গবাদিপশু এবং সন্তানদের নিয়ে তিনি চরম বিপদে আছেন।

চর বালাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেন্টু মিয়া জানিয়েছেন, গত দুই দিন ধরে তিনি পানিবন্দি হয়ে আছেন। চেয়ারম্যান-মেম্বার কেউ কোনো খোঁজখবর নিচ্ছেন না।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান বলেছেন, তিস্তার চরাঞ্চলে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। চেয়ারম্যানদের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলেই শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, তিস্তার পানি কখনও বিপৎসীমার ওপরে, কখনও নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলের কারণে বেলা বাড়ার সঙ্গে নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ের আরেক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি নবী নেওয়াজ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


জুলাইয়ের আরেক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি নবী নেওয়াজ গ্রেপ্তার

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যার মামলায় ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নবী নেওয়াজকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, সোমবার এই আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ এহেসানুল ইসলাম। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ টিপু সুলতান সম্প্রতি গ্রেফতারের জন্য আবেদন করেছিলেন। আদালত নবী নেওয়াজের উপস্থিতিতে শুনানির দিন সোমবার ধার্য করেন।

এদিন শুনানির সময় তাকে আদালতে তোলা হয়। পরে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নবী নেওয়াজের আইনজীবী শামসুর রহমান বাদল এই বিষয়ে মন্তব্য করেন, ‘সাবেক এই এমপিকে হাই কোর্ট ডিভিশন থেকে ইতিমধ্যে রমনা থানা মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। যখন তিনি মুক্তি পাবেন, তখনি তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শীতলভাবে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। তিনি এই মামলার এজাহারনামীয় আসামি নয়। রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ, বয়স্ক একজন মানুষ।’

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা আদাবরের রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করেন। এই সময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতী লীগ, কৃষক লীগ, মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হন।

এরপর তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আদাবর থানায় মামলাটি দায়ের করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম।

জুলাই আন্দোলনের সময় রমনায় গুলি করে গৃহকর্মী লিজা আক্তারকে হত্যার মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় নবী নেওয়াজ গ্রেফতার হয়ে currently কারাগারে রয়েছেন। ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকায় ডিবি পুলিশের হাতে তিনি গ্রেফতার হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%