ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
মাদকের করাল গ্রাস থেকে

তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন


তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন

আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার শহর শাখার যুব বিভাগের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। ২৬ জুন বাদ জুমা শহরের বাজারঘাটস্থ প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও জেলা যুব বিভাগ সভাপতি মুহাম্মদ হেদায়াত উল্লাহ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। শহর যুব বিভাগের সভাপতি কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনের সময় অতিথিবৃন্দ বলেন, মাদক বাংলাদেশে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি শহর থেকে গ্রামে সয়লাবের মতো পরিলক্ষিত হচ্ছে। স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত মাদকের ভয়াবহ নেশায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। দেশে ৮২ লাখ মাদকাসক্তের সংখ্যা রয়েছে। এর মধ্যে ৬০ ভাগ লোক ১৮ বছরের আগেই মাদকাসক্ত হয়ে যায়।

এহেন পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক অন্ধকার গলিতে হারিয়ে যাবে। তরুণ প্রজন্মের মেরুদন্ড ভেঙে পড়বে। সামাজিক অস্থিরতা ও সহিংসতা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। জাতি হিসেবে আমাদের পরিচিতি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে। বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকারীভাবে আমরা শুধুমাত্র বক্তব্য, বিবৃতি ও আনুষ্ঠানিকতার প্রত্যাশা করি না। আমাদের সকল রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দিরসহ সব স্তরে সম্মিলিতভাবে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন: প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে ওএসডি হয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার

তরুণ প্রজন্মকে ভয়াবহ মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। একটি সুস্থ, সুখী ও উন্নত-সমৃদ্ধ জাতি গঠনের লক্ষ্যে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা পালন করার জন্য বক্তারা সকলের প্রতি আহ্বান জানান। বক্তারা মাদকাসক্তদের সুস্থ করে গড়ে তোলার জন্য সরকারি উদ্যোগ আরো সম্প্রসারিত করার দাবি জানান। বক্তারা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আধুনিক সরঞ্জাম, গোয়েন্দা নজরদারি, জনবল বৃদ্ধি ও সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে প্রযুক্তির সাহায্যে মাদক কারবারি, বহনকারী ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। শহর যুব বিভাগের সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা যুব বিভাগ সভাপতি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়, লং মার্চের হুঁশিয়ারি এমপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়, লং মার্চের হুঁশিয়ারি এমপির

কুমিল্লার গোলাবাড়ি এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস দমনের জন্য প্রশাসনের কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী লং মার্চের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে বলেছেন, যদি প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেবেন। এমনকি, প্রয়োজনে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার কথাও তার মুখ থেকে বেরিয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। এমপি মনিরুল হক চৌধুরী আরও বলেন, “যদি জঙ্গল সলিমপুর নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়ে থাকে, তাহলে গোলাবাড়ি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না? যদি সেখানে কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তার না হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়।” তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, গোলাবাড়ির মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রয়োজনে গোলাবাড়ি এলাকায় ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। তিনি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও উল্লেখ করেছেন। সভায় জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকুকে উদ্দেশ্য করে তিনি প্রশ্ন করেন, “মার্ডার ও মাদকসহ ৩৫টি মামলার আসামিরা কীভাবে জামিন পায়? এ বিষয়টি নিয়ে আরও কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।” জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বজলুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি কুমিল্লার সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম, জেলা পিপি অ্যাডভোকেট কাইউমুল হক রিংকু, অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম, লাকসাম সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার সনদ বড়ুয়া, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোমনায় পাশাপাশি চার কবরে দাফন, বাকরুদ্ধ একমাত্র সন্তান সিফাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


হোমনায় পাশাপাশি চার কবরে দাফন, বাকরুদ্ধ একমাত্র সন্তান সিফাত

লক্ষ্ণীপুরের রায়পুরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার মা ও তিন বোনের লাশ অবশেষে কুমিল্লার হোমনায় এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাত ১০টা ৫ মিনিটে হোমনা পৌরসভার লটিয়া ঈদগাহ মাঠে তাঁদের যৌথ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পরে স্থানীয় কবরস্থানে পাশাপাশি চারটি কবরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। তাদের জানাজা পড়িয়েছেন মুফতি সামসুল হক আরিফী। এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিতে পুরো উপজেলায় এখন গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে। জানাজায় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি কাজী মো. ইব্রাহিমসহ সর্বস্তরের হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তবে জানাজাস্থলে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ফলে পুরো পরিবার হারিয়ে এখন সম্পূর্ণ একা হয়ে গেছে একমাত্র জীবিত সন্তান মো. সিফাত। ঘটনার সময় সে বাসার বাইরে ছিল এবং অলৌকিকভাবে বেঁচে যায়। এবারের এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া এই কিশোরই ঢাকা ও লক্ষ্ণীপুর থেকে একা হাতে মা ও তিন বোনের লাশ হোমনায় নিয়ে এসেছে। লাশগুলো বাড়িতে আসলে পুরো গ্রামবাসীদের ও তাদের চাচা মামারা জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেন। স্বজনদের হারিয়ে সিফাত এখন পুরোপুরি বাকরুদ্ধ। তার আপন বলতে আর কেউ রইল না। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রায়পুর পৌরসভার গোডাউন রোডের একটি ভবনের পাঁচ তলার ভাড়া বাসায় ঢুকে শাহীনূর আক্তার (৩৮) ও তাঁর তিন মেয়েকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে সাবেক ভাড়াটিয়া অন্তর মজুমদার। ঘটনাস্থলেই মা ও দুই বোন সায়মা আক্তার (২১) ও সিফা আক্তার (১০) মারা যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মেঝো বোন ও চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকরা আক্তারও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘাতক অন্তরও উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে হাসপাতালে মারা গেছে। দীর্ঘ ৩০ বছর রায়পুরে কাটানোর পর, অবশেষে নিজের ভূমিতেই পাশাপাশি চার কবরে ঠাঁই হলো এক পরিবারের চার সদস্যের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শনিবার কুড়িগ্রামের দুই উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


শনিবার কুড়িগ্রামের দুই উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে

 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী ও নাগেশ্বরী উপজেলায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। ফলে দুই উপজেলার প্রায় এক লাখ ৩৮ হাজার গ্রাহক সাময়িকভাবে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকবেন।

ফুলবাড়ী জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রেজাউল করিম এবং নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কামাল হোসেন এ সম্পর্কিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ৩৩ কেভি সোর্স লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ দুই উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পখাতসহ সব শ্রেণির গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবেন।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে আরো নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য এ রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এর আওতায় নাগেশ্বরী উপজেলার প্রায় ৮০ হাজার ৪০০ এবং ফুলবাড়ী উপজেলার প্রায় ৫৭ হাজার গ্রাহক সাময়িকভাবে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকবেন।

ফুলবাড়ী জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রেজাউল করিম জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের আগে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন করতে পার‌লে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।

নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কামাল হোসেন ব্যাখ্যা দেন যে, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের পর গ্রাহকরা উন্নত ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৃহহীনদের পুনর্বাসনের ৬০টি ঘরে সন্ধ্যার পর বসে মাদকের আসর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


গৃহহীনদের পুনর্বাসনের ৬০টি ঘরে সন্ধ্যার পর বসে মাদকের আসর

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা অঞ্চলের আকোটের চর গুচ্ছগ্রামের ৬০টি পরিত্যক্ত ঘর বর্তমানে মাদকসেবী এবং মাদক কারবারিদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিদিন সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথেই এসব পরিত্যক্ত ঘরে ইয়াবা ও গাঁজার আসর বসে। রাত গভীর হওয়া পর্যন্ত এই মাদক সেবন ও লেনদেন চলতে থাকে। স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাদের প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে ভয়ের কারণে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, আকোটের চর গুচ্ছগ্রামে মোট ১৬০টি ঘর রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০টি ঘরে পরিবার বসবাস করছে তবে দীর্ঘদিন ধরে ৬০টি ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। যথাযথ তদারকির অভাবে এসব ঘরই এখন মাদকসেবী ও কারবারিদের নিয়মিত আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যার পর আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মাদকসেবী লোকজন এসে পরিত্যক্ত ঘরগুলোতে জড়ো হয়। শুধু স্থলপথ দ্বারাই নয়, পদ্মা নদীর বিভিন্ন চর এলাকা থেকেও নৌকাযোগে অনেকের যাতায়াত রয়েছে। নদী-সংলগ্ন অঞ্চলের কারণে নৌকাযোগে সহজেই মাদকদ্রব্য আনা-নেওয়া করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন যে, ট্রলার বা স্পিডবোটের মাধ্যমে নদীপথে পার্শ্ববর্তী ঢাকা জেলার দোহারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মাদকদ্রব্য এই অঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে। এসব আসরে সবচেয়ে বেশি ইয়াবা এবং গাঁজা সেবন করা হচ্ছে। এতে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বেকার যুবকদের একটি অংশ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি, মাদককে কেন্দ্র করে চুরি, ডাকাতি, মারামারি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা ইচাহাক শেখ বলেন, সন্ধ্যার পর বিভিন্ন এলাকার লোকজন এসে পরিত্যক্ত ঘরগুলোতে ঢুকে মাদক সেবন করে। কিছুক্ষণ পর আবার চলে যান। ভয় এবং নিরাপত্তার কারণে গ্রামের মানুষ সন্ধ্যার পর ওই দিকটায় যেতে চান না। অন্য এক স্থানীয় বাসিন্দা কুলছুম বেগম জানান, সন্ধ্যা হলেই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করে। ছেলে-মেয়ে বাইরে যেতে পারছে না। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই মাদকের আসর বন্ধ করুক। আকোটের চর ইউপি চেয়ারম্যান আসলাম বেপারী বলছেন, গুচ্ছগ্রামের পরিত্যক্ত ঘরগুলো মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে আমি মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে কয়েকবার বলেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ্ জানান, এই ধরনের অভিযোগ পেলে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি এলাকায় পুলিশি টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%