ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রুয়েটের হলে গাঁজা সেবনের অভিযোগে আটক ৪ শিক্ষার্থী


রুয়েটের হলে গাঁজা সেবনের অভিযোগে আটক ৪ শিক্ষার্থী

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলে এক অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় চার শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। যেটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার সময়। এই অভিযান হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালনা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে, গোপন সংবাদ মিলে শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলের একটি কক্ষে অভিযানটি সম্পন্ন হয়। অভিযানের সময় চার শিক্ষার্থীকে গাঁজা সেবনে লিপ্ত অবস্থায় আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

এই অভিযানে রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, সহকারী পরিচালক আবু ইসমাইল সিদ্দিকী এবং শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. আবু বকর সিদ্দিক অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

ঘটনার প্রসঙ্গে সহকারী ছাত্রকল্যাণ পরিচালক আবু ইসমাইল সিদ্দিকী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকসহ যেকোনো ধরনের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। মাদক সেবনের ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে জানিয়েছে যে, তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পাদনের পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যাম্পাসে মাদকমুক্ত এবং সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে নতুন হামলা হলে একাই দায় নিতে হবে, নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


ইরানে নতুন হামলা হলে একাই দায় নিতে হবে, নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরানের সঙ্গে ইসরাইল পুনরায় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে তাকে একাই তা সামলাতে হবে।

সোমবার যখন এই সতর্কবার্তাটি এসেছে, তখন ইসরাইল ও ইরান জানিয়েছে যে, কয়েকদিনের পাল্টাপাল্টি হামলার পর তারা আক্রমণ বন্ধ করবে।

এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর প্রথমবারের মতো একে অপরের ওপর হামলা চালায় ইরান-ইসরাইল।

জানা গেছে, নেতানিয়াহুর ওপর ক্রমশ বিরক্ত হয়ে ওঠা ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে উভয় পক্ষকে ‘গুলি চালানো’ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন যে, শান্তির জন্য ‘চূড়ান্ত আলোচনা’ এগিয়ে যাবে, যদি অজ্ঞতা বা মূর্খতা এর পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের अनुसार, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ফোন করে হামলা বন্ধ করতে বলেছেন।

অ্যাক্সিওসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলেছি, বিবি, আপনার সতর্ক থাকা উচিত, নইলে খুব শিগগিরই আপনাকে একাই লড়তে হবে।’

রোববার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরাইলের প্রাণঘাতী বোমাবর্ষণের পর এই সংঘাত শুরু হয়। ইরান, যারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তি আংশিকভাবে লেবাননের যুদ্ধবিরতির ওপর নির্ভরশীল, উত্তর ইসরাইলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে এর জবাব দিয়েছে।

জানা গেছে, ট্রাম্প রোববার সন্ধ্যায় নেতানিয়াহুকে ফোন করে প্রতিশোধ নিতেও অনুরোধ করেন। কিন্তু ইসরাইল সোমবার ভোরেই ইরানের ওপর পাল্টা হামলা চালায়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বাড়ে।

ইসরাইলি বাহিনী ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান হাইফায় একই ধরনের একটি স্থাপনায় হামলা এবং দুটি ইসরাইলি বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যমাত্রা বানায়।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এই উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘এটির জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দায়ী। তারা যুদ্ধবিরতি আলোচনার একটি পক্ষ। সুতরাং, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনকারী যেকোনো কাজ, তা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ আটক করাই হোক বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে দক্ষিণ লেবাননকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্যই হোক, অন্য যেকোনো ঘটনাই হোক, এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দায়ী থাকবে।’

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৬ নদীর ভাঙন-ঘূর্ণিপাকে ঝুঁকিতে ১০ লাখ মানুষ, বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ এম


১৬ নদীর ভাঙন-ঘূর্ণিপাকে ঝুঁকিতে ১০ লাখ মানুষ, বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি

আসন্ন জাতীয় বাজেটে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর ভাঙন রোধ ও চরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, সচেতন নাগরিক সমাজ ও জনপ্রতিনিধিরা। প্রতিবছর ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদের তীব্র ভাঙনে নিঃস্ব হচ্ছে হাজার হাজার পরিবার।

ভুক্তভোগীদের মতে, অস্থায়ী প্রতিরোধ নয়, বরং স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধ করা গেলে নদীপাড় ও চরাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন সম্ভব। অন্যদিকে জেলার বিপুল সংখ্যক মানুষকে স্থায়ী সংকটে রেখে দেশের সার্বিক ও সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মনে করেন সচেতন মহল।

সরেজমিনে প্রতি বছর দেখা যায়, বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই নদ-নদীর তীব্র ভাঙনে ভিটেমাটি ও আবাদী জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে অসংখ্য পরিবার। বন্যার সময় গৃহপালিত পশুসহ নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রাণপন লড়াই করতে হয় তাদের। আবার শুষ্ক মৌসুমে খরায় কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকায় দেখা দেয় তীব্র টান। বন্যা, খরা আর নদীভাঙনের এই ত্রিমুখী ঘূর্ণিপাকেই কাটছে নদীপাড় ও চরাঞ্চলের মানুষের জীবন।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, নদ-নদী এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা টিকিয়ে রাখার প্রধান মাধ্যম হওয়ার কথা থাকলেও কুড়িগ্রাম জেলায় তা যেন এক চরম দুর্ভাগ্যের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর প্রধান চারটি নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে নতুন জেগে ওঠা চরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় হাজার হাজার পরিবার। কিন্তু কয়েক বছরের ব্যবধানে সেই চরটিও আবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে তাদের পুনরায় অন্য চরে বসত গড়তে হয়।

বার বার ভাঙনের শিকার পরিবারগুলোর অভিযোগ, ভাঙন শুরু হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) অস্থায়ী ভিত্তিতে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে তা রোধের চেষ্টা করে। কিন্তু পরের বছর বন্যার প্রবল স্রোতে তা ভেসে যায় এবং আবারও একই নিয়তি বরণ করতে হয়। এজন্য এবারের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে নদ-নদীর তীর রক্ষায় স্থায়ী সমাধানের দাবি তুলেছেন তারা।

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের দুধকুমার পাড়ের বাসিন্দা লেবু মিয়া বলেন, 'গত বছর বর্ষায় যাত্রাপুরের বানিয়াপাড়ায় নদী ভাঙনে প্রায় ২শ টি পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। এবারও নদীর পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙন শুরু হয়েছে। আমরা নদী পাড়ের মানুষরা বার বার ভাঙনের কবলে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছি। তাই এবারে নতুন সরকারের বাজেটে যেন ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করা হয়।'

স্বাধীনতার পর থেকে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর ভাঙনরোধে কোনো স্থায়ী সমাধান না করায় জেলাটি দেশের অন্যতম দরিদ্রতম জেলা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তাই বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে নদীশাসন এবং একই সাথে চরের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মানোন্নয়নে কাজ করার জোর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুড়িগ্রামে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সভাপতি খন্দকার খায়রুল আনম বলেন, 'জাতীয় বাজেটে সমবণ্টনের পাশাপাশি কুড়িগ্রামের নদ-নদীগুলোর ভাঙনরোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য বিশেষ নজর দিতে হবে। চরাঞ্চলের বিপুল জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে এই জেলার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।'

কুড়িগ্রাম চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, 'কুড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে ১৬টি নদ-নদী প্রবাহিত। প্রতি বছর এসব নদ-নদীর ভাঙনে হাজার হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। নদী ভাঙন রোধ এবং চরের মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগের উন্নয়ন করা না গেলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না। তাই এসব বিশেষ এলাকার টেকসই উন্নয়নের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনসহ বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন।'

কুড়িগ্রামসহ সারাদেশে নদী ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় বিশেষ বাজেট বরাদ্দের পক্ষে মত দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্যও। কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, 'দেশে নদ-নদীর ভাঙনরোধে বর্তমানে বাজেটে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তা পর্যাপ্ত নয়। এই বরাদ্দ অন্তত দুই থেকে তিন গুণ বাড়ানো উচিত। যাতে করে শুধু কুড়িগ্রাম নয়, সারাদেশের মানুষ নদী ভাঙনের স্থায়ী অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়।'

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান ভাঙনের তীব্রতার কথা স্বীকার করে জানান, প্রতি বছর বর্ষায় ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারের প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি পয়েন্টে ভাঙন ভয়াবহ রূপ নেয়। তবে এসব নদ-নদীর তীর রক্ষায় যদি দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী কাজ করা যায়, তবে ভাঙন ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা সম্ভব।

উল্লেখ্য, জেলার ৯টি উপজেলায় জালের মতো বিস্তার করে আছে প্রধান ৪টিসহ মোট ১৬টি নদ-নদী। এই নদীগুলোর অববাহিকায় গড়ে ওঠা সাড়ে ৪ শতাধিক চরাঞ্চলে প্রায় ৫ লাখ এবং নদীপাড়ের অববাহিকায় আরও ১০ লাখের বেশি মানুষ চরম ঝুঁকিতে বসবাস করছেন। আসন্ন বাজেটে সরকার কুড়িগ্রামের এই প্রান্তিক জনগণের প্রাণের দাবিকে মূল্যায়ন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা জেলাবাসীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআইজির কার্যালয়ে আবারও কালনাগিনী আতঙ্ক: দুই দিনে উদ্ধার ৪ সাপ, অভিযান অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


ডিআইজির কার্যালয়ে আবারও কালনাগিনী আতঙ্ক: দুই দিনে উদ্ধার ৪ সাপ, অভিযান অব্যাহত

বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে একের পর এক কালনাগিনী সাপের সন্ধান মিলছে। সর্বশেষ সোমবার (৮ জুন) আরও এক জোড়া কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছেন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা। এর ফলে গত দুই দিনে ডিআইজি কার্যালয় থেকে মোট চারটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টার অভিযানে দুটি সাপ উদ্ধার করা হয়। এর আগে রোববারও একই স্থান থেকে এক জোড়া কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছিল।

সাপ উদ্ধারকারী সংগঠন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ্ হাসান মুসা জানান, রোববার বিকেলে ডিআইজি কার্যালয়ে সাপ দেখা যাওয়ার খবর পেয়ে তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সাপের অবস্থান শনাক্ত করতে ডিআইজির কক্ষের ডেকোরেশনের একটি অংশ এবং পরে দেয়ালের কিছু অংশ ভাঙতে হয়। দীর্ঘ চেষ্টার পর দেয়ালের ফাঁকা স্থান থেকে প্রথম জোড়া কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

তিনি বলেন, সোমবার সকালে আবারও একই স্থানে সাপ দেখতে পান কার্যালয়ের কর্মরত পুলিশ সদস্যরা। খবর পেয়ে পুনরায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর আরও একটি জোড়া কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়।

আসাদুল্লাহ্ হাসান মুসার মতে, কার্যালয়টি এখনো পুরোপুরি সাপমুক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ কর্মচারীরা আরও সাপ দেখার কথা জানিয়েছেন। সম্ভাব্য সব স্থানে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে সামাজিক বন বিভাগ বরিশাল সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফ রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া চারটি সাপের মধ্যে প্রথম দিনের দুটি সাপ ইতোমধ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। সোমবার উদ্ধার হওয়া অপর দুটি সাপ বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কার্যালয়ের চারপাশে ঘন ঝোপঝাড় রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই সাপগুলো ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেছে। আরও সাপ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্টরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।

কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কক্ষে একের পর এক সাপ উদ্ধারের ঘটনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে পুরো এলাকা সাপমুক্ত করতে বিশেষ নজরদারি ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যায় পাকিস্তানকে ছাড়িয়েছে ভারত: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ এম


পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যায় পাকিস্তানকে ছাড়িয়েছে ভারত: গবেষণা

বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তির প্রতিযোগিতা দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। এই প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান এবং ইসরায়েলকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত।

সুইডেনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা 'স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট' (সিপ্রি)-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সাল জুড়ে ভারত আরও তার পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডার বৃদ্ধির দিকে যাবতীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে ভারতের কাছে পরমাণু বোমার সংখ্যা পাকিস্তানের চেয়ে ২০টি বেশি রয়েছে।

সিপ্রি-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারত ১৯০টি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র (ওয়ারহেড) ধরণ করছে।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের কাছে আছে ১৭০টি পারমাণবিক অস্ত্র। শুধুই এ নয়, ভারত ইতিমধ্যেই ১২টি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র সরাসরি মোতায়েন করে রেখেছে। প্রতিবেদনে আরও বলেছে, ভারতের এই পরমাণু কর্মসূচির মূল লক্ষ্য শুধুমাত্র পাকিস্তান নয়, বরং সেইসাথে পুরো চীন জুড়েও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার অস্ত্র তৈরিকে লক্ষ্য করানো হয়েছে। তবে পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের শত্রুতার বিষয়টিকেও মাথায় রাখছে নয়াদিল্লি।

অন্যদিকে, পাকিস্তানও শান্ত থাকতে নেই। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী এক দশকে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রাগারও আরও বড় হতে পারে।

প্রতিবেদনে গত ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে কাশ্মীরের পহেলগামে একটি সন্ত্রাসী হামলার ফলে ২৬ জন নিহত হয় এবং পরবর্তী সময়ে মে মাসে পাকিস্তান সীমান্তের ওপারে সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করতে 'অপারেশন সিঁদুর' নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত। সিপ্রি মনে করে, দুই দেশের এই সংঘাত পারমাণবিক ঝুঁকির আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

বর্তমানে বিশ্বে নয়টি দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। দেশগুলো হল—যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া এবং ইসরায়েল। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই দেশগুলোর কাছে মোট ১২,১৮৭টি পারমাণবিক বোমা রয়েছে। বিশ্বে মোট ব্যবহারযোগ্য পারমাণবিক অস্ত্রের প্রায় ৮৩ শতাংশই রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্টক করে রাখা আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%