ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে বিচার নিশ্চিত করতে চায় সরকার: তথ্য উপদেষ্টা


শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে বিচার নিশ্চিত করতে চায় সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার বদ্ধপরিকর। স্বচ্ছ বিচারের মাধ্যমে তার বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। দেশের জনগণ চায় তার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকুক। পাশাপাশি তার প্রত্যর্পণের জন্য ইতোমধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানো হয়েছে।’

আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সরকার রাজনৈতিক বা ভূ-রাজনৈতিক চাপ নিয়ে ভাবছে না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে যে, (ক্ষমতাচ্যুত) শেখ হাসিনার বিচারের লক্ষ্যে তাকে প্রত্যর্পণ করতে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চাওয়া হয়েছে। আমরা তাকে স্বাগত জানাচ্ছি, কারণ এই রাষ্ট্রে ‘ইনসাফ’ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘এ দেশের জনগণ দেখতে চায় শেখ হাসিনা যে অপরাধ করেছেন, তার বিচার হোক এবং ইতোমধ্যে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে তা বহাল ও কার্যকর হোক।’

উপদেষ্টা জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আইসিটি আইনকে অত্যন্ত আধুনিক ও বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী সংস্কার করা হয়েছে। শেখ হাসিনা চাইলে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম বিদেশি আইনজীবী এনে নিজেকে ডিফেন্ড করার সুযোগ পাবেন। এই আইসিটি আদালতে বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং বিচার প্রক্রিয়াকে ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা

তিনি বলেছেন, ‘একেবারে স্বচ্ছ বিচারের মাধ্যমে সব প্রক্রিয়া চলবে। তবে আদালতে শেখ হাসিনা যদি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেন, যে তিনি অপরাধী নন, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনো শাস্তিও দিতে পারে। সেজন্য বলছি রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার এক ব্যক্তিকে সরকার জাস্টিস দিতে চাই। জাস্টিস মূলত এভাবেই নিশ্চিত করতে হয়।’

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞা কোনো নির্বাহী আদেশ বা সরকারের সিদ্ধান্ত নয়। এটি সরাসরি আদালতের নির্দেশনা। রাষ্ট্র পরিচালনা ও আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ বডি হিসেবে সরকারের দায়িত্ব হলো আদালতের এই নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা। যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা গণমাধ্যম কর্মী মনে করেন এই আদেশে তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে, তবে তারা আদালতে গিয়ে এটি চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। আদালত উঠিয়ে নিলে নিষেধাজ্ঞা ভারি হবে, তবে যতক্ষণ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে, সবাইকে রাষ্ট্রের আইন মানতে হবে।’

সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে দ্বার্থহীন ভাষায় স্পষ্ট করেছে তারা সংসদে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’-এর ভিত্তিতে কাজ করবে। তবে উচ্চকক্ষ গঠনসহ সনদের কিছু বিষয়ে বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ছিল, যা তারা আগেই জনগণকে জানিয়ে নির্বাচনের ম্যান্ডেট নিয়েছে।’

তিনি বিরোধী দল বা জামায়াতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের গণভোটের বিতর্কে না জড়িয়ে বিরোধী দলের উচিত এই সংলাপে ও সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেওয়া। তারা আলোচনার মাধ্যমে তাদের দাবিগুলো সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুক। পার্লামেন্টে জনগণের সামনে তাদের যুক্তি তুলে ধরে। নির্বাচনী ব্যবস্থা বা গণতন্ত্র এভাবেই কাজ করে।’

আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যা ও জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে যা হচ্ছে তা বন্যা নয়, মূলত দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা। আগের সরকার চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন মেগা প্রজেক্টে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করলেও তার একটি ছোট ভগ্নাংশ মাত্র কার্যকর হয়েছে, যা মূলত দুর্নীতি ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের ফসল। বর্তমান সরকার এই কাঠামোগত সংকট নিরসনে নতুন করে কাজ শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সিয়াম হত্যা মামলার সব আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ কর্মসূচিটি গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে থানার সামনে অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে নিহতের আত্মীয়, বন্ধু এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

সেই মানববন্ধনের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুর রহমান এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস প্রদান করায় ওই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত সিয়ামের মা লাকী আক্তার, মামা রাজিব, বন্ধু জিসানসহ আরো অনেকে।

বক্তাদের মধ্যে কয়েকজন বলেন, প্রধান আসামি গ্রেফতার করা হলেও মামলার অন্যান্য আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা আবশ্যক। বক্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানান।

এবং পাশাপাশি তাঁরা মামলার তদন্তের সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেন যাতে যেন কোনো আসামি আইনের ফাঁক গলে বের হয়ে না যেতে পারে।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন বলেন, এই মামলায় এখন পর্যন্ত দুজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

এর আগে, ৮ জুলাই আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের লস্করদী এলাকার ছাপড়া মসজিদের সামনে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিয়ামের মৃত্যু ঘটে ৯ জুলাই। নিহতের বাবা মোক্তার হোসেন বাদী হয়ে নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে আড়াইহাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়েই বিশ্বকাপে এসেছিল সেনেগাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়েই বিশ্বকাপে এসেছিল সেনেগাল

স্পোর্টস মেডিসিনের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে বিস্ময়কর এক তথ্য।

সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন ফুটবল বিশ্বকাপে তাদের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আত্মসমালোচনায় প্রবেশ করেছে। ফেডারেশনের সভাপতি আবদুলায়ে ফল জানিয়েছেন, জাতীয় দলের প্রধান চিকিৎসক মূলত স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিরোগ (গাইনোকোলজি) বিশেষজ্ঞ ছিলেন। এই কারণেই বিশ্বকাপ চলাকালে খেলোয়াড়দের চিকিৎসাসেবা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

সোমবার সংবাদ সম্মেলনে আবদুলায়ে ফল আরও বলেন, বিশ্বকাপ চলাকালে তারা জানতে পেরেছিলেন যে দলের প্রধান চিকিৎসকের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ খেলোয়াড়দের প্রয়োজনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর ফলে অনেক ফুটবলার তার চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে যথেষ্ট সমস্যায় পড়েছিল।

তিনি যোগ করেন, ‘খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পাওয়া মতামত অনুযায়ী, তারা মনে করেননি যে তিনি তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা দিতে পারবেন। তাই তাদের আশ্বস্ত করার জন্য আমাদের অতিরিক্ত চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হয়েছে। কারণ স্বাস্থ্যই সবার আগে।’

এদিকে এই অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে সেনেগাল স্পোর্টস মেডিসিন অ্যাসোসিয়েশন। তারা একটি বিবৃতিতে অভিযোগগুলোকে ‘ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ বলে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, জাতীয় দলের চিকিৎসক আবদেরাহমানে ফেদিওর কেবল গাইনোকোলজিস্ট নন, বরঞ্চ তিনি শেইখ আন্তা দিয়প বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অনুষদ থেকে স্পোর্টস মেডিসিন ও স্পোর্টস বায়োলজিতে বিশেষায়িত ডিপ্লোমাও অর্জন করেছেন।

এছাড়া, তিনি ফান হাসপাতালের ফিজিওথেরাপি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১৭ সাল থেকে সেনেগাল জাতীয় দলের চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন। তার সময়ে তিনি তিনটি বিশ্বকাপ এবং পাঁচটি আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে দলের সঙ্গে ছিলেন।

অবশেষে, বিশ্বকাপে ব্যর্থতার কারণে শনিবার প্রধান কোচ পাপে বুনা থিয়াওকে বরখাস্ত করেছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপে শিরোপার অন্যতম দাবিদার ধরা হলেও হতাশ করেছে সেনেগাল। গ্রুপ পর্বে ফ্রান্স ও নরওয়ের কাছে হারানোর পর শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পাঁচ মিনিটে প্রতিপক্ষের কাছে সমতা এনে দেয়। পরে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় সেনেগাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে শুরু সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


ফেনীতে শুরু সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফেনীতে উৎসবমুখর পরিবেশে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে, ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে জেলা প্রশাসক মনিরা হক মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এরআগে, বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের মিজান রোডস্থ মিজান ময়দান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ জহির রায়হান হল মাঠে এসে শেষ হয়। মেলায় মোট ২০টি স্টল স্থান পেয়েছে। সেখানে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ফুলের চারা প্রদর্শন এবং বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে।

র‌্যালি শেষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগের বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসাবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল আমিন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা।

অনুষ্ঠানে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মামুন, ফেনী সদর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র ভৌমিক, জেলা করাত কল মালিক সমিতির সভাপতি আমির হোসেন চৌধুরী ও নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংস্কৃতিক সংগঠক মাহতাব সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মনিরা হক গাছ লাগানোর ওপর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গাছ শুধু আমাদের পরিবেশই রক্ষা করে না, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথেও এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের ভারসাম্য বজায় রাখতে আমাদের বেশি করে গাছ রোপণ করতে হবে। তবে গাছ লাগানোই শেষ নয়, সেগুলোর সঠিক পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। একটি গাছ যখন সঠিকভাবে বেড়ে ওঠে, তখন তা পুরো দেশের পরিবেশ ও প্রকৃতিকে সমৃদ্ধ করে।

আলোচনা সভায় অন্যান্য বক্তারা বললেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দু’টি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। তার একটি হচ্ছে ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ, অপরটি খাদ্য উৎপাদন ও দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এরই ধারাবাহিকতায় দেশজুড়ে এই কার্যক্রম চলমান। বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের প্রতিটি খালি জায়গায় পরিকল্পিতভাবে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানালেন, শহীদ জহির রায়হান হল মাঠে আয়োজিত এই মেলা প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলা চত্বরে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত চারার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের গাছের পরিচর্যা বিষয়ক পরামর্শের সুবিধাও রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পায়রা বন্দরে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


পায়রা বন্দরে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জেলার পায়রা বন্দর এলাকায় ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ মহাপরিকল্পনা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে পায়রা বন্দরের প্রশাসনিক ক্যাম্পাসে ফলজ গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সৈয়দ সাইফ-উল ইসলাম।

চেয়ারম্যান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। পরিবেশবান্ধব এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার জাতীয় অঙ্গীকার বাস্তবায়নে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি টমেটায় উল্লেখ করেন যে, ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু বন্দর এলাকাকে সবুজায়িত করবে না, বরং উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে মাটির ক্ষয়রোধ এবং দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পায়রা বন্দর সূত্র জানায়, বন্দরের প্রশাসনিক ও আবাসিক এলাকা, বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা এবং সংযোগ সড়কের দুই পাশে এসব গাছের চারা পর্যায়ক্রমে রোপণ করা হবে। উপকূলীয় পরিবেশের উপযোগী, দীর্ঘস্থায়ী এবং লবণাক্ততা সহনশীল বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, রোপণ করা চারাগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষায়িত দল সার্বক্ষণিক তদারকি করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%