ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

১১ বছরের মিসরীয় শিশু বই পড়ে জিতলেন ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা


১১ বছরের মিসরীয় শিশু বই পড়ে জিতলেন ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা

মিসরের ১১ বছর বয়সী মিয়া মুহাম্মদ রাগাব ওসমান অসাধারণ একটি কীর্তি গড়েছেন। ৭০টির বেশি বই পড়ে সেগুলোর বিষয়বস্তু আত্মস্থ করে তিনি ‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’-এর দশম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ৪ কোটি ২৮ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, যেখানে মিয়া সেরার স্বীকৃতি লাভ করেন।

বিজয়ী হিসেবে মিয়া ৫ লাখ দিরহাম পুরস্কার পেয়েছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সমান। তবে পুরস্কারের বাইরেও, দুবাইয়ের শাসক শেখ মুহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের একটি বিশেষ উপহার তাকে ঘিরে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে মিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করে শেখ মুহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এক পর্যায়ে, তিনি নিজের পরিধেয় পোশাকে লাগানো ব্যাজ খুলে মিয়ার মাথায় পরিয়ে দেন এবং স্নেহভরে চুমু দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানান। এই মুহূর্তটি অনুষ্ঠানের অন্যতম আবেগঘন দৃশ্যে পরিণত হয়।

আরও পড়ুন: ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

মিয়ার বাসস্থান মিসরের কাফর এল শেখ প্রদেশ। পঞ্চম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর বই পড়ার প্রতি আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই রয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সে ৭০টির বেশি বই পড়েছে এবং বইগুলোর বিষয়বস্তু নিয়ে নিজের উপলব্ধি ও সারসংক্ষেপ তুলে ধরার পাশাপাশি আরবি ভাষায় চিন্তাভাবনা প্রকাশের দক্ষতাও দেখিয়েছে।

প্রতিযোগিতায় মিয়া জানিয়েছেন, পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সে নিজের স্কুলে একটি ছোট গ্রন্থাগার গড়ে তুলতে চায়, যেখানে তার সহপাঠীসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বই পড়ার সুযোগ পাবে। তার মতে, "বই মানুষের চিন্তাভাবনাকে সমৃদ্ধ করে এবং ব্যক্তিত্ব গঠনে ভূমিকা রাখে।"

এবারের দশম আসরে রেকর্ডসংখ্যক ৬০টি দেশের ৪ কোটি ২৮ লাখ ৬ হাজার ৪২৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। মুহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। চূড়ান্ত পর্বে বিভিন্ন দেশের সেরা শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে, যেখানে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ফিলিস্তিনের গাজাল রাশাদ আদেল তাইয়েম এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে সৌদি আরবের রায়ান বিন আদিব আল জাকারি।

মিয়ার এই সাফল্যে মিসরে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। গত ৪ নভেম্বর, দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি তাকে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে আমন্ত্রণ জানান এবং এ সময় তার হাতে দ্বিতীয় শ্রেণির ‘মেডেল অব এক্সিলেন্স’ তুলে দেন। মিয়ার পরিবার ও শিক্ষকদেরও অভিনন্দন জানান তিনি।

আরও পড়ুন: দীপাবলিতে ২০ কর্মীকে ১ লাখ রুপি বোনাস দিলেন ব্যবসায়ী রামস্বরূপ মুন্ডে

মিয়ার এই অর্জন ১১ বছর বয়সে তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং শিশু-কিশোরদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ তৈরির ক্ষেত্রেও অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

সূত্র: দুবাই সরকারের সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, গালফ নিউজ, দ্য ন্যাশনাল ও মিসরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্য সরকারের: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্য সরকারের: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, সরকার ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, মিড-ডে মিল কর্মসূচির দেশব্যাপী সম্প্রসারণ, ক্লাসরুমে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়ন ও সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম ও শিখনপদ্ধতি

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম উন্নয়ন প্রসঙ্গে জানান, শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি পরিমার্জিত ও উন্নত কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-কে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নতুন কারিকুলামে বিদ্যালয়ভেদে শিখন ঘণ্টার বৈষম্য দূর করা, প্রতিটি বিষয়ের পাঠদান ও শিখন উপকরণকে বিজ্ঞানসম্মত, সহজবোধ্য ও বয়সোপযোগী করে আকর্ষণীয় করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন শ্রেণিকক্ষে খেলতে খেলতে পড়াশোনা করতে পারে, সে ধরনের আনন্দময় পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি খেলাধুলার উপযোগী বিভিন্ন শিক্ষণীয় খেলনার মাধ্যমে শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান আরও সহজ উপায়ে করা সম্ভব হবে।

এছাড়া বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ব্যবহারিক শিখন কার্যক্রমে বিশেষ জোর দেয়া হচ্ছে। গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৭ সালে সারা দেশে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি

শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি ধরে রাখা এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় এই কর্মসূচি সফলভাবে চালু রয়েছে। বাকি উপজেলাগুলোতে এর আওতা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর জন্য দুপুরের পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

খাবারের মান ও বিতরণের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, মায়েদের সমন্বয়ে গঠিত ‘মাদার্স কমিটি’র মাধ্যমে খাবার গ্রহণ ও বিতরণ কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে। এছাড়া জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের উদ্যোগ

শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ উদ্যোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কেবল একটি ডিভাইস বিতরণের প্রকল্প নয়। গুগলসহ বৈশ্বিক বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় আমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি। যার মূল কানেক্টর হিসেবে শিক্ষকদের হাতে ট্যাব পৌঁছানো হবে।

তিনি বলেন, এটি একটি সুসংহত কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কোনো শ্রেণিকক্ষে সিলেবাস শেষ হতে সমস্যা হচ্ছে কি না কিংবা শিক্ষার্থীরা কোথায় বুঝতে পারছে না, তা তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরিং করা সম্ভব হবে।

এছাড়া দেশের যেসব দুর্গম অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, সেখানে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যৌথ সমঝোতার ভিত্তিতে সোলার প্যানেল স্থাপন ও ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে জোর

শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কেবল বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে প্রকৃত অর্থে শিখছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। নির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটিয়ে অন্য ক্ষেত্রগুলোকে উপেক্ষা করলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো শুধু ভবননির্ভর হলে চলবে না; শ্রেণিকক্ষ, আসবাবপত্র, শৌচাগার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা শিশুদের উপযোগী করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও শিশুবান্ধব শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীভাঙনপ্রবণ ও পাহাড়ি অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা

ঠাকুরগাঁওয়ে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা শেষ হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জেলা সদরের বিসিক শিল্পনগরি এলাকায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মাধ্যমে শুরু হয় এই তিন দিনব্যাপী ইজতেমা। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। ইজতেমায় আলেম-ওলামা ও তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিরা ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বয়ান প্রদান করেন।

ইজতেমার সময় মুসল্লিরা জামাতে নামাজ আদায়, ধর্মীয় আলোচনা এবং ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটান। শেষ দিনে আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করা হয়।

ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিরা জানান, "মহান আল্লাহর কাছে আমরা সবার জন্য প্রার্থনা করেছি। সবাইকে আল্লাহ যেন হেদায়েত দান করেন। আল্লাহর রাস্তায় ফিরতে সহযোগিতা করেন। সবাই যেন ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারে। মানুষ মানুষের সাথে যেন মিলে মিশে থাকতে পারে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি: দুর্নীতির কারণে অনেক সমবায় সমিতি নষ্ট হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


রাষ্ট্রপতি: দুর্নীতির কারণে অনেক সমবায় সমিতি নষ্ট হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, দুর্নীতির কারণে দেশের বহু সমবায় সমিতি নষ্ট হয়ে গেছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি সমবায় খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং ভঙ্গুর অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সমবায় শুধুমাত্র পণ্য উৎপাদন বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমবায়কে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি সংকটসহ অর্থনীতিতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব সংকট মোকাবিলা এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

সমবায় খাতের উন্নয়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্নীতির কারণে অনেক সমিতি তাদের কার্যকারিতা হারিয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সমবায় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমবায় খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নির্বাচিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে জাতীয় সমবায় পুরস্কার-২০২৫ তুলে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবির বরিশাল বিভাগীয় ছাত্র সমিতির নতুন সভাপতি বাবু, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১২ পি.এম


চবির বরিশাল বিভাগীয় ছাত্র সমিতির নতুন সভাপতি বাবু, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অধ্যয়নরত বরিশাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন বরিশাল বিভাগীয় ছাত্র সমিতির ২০২৬ কার্যবর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইতিহাস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান বাবু। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন একই শিক্ষাবর্ষের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির জোমাদ্দার।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সংগঠনের সদ্য সাবেক সভাপতি মাহীন জামান এবং সাধারণ সম্পাদক সাইমুন ইসলাম তুহিনসহ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৬ কার্যবর্ষের জন্য হাসিবুল হাসান বাবুকে সভাপতি এবং সাব্বির জোমাদ্দারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

নতুন সভাপতি হাসিবুল হাসান বাবু বলেন, "আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সমিতির সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

উল্লেখ্য, বরিশাল বিভাগীয় ছাত্র সমিতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বরিশাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%