বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৫১ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের সায়োটো নদীতে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। এর কয়েক মিনিট আগে, নদীতে দাঁড়িয়ে থাকা ওই দলের একটি ছবি তুলেছিলেন এক নৌযাত্রী। পরবর্তীতে জানা যায়, সেটিই সম্ভবত তাদের জীবনের শেষ ছবি হয়ে গেছে। এই দুর্ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
মৃতদের মধ্যে দুটি দম্পতি রয়েছেন, যারা চারজনই মধ্য আমেরিকার দেশ হন্ডুরাসের নাগরিক। এর ফলে এক দম্পতির ৮ ও ১০ বছর বয়সী দুই শিশু সম্পূর্ণ এতিম হয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের আর কোনো জীবিত আত্মীয় নেই।
রোববার (১৯ জুলাই) ওহাইওর পাউয়েল এলাকার সায়োটো নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে, পাঁচ প্রাপ্তবয়স্ক এবং দুই শিশু নদীর তীরে সময় কাটাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে একজন পানিতে নেমে বিপদে পড়লে তাকে বাঁচাতে অন্যরা একে একে নদীতে ঝাঁপ দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাঁচজনই তলিয়ে যান। উদ্ধারকারীরা সেই দিন দুটি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন। পরদিন আরও তিন পুরুষের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার রাতে আনুমানিক ৯টার দিকে, সড়কের ধারে গায়ে কেবল তোয়ালে পেঁচানো এক ভীতিসন্ত্রস্ত শিশুকে দৌড়াতে দেখে এক গাড়িচালক ৯১১-এ কল করে পুলিশকে খবর দেন। শিশুটি পুলিশকে জানায় তার পরিবার নদীতে ডুবে গেছে। উদ্ধারকারীরা নদী থেকে দুটি নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে সোমবার (২০ জুলাই) বাকি তিন পুরুষের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্যমতে, ঘটনার দিন নদীটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৩৫০ ঘনফুট হারে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।
দুর্ঘটনার আগে স্থানীয় ব্যাপ্টিস্ট পাদ্রি ও নিয়মিত নৌচালক মার্কাস এল. মার্টিন নদীপথে যাওয়ার সময় দলটিকে কোমরসমান পানিতে মাছ ধরতে দেখেন। নদীর ওই অংশটি হঠাৎ গভীর হয়ে যাওয়া ও তলদেশের ঢাল থাকার কারণে বিপজ্জনক বলে তিনি জানতেন। ফেরার পথে তাদের একই জায়গায় দেখে তিনি একটি ছবি তুলে রাখেন। পরে দুর্ঘটনার খবর জানতে পেরে তার ধারণা হয়, সেটিই হয়তো তাদের জীবিত অবস্থার শেষ ছবি।
মার্টিন জানান, তিনি একসময় তাদের সতর্ক করার ভাবনা করেছিলেন। তবে মাঝখানে একাধিক নৌযান থাকায় ঢেউ তৈরি হওয়ার আতঙ্কে আর এগিয়ে যাননি। পরে ঘটনাটি জানার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভীষণ ভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন বলেও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান।
ডেলাওয়্যার কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে একজনকে উদ্ধার করতে গিয়েই ধারাবাহিকভাবে অন্যরাও বিপদে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত সবাই ডুবে যান। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
হন্ডুরাস সরকার নিশ্চিত করেছে, নিহতদের মধ্যে চারজন দেশটির নাগরিক। তাদের মধ্যে শনাক্ত হওয়া দুজন হলেন ৩৩ বছর বয়সী হোসে মারিও পিনেদা দিয়াস এবং তার ২৮ বছর বয়সী স্ত্রী মারিনা সুয়াপা রেগালাদো। বাকি নিহতদের পরিচয় পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো শেষে প্রকাশ করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এই দুর্ঘটনায় এক দম্পতির ৮ ও ১০ বছর বয়সী দুই সন্তান এতিম হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তারা ওহাইওর শিশু সেবা বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। হন্ডুরাস সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং শিশুদের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদীতে চালককে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাই করা সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সফিকুল ইসলাম (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটোরিকশাসহ ওই ব্যক্তিকে পুলিশটি গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার হওয়া সফিকুল ইসলাম বরিশালের কাউনিয়া বড় মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। তিনি পাবনা সদর উপজেলার গাছপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।
বৃহস্পতিবার (২৩) জুলাই বিকেলে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে এই তথ্য প্রদান করেন।
এর আগে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাতে পাবনা শহরের ঘোড়া স্ট্যান্ড থেকে দুইজন যাত্রী নিয়ে রূপপুরের উদ্দেশ্যে চালক রওনা হন। এক পর্যায়ে ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া তেতুলতলা এলাকায় পৌঁছালে যাত্রীবেশে থাকা একজন চালককে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় চালক অটোরিকশা চালাতে না পেরে ব্রেক চাপ দিয়ে থামানোর পর রাস্তার উপর পড়ে যান। পরে যাত্রীবেশে থাকা দুর্বৃত্তরা চালককে ফেলে রেখে তার অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত থেকে অবৈধভাবে নদীপথে গরু এনে সীমান্তবর্তী এলাকায় রেখে পরে স্থানীয় গরু হিসেবে হাটে বিক্রির অভিযোগে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ জুলাই পুলিশের অভিযানে ৪টি ভারতীয় গরুসহ ৫ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ভারতীয় সিমকার্ড, ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ অন্যান্য বিভিন্ন অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী ভূরুঙ্গামারী থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় গরুসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। জব্দ করা গরুগুলোর শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাঁটাতারের আঘাতের চিহ্ন এবং দীর্ঘ পথ টেনে আনার কারণে পায়ের ক্ষুরে ক্ষত পাওয়া গেছে, যা সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে আনার প্রমাণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তদন্তে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের কাজিয়ার চর সীমান্তে দুধকুমার নদের ভারতীয় অংশে নির্মিত একটি বেইলি সেতুর নিচ দিয়ে ভারতীয় চোরাকারবারিরা বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করে গরু নদীতে ভাসিয়ে দেয়। এরপর বাংলাদেশ অংশে নৌকায় অপেক্ষমাণ চোরাকারবারিরা গরুগুলো তুলে কালজানি ঘাট এলাকায় নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন গৃহস্থের বাড়িতে রাখে। সুযোগ বুঝে এসব গরু স্থানীয় গরু হিসেবে ভূরুঙ্গামারী হাটসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হতো।
পুলিশের দাবি, এ ধরনের চোরাচালানের কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশীয় খামারিরা তাদের উৎপাদিত গরুর ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না।
অভিযানে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ভারতীয় সিমকার্ডও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, কাজিয়ার চর সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকায় চোরাকারবারিরা ভারতীয় সিম ব্যবহার করে যোগাযোগ রক্ষা করে। শিলখুড়ি ও তিলাই ইউনিয়নের কয়েকশ চোরাকারবারির কাছে হাজার হাজার সচল ভারতীয় সিম রয়েছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন অভিযানে ভারতীয় সিম ও চোরাচালানি পণ্যসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ভারতীয় গরু, ভারতীয় সিমকার্ড, ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “সীমান্তবর্তী শিলখুড়ি, তিলাই ও পাথরডুবি ইউনিয়নের একটি বড় অংশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে চোরাকারবারিদের সামাজিক পুনর্বাসনের উদ্যোগ না নিলে চোরাচালান পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হবে। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কম্বোডিয়ায় একটি মানবপাচার চক্রের মূলহোতা মো. রুবেলকে (২৯) চাকরির উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ভুক্তভোগী ওই নারীর অর্থ ও পাসপোর্ট আত্মসাৎ করার পাশাপাশি তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে রুবেলের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যা উল্লেখযোগ্য। আবু তালেব জানান, সিআইডির মানবপাচার শাখা (টিএইচবি) ২১ জুলাই ফরিদপুরের চরভদ্রাসন এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে। রুবেল রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার খাগজানা গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহারে বলা হয়, এক নারীর সাথে আর্থিক সংকটের কারণে পরিচয়ের সূত্র ধরে রুবেল একটি স্থানীয় এনজিওতে কাজ করছিল। পরবর্তীতে, কম্বোডিয়ায় কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে, ওই নারীকে বিদেশেও পাঠানোর আশ্বাস দেয়। এজন্য প্রথমে এনজিও থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিতে উৎসাহিত করে এবং সেই অর্থ ও ভুক্তভোগীর পাসপোর্ট নিজের কাছে রেখে দেয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আরও অর্থ আদায় করে মোট চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের আগস্টে ওই নারীকে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর চক্রের সদস্যরা তার পাসপোর্ট ও সঙ্গে থাকা সমস্ত অর্থ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সেখানে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করানো হয় এবং উপার্জিত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। তাকে অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হয়, এবং রাজি না হলে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকেন। এমনকি, তাকে অন্য দালালের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটিয়েছে।
পরবর্তীতে, স্থানীয় সহযোগিতার মাধ্যমে ওই নারী গত ১ জুলাই দেশে ফেরেন। দেশে ফিরে তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব জানান, ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের আদেশে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এই চক্রের অন্য অভিযুক্তদের, তাদের মানবপাচার নেটওয়ার্ক, আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশে অবস্থানরত সম্ভাব্য অন্য ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সিআইডি বিদেশে চাকরির ক্ষেত্রে উচ্চ বেতনের প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এবং সরকার অনুমোদিত বৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে, মানবপাচার কিংবা বিদেশে পাঠানোর নামে কোনো প্রতারণার ঘটনা ঘটলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সিআইডিকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় চাঁদা আদায়ের সময় এক অস্ত্রধারী চাঁদা সংগ্রাহককে (কালেক্টর) হাতেনাতে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করেছে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলার বগাচতর ইউনিয়নের মারিশ্যারচর শিবারেগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
আটক ব্যক্তির নাম ছিপন (২৬)। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা দল) সংগ্রাহক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছিপন দীর্ঘদিন ধরে উক্ত এলাকায় সাধারণ কৃষক ও অধিবাসীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছিলেন। চাঁদার দাবি করা টাকা না পেলে তিনি স্থানীয় কৃষকদের সবজি বাগান নষ্ট করার পাশাপাশি নানাভাবে কৃষি কাজে বাধা ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন। আজ সকালে যখন ছিপন পুনরায় ওই এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে যান, তখন অতিষ্ঠ ও ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ফেলে এবং হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে তাকে তল্লাশি করে একটি দেশীয় অস্ত্র, চাঁদা আদায়ের রসিদ বই ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পরে, উপস্থিত উত্তেজিত জনতা আটক ছিপনকে বিজিবির একটি টহলদলের কাছে সোপর্দ করে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ