ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, জানালেন ট্রাম্প


ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে, জানালেন ট্রাম্প

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী বাণিজ্য চুক্তিগুলোর তুলনায় ভিন্ন ধরনের হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারত একটি চুক্তি করতে চায়। আমরাও চুক্তি করব। আমরা অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগে আমরা যেসব চুক্তি করেছি, এটি সেগুলোর চেয়ে অনেক আলাদা হবে।’ তবে চুক্তির শর্ত বা ধরন সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি নিয়ে কিছু বিষয়ে এখনো সমাধান হয়নি। এসব বিষয় নিয়ে দুই দেশ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতিতে পরিবর্তনের কারণে নতুন করে আলোচনা করতে হচ্ছে তাদের।

আরও পড়ুন: কীভাবে তার উত্থান: শ্রমিক থেকে চারবারের প্রেসিডেন্ট লুলা

ভারত সফরে থাকা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যেও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কাছাকাছি থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত করতে এখনো অল্প কয়েকটি বিষয়ের সমাধান বাকি রয়েছে। মঙ্গলবার প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রুবিও বলেন, দুই দেশ চুক্তি চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি রয়েছে। এখন অল্প কয়েকটি বিষয়ের সমাধান বাকি।

তিনি বলেন, ‘চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার আগে যতটা কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব, আমরা এখন ততটাই কাছাকাছি। চূড়ান্ত করার জন্য অল্প কয়েকটি বিষয় বাকি রয়েছে।’ বাকি বিষয়গুলোরও শিগগির সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রুবিও। এরপর দুই দেশের নেতারা চুক্তিতে সই করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

ভারত সফরে দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করছেন রুবিও। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়।

চলতি মাসের শুরুতে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেন। মিলওয়াকি ও ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: সিডনির নতুন বিমানবন্দর থেকে প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উড্ডয়ন

গত ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির (বিটিএ) প্রথম ধাপের কাঠামো চূড়ান্ত হয়েছে। তবে পরে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতিতে পরিবর্তন আসায় চুক্তি নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু করতে হয়।

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ব্লুমবার্গ নিউ ইকোনমি ফোরামে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরও চুক্তি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বড় বিষয়গুলোর সমাধান হয়ে গেছে।’ দুই দেশ চুক্তি চূড়ান্ত করার কাছাকাছি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এ বিষয়ে আশাবাদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশই চূড়ান্ত সমাধানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ট্রাম্প, রুবিও এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের বক্তব্যে চুক্তি নিয়ে অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে ট্রাম্পের মন্তব্যে যে চুক্তিটি আগের চুক্তিগুলোর চেয়ে আলাদা হবে, তাতে এর চূড়ান্ত শর্ত সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: ইরানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ কর্মকর্তারা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা সিদ্দিকী খুন, সালমানকে হুমকি—এবার টাইগার কেন বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


বাবা সিদ্দিকী খুন, সালমানকে হুমকি—এবার টাইগার কেন বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে?

১৯৯৮ সালের অক্টোবর মাসে রাজস্থানের একটি জঙ্গলে ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন কৃষ্ণসার হত্যার অভিযোগ উঠেছিল বলিউডের ভাইজান সালমান খানের বিরুদ্ধে। সেই সময় সালমানের সঙ্গে সিনেমার শুটিংয়ে যুক্ত আরও কিছু তারকার নামও আলোচনায় আসে। এদের মধ্যে ছিলেন সোনালি বেন্দ্রে, টাবু, নীলম কোঠারী ও সাইফ আলি খান। অভিযোগ ছিল যে, রাজস্থানের কঙ্কণী গ্রামে দুটি কৃষ্ণসার হত্যা করা হয়েছিল।

বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে কৃষ্ণসার অত্যন্ত পবিত্র প্রাণী হিসেবে বিবেচিত। ইতিহাসে দেখা যায়, প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে এই সম্প্রদায়ের একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সালমানের বিরুদ্ধে এই শিকারের অভিযোগের কারণে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এর ফলস্বরূপ, সালমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। এর পর থেকেই লরেন্স বিষ্ণোই সালমানকে হুমকি দিতে শুরু করেন।

২০১৮ সালে আদালতে হাজিরার সময় লরেন্স বিষ্ণোই প্রকাশ্যে সালমানকে খুনের হুমকি দিয়েছিলেন। পাঞ্জাবের বাসিন্দা লরেন্সের বিরুদ্ধে খুন, তোলাবাজি সহ একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার সময় থেকেই তার নাম প্রকাশ্যে আসে। পরে তার অপরাধ চক্র দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তকারীদের দাবি, জেলবন্দি থেকেও তিনি সহযোগীদের মাধ্যমে অপরাধমূলক কার্যকলাপ চালিয়ে গেছেন।

লরেন্সের সঙ্গে গোল্ডি ব্রার, অনমোল বিষ্ণোইসহ একাধিক ব্যক্তির নাম বিভিন্ন মামলায় উঠে এসেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এই চক্রের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করে যাচ্ছে। সালমানকে ঘিরে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি নতুন মাত্রা পায় ২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল। ওই দিন ভোরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় ভাইজানের বাড়ি গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে মোটরবাইকে চড়ে এসে দুই দুষ্কৃতকারী গুলি চালায়। ঘটনার সময় সালমান বাড়িতে ছিলেন। পুলিশি তদন্তে উঠে আসে যে, অভিযুক্তরা আগে থেকেই এলাকা রেকি করে রেখেছিল। পরে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তদন্তকারীরা এই হামলার সঙ্গে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের যোগ খতিয়ে দেখেন। এ ঘটনার পর সালমান খানের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। অভিনেতার বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনা গোটা মুম্বাইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এদিকে ভাইজানের বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া অনুজ থাপনের মৃত্যু ঘটে পুলিশি হেফাজতে ২০২৪ সালের মে মাসে। পুলিশের দাবি, সে আত্মহত্যা করেছে। তবে এ মৃত্যু কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। পরে বাবা সিদ্দিকীর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে উঠে আসে যে, অনুজের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছিল।

২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর খুন হন বাবা সিদ্দিকী। সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে পরবর্তী সময়ে নিশানায় আসেন মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকী। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় তার ছেলে জিশান সিদ্দিকীর দপ্তরের কাছে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়। উৎসবের মৌসুমে এ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো দেশে।

বাবা সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক মাধ্যমে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি অ্যাকাউন্ট থেকে দায় স্বীকার করা হয়েছিল। সেখানে সালমানের সঙ্গে বাবা সিদ্দিকীর ঘনিষ্ঠতার প্রসঙ্গ তোলা হয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুম্বাই পুলিশের জমা দেওয়া চার্জশিটে বলা হয়, সালমানের ঘনিষ্ঠতার কারণেই বাবা সিদ্দিকীকে নিশানা করেছিল দুষ্কৃতকারীরা।

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, সালমানের নিরাপত্তা কঠোর হওয়ায় তার পরিবর্তে ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে আক্রমণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি মুম্বাইয়ে অপরাধ চক্রের প্রভাব বিস্তার এবং আতঙ্ক তৈরি করার বিষয়টিও তদন্তে উঠে আসে। এ মামলায় অনমোল বিষ্ণোইয়ের নাম উঠে আসে ষড়যন্ত্রের অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে।

আবারও সেই সূত্র ধরে অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, আটককৃতদের সঙ্গে লরেন্স গ্যাংয়ের যোগ রয়েছে কিনা।

এর মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়া একটি বার্তায় হামলার দায় স্বীকার করেছে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠী। সেই বার্তায় সালমান খানের নামও উঠে এসেছে।

বলিউডে আবার আতঙ্ক শুরু হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) মুম্বইয়ের জুহু এলাকায় অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন আটককৃতদের সঙ্গে লরেন্স গ্যাংয়ের যোগ রয়েছে কিনা। এর মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, সালমানের ঘনিষ্ঠদেরও নিশানা করা হতে পারে।

জানা গেছে, অভিনেতা টাইগার শ্রফ একটি ফুটবল মাঠ থেকে ফেরার সময়ে এ হামলার শিকার হন। গুলি চললেও টাইগার গুরুতর আহত হননি। তবে তার গাড়িচালক এবং এক পথচারী গুলিতে আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে তদন্তে নামে মুম্বাই পুলিশ। সংগ্রহ করা হয় সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ।

এরপর সামাজিক মাধ্যমে দায় স্বীকার করেছে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের একটি গোষ্ঠী। সেই বার্তায় সালমানের সঙ্গে টাইগারের সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে ফের হুমকি দেওয়া হয়। সালমানের ঘনিষ্ঠদেরও আক্রমণ করার কথা বলা হয়। তবে হামলাকারীদের সঙ্গে সত্যিই এ গ্যাংয়ের যোগাযোগ ছিল কিনা, তা তদন্ত করছে পুলিশ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজস্থানের কোটা রেলস্টেশনে একটি ট্রেনে যাত্রাকালে তিন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে দুজন হরিয়ানার বাসিন্দা এবং একজন বিহারের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন নাবালক বলেও জানা গেছে।

অভিযুক্তরা হামলার আগে টাইগারের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছিল কিনা, অস্ত্র কোথা থেকে এসেছিল এবং ঘটনার পর তারা কীভাবে মুম্বাই ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না জানবেন কৃষকরা: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না জানবেন কৃষকরা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এই কৃষক কার্ডে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারবেন আগামীকাল আপনার এখানে বৃষ্টি হবে কি হবে না।’

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপি বিশ্বাস করে কৃষি ও কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এ কারণে আমরা বলেছি, কৃষক ভাইদের একটি কার্ড দিতে চাই, যেটির নাম হচ্ছে ফার্মার কার্ড বা কৃষক কার্ড। এরইমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষুদ্র, মাঝারি, প্রান্তিক, ভূমিহীন ও বড় কৃষক- এই লিস্টটি তৈরি করার কাজ এরই মধ্যে এগিয়ে চলেছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে ইনশাআল্লাহ। তখন ধীরে ধীরে আমরা কৃষক ভাইদের কাছে সেই কার্ডগুলো পৌঁছানোর চেষ্টা করব। ৪০ লাখ কৃষকদের কাছে আমরা কৃষি কার্ড পৌঁছে দেব।’

তিনি বলেন, ‘কোনো কৃষক যদি বছরে দুটি ফসল উৎপাদন করে বা কেউ যদি ৩টি করে- তাহলে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে চেষ্টা করব। অন্তত একটি ফসলের সার, বীজ, কীটনাশক- যতটুকু সম্ভব সেই কৃষক ভাইয়ের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাতে কিছুটা হলেও তার কষ্ট কম হয়।’

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ‘কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আপনি আপনার ক্ষেতের ফসলের বিমা করতে পারবেন। একইভাবে আপনি যদি ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করতে চান, তাহলে আপনি সহজেই তা গ্রহণ করতে পারবেন। এখন তো কম বেশি মোবাইল ফোন সবার কাছে আছে, এই কৃষি কার্ডের মাধ্যমে আপনার ফোনে যদি জানতে চান আগামীকাল আপনার এখানে বৃষ্টি হবে কি হবে না, তা জানা যাবে। তাহলে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বীজবপন করবেন নাকি সার দেবেন। এরকম প্রায় ১০টি সুবিধা থাকবে সেই কৃষক কার্ডে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যক্তিজীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন কে-পপ তারকা ইজে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ এম


ব্যক্তিজীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন কে-পপ তারকা ইজে

বিশ্বজুড়ে পরিচিতি অর্জন, অস্কারজয়ী গান এবং সংগীতের সাফল্যের পর, কে-পপ তারকা ইজে এবার ব্যক্তিজীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন।

দীর্ঘদিনের প্রেমিক স্যাম কিমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। গত ১৭ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।

‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’–এর মাধ্যমে ইজে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের ‘গোল্ডেন’ গানের জন্য অস্কার জয়ের পর তিনি আবারও আলোচনায় আসেন। এবার বিয়ের খবর প্রকাশ করে ভক্তদের মাঝে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন এই তারকা।

সংবাদমাধ্যম ভোগ-এর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ইজের বিয়ের স্থানটি তার কাছে বিশেষ স্মৃতিবিজড়িত। ছোটবেলায় এই জায়গাতেই তার দাদা-দাদি বসবাস করতেন। শৈশবের অনেকটা সময় তিনি সেখানে কাটিয়েছেন।

বাড়ির বাগানে ঘুরে বেড়ানো কিংবা পেছনের পাহাড়ে দাদুর সঙ্গে হাঁটাহাঁটির স্মৃতিও ওই স্থানটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। তাই বিয়ের জন্য এমন একটি স্থান বেছে নেওয়া তার কাছে আবেগের বিষয় ছিল।

বিয়ের সাজে কোরীয় ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন ইজে ও স্যাম কিম। দুজনই পরেছিলেন কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বিয়ের পোশাক ‘হানবক’। কনের সাজে ইজের পরনে ছিল সবুজ ও সোনালি রঙের সূক্ষ্ম কারুকাজ করা হানবক। এর সঙ্গে ছিল গাঢ় লাল রঙের দীর্ঘ ও ঘেরওয়ালা স্কার্ট।

পোশাকটির ওপরের অংশটি ‘ডাঙ্গুই’ নামে পরিচিত, যা ঐতিহ্যবাহী জ্যাকেটধর্মী পোশাক। অন্যদিকে, নিচের দীর্ঘ স্কার্টটির নাম ‘চিমা’। ঐতিহ্যবাহী পোশাকের রং ও নকশায় বিয়ের সাজে ফুটে উঠেছিল কোরীয় সংস্কৃতির স্বতন্ত্র সৌন্দর্য।

আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে সাফল্যের মধ্যেই ইজের জীবনে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে ঐতিহ্যবাহী সাজে বিয়ে—সব মিলিয়ে তার বিশেষ দিনটি হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত আবেগ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য মেলবন্ধন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন দূত উইটকফের পুতিনের সঙ্গে বৈঠক বুধবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ এম


মার্কিন দূত উইটকফের পুতিনের সঙ্গে বৈঠক বুধবার

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বুধবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এর আগে, নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে তিনি আলোচনা করেন। বৈঠকের পর, জেলেনস্কি জানান, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেনের গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আবার কার্যকর হয়েছে।

মঙ্গলবারের অসলো বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে এবং ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে আলোচনায় যুক্ত হন। আলোচনায় ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা আলোচনাকে ‘খুবই ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন ও ইউরোপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সমন্বয় হয়েছে। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট স্টাবও আলোচনায় ‘প্রকৃত অগ্রগতি’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তবে তিনি সতর্ক করেন যে, শান্তি প্রতিষ্ঠায় ধৈর্য প্রয়োজন।

উইটকফ এবার অসলোতে আলোচিত প্রস্তাবগুলো পুতিনের কাছে তুলে ধরবেন। ইউক্রেন ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা মনে করছেন, এসব প্রস্তাবের বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থান এখন স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের লক্ষ্য রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় এবং আরও বিস্তৃত বহুপক্ষীয় আলোচনার পথ তৈরি করা।

গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় নিয়ে জেলেনস্কি বলেন, রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা কৃতজ্ঞ যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এখন কাজ করছে।’ তাঁর মতে, এ ধরনের সতর্কবার্তা পাওয়া গেলে হামলার আগে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া যায়।

কিয়েভ আগে অভিযোগ করেছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহে সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছে। ওয়াশিংটন অবশ্য ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য আটকে রাখার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। জেলেনস্কি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়েছে, যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা সরবরাহ এবং ইউক্রেনের সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখার বিষয় উঠে আসে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রুশ লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন অভিযানসহ বিভিন্ন সামরিক কার্যক্রমে স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে। সাম্প্রতিক সময়ে এই ব্যবস্থার কিছু সামরিক ব্যবহারে সীমাবদ্ধতার খবর প্রকাশিত হয়েছে। জেলেনস্কি এ বিষয়ে আরও অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন।

এদিকে, যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করতে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর আগ্রহ থাকতে হবে। তিনি দাবি করেন, রাশিয়াও যুদ্ধের অবসান চায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। রুশ জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলা নিয়েও ট্রাম্প সমালোচনা করেছেন।

ইউরোপীয় নেতারা যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় ইউরোপের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী স্টোরে বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে যেকোনো আলোচনায় ইউরোপেরও উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের প্রস্তাবও অসলোতে আলোচনার অংশ ছিল।

কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেও ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কিয়েভ ও আশপাশের এলাকা, পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক এবং মধ্যাঞ্চলীয় দিনিপ্রো শহরে হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হন। বুধবার রাতেও খারকিভের কাছে আরেকটি হামলায় দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুতিনের সঙ্গে উইটকফের প্রস্তাবিত বৈঠক যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় নতুন অগ্রগতি আনে কি না, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%