বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ পি.এম
কম্বোডিয়ায় একটি মানবপাচার চক্রের মূলহোতা মো. রুবেলকে (২৯) চাকরির উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ভুক্তভোগী ওই নারীর অর্থ ও পাসপোর্ট আত্মসাৎ করার পাশাপাশি তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে রুবেলের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যা উল্লেখযোগ্য। আবু তালেব জানান, সিআইডির মানবপাচার শাখা (টিএইচবি) ২১ জুলাই ফরিদপুরের চরভদ্রাসন এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে। রুবেল রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার খাগজানা গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহারে বলা হয়, এক নারীর সাথে আর্থিক সংকটের কারণে পরিচয়ের সূত্র ধরে রুবেল একটি স্থানীয় এনজিওতে কাজ করছিল। পরবর্তীতে, কম্বোডিয়ায় কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে, ওই নারীকে বিদেশেও পাঠানোর আশ্বাস দেয়। এজন্য প্রথমে এনজিও থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিতে উৎসাহিত করে এবং সেই অর্থ ও ভুক্তভোগীর পাসপোর্ট নিজের কাছে রেখে দেয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আরও অর্থ আদায় করে মোট চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের আগস্টে ওই নারীকে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর চক্রের সদস্যরা তার পাসপোর্ট ও সঙ্গে থাকা সমস্ত অর্থ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সেখানে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করানো হয় এবং উপার্জিত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। তাকে অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হয়, এবং রাজি না হলে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকেন। এমনকি, তাকে অন্য দালালের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটিয়েছে।
পরবর্তীতে, স্থানীয় সহযোগিতার মাধ্যমে ওই নারী গত ১ জুলাই দেশে ফেরেন। দেশে ফিরে তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব জানান, ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের আদেশে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে এই চক্রের অন্য অভিযুক্তদের, তাদের মানবপাচার নেটওয়ার্ক, আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশে অবস্থানরত সম্ভাব্য অন্য ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সিআইডি বিদেশে চাকরির ক্ষেত্রে উচ্চ বেতনের প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এবং সরকার অনুমোদিত বৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে, মানবপাচার কিংবা বিদেশে পাঠানোর নামে কোনো প্রতারণার ঘটনা ঘটলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সিআইডিকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় চাঁদা আদায়ের সময় এক অস্ত্রধারী চাঁদা সংগ্রাহককে (কালেক্টর) হাতেনাতে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করেছে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলার বগাচতর ইউনিয়নের মারিশ্যারচর শিবারেগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
আটক ব্যক্তির নাম ছিপন (২৬)। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা দল) সংগ্রাহক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছিপন দীর্ঘদিন ধরে উক্ত এলাকায় সাধারণ কৃষক ও অধিবাসীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছিলেন। চাঁদার দাবি করা টাকা না পেলে তিনি স্থানীয় কৃষকদের সবজি বাগান নষ্ট করার পাশাপাশি নানাভাবে কৃষি কাজে বাধা ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন। আজ সকালে যখন ছিপন পুনরায় ওই এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে যান, তখন অতিষ্ঠ ও ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ফেলে এবং হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে তাকে তল্লাশি করে একটি দেশীয় অস্ত্র, চাঁদা আদায়ের রসিদ বই ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পরে, উপস্থিত উত্তেজিত জনতা আটক ছিপনকে বিজিবির একটি টহলদলের কাছে সোপর্দ করে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে ৫ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এদের মধ্যে এক জন শিশু, তিন জন নারী এবং এক জন পুরুষ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৪টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান।
বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে দর্শনা সীমান্ত পিলার ৭৬/৪-এস বরাবর অবস্থিত গেট দিয়ে ৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে ক্যাম্পের সদস্যরা।
বিষয়টি নজরে আসলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত করে বিজিবি। এসময় তাদের সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করতে বাধ্য করা হয়। পরে তাদের ভারতের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিতর্কিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিরোধিতা করে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলমান দেশব্যাপী আন্দোলন নিয়ে অবশেষে কথা বলেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এফটিআইআই) চেয়ারম্যান আর মাধবন। শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি সেখানে সংহতি জানানোর সময় শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তিনি।
কয়েকদিন ধরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের ইস্যুতে নীরব থাকায় এফটিআইআই-এর চেয়ারম্যান হিসেবে শিক্ষার্থীদের সমালোচনার শিকার হয়েছেন মাধবন। পুনেতে এফটিআইআই ক্যাম্পাসে তার কার্যালয়ের দরজায় ‘গায়েব’ (উধাও) ট্রোল মিম এবং ‘বিক্রির জন্য নিট’ লেখা পোস্টার সাঁটিয়ে প্রতিবাদ করেছেন শিক্ষার্থীরা, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এই ঘটনার পরই তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি বিস্তারিত বার্তা শেয়ার করে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে মাধবন বলেন, ভারতের যুবসমাজের প্রতি তার গভীর বিশ্বাস রয়েছে এবং বর্তমানে পরীক্ষাব্যবস্থার এই অনিয়মের কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হওয়া হতাশা ও ক্ষোভ তিনি পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারছেন। একটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থা হতে হবে আস্থা, নিরপেক্ষতা ও সুযোগের জায়গা। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা সেই বিশ্বাসকে ভেঙে দেয় এবং লক্ষ লক্ষ তরুণের কঠোর পরিশ্রম ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়।
অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারকে লক্ষ্য করে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি অপরাধীকে যেন দ্রুত ও কঠোর বিচারিক সমস্যার মুখোমুখি করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থী ও তাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সাহস না পায়। একইসঙ্গে অতীতে সংঘটিত ভুলগুলো সংশোধন করার জন্য তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সরকার শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা পুনরুদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ভেঙে না পড়ার আহ্বান জানিয়ে মাধবন বলেছেন, কোনো ব্যবস্থার বিচ্যুতি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা, ধৈর্য ও চরিত্রের চেয়ে অনেক বড় নয়। তাই এই সাময়িক প্রতিবন্ধকতা দেখে হতাশ না হয়ে তিনি প্রত্যেককে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখে কাজ অব্যাহত রাখতে বলেছেন।
শিক্ষার্থীদের সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ের প্রশংসা করার পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যেন এই আন্দোলনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে না এবং এর মূল উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে, সে ব্যাপারে আন্দোলনকারীদের সজাগ থাকতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে অভিনেতা সালমান খানও প্রশ্নপত্র ফাঁসকে একটি গুরুতর বিষয় বলে উল্লেখ করে আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এছাড়া নাসিরুদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক শাহ, অভয় দেওল, সোনাক্ষী সিনহা এবং রিতেশ দেশমুখের মতো তারকা ব্যক্তিরাও শিক্ষার্থীদের এই দাবির প্রতি ইতিমধ্যেই তাদের পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৬০ ফুটবল বিশ্বকাপে ম্যাচ পাতানো বা সন্দেহজনক বেটিং কার্যক্রমের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা জানিয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে প্রকাশিত ফিফার ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এবারের বিশ্বকাপে ৪৮ দলের অংশগ্রহণে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এই টুর্নামেন্টটির সময় ফিফার বিশেষ ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স সম্ভাব্য ম্যাচ ফিক্সিং, অবৈধ বেটিং ও অন্যান্য অনিয়ম পর্যবেক্ষণে কাজ করেছে।
ফিফার এক বিবৃতিতে বলা হয়, টুর্নামেন্ট চলাকালে বিভিন্ন সদস্য সংস্থার পাঠানো বাজি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিদ্যমান রিপোর্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত সব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কিন্তু কোথাও কোনো ম্যাচে সন্দেহজনক বাজির কার্যক্রম বা ম্যাচ কারসাজির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
সংস্থাটি আরও জানায়, টাস্ক ফোর্সের সমন্বিত কার্যক্রমের ফলে সম্ভাব্য যেকোনো সতর্ক সংকেত দ্রুত শনাক্ত, মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে সদস্য সংস্থাগুলোর বিশেষজ্ঞরা তাদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও তথ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
ফিফার সিনিয়র ইন্টেগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তুলেছিল। তিনি ব্যাখ্যা করেন, টুর্নামেন্টজুড়ে তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার জন্য সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানানো উচিত। ভবিষ্যতের ফিফা টুর্নামেন্টগুলোতেও এই সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।
এবারের বিশ্বকাপে ফিফার ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সে অন্তর্ভুক্ত থাকা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি), আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ), কনমেবল, উয়েফা, কনকাকাফ, ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশন (ওএফসি), যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ফুটবল ফেডারেশন, এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি), ইন্টারন্যাশনাল বেটিং ইন্টেগ্রিটি অ্যাসোসিয়েশন (আইবিআইএ), জিনিয়াস স্পোর্টস, স্পোরট্রাডারসহ আরও অনেক স্বাধীন বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা যুক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ