হোসেনপুর ( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
০৩:৩৪ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ১ নম্বর পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ছেলে নিখোঁজ হয়েছে।
নিখোঁজ ছেলেটিকে খুঁজে পেতে সহযোগিতার জন্য আমরা এই সংবাদটি প্রকাশ করছি। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি ছেলেটির সন্ধান পেয়ে থাকলে অথবা তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে, জরুরি ভিত্তিতে নিচে উল্লেখিত যোগাযোগ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় ছেলেটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হতে পারে। তাই সংবাদটি শেয়ার করে ছেলেটিকে খুঁজে পেতে সহযোগিতা করুন।
📞 যোগাযোগ: [01745972630]
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর তিনটার দিকে উপজেলার কঁচা নদীর পাঙ্গাসিয়া এলাকায় এ অভিযানে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করা হয়েছে।
উদ্ধার করা এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ হাজার টাকা।
কাউখালী উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাউখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,
"মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। বর্তমান প্রজনন মৌসুমে একটি মা ইলিশও যদি ডিম ছাড়ার সুযোগ পায়, তবে তা ভবিষ্যতে আমাদের ইলিশের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন মৎস্যজীবী সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলে ইলিশ শিকারে মেতে ওঠে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছি। অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের এই নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়ে কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে দেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও সবার।’
বুধবার (২১ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে দেয়া শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষের আত্মা অসাম্প্রদায়িক। হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করে আসছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে যখন যুদ্ধ, সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, তখন এখানে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ উৎসব পালন করছে- এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। এ সম্প্রীতি আমাদের শক্তি, আমাদের অস্তিত্ব। যেকোনো মূল্যে তা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম একটি সাম্য, ন্যায়, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মর্যাদা-ভিত্তিক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের জন্য। মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণই আমাদের জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি। মানচিত্র দেখুন,
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি- ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও সবার। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান- আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। সংবিধান প্রত্যেককে সমান অধিকার, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা দিয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।’
তিনি আরও জানান, ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠী পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক বৈষম্য বা নিপীড়নের শিকার হবেন- তা গ্রহণযোগ্য নয়। আর এসব বিষয় নিশ্চিত করতে ও সমন্বয়ের সুবিধার্থে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হলে কাজটি করা সহজ হতো বলে তিনি মনে করেন।
সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে, কখনো কখনো গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা হয়। এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় ও আপোশহীন থাকতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকতে হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মনে রাখবেন, এই দেশ আমাদের সবার। সবাই মিলে দেশকে গড়তে হবে। কোনো অপশক্তিকে বিভেদ সৃষ্টি করে জাতীয় ঐক্য ও অগ্রগতি বিনষ্ট করতে দেয়া যাবে না। আসুন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
বিজয়া দশমীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে হিন্দু সম্প্রদায়সহ সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, শারদীয় উৎসবের আনন্দ ও শুভবোধ সবার জীবনে মঙ্গল বয়ে আনুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য রাশিয়ায় পৌঁছেছেন। তিনি ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিয়ে পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এর আগের দিন নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন উইটকফ।
বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অসলোতে বৈঠকের পর জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সম্পর্কে আগাম সতর্কতা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় কার্যকরভাবে চলছে। কিয়েভের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহে বিধিনিষেধ নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল, তবে ওয়াশিংটন সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
জেলেনস্কি বলেন, "ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশু ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অসলো বৈঠক শেষে জেলেনস্কি এবং তাঁর ইউরোপীয় মিত্ররা জানান, যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবের বিষয়ে এখন রাশিয়ার জবাব দেওয়ার পালা। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে "প্রকৃত অগ্রগতি" হয়েছে বলে মন্তব্য করেন, তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি ধৈর্য ধরে এগোনোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা অসলো বৈঠককে "ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মতে, পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন এবং ইউরোপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সমন্বয় হয়েছে। বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছেন, উইটকফ কী প্রস্তাব নিয়ে আসেন, তা মস্কো শুনবে। তবে তিনি রাজনৈতিক ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। পুতিন সর্বশেষ আলোচনার বিষয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাম্প ইউক্রেনকে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কথা বলেছেন এবং যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের হয়ে অন্য কাউকে আলোচনায় বসার পরামর্শ দিয়েছেন। অসলো বৈঠকের পর ট্রাম্প কিয়েভকে সমঝোতায় পৌঁছানোর আহ্বান জানান। তাঁর দাবি, রাশিয়াও যুদ্ধের অবসান চায় এবং এ সংঘাত শেষ করার এখনই সময়।
এদিকে, ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের দাবি, মঙ্গলবারের হামলায় রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় চারজন, পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্ক অঞ্চলে চারজন এবং মধ্যাঞ্চলীয় দিনিপ্রো শহরে দুজন নিহত হন। বুধবার রাতে খারকিভের কাছে আরেকটি হামলায় আরও দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
অসলো বৈঠকে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা, জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের প্রস্তাব এবং মার্কিন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী সম্প্রতি স্টারলিংক সেবায় গতিসীমা আরোপের অভিযোগ করেছে। কিয়েভ রাশিয়ার বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা পরিচালনায় এ সেবা ব্যবহার করে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইউক্রেনকে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সহায়তা থেকে বঞ্চিত করা হয়নি। তবে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যবহৃত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন চালান ইউক্রেনে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তার খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ইউরোপীয় নেতারাও যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, যুদ্ধ নিয়ে ওয়াশিংটনের বক্তব্যে পরস্পরবিরোধী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা থাকলেও দুই দেশের স্বার্থ সব সময় এক নয়। বিশেষ করে রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলা বন্ধ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। বর্তমানে দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড মস্কোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ