বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৫৭ পি.এম
বিতর্কিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বিভিন্ন অনিয়মের বিরোধিতা করে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলমান দেশব্যাপী আন্দোলন নিয়ে অবশেষে কথা বলেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এফটিআইআই) চেয়ারম্যান আর মাধবন। শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি সেখানে সংহতি জানানোর সময় শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তিনি।
কয়েকদিন ধরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের ইস্যুতে নীরব থাকায় এফটিআইআই-এর চেয়ারম্যান হিসেবে শিক্ষার্থীদের সমালোচনার শিকার হয়েছেন মাধবন। পুনেতে এফটিআইআই ক্যাম্পাসে তার কার্যালয়ের দরজায় ‘গায়েব’ (উধাও) ট্রোল মিম এবং ‘বিক্রির জন্য নিট’ লেখা পোস্টার সাঁটিয়ে প্রতিবাদ করেছেন শিক্ষার্থীরা, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এই ঘটনার পরই তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি বিস্তারিত বার্তা শেয়ার করে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে মাধবন বলেন, ভারতের যুবসমাজের প্রতি তার গভীর বিশ্বাস রয়েছে এবং বর্তমানে পরীক্ষাব্যবস্থার এই অনিয়মের কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হওয়া হতাশা ও ক্ষোভ তিনি পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারছেন। একটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থা হতে হবে আস্থা, নিরপেক্ষতা ও সুযোগের জায়গা। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা সেই বিশ্বাসকে ভেঙে দেয় এবং লক্ষ লক্ষ তরুণের কঠোর পরিশ্রম ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে গভীর সংকটে ফেলে দেয়।
অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারকে লক্ষ্য করে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি অপরাধীকে যেন দ্রুত ও কঠোর বিচারিক সমস্যার মুখোমুখি করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থী ও তাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সাহস না পায়। একইসঙ্গে অতীতে সংঘটিত ভুলগুলো সংশোধন করার জন্য তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সরকার শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা পুনরুদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ভেঙে না পড়ার আহ্বান জানিয়ে মাধবন বলেছেন, কোনো ব্যবস্থার বিচ্যুতি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা, ধৈর্য ও চরিত্রের চেয়ে অনেক বড় নয়। তাই এই সাময়িক প্রতিবন্ধকতা দেখে হতাশ না হয়ে তিনি প্রত্যেককে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখে কাজ অব্যাহত রাখতে বলেছেন।
শিক্ষার্থীদের সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ের প্রশংসা করার পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যেন এই আন্দোলনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে না এবং এর মূল উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে, সে ব্যাপারে আন্দোলনকারীদের সজাগ থাকতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে অভিনেতা সালমান খানও প্রশ্নপত্র ফাঁসকে একটি গুরুতর বিষয় বলে উল্লেখ করে আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এছাড়া নাসিরুদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক শাহ, অভয় দেওল, সোনাক্ষী সিনহা এবং রিতেশ দেশমুখের মতো তারকা ব্যক্তিরাও শিক্ষার্থীদের এই দাবির প্রতি ইতিমধ্যেই তাদের পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৬০ ফুটবল বিশ্বকাপে ম্যাচ পাতানো বা সন্দেহজনক বেটিং কার্যক্রমের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা জানিয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে প্রকাশিত ফিফার ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এবারের বিশ্বকাপে ৪৮ দলের অংশগ্রহণে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এই টুর্নামেন্টটির সময় ফিফার বিশেষ ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স সম্ভাব্য ম্যাচ ফিক্সিং, অবৈধ বেটিং ও অন্যান্য অনিয়ম পর্যবেক্ষণে কাজ করেছে।
ফিফার এক বিবৃতিতে বলা হয়, টুর্নামেন্ট চলাকালে বিভিন্ন সদস্য সংস্থার পাঠানো বাজি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিদ্যমান রিপোর্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত সব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কিন্তু কোথাও কোনো ম্যাচে সন্দেহজনক বাজির কার্যক্রম বা ম্যাচ কারসাজির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
সংস্থাটি আরও জানায়, টাস্ক ফোর্সের সমন্বিত কার্যক্রমের ফলে সম্ভাব্য যেকোনো সতর্ক সংকেত দ্রুত শনাক্ত, মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে সদস্য সংস্থাগুলোর বিশেষজ্ঞরা তাদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও তথ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
ফিফার সিনিয়র ইন্টেগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তুলেছিল। তিনি ব্যাখ্যা করেন, টুর্নামেন্টজুড়ে তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার জন্য সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানানো উচিত। ভবিষ্যতের ফিফা টুর্নামেন্টগুলোতেও এই সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।
এবারের বিশ্বকাপে ফিফার ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সে অন্তর্ভুক্ত থাকা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি), আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ), কনমেবল, উয়েফা, কনকাকাফ, ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশন (ওএফসি), যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ফুটবল ফেডারেশন, এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি), ইন্টারন্যাশনাল বেটিং ইন্টেগ্রিটি অ্যাসোসিয়েশন (আইবিআইএ), জিনিয়াস স্পোর্টস, স্পোরট্রাডারসহ আরও অনেক স্বাধীন বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা যুক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেরুর রাজধানী লিমায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে একই পরিবারের ৯ জনসহ মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে আহত হয়েছেন আরও দুজন।
আইএনডিইসিআই বেসামরিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই বিষয়টি জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচজন শিশু রয়েছেন।
পুলিশ প্রধান অস্কার আরিওলা এ ঘটনার তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানান যে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও, এটি পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছিল কি না এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া গিনা ভিলচেজ জানান, তাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিল মোট ১৭ জন। এর মধ্যে ৯ জন মারা যান এবং ৮ জন প্রাণে বেঁচে যান।
এই ঘটনার পর পেরুর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি এই ঘটনাকে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে বলেন, দেশটির আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তার সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ডেলোয়ারের ডোভার এয়ার ফোর্স বেসে ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট টাইলার জেমস ফিহান (ইভা বিচ, হাওয়াই)-এর মরদেহ বহনকারী ট্রান্সফার কেস সরিয়ে নিচ্ছেন মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি দল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের টানা পাঁচ মাসের সামরিক অভিযানে ইরানকে দুর্বল করার যে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি একটি হামলা তা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। জর্ডানের একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে এবং বিশ্লেষকেরা বলছেন ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর এখনও মধ্যপ্রাচ্যে কার্যকর হামলা চালানোর ক্ষমতা বজায় রেখেছে। গত জুনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ১ মার্চের পর এই প্রথম ইরানের সরাসরি হামলায় মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনা এটি।
পেন্টাগন ও মার্কিন সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স প্রায়োরিটিজের সামরিক বিশ্লেষক জেনিফার কাভানাগ আল জাজিরাকে বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনো উল্লেখযোগ্য। তাঁর মতে, পেন্টাগনের প্রত্যাশার তুলনায় ইরান দ্রুত পুনর্গঠিত হয়েছে এবং রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা সহায়তায় হামলার লক্ষ্যভেদের সক্ষমতাও বেড়েছে। তিনি বলেন, উল্লেখযোগ্য ক্ষতি সত্ত্বেও ইরান নতুন বাস্তবতার সঙ্গে কৌশলগতভাবে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে। কিংস কলেজ লন্ডনের সিকিউরিটি স্টাডিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অ্যান্ড্রিয়াস ক্রিগ বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী ঘাঁটিতে অবস্থান করছেন, যেগুলোর অনেকেই ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে রয়েছে।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ঘাঁটির বেশিরভাগই রকেট বা আইইডি হামলা প্রতিরোধে প্রস্তুত হলেও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলার জন্য নির্মিত নয়। তাঁর দেওয়া তথ্যমতে, চলমান সংঘাতে সরাসরি ও পরোক্ষ হামলায় ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে, প্রায় ৫০০ জন আহত এবং প্রায় ২২০টি সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান একই সময়ে ভিন্ন গতি ও গতিপথের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। অ্যান্ড্রিয়াস ক্রিগ বলেন, অধিকাংশ হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হলেও, কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করতে পারলেই বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের পরিচালক মোনা ইয়াকুবিয়ানও বলেন, যুদ্ধের শুরুতে তুলনায় এখন ইরানের হামলা আরও বেশি নির্ভুল ও তীব্র হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে সিনেটরদের প্রশ্নের মুখে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেন, ইরান বড় আকারের অভিযান পরিচালনায় সীমাবদ্ধতা গ্রস্ত হলেও, তাদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট বা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক কম। তাঁদের ধারণা, তেহরানের কৌশল সরাসরি সামরিক বিজয়ের চেয়ে ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে মানবিক, কৌশলগত ও রাজনৈতিক চাপের মুখে রাখা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৫০তম বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৬ হাজার ১৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তা দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পিএসসি জানিয়েছে, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষা ৯ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত ৮টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরীক্ষায় মোট ৬,১৬৫ জন প্রার্থী কমিশনের অনুমোদনক্রমে সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
কমিশনের পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ও প্রাসঙ্গিক তথ্যাবলি কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) পাওয়া যাবে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তিসংগত কারণে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে।
৫০তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশের জন্য একটি সম্ভাব্য ক্যালেন্ডার পিএসসির পক্ষ থেকে আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। ঘোষিত সেই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, চলতি মাসের ৩০ তারিখ (৩০ জুলাই ২০২৬) ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের নির্ধারিত তারিখ ছিল। তবে তার আগেই ফল প্রকাশিত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ