ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোয়াখালীতে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩


নোয়াখালীতে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সাবেক সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা তিন ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

আটককৃত ডাকাতদের মধ্যে রয়েছেন, উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাইনউদ্দিনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (২১), একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ইছহার ছেলে ফখরুল ইসলাম নাঈম (২১) এবং চট্টগ্রাম বন্দর সল্ট ভোলা ক্রসিং এলাকার মৃত শাহজাহানর ছেলে মো. সাকিব (২২)।

রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে রামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছমদ আলী চেয়ারম্যানের নতুন বাড়িতে ডাকাতির এই ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপি নেতা শামছুল হকের সংবাদ সম্মেলন

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌদি প্রবাসী আবদুল আলীম দীর্ঘ ২১ বছর সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটিয়ে প্রায় ছয় মাস আগে দেশে ফিরে আসেন। তার দেশে ফেরার খবর পেয়ে, উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের উড়িরচরের জলদস্যু শাহীনের সহযোগিতায় গত শনিবার একদল ডাকাত রামপুর ইউনিয়নে এসে অবস্থান নেয়। রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে আবদুল আলীম ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ৭-৮ জন মুখোশধারী ডাকাত বসতঘরের কাঠের দরজার লক ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এই সময় ডাকাতরা আবদুল আলীম ও তার ছেলে সাইফ আলীকে হাত-পা বেঁধে ও মুখ ঢেকে জিম্মি করে।

পরে ডাকাতরা পরিবারের নারী সদস্যদের কাছ থেকে একটি স্বর্ণের চেইন ও তিনটি স্বর্ণের আংটিসহ মোট আনুমানিক এক ভরি দুই আনা স্বর্ণালংকার এবং আলমারি থেকে নগদ ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। ডাকাতরা প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘরে অবস্থান করে এবং তারপর সামনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় রংমালা বাজারের পাহারাদাররা সন্দেহজনকভাবে দ্রুত হেঁটে যাওয়া চট্টগ্রামের বাসিন্দা সাকিব নামে এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে সাকিব, রামপুরের বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম নাঈম ও রিয়াজসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আটক তিনজনকে থানায় নিয়ে যায়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকীম বলেন, "সন্দেহজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। ডাকাতির ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার বগার ৪ সহযোগী গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কা থেকে সরিয়ে নেওয়া হল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, আলোচনায় কোন দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


শ্রীলঙ্কা থেকে সরিয়ে নেওয়া হল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, আলোচনায় কোন দেশ

শ্রীলঙ্কা থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, কোন দেশ নিয়ে আলোচনা চলছে তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে।

 

আগামী বছর প্রথমবারের মতো নারীদের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই টুর্নামেন্টটি শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা ছিল।

 

তবে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইতিমধ্যে আয়োজক দেশ হিসেবে সিংহলিজদের বাদ দিয়েছে। আইসিসি ট্রান্সফরমেশন কমিটির সচিব প্রকাশ শাফতার শ্রীলঙ্কা থেকে টুর্নামেন্ট সরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এখন প্রশ্ন উঠছে, এই টুর্নামেন্ট কোথায় অনুষ্ঠিত হবে। সেই প্রসঙ্গে ভারতের নাম সামনে এসেছে।

 

২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ছয় দলের এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের দৌড়ে ভারত সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডে (এসএলসি) সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে আইসিসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এসএলসির প্রতিনিধিরা আইসিসির বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।

জানা যায়, আইসিসি বোর্ড মেম্বারদের নিয়ে পরবর্তী বৈঠকে নতুন ভেন্যু সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

 

শ্রীলঙ্কার নাম আয়োজক দেশ হিসেবে বাদ পড়ায় তাদের অংশগ্রহণ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে এই বিষয়ে আইসিসির পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তাই নতুন আয়োজক নির্বাচন করার পাশাপাশি কোন কোন দল অংশ নেবে, তা নির্ধারণের বিষয়টি আইসিসির বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

জুলাই মাসে আইসিসি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছিল। সংবিধান সংশোধনে কিছু উন্নতি হলেও দ্রুত নির্বাচনের দিকে জোর দেওয়া হয়েছিল।

 

এদিকে, বৈশ্বিক সংস্থাটির বোর্ডে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রতিনিধিত্বও স্থগিত করা হয়েছে। প্রশাসনিক সমস্যার কারণে আইসিসির কোন বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে এক সপ্তাহে ধ্বংস করা হয়েছে ৮৮ কনটেইনার পণ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে এক সপ্তাহে ধ্বংস করা হয়েছে ৮৮ কনটেইনার পণ্য

চট্টগ্রাম, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি করা দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এর মধ্যে ৩৪ কনটেইনারে থাকা ৯৩৫ টন খেজুর এবং ৪০ কনটেইনারে থাকা ১ হাজার ২০ টন মেয়াদোত্তীর্ণ সোডা অ্যাশ রয়েছে। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইমস্টোন, বেনটোনাইট পাউডার, পচা কমলা, পচা পেঁয়াজ, নষ্ট কাজুবাদামসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যও ধ্বংস করা হচ্ছে।

গত ২৪ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে বড় গর্ত খননের মাধ্যমে এসব পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এক সপ্তাহে মোট ৮৮ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং বিধি অনুযায়ী ১২৬ কনটেইনারে থাকা নিম্নমানের, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রথম দিন ১০টি এবং দ্বিতীয় দিন ২৩টি কনটেইনার ধ্বংস করা হয়। এক সপ্তাহে ধ্বংস করা হয়েছে মোট ৮৮টি কনটেইনারের পণ্য।

এর আগে গত ৬ আগস্ট বন্দরের কাস্টমস নিলাম শেডে রোলার দিয়ে পিষে ‘রয়েল টাইগার এনার্জি ড্রিংক’ ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য শ্যাম্পুসহ পাঁচ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হয়।

বর্তমান ধ্বংস কার্যক্রমে খেজুর ও সোডা অ্যাশের পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইমস্টোনের ১৮টি কনটেইনার, মেয়াদোত্তীর্ণ বেনটোনাইট পাউডারের ৮টি কনটেইনার এবং পচা কমলা, পেঁয়াজ, কাজুবাদামসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য রয়েছে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনায় চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা ১২৬ কনটেইনারের নিলাম-অযোগ্য, নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ মোট ৩ হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন পণ্য পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস করছে।

সূত্র জানায়, গত ২৪ আগস্ট সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ধ্বংস কার্যক্রমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিজিবি, আনসার এবং বন্দর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

এনবিআর মনে করছে, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের উদ্যোগে পচনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য ধ্বংসের এ কার্যক্রম বন্দরের কনটেইনার জট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা নিলাম-অযোগ্য ও পচনশীল পণ্য দ্রুততার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সহযোগিতায় ধ্বংস করা হবে। এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

সূত্র জানায়, জাহাজ থেকে বন্দরের ইয়ার্ডে পণ্য আসার পর ৩০ দিনের মধ্যে আমদানিকারককে তা খালাস করতে হয়। নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস না করলে আমদানিকারককে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের পরও ১৫ দিন পণ্য খালাস না হলে তা নিলামে তোলা যেতে পারে। নিলামে পণ্য বিক্রি না হলে কিংবা পণ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় তা ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী কমিটি কোন কোন পণ্য ধ্বংসের উপযোগী তা যাচাই ও নির্ধারণ করে।

তিনি বলেন, বন্দরে রেফ্রিজারেটেড কনটেইনার থাকলে দীর্ঘ সময় সেগুলো বিদ্যুৎ সংযোগে রাখতে হয়। এতে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ হয়। একই সঙ্গে শিপিং এজেন্টের কনটেইনারগুলো বন্দরে আটকে থাকায় গুরুত্বপূর্ণ জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল ও অফডকে কনটেইনার জটের ঝুঁকি বাড়ে। পণ্য ধ্বংসের পর শিপিং এজেন্ট খালি কনটেইনারগুলো ফেরত নিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারিগরি শিক্ষায় চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


কারিগরি শিক্ষায় চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে শিল্পের চাহিদাভিত্তিক করতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, কারিগরি শিক্ষার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে কারিকুলাম, ল্যাব, শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ পুরো ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনা হবে। চীনের শিল্প-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংযোগের মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশেও এ ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

সোমবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ। জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কীভাবে মানবসম্পদে রূপান্তর করা যায়, সেটিই এখন বড় বিষয়। এ লক্ষ্যেই সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এবার শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। সেজন্য, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষাকে আরও মানসম্মত ও কার্যকর করতে চীনের সঙ্গে কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চীনের শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে সংযোগ রয়েছে, সেটি বাংলাদেশেও প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। চীনের বিভিন্ন কোম্পানি বিশ্বজুড়ে কাজ করছে এবং তাদের বিপুল দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশ কীভাবে সেই চাহিদা পূরণ করতে পারে, তা নিয়েও চীনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম ও শিল্পের চাহিদাকে একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। চীনে গিয়ে আমরা দেখেছি, দেশটির কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা শিল্পের চাহিদাভিত্তিক। সেখানে কারিকুলাম থেকে শুরু করে ল্যাব ও শিক্ষকসহ সবকিছু একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে।

বাংলাদেশেও একই ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষার দুর্বলতাগুলো সরকার চিহ্নিত করেছে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অবকাঠামো তৈরি করার পাশাপাশি কারিকুলাম পরিবর্তন, ল্যাব শক্তিশালী করা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যকর করতে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ইকোসিস্টেম’ প্রয়োজন। শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী কারিকুলাম তৈরি, আধুনিক ল্যাব স্থাপন, প্রশিক্ষিত শিক্ষক তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। চীনের অভিজ্ঞতা থেকে এ বিষয়গুলোই আমরা দেখেছি এবং বাংলাদেশে তা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চীনা ভাষাকে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সব জায়গায় একই ভাষা চালু করার পরিকল্পনা নেই। যে দেশে যে ভাষার প্রয়োজন, সেই অনুযায়ী ভাষা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। যেখানে জাপানি কোম্পানি বেশি, সেখানে জাপানি ভাষা এবং যেখানে দক্ষিণ কোরীয় বা আরব দেশের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বেশি, সেখানে সংশ্লিষ্ট ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। চীনের ক্ষেত্রে চীনা ভাষায় জোর দেওয়া হবে। কারণ চীনা কোম্পানিগুলো তাদের ভাষায় প্রশিক্ষণ নেওয়া ও কাজ করতে সক্ষম জনশক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের চীনা কোম্পানিতে প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরি করা গেলে তাদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও বাড়বে। এ বিষয়ে সরকার কাজ করতে পারে এবং চীনের সঙ্গে আলোচনায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দেশে অনেক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ভোকেশনাল সেন্টার এবং টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ তৈরি করা হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু একইসঙ্গে কারিকুলাম সময়োপযোগী করা, ল্যাব শক্তিশালী করা এবং শিক্ষক প্রস্তুত করার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো পর্যালোচনা করে সমন্বিতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষায় নতুন বিষয় যুক্ত করা এবং ল্যাবরেটরি উন্নয়নের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা হচ্ছে জীবনব্যাপী শিক্ষা। এর মাধ্যমে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আছিয়া হত্যা মামলার আসামি হিটু শেখ নিজেই দায় স্বীকার করেছেন: অ্যাটর্নি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


আছিয়া হত্যা মামলার আসামি হিটু শেখ নিজেই দায় স্বীকার করেছেন: অ্যাটর্নি জেনারেল

নির্মম আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত জবানবন্দি এবং পারিপার্শ্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

সোমবার হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পর সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আছিয়া তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বোনের শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণ এবং শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার শিকার হন। পরবর্তীতে সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত বছরের ১৩ মার্চ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। এই মামলার আসামি হিটু শেখ আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন এবং দায় স্বীকার করে নেন। বিচারিক আদালতের রায়ে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।

এরপর মামলাটি হাইকোর্টে আসে। শুনানি শেষে আজকের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকলো। কিছু অবজারভেশন দিয়েছেন আদালত। আদালত উল্লেখ করেছেন যে, নিম্ন আদালতে আসামিপক্ষে যিনি আইনজীবী ছিলেন, তিনি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেননি। আদালত মন্তব্য করেছেন, সাক্ষীদের জেরা করার ক্ষেত্রেও একজন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ভালো আইনজীবী হলে হয়তো সাক্ষীদের সঠিকভাবে জেরা করে আসামিপক্ষ কিছু বেনিফিট পেতে পারতো। তবে সে কারণে এই মামলার বিচার এবং বিচারিক আদালত যে কারণ উল্লেখ করেছেন, তার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা আদালতের একটি পার্শ্ব মন্তব্য। আদালত এ ক্ষেত্রে মামলার রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে হিটু শেখের জবানবন্দি এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়েছেন।

১৬৪ ধারা মতে জবানবন্দিতে সে কিন্তু একটি ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে। সুতরাং, তা থেকে বোঝা যায় যে তিনি স্বেচ্ছায় এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিটি দিয়েছেন এবং যেটি গ্রহণ করে আদালত সাজা দিয়েছেন।

শুধুমাত্র এটি নয়, পাশাপাশি অন্যান্য সাক্ষীও রয়েছেন। যেমন, প্রথম যে জোহরা প্রতিবেশী, তিনি যখন এসে দেখেছেন, মেয়েটাকে আটকে রাখা হয়েছে, তার বোনকে আটকে রাখা হয়েছে, তার বোনের সাক্ষী। সুতরা, এসব কিছু বিবেচনা করে আদালত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%