ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় তিন মণ ঘোড়ার মাংসসহ বিক্রেতা আটক, তিন মাসের কারাদণ্ড


খুলনায় তিন মণ ঘোড়ার মাংসসহ বিক্রেতা আটক, তিন মাসের কারাদণ্ড

খুলনা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ডুমুরিয়া উপজেলার তিনটি জবাই করা ঘোড়ার প্রায় তিন মণ মাংসসহ আনিসুর রহমান, যিনি পলাশ মাহমুদ নামেও পরিচিত (৪০), তাকে আটক করেছে এসআরবি-৬।

একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এ সময় একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কাঞ্চনপুর পোড়াবাড়ি এলাকার সাউথ বেঙ্গল ক্যাটল ফার্মে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে রাতে গোয়াল থেকে গরু চুরি, আড্ডাবাজারে হাতেনাতে আটক চোর

এসআরবি জানায়, অভিযানের সময় পলাশের সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

এসআরবি-৬ অধীনস্থ সিপিসি-১ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) জায়েন উদ্দীন মোহাম্মদ জিহাদ বাসসকে জানান, চক্রটি ঘোড়া জবাই করে গরু বা খাসির মাংস হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ও হোটেলে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ অন্তত ১৬টি ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় র‌্যাব।

আজ শনিবার দুপুরে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইনে পলাশকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

আরও পড়ুন: ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্বের কবল থেকে মুক্তি চায় উপজেলাবাসী

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল কবির বাসসকে বলেন, জব্দ করা ঘোড়ার মাংস অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাই করা হয়েছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

পরে মাংস মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়। জীবিত ঘোড়াটি স্থানীয় ইউপি সদস্য মুনছুর আলী শেখের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোলিওমুক্ত বিশ্ব গড়তে প্রতিটি শিশুর টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে: চসিক মেয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


পোলিওমুক্ত বিশ্ব গড়তে প্রতিটি শিশুর টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে: চসিক মেয়র

পোলিওমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সরকারের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিশ্ব পোলিও দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৬৫-এর রিপসা টিমের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র উল্লেখ করেন, পোলিও একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে শিশুদের স্থায়ী পক্ষাঘাতসহ গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে। পোলিওর কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, তবে যথাযথ টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই নিশ্চিত করতে হবে যে, কোনো শিশু টিকাদানের আওতার বাইরে না থাকে। অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টিকাদান সংক্রান্ত ভুল ধারণা দূর করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পোলিও নির্মূলে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূলের লক্ষ্যে এখনও পুরোপুরি সফলতা অর্জিত হয়নি। তাই দেশের অর্জিত সাফল্য ধরে রাখতে নিয়মিত টিকাদান, রোগ শনাক্তকরণ ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোটারিয়ান পিপি মানতাকা জামান কাপ্পী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. ফজলে রাব্বী এবং রিপসা কমিটির উপদেষ্টা ও ডেপুটি কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পিডিজি আব্দুল আহাদ।

অনুষ্ঠানে ১০ জন সুবিধাবঞ্চিত নারীকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ দিতে তাদের হাতে ১০টি সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গঠনে জাতিসংঘকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান শামা ওবায়েদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গঠনে জাতিসংঘকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান শামা ওবায়েদের

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন, বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে এবং শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক একটি বিশ্ব নির্মাণের জন্য কার্যকর জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সংহতির শক্তিশালীকরণ অপরিহার্য।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকায় ক্রাউন প্লাজায় জোন্টা ইন্টারন্যাশনাল, ডিস্ট্রিক্ট ২৫ এবং বাংলাদেশে জোন্টা ক্লাবগুলোর উদ্যোগে জাতিসংঘ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান।

শামা ওবায়েদ বলেন, বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা এবং শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গঠনে কার্যকর জাতিসংঘ ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংহতি অপরিহার্য।

তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বহুপাক্ষিকতাবাদকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার—জাতিসংঘের এই তিন মূল স্তম্ভের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার নতুন করে জোরদার করা হয়েছে।

তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংলাপ, ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা ও সহযোগিতা জোরদারেও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রী-এমপিদের কেনাকাটা অবৈধ টাকায়, মানুষের কষ্ট বোঝেন না: পাটওয়ারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


মন্ত্রী-এমপিদের কেনাকাটা অবৈধ টাকায়, মানুষের কষ্ট বোঝেন না: পাটওয়ারী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, রাজনৈতিক দলের অনেক নেতা বাজারে গিয়ে পণ্য কেনেন না। তাদের হয়ে অন্যরা বাজারে গিয়ে পণ্য সংগ্রহ করেন। এই কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এবং পণ্যের দাম সম্পর্কে তাদের সঠিক ধারণা নেই।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে লিফলেট বিতরণ ও এক পথসভায় তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, "আমরা যখন বাজারে যাই, তখন পণ্য কিনতে গিয়ে দেখি, সেগুলো আমাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেই। তাহলে দরিদ্র মানুষের কী অবস্থা হবে?" তিনি আরও বলেন, এনসিপির পুনর্গঠিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কমিটি আগামী দিনের লড়াইয়ের প্রস্তুতি হিসেবে গঠন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের মানুষ যখন মনে করেছিল, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব নয়, তখন আমরা রাজপথে নেমেছিলাম। "আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ অতীতেও প্রতিবাদ করেছে, ভবিষ্যতেও করবে।"

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, দলীয়করণ হবে না, সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা হবে এবং একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠন করা হবে। কিন্তু এসব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না।

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী আরও বলেন, "মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় তারা আমাদের বলেছেন, সরকার যেন তাদের পেটে লাথি মারার চেষ্টা করছে।" তিনি উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় আমরা যেভাবে অংশ নিয়েছিলাম, তেমনি এ সময়ও অনেক রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন ব্যক্তি হাল ছেড়ে দিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এই সরকারকে কিছু বলা যাবে না, তাদের বিরুদ্ধে কিছু করা যাবে না, তাদের ধরা যাবে না, স্পর্শও করা যাবে না।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, "বিএনপি সরকার সবকিছুর ঊর্ধ্বে, তাদের কোনো জবাবদিহি নেই।" তিনি ঘোষণা করেন যে, সেই অসম্ভবকে আবারও সম্ভব করতে তারা মাঠে নেমেছেন। "আমরা দেখাতে চাই, বিএনপি সরকারকেও জবাবদিহির আওতায় আনা যায়, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করা যায়।"

তিনি বলেন, "এটি কোনো দলের দাবি নয়। দলমত-নির্বিশেষে ধনী-গরিব সবার দাবি, আমরা পেট ভরে খেতে চাই, সুস্থভাবে বাঁচতে চাই এবং সবকিছু নিজেদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চাই।"

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, "আমরা যারা গ্রাম থেকে এসেছি, যাদের মা-বাবা এখনো গ্রামে থাকেন, যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এবং কখনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না, তাদের কাছে এক টাকাও অনেক মূল্যবান।" তিনি উল্লেখ করেন, "এ কারণেই আমরা যখন বাজারে গিয়ে পণ্য কিনতে চাই, তখন দেখি, সেগুলো আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। তাহলে দরিদ্র মানুষের কী অবস্থা হবে? এই পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানাতেই আজ আমরা রাজপথে নেমেছি।"

তিনি জানান, ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে মানুষের কাছে যাবেন তারা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, "আমরা চাই না, আপনারা এনসিপিতে যোগ দিন। আপনারা কোন রাজনৈতিক দল করেন, সেটিও আমাদের কাছে বিবেচ্য নয়। আমরা আপনাদের অধিকারের জন্য রাজপথে নেমেছি। নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই আপনাদেরই করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি আপনাদের হয়ে এই লড়াই করে দেবে না।"

তিনি আরও বলেন, "নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আপনারা রাজপথে নেমে আসুন। সরকারকে বলুন, আপনারা আমাকে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই কর্মসংস্থান কোথায়? আপনারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। কিন্তু আমরা তার বাস্তবায়ন দেখতে পাচ্ছি না। জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে আজ আমরা রাজপথে নেমেছি। আমাদের সামনে দীর্ঘ লড়াই বাকি। এই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জীবন চলে গেলেও এই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।"

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মো. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ অন্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, একটি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য শুধুমাত্র দৃশ্যমান স্থাপনা, নিদর্শন বা প্রত্নসম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের জীবনযাপন, লোকাচার, উৎসব, সংগীত, নৃত্য, কারুশিল্প, লোকজ জ্ঞান, চিকিৎসাপদ্ধতি এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত বিভিন্ন ঐতিহ্যের মধ্যেও একটি জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় নিহিত রয়েছে। এসব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের এবং কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব বক্তব্য দেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক শক্তি। পাহাড় ও সমতল, বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের জীবনধারা, আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকলেও জাতীয় পরিচয় ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে আমরা অভিন্ন। বাংলাদেশের দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় সমাজের সব শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্য হাজার বছরের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। এ দেশের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব স্বাধীনভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করে আসছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির এই ঐতিহ্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি আরো বলেন, দেশের লোকজ উৎসব, নৌকা বাইচ, লোকসংগীত, লোকনৃত্যসহ জীবনঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানুষের মধ্যে আনন্দ, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন তৈরি করে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় দেশীয় নৌকা বাইচসহ ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলোকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। খেলাধুলা, লোকজ উৎসব ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো গেলে তাদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে এবং মাদক ও অন্যান্য নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে তাদের দূরে রাখার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবে।

নারীর মর্যাদা ও অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সমাজ ও সংস্কৃতির বিকাশে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীশক্তিকে আরো সক্রিয় ও বিকশিত করতে সরকার কাজ করছে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রজন্মান্তরে তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও নারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, কমিউনিটি-ভিত্তিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করে ঐতিহ্য শনাক্তকরণ, নথিবদ্ধকরণ, চর্চা ও প্রজন্মান্তরে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা গেলে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আরো কার্যকরভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব। এতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম এবং ইউনেস্কোর প্রতিনিধি বক্তব্য দেন। সেমিনারে জাতীয় জাদুঘর ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%