ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফরিদপুরে উরস উপলক্ষে নদীর বুকে বাঁশের ভেলা, স্রোত পেরিয়ে দীর্ঘ যাত্রা


ফরিদপুরে উরস উপলক্ষে নদীর বুকে বাঁশের ভেলা, স্রোত পেরিয়ে দীর্ঘ যাত্রা

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফ একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় বাৎসরিক উরস শরীফ। এরই ধারাবাহিকতায়, ২০২৭ সালের উরস ও বিশ্ব ইসলামী মহাসম্মেলনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নদীপথে আসতে শুরু করেছে বিশাল বাঁশের ভেলা। ভক্তদের কাছে এসব বাঁশ ‘নজরানা’ বা খেদমতের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার বাঁশ একত্রিত করে তৈরি করা হয় এসব ভেলা। এরপর দীর্ঘ নদীপথ পাড়ি দিয়ে স্রোত, নাব্যতা ও নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ভেলাগুলো আটরশি দরবারে পৌঁছে যায়।

দরবার-সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালে খাজাবাবা ফরিদপুরীর নির্দেশে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় প্রথম ‘নজরানার বাঁশ’ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শুরুতে মাত্র দুটি ভেলা এ যাত্রায় যুক্ত ছিল। প্রথমদিকে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে ভেলা ছাড়া হলেও পরে চিলমারী ঘাটকে কেন্দ্র করে এ নৌযাত্রা নিয়মিত হয়ে ওঠে। সময়ের সাথে সাথে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এই প্রথা।

বর্তমানে কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাটসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও নরসিংদী, পাবনা, ফরিদপুর ও রাজবাড়ী থেকে ভক্তরা বাঁশ নিয়ে আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল দরবারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। অনেক এলাকায় উরসের কয়েক মাস আগে থেকেই বাঁশ সংগ্রহ ও ভেলা তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

একেকটি বড় ভেলায় থাকে ২ থেকে ৩ হাজার পর্যন্ত বাঁশ। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার উপযোগী করে বাঁশগুলো বিশেষ কৌশলে বাঁধা হয়। ভেলার ওপর তৈরি করা হয় ছাউনি বা অস্থায়ী ঘর। সেখানে ভক্তদের থাকার, রান্নাবান্না ও বিশ্রামের ব্যবস্থা থাকে। প্রতিটি ভেলায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন ভক্ত অবস্থান করেন। ইঞ্জিনচালিত নৌযানের পরিবর্তে লগি, বৈঠা ও নদীর স্রোতকে কাজে লাগিয়েই এগিয়ে চলে এসব ভেলা।

কুড়িগ্রামসহ দূরবর্তী জেলা থেকে এসব ভেলা নিয়ে আটরশি দরবারে পৌঁছাতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে। দীর্ঘ এই সময়ে ভক্তরা ভেলার ওপরেই অবস্থান করেন। সেখানে খাবার তৈরি ও বিশ্রামের পাশাপাশি ইবাদত, জিকির, হামদ-নাত ও মোর্শেদি গানে সময় কাটান তারা।

তবে এই নদীযাত্রা মোটেও সহজ নয়। ভেলাগুলোকে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, করতোয়া, যমুনা, পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ ও কুমারসহ বিভিন্ন নদী ও খাল পাড়ি দিতে হয়। কোথাও নাব্যতা কম থাকলে ভেলা টেনে নিতে হয়, কোথাও কচুরিপানা কেটে পথ তৈরি করতে হয়। আবার প্রবল স্রোতের বিপরীতে বৈঠা চালিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়াও দীর্ঘ এই যাত্রার অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

বাঁশ সংগ্রহ থেকে শুরু করে ভেলা তৈরি এবং দীর্ঘ নদীপথ পাড়ি দিয়ে তা দরবারে পৌঁছে দেওয়া—পুরো প্রক্রিয়াটিই ভক্তরা খেদমত হিসেবে করেন। এ কাজে তারা বাঁশের কোনো মূল্য নেন না, এমনকি নিজেদের শ্রমের জন্যও কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেন না। অর্থাৎ বাঁশ সংগ্রহ, ভেলা তৈরি ও পরিবহনের পুরো কাজটি সম্পন্ন হয় স্বেচ্ছাশ্রমে। দীর্ঘ পথের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ভেলা আটরশি দরবারে পৌঁছালে ভক্তরা মানসিক তৃপ্তি পান বলে জানান।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

আটরশি দরবারে পৌঁছানোর পর এসব বাঁশ উরসের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। সামিয়ানা ও অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ, সাজসজ্জাসহ অন্যান্য আয়োজনে ব্যবহারের পাশাপাশি বাঁশের কিছু অংশ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

দরবার-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, বাঁশের ভেলা নিয়ে যাত্রার জন্য খাজাবাবা ফরিদপুরী একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর বাংলা আশ্বিন মাসের প্রথম সপ্তাহের প্রথম বুধবার জলসা এবং বৃহস্পতিবার উষালগ্ন থেকে ভক্তরা ভেলা নিয়ে দরবারের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

মাত্র দুটি ভেলা দিয়ে ১৯৭৫ সালে শুরু হওয়া এই নদীযাত্রা ৫১ বছর পরও ধরে রেখেছে তার ঐতিহ্য। নদীর স্রোত, নাব্যতা ও দীর্ঘ পথের বাধা পেরিয়ে প্রতিবছর ভক্তদের বহন করে আটরশি দরবারে পৌঁছে এসব বাঁশের ভেলা। পরে সেই বাঁশই ব্যবহৃত হয় উরসের নানা আয়োজনে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুল্লা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী রুবেল চৌধুরী, নির্বাচনের আগে দেশে ফেরার প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


বুল্লা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী রুবেল চৌধুরী, নির্বাচনের আগে দেশে ফেরার প্রস্তুতি

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মোঃ রুবেল চৌধুরী। তিনি বর্তমানে দুবাই প্রবাসী। নির্বাচনের আগে দেশে ফিরে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

রুবেল চৌধুরীকে ঘিরে ৯নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে নির্বাচনী আলোচনা শুরু হয়েছে। তার পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রচারপত্রে তাকে ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রচারপত্রে তিনি ওয়ার্ডের মানুষের দোয়া, সহযোগিতা ও ভোট প্রত্যাশা করেছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ৯নং ওয়ার্ডের পৈলাবাড়ি গ্রামে সাধারণ সদস্য পদে রুবেল চৌধুরীর প্রার্থিতা ঘোষণার কথা জানানো হয়। সেখানে তিনি নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
আজকের সিলেট || সিলেটের তথ্য বিশ্বজুড়ে
প্রবাসে থেকেও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রুবেল চৌধুরী দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। দেশে ফেরার পর তিনি ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়, গণসংযোগ ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
রুবেল চৌধুরীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জনগণের সমর্থন পেলে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
আজকের সিলেট || সিলেটের তথ্য বিশ্বজুড়ে
এদিকে নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতাও বাড়ছে। ৯নং ওয়ার্ডে রুবেল চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির তেল স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


সৌদির তেল স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল ইয়ানবুকে হামলা থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, রিয়াদে ‘সামরিক সরঞ্জাম ও জনবল’ পাঠাবে প্যারিস।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরাসি টেলিভিশন চ্যানেল টিএফ১ ও ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান ম্যাক্রোঁ।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইয়ানবু তেল স্থাপনার নিরাপত্তায় সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে। আমরা সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে যাচ্ছি। এর মধ্যে থাকবে সেনা, রাডার এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—যাতে এই স্থাপনাটি সুরক্ষিত রাখা যায়।

 

সম্প্রতি ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে গেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ—বাব আল-মান্দেব ও হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের প্রভাব আরও শক্ত হয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য উভয় নৌপথই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরব হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তেল রপ্তানির জন্য লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের ওপর আরও বেশি নির্ভর করছে।

এরই মধ্যে ইয়ানবুতে সৌদি তেল কোম্পানি আরামকোর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথিরা। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই তেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা জোরদারে ফ্রান্স সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি সৌদি আরব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণের বাজারে। সবশেষে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।

নতুন দরের হিসাবে, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।

 

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

বাজুস আরও জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমান্ডারের সিদ্ধান্তে কুয়েতে ভয়াবহ বিপদে পড়েছিল মার্কিন সেনারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


কমান্ডারের সিদ্ধান্তে কুয়েতে ভয়াবহ বিপদে পড়েছিল মার্কিন সেনারা

ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল, কিন্তু কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ইউনিটের কমান্ডার নাকচ করে দেন। এর কিছুদিন পর কুয়েতের ওই বন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা ঘটে। এই হামলায় কয়েক ডজন মার্কিন সেনা আক্রান্ত হন।

মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ আগে কুয়েতে থাকা অধিকাংশ মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যকে জর্ডান ও সৌদি আরবে সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা থেকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে চলে যান।

তবে কুয়েতে অবস্থিত ১০৩তম সাসটেইনমেন্ট কমান্ডের জন্য আরও নিরাপদ অবস্থান গ্রহণের জন্য অন্তত দুটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল। একটি পরিকল্পনা ছিল সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুরের কাছে লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট এরিয়া জেনকিনস এবং অন্যটি ছিল রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস।

একাধিক সূত্রের বরাতে সিবিএস নিউজ জানায়, এসব পরিকল্পনা ইউনিটের নেতৃত্বের কাছে উপস্থাপন করা হলেও কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ক্লিন্ট বার্নস সেগুলো অনুমোদন করেননি।

এর পরিবর্তে পূর্ববর্তী ইউনিটের অনুসরণ করা কৌশল গ্রহণ করা হয়। গত জুলাইয়ে ইসরাইল-ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের সময় কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান থেকে মার্কিন সেনাদের সাময়িকভাবে শুয়াইবা বন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

তবে ওই সময়ের পরিস্থিতি বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনীয় ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন এক মার্কিন সেনাসদস্য। তিনি জানান, তখন ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চললেও মার্কিন সেনাদের মূল আশঙ্কা ছিল বাধাপ্রাপ্ত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন আকাশ থেকে তাদের ওপর পড়ে যাওয়া।

সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী হামলার আগে কুয়েতের ওই অবস্থান সম্পর্কে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু কেন ওই কমান্ডার নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন, তা জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%