প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল, কিন্তু কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ইউনিটের কমান্ডার নাকচ করে দেন। এর কিছুদিন পর কুয়েতের ওই বন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা ঘটে। এই হামলায় কয়েক ডজন মার্কিন সেনা আক্রান্ত হন।
মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ আগে কুয়েতে থাকা অধিকাংশ মার্কিন সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যকে জর্ডান ও সৌদি আরবে সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা থেকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে চলে যান।
তবে কুয়েতে অবস্থিত ১০৩তম সাসটেইনমেন্ট কমান্ডের জন্য আরও নিরাপদ অবস্থান গ্রহণের জন্য অন্তত দুটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল। একটি পরিকল্পনা ছিল সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুরের কাছে লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট এরিয়া জেনকিনস এবং অন্যটি ছিল রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস।
একাধিক সূত্রের বরাতে সিবিএস নিউজ জানায়, এসব পরিকল্পনা ইউনিটের নেতৃত্বের কাছে উপস্থাপন করা হলেও কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ক্লিন্ট বার্নস সেগুলো অনুমোদন করেননি।
এর পরিবর্তে পূর্ববর্তী ইউনিটের অনুসরণ করা কৌশল গ্রহণ করা হয়। গত জুলাইয়ে ইসরাইল-ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের সময় কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান থেকে মার্কিন সেনাদের সাময়িকভাবে শুয়াইবা বন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
তবে ওই সময়ের পরিস্থিতি বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনীয় ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন এক মার্কিন সেনাসদস্য। তিনি জানান, তখন ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চললেও মার্কিন সেনাদের মূল আশঙ্কা ছিল বাধাপ্রাপ্ত কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন আকাশ থেকে তাদের ওপর পড়ে যাওয়া।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী হামলার আগে কুয়েতের ওই অবস্থান সম্পর্কে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু কেন ওই কমান্ডার নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন, তা জানা যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন