মোঃ হুমায়ুন কবির, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
০৩:৩৬ পি.এম
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য অবৈধ বিজ্ঞাপন অপসারণ, আইন বাস্তবায়ন জোরদার এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আমীন পাপ্পা।
সভায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো হলো— তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অবৈধ তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন অপসারণ, অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে তামাকপণ্য বিক্রি বন্ধ করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে তামাকপণ্যের দোকান উচ্ছেদ করা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সভায় ধূমপান ও তামাক ব্যবহারের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. দিবাকর ভাট। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুনন্দা সরকার প্রমা ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধিত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
এছাড়া বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটের সদস্য মো. রইছ উদ্দিন ময়মনসিংহ অঞ্চলে তামাকবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, আইন বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা এবং করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এ সময় বক্তব্য দেন gগৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান, গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি বেগ ফারুক আহাম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহফুজ ইবনে আইয়ুব, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ সিহাব উদ্দিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাঈদা রুবায়াত, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. রুবাইদুর রানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাল উদ্দিন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেহানা আক্তার খাতুন, গৌরীপুর আরকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. হুমায়ুন কবির, মইলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান জামাল, গৌরীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হযরত আলী, উপজেলা দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা গোলাম মো. রেজাউল করিম, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এইচ টি তোফাজ্জল হোসেন, সতিশা যুব ও কিশোর সংঘের সভাপতি মো. অলি উল্লাহ এবং ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা টুম্পা রানী সাহা, কামরুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, মর্জিনা আক্তার, পার্থ প্রতিম কর, রিপোর্টার্স ক্লাবের ঝিন্টু দেবনাথ এবং লুৎফর রহমান খান লিটনসহ অন্যান্য টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সব শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮৮ হাজারের বেশি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আরাফাতের ময়দানে অনেক গাছ লাগানো হয়েছে। ৫০ বছর আগে সেখানে কোনো গাছ ছিল না। সম্ভবত ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরা পালন করতে গিয়ে তৎকালীন সৌদি বাদশাকে হাজিদের ছায়ার জন্য নিম গাছ রোপণের পরামর্শ দেন। সে সময় দেশ থেকে প্রায় এক লাখের মতো নিম গাছের চারা পাঠিয়েছিলেন তিনি। এখন গাছগুলোকে সৌদি আরবের মানুষজন নিম গাছ হিসেবে ডাকে না, ‘জিয়া ট্রি’ নামে ডাকে।’
মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) গাছ রোপণের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবুজ রঙটা নবীর খুব পছন্দ ছিল এবং তিনি অনেক গাছ রোপণও করেছেন। গাছ পরিবেশ থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে আমাদের জীবনে উপকার করে থাকে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সরকার প্রধান বলেন, ‘তোমরা যতদিন বাঁচবে, প্রত্যেক বছর একটা করে গাছ রোপণ করবে। গাছটা যখন একটু বড় হবে তখন তোমার বন্ধুর মতো মনে হবে এবং গাছটা যত বড় হতে থাকবে তুমিও বড় হতে থাকবে। তোমার পাশাপাশি যখন গাছটা বড় হবে দেখবে যে একটা অদ্ভুত একটা ভালোলাগা কাজ করবে।’
এ সময় শিক্ষার্থীদের গাছ রোপণে উৎসাহ দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘বর্ষার সময় শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু যে অনুপাতে বৃষ্টি হওয়া উচিত ছিল, তা হচ্ছে না। আমরা যখন ছোট ছিলাম এই বর্ষাকালে টানা বৃষ্টি হতো। এখন সেই বৃষ্টিটা হচ্ছে না। প্রয়োজন কিংবা অপ্রয়োজনেও গাছ কাটা পড়ছে। ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ দেশেই আমাদেরকে থাকতে হবে। আমার ঘর যদি আমি সুন্দর করে গুছিয়ে না রাখি তাহলে আমিও একটা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকবো। এতে করে আমার মানসিক এবং শারীরিক ক্ষতি হবে।’
শুধু আজকের দিন নয়, প্রতি বর্ষা মৌসুমে অন্তত একটা করে গাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের গাছ রোপণে উৎসাহিত করতে হবে। স্বাভাবিকভাবে দেশে গাছ যত বাড়বে আমাদের পরিবেশ তত ঠান্ডা হবে। পরিবেশ ঠান্ডা হলে আমাদের থাকতেও তত আরাম হবে।’
এর আগে বিএনসিসি সদস্যদের গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনপ্রতিরক্ষা ধারণার সঙ্গে বিএনসিসির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ কারণেই সংগঠনটিকে দেশের দ্বিতীয় সারির প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’
দেশের সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনসিসির কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণ এবং অধিক সংখ্যক তরুণ তরুণীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে বলেও জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী ও শক্তিশালী করতে যথাযথ বিনিয়োগ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে বিএনসিসি দেশের তরুণ সমাজের নৈতিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলী এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কিওয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নিয়োগকর্তারা তাদের কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা অন্য প্রতিষ্ঠানে সেবা স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন।
সোমবার (২৯ জুন) সৌদি গেজেটের একটি প্রতিবেদনে এ বিশেষ নির্দেশনা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হয়েছে। কিওয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ রয়েছে, তাদের নিয়োগকর্তা প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।
প্ল্যাটফর্মটির ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, যদি কোনও কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে নবায়ন না হয়, তাহলে তাকে প্রযোজ্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ দেওয়া হবে। তবে কর্মীকে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া যে সময় কাজ করানো হয়েছে, সেই সময়ের জন্য সমস্ত বকেয়া আর্থিক দায় নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে।
এ কারণে নির্ধারিত সময়সীমার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাগজপত্র নিয়মিত করার বিষয়ে নিয়োগকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে কিওয়া থেকে। তবে একটি ব্যতিক্রম সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হয়েছে। যদি কোনও কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় কিন্তু তার ইকামার (বাসস্থান অনুমতি) মেয়াদ এখনও কমপক্ষে ১৮০ দিন বৈধ থাকে, তাহলে ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন সম্ভব না হলেও তাকে প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে অপসারণ করা হবে না।
কিন্তু যদি ইকামার অবশিষ্ট মেয়াদ ১৮০ দিনের কম হয়, তাহলে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা এড়াতে নিয়োগকর্তাকে একসাথে ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট দুটিই নবায়ন করতে হবে।
কিওয়া আরও জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মী তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ বা বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করছেন, তাঁদের নামও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে বাতিল হয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রেও কর্মীকে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজে রাখা সময়ের জন্য সমস্ত বকেয়া ফি ও আর্থিক দায় নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে।
বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি দ্রুত পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা তাদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত আর্থিক দায় এড়াতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্ল্যাটফর্মটি নিয়োগকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বলেছেন, ইসরাইলের বর্তমান কট্টর ডানপন্থী সরকারের ‘সম্প্রসারণবাদী’ নীতি ও আগ্রাসন বন্ধ হলে কেবল ফিলিস্তিনিরা শান্তিতে বসবাসের সুযোগ পাবে না, বরং মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের শান্তিও আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি ইস্তাম্বুলে ন্যাটোর একটি শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি কয়েক দশকের অবিচার ভেঙে ফেলা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা হলে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
কুরতুলমুশ যুক্ত করেছেন, “ইসরাইল সরকারের এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের অবসান কেবল ফিলিস্তিনিদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, বরং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যও পথ সুগম করবে।”
তিনি পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, “দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ছাড়া এই সংকটের অন্য কোনো কার্যকর পথ নেই।”
এ সময় তিনি সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র অন্তর্বর্তী চুক্তিকেও স্বাগত জানান। কুরতুলমুশ আশা প্রকাশ করে বলেন, “এই উদ্যোগগুলো শেষ পর্যন্ত কেবল যুদ্ধবিরতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং একটি স্থায়ী ও ন্যায়সঙ্গত শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে।”
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ জুন, ২০২৬ : বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
মন্ত্রী শোকবার্তায় বলেছেন, মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি চিত্রকলার বিকাশ, দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল বিকাশে অসামান্য অবদান রেখেছেন যা জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার শিল্পকর্ম, সৃজনশীলতা, এবং মানবিক মূল্যবোধ আগামী প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি আরো বলেন, মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার প্রস্থান জাতির জন্য এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।
মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ