ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পদ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেন বিএনপি নেতা রমিজ উদ্দিন


পদ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেন বিএনপি নেতা রমিজ উদ্দিন

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক লাখ টাকা ও তিনটি খাসি গ্রহণ করেছেন। এই অভিযোগের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভাওরখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. মোসলেম মোল্লা কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

লিখিত অভিযোগে মোসলেম মোল্লা উল্লেখ করেন যে, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক পদ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে রমিজ উদ্দিন লন্ডনী তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেন। তিনি আরও জানান, তাকে তিনটি খাসি উপহার দেওয়া হয়। অভিযোগে তিনি দাবি করেন যে, এ-সংক্রান্ত প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

আরও পড়ুন: হায় সেলুকাস, আমাদের এই বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি

তিনি আবেদন করেছেন যে, অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সত্যতা পাওয়া গেলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেম বলেন, "আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ভিডিওটিও আমাদের নজরে এসেছে। তবে এ ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।"

প্রসঙ্গত, ১১ অক্টোবর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেনকে (৭২) লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিএনপি নেতা রমিজ উদ্দিন লন্ডনীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেম।

আরও পড়ুন: বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৃষ্টিনন্দন বনায়ন: রাঙ্গামাটিতে ১০ একর জমিতে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


দৃষ্টিনন্দন বনায়ন: রাঙ্গামাটিতে ১০ একর জমিতে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ

রাঙ্গামাটি, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে, রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া এলাকায় বন বিভাগের উদ্ধার করা প্রায় ১০ একর উঁচু-নিচু পাহাড়ি জমিতে ১০ হাজারের অধিক বৃক্ষরোপণ করে দৃষ্টিনন্দন বনায়ন গড়ে তুলেছে রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ।

এই তথ্যটি বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান।

তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যক্রমের ঘোষণার পরপরই রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের পক্ষ থেকে জেলায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়।

তবিবুর রহমান আরও জানান, এই কর্মসূচি বর্তমানে চলমান রয়েছে। বর্তমানে বন বিভাগের পক্ষ থেকে পরিত্যক্ত পাহাড় পরিষ্কার করার পাশাপাশি রোপণকৃত চারাগুলোর পরিচর্যা করা হচ্ছে।

রাঙ্গামাটি জেলা শহর থেকে কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া সৃজনী স্কুলের রাস্তা দিয়ে মূল সড়ক থেকে প্রায় ২-৩ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যাওয়ার পর, কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া মৌজার কলমপতি বিটের খাসখালী রেঞ্জের দখলমুক্ত ১০ একর বনভূমিতে দেখা যায় হাজার হাজার প্রায় ৫০ প্রজাতির রোপণকৃত গাছের চারা। এখানে বনজ, ফলদ ও ওষুধি গাছের চারাসহ বিলুপ্ত বিভিন্ন প্রজাতির চারা নিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে সংরক্ষণমূলক বাগান।

এই বাগানে লাগানো চারার মধ্যে রয়েছে গোদা, গুটগুটিয়া, বৈয়লাম, চাপালিশ, ঢেউয়া, সিভিট কদম, চারমুগড়া, বাঁশপাতা, বট, পাকুড়, জগডুমুর, অর্জুন, সোনালু, উদাল, মায়লারম, ঐরিয়াম ও মুহুয়া, ‘শরিফা, আতা, গোলাপ জাম, ঢাকি জাম, ত্রিপলা, আমলকি, বহেরা, চালতা, কাঁঠাল, দেশী আম, জারুল, দেশী গাব, বিলাতি গাবসহ নানা প্রজাতির গাছ।

এই বাগান তৈরির ফলে স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। এখানে কাজ করছে স্থানীয় অনেক শ্রমিক।

বাগানে কাজ করা শ্রমিকরা জানিয়েছেন, পাহাড়ের পরিত্যক্ত জমিতে এ ধরনের বাগান তৈরির ফলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তারা বলেন, "আমরা এই বাগানে দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে কাজ করছি।" শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য।

ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান বাসস’কে আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়াতে গড়ে তোলা বাগানটি ভবিষ্যতে গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাহাড়ি বনজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ও বীজ উৎপাদন নিয়ে গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি খাসখালী রেঞ্জ এলাকায় বীজ ও নতুন চারা উৎপাদন করা হচ্ছে এবং উৎপাদিত নতুন চারাগুলো জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, দখলমুক্ত ১০ একর বনভূমিটি এখন সবুজায়নের আওতায় আসার পাশাপাশি পাহাড়ে বিলুপ্ত প্রায় গাছের প্রজাতি সংরক্ষণে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া খাসখালী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল জলিল বাসস’কে জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এই রেঞ্জের আওতায় ১০ একর জমিতে প্রায় ১০ হাজার ৫শ’ চারা রোপণ করা হয়েছে। অন্যান্য জবরদখলকৃত বনভূমি দখলমুক্ত করে সেসব জমিও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে এই রেঞ্জের মাধ্যমে বীজ ও নতুন চারা উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যে সব চারা লাগানো হয়েছে সেগুলো নিয়মিত পরিচর্যার জন্য সার্বক্ষণিক বন বিভাগের লোকজন কাজ করছে।

আমরা আশা করছি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ আশানুরূপ বৃক্ষরোপণের টার্গেট পূরণ করতে পারবে।

রাঙ্গামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান বাসস’কে আরও বলেন, বন বিভাগের এ বাগানটি সরকার প্রধান ঘোষিত ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি জানান, ইতঃপূর্বে এই বাগানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের জাতীয় বৃক্ষরোপণ সেলের সদস্য ও টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশির জেবি। তিনি এই বাগানটি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান আরও বলেন, বর্তমান সরকারের কয়েকটি কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো সারাদেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ।

বৃক্ষরোপণের অংশ হিসেবে সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে এসব বৃক্ষ লাগানো হয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে কর্মসূচি তদারকি করা হচ্ছে। বেতবুনিয়ার এই বাগানটি সম্পর্কে সবসময় সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পরিকল্পিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করা গেলে রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ার বাগান ভবিষ্যতে পাহাড়ি বনজ উদ্ভিদের বীজ ও চারা সংরক্ষণ, গবেষণায় এবং পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশের এক দশমাংশ অঞ্চল জুড়েই পার্বত্য চট্টগ্রামের অবস্থান। এই অঞ্চলের অব্যবহৃত ও জবরদখলকৃত ভূমি বৃক্ষ রোপণের আওতায় আনা গেলে, তারেক রহমান ঘোষিত সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে টার্গেট রয়েছে, তার অনেকাংশ টার্গেট পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

জীববৈচিত্র্য রক্ষা, সবুজায়নসহ বৃক্ষরোপণে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে পাহাড়ের সম্ভাবনাময় অঞ্চলকে কাজে লাগাতে এখন প্রয়োজন সরকারের কার্যকর উদ্যোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া ও চীনকে রুখতে আর্কটিকে নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নামছে ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


রাশিয়া ও চীনকে রুখতে আর্কটিকে নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নামছে ইইউ

আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের আধিপত্য প্রতিরোধ এবং উত্তর সমুদ্রপথকে (নর্দান সি রুট) অবাধ রাখতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নতুন একটি কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই তথ্যটি দ্য টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইইউ-এর পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস প্রকাশ করেছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই নতুন পরিকল্পনার আওতায়, এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ রুটের ওপর এককভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না মস্কো ও বেইজিং। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিতিশীলতার কারণে সুয়েজ খালের বিকল্প হিসেবে উত্তর সমুদ্রপথের গুরুত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এশিয়ার সাথে যাতায়াতকে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দ্রুততর করে। কালাস উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া ও চীনের একক আধিপত্য প্রতিরোধে ইইউ যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

আগামী মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশন তাদের নতুন আর্কটিক বা মেরু কৌশল প্রকাশ করতে যাচ্ছে। ২০২১ সালের পর এটি প্রথম কৌশলগত নীতি আপডেট হবে। নতুন পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

নতুন আইসব্রেকার বা বরফ ভাঙার জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগ। আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নতুন সামরিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। আর্কটিক অঞ্চলে অফশোর তেল ও গ্যাস উত্তোলনের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা।

এর আগে ব্লুমবার্গ রিপোর্ট করেছে যে, ২০২৭ সালের মধ্যে ইইউর কোপার্নিকাস ও গ্যালিলিও স্যাটেলাইট সিস্টেম ব্যবহার করে একটি আর্কটিক নজরদারি কর্মসূচি চালু করা হবে, যা জল ও স্থলের যেকোনো হুমকি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউরোপীয় বিভাগের পরিচালক ভ্লাদিস্লাভ মাসলনিকভ ইইউ-এর এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে মন্তব্য করেছেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন উত্তর মেরুতে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে চাচ্ছে এবং উচ্চ উত্তরের সহযোগিতাকে অযথা রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে। সূত্র: দ্য টাইমস, ব্লুমবার্গ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিস্ফোরণে নিহত ৮

লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গোলাবারুদ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত আটজন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে গুলি চালানোর প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানান এক কর্মকর্তা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ওই কর্মকর্তা জানালেন, রোববার গভীর রাতে সরাসরি গুলি চালানোর প্রশিক্ষণ চলাকালীন এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহত ব্যক্তিরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি নিরাপত্তা বাহিনীতে যোগদান করেছিলেন।

শহরের নিরাপত্তা বিভাগের ওই কর্মকর্তা বলেন, জাওয়িয়ার উপকণ্ঠে নিরাপত্তা সংস্থাটির প্রশিক্ষণস্থলে সদস্যরা সরাসরি গুলি চালানোর অনুশীলন করছিলেন। এই সময় প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত একটি গোলাবারুদ বিস্ফোরিত হলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও জানান, ‘গত রাতে দুর্ঘটনাজনিত বিস্ফোরণে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণকেন্দ্রে আটজন প্রশিক্ষণার্থী নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।’

এ ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক’ উল্লেখ করে ওই কর্মকর্তা জানান, বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আরব নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শিরোপা নিষ্পত্তি নভেম্বরের শেষ দিকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শিরোপা নিষ্পত্তি নভেম্বরের শেষ দিকে

আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) শিরোপা কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সেনেগালের করা আপিলের রায় নভেম্বরের শেষ দিকে দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)।

সিএএস সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, “এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে এবং সিএএসের পূর্ণাঙ্গ রায় ২০২৬ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে প্রকাশ করা হবে।”

গত জানুয়ারিতে রাবাতে অনুষ্ঠিত আফকন ফাইনালে স্বাগতিক মরক্কোকে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সেনেগাল। ম্যাচে ঘটে যাওয়া নানা প্রশ্নবিদ্ধ ঘটনাবলীর পর তাদের শিরোপা কেড়ে নেওয়া হয় এবং মরক্কোকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

সেনেগাল, মরক্কো ও সিএএফের যুক্তি-তর্ক গত ৮ অক্টোবর সুইজারল্যান্ডের লোজানে সিএএসের শুনানিতে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

সেসময় সিএএস জানিয়েছিল, কয়েক দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তবে এখন তারা শুধু সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত নয়, আইনি ভিত্তিসহ পূর্ণাঙ্গ রায় বা "সিএএস অ্যাওয়ার্ড" প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ফাইনাল ম্যাচে নিয়মিত সময়ের শেষ দিকে সেনেগালের বিরুদ্ধে একটি পেনাল্টি দিলে দলটির খেলোয়াড়রা প্রতিবাদস্বরূপ ১৪ মিনিটের জন্য মাঠ ছেড়ে চলে যায়। কয়েকজন খেলোয়াড় ড্রেসিংরুমেও ফিরে গিয়েছিলেন।

পরে তারা মাঠে ফিরে আসে এবং খেলা পুনরায় শুরু হয়। মরক্কো পেনাল্টিটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানে সেনেগাল জয়সূচক গোল করে শিরোপা নিশ্চিত করে।

তবে দুই মাস পর সিএএফের আপিল বোর্ড রায় দেয় যে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার কারণে সেনেগাল ম্যাচটি পরিত্যাগ করেছে। ফলে মাঠের ফল বাতিল করে মরক্কোর পক্ষে ৩-০ গোলের জয় ঘোষণা করা হয় এবং তাদের আফ্রিকার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এরপরই সেনেগাল সিএএসে আপিল করে। ২৫ মার্চ আপিল দাখিল করা হলেও শুনানি হয় প্রায় ছয় মাস পরে। সেনেগালের মূল যুক্তি হলো, রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং তিনি ম্যাচটি সম্পূর্ণ করতে দিয়েছিলেন, তাই ফলাফল পরিবর্তনের সুযোগ নেই।

এ মাসের শুরুতে শুনানির বাইরে সিএএসের মহাপরিচালক ম্যাথিউ রিব বলেন, “সেনেগাল ও মরক্কোর মধ্যকার ফাইনালের কয়েক মাস পর সমর্থকদের জন্য এটি অবশ্যই দীর্ঘ অপেক্ষা।”

তিনি আরও বলেন, “ঘটনাগুলো স্পষ্ট এবং প্রতিষ্ঠিত। আলোচনার বিষয় হবে মূলত কিছু প্রক্রিয়াগত ও আইনি দিক।”

এই মামলার সিএএস প্যানেলের সভাপতি ফরাসি ক্রীড়া আইন বিশেষজ্ঞ জেরাল্ড সিমন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ইতালির আন্তর্জাতিক আইন অধ্যাপক লুইজি ফুমাগাল্লি এবং হামবুর্গভিত্তিক আইনজীবী ও জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অধ্যাপক উলরিখ হাস।

সিএএসের সিদ্ধান্তকে “অ্যাওয়ার্ড” বলা হয় এবং এর আইনি মর্যাদা একটি জাতীয় আদালতের রায়ের সমান। পরিস্থিতি অনুযায়ী এসব রায় ক্রীড়া ফেডারেশন কিংবা রাষ্ট্রের আদালতের মাধ্যমে কার্যকর করা যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%