প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের আধিপত্য প্রতিরোধ এবং উত্তর সমুদ্রপথকে (নর্দান সি রুট) অবাধ রাখতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নতুন একটি কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই তথ্যটি দ্য টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইইউ-এর পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস প্রকাশ করেছেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই নতুন পরিকল্পনার আওতায়, এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ রুটের ওপর এককভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না মস্কো ও বেইজিং। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিতিশীলতার কারণে সুয়েজ খালের বিকল্প হিসেবে উত্তর সমুদ্রপথের গুরুত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এশিয়ার সাথে যাতায়াতকে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দ্রুততর করে। কালাস উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া ও চীনের একক আধিপত্য প্রতিরোধে ইইউ যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
আগামী মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশন তাদের নতুন আর্কটিক বা মেরু কৌশল প্রকাশ করতে যাচ্ছে। ২০২১ সালের পর এটি প্রথম কৌশলগত নীতি আপডেট হবে। নতুন পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
নতুন আইসব্রেকার বা বরফ ভাঙার জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগ। আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নতুন সামরিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। আর্কটিক অঞ্চলে অফশোর তেল ও গ্যাস উত্তোলনের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা।
এর আগে ব্লুমবার্গ রিপোর্ট করেছে যে, ২০২৭ সালের মধ্যে ইইউর কোপার্নিকাস ও গ্যালিলিও স্যাটেলাইট সিস্টেম ব্যবহার করে একটি আর্কটিক নজরদারি কর্মসূচি চালু করা হবে, যা জল ও স্থলের যেকোনো হুমকি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউরোপীয় বিভাগের পরিচালক ভ্লাদিস্লাভ মাসলনিকভ ইইউ-এর এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে মন্তব্য করেছেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন উত্তর মেরুতে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে চাচ্ছে এবং উচ্চ উত্তরের সহযোগিতাকে অযথা রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে। সূত্র: দ্য টাইমস, ব্লুমবার্গ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন