শোরাফ উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ পি.এম
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২০২৭-২৮ ইং সেশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে।আজ শুক্রবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কমলনগর উপজেলা শাখার শুরার অধিবেশন শেষে এই কমিটি গঠন করা হয়।এতে সভাপতি পদে মাষ্টার মোসলেহ উদ্দিন ,সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মেরাজ এর নাম ঘোষণা করা হয়।বাকী পদ গুলো দলটির পরবর্তী বৈঠকে বন্টন করা হবে বলে দলীয় সুত্র নিশ্চিত করেন।শুরার অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশ এদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী সর্ববৃহৎ একটি ইসলামীক রাজনৈতিক দল।এদেশের মাটি-মানুষ ও মানবতার পক্ষের একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ত রক্ষায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর হযরত পীর সাহেব চরমোনাইর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি। এদেশের মাটি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলনের এই নতুন নেতৃত্বকে আরো সাহসীকতার সাথে আগামী দিনের সকল আন্দোলন সংগ্রামে প্রথম কাতার থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন গুলো ঢেলে সাজাতে কাজ করতে হবে।শুরার অধিবেশনে দলটির উপজেলা ইউনিয়ন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পূর্বেই রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আলোচনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হতে পারে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলোচনা সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তির আগে রাশিয়ার সঙ্গে কিছু চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বর্তমানে ওয়াশিংটনের বিবেচনায় রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা মনে করেন, এ ধরনের চুক্তি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে মস্কোর কাছে স্পষ্ট করে তুলতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগ ট্রাম্পের পূর্ববর্তী অবস্থানের থেকে কিছুটা ভিন্ন। পূর্বে তিনি যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তি না করার কথা বলেছিলেন। নতুন অবস্থানে যুদ্ধ চলাকালীন সীমিত অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী করে তুলতে নতুন উপায় খুঁজছেন। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চুক্তিকে সেই আলোচনার একটি প্রণোদনা হিসেবে দেখা হতে পারে।
তবে, কী ধরনের চুক্তি হতে পারে সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জ্বালানি, বিনিয়োগ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হলেও, এসব বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে বলে জানা যায়নি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে উইটকফ ও কুশনার মস্কো সফর করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। রুশ পক্ষ ওই আলোচনা গঠনমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করলেও যুদ্ধ বন্ধে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতার ঘোষণা আসেনি।
এদিকে, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনায় রয়েছে। ফলে মস্কোর সঙ্গে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নিষেধাজ্ঞার চাপ—দুই ধরনের পদক্ষেপ একই সময়ে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তথ্যসূত্র: তাস, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে কোনো সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম পাঠাবে না, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং শুক্রবার এই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে লি জে মিয়ং উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়াকে জড়িয়ে ফেলতে পারে এমন কোনো সেনা মোতায়েন বা সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হবে না। দক্ষিণ কোরিয়া এ বিষয়ে যে নীতি অনুসরণ করে আসছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে।
তবে, বাণিজ্যিক জাহাজ এবং অপরিশোধিত তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান লি। হরমুজ প্রণালির কাছে ইতোমধ্যে মোতায়েন থাকা চেওংহে ইউনিটের কার্যক্রম জোরদারের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার এই অবস্থান এমন সময়ে এসেছে, যখন হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় দেশটির ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। এর আগে, ওয়াশিংটন সিউলকে প্রণালিতে নৌ ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল।
গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজে সামরিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তখন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছিল, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এর পরের দিন দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, হরমুজ নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনার বিষয় ছিল নৌপথের নিরাপত্তা ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার সম্ভাব্য উদ্যোগ, সরাসরি সেনা মোতায়েন নয়। বৃহস্পতিবারও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, হরমুজ নিয়ে আলোচনার মূল লক্ষ্য নৌপথের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সুরক্ষা।
এখন প্রেসিডেন্ট লির ঘোষণায় স্পষ্ট হলো, দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তামূলক সীমিত ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা বিবেচনা করলেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে সরাসরি সামরিকভাবে জড়াবে না। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ট্রাভার্স সিটিতে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে, যা এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের অন্তর্ভুক্ত। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মার্কিন বিমানবাহিনী জানায়, বিমানটি টেক্সাস এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের একটি ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত।
টেক্সাস এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করে জানায়, তাদের একটি এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন যুদ্ধবিমান ট্রাভার্স সিটিতে বিধ্বস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় পাইলট নিরাপদে বিমান থেকে বের হয়ে যেতে সক্ষম হন।
বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পূর্বে পাইলট ইজেকশন সিস্টেম ব্যবহার করে বের হয়ে যান, ফলে পাইলটের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি যেখানে বিধ্বস্ত হয়েছে, সেখানে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার সময় বিমানটি কী ধরনের প্রশিক্ষণ বা কার্যক্রমে ছিল এবং কেন সেটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। মার্কিন বিমানবাহিনী দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করবে বলে জানিয়েছে।
এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন যুক্তরাষ্ট্রের বহুল ব্যবহৃত এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট বহুমুখী যুদ্ধবিমান। এই বিমানটি মূলত আকাশযুদ্ধের পাশাপাশি স্থল লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে এ ধরনের যুদ্ধবিমান পরিচালনা করে।
এয়ার ন্যাশনাল গার্ড মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি রিজার্ভ উপাদান, যার সদস্যরা একদিকে অঙ্গরাজ্যগুলোর অধীনে দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন, অন্যদিকে প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমেও সক্রিয় দায়িত্ব পালন করেন।
দুর্ঘটনার পর মিশিগানের আইনপ্রণেতারাও পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। মিশিগান থেকে মার্কিন সিনেটের প্রতিনিধি গ্রে পিটার্স জানিয়েছেন, তারা ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দুর্ঘটনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতা শুরু হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং বিমানটির কারিগরি অবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।
সূত্র : এএফপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি একটি বড় সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছেছেন। একই সময়ে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে একটি টোগো পতাকাবাহী তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে।
ট্রাম্প অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে তার সামনে একটি ‘বড় সিদ্ধান্ত’ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’ এর আগে, তিনি দাবি করেছিলেন যে ইরান সমঝোতা করতে আগ্রহী এবং যুদ্ধ শেষের দিকে এগোচ্ছে।
আইআরজিসি জানায়, টোগো পতাকাবাহী ট্যাংকারটি হরমুজ প্রণালিতে ‘অবৈধভাবে’ প্রবেশের চেষ্টা করায় সেটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় এবং সেটি থেমে যায়। তবে এসব তথ্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রতিদিন মাত্র কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজ এ পথ অতিক্রম করছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
হরমুজ পরিস্থিতির প্রভাব তেলের বাজারেও পড়েছে। শুক্রবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৪ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ১০১ ডলারের কাছাকাছি ছিল। তবে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা কিছুটা কমায় দাম টানা তৃতীয় দিনের মতো কমেছে।
এদিকে সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টাও চলছে। চীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে সংযম দেখিয়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে একই সময়ে হরমুজ ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য এলাকায় সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ