প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে কোনো সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম পাঠাবে না, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং শুক্রবার এই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে লি জে মিয়ং উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়াকে জড়িয়ে ফেলতে পারে এমন কোনো সেনা মোতায়েন বা সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হবে না। দক্ষিণ কোরিয়া এ বিষয়ে যে নীতি অনুসরণ করে আসছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে।
তবে, বাণিজ্যিক জাহাজ এবং অপরিশোধিত তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান লি। হরমুজ প্রণালির কাছে ইতোমধ্যে মোতায়েন থাকা চেওংহে ইউনিটের কার্যক্রম জোরদারের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার এই অবস্থান এমন সময়ে এসেছে, যখন হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় দেশটির ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। এর আগে, ওয়াশিংটন সিউলকে প্রণালিতে নৌ ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল।
গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজে সামরিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তখন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছিল, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এর পরের দিন দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, হরমুজ নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনার বিষয় ছিল নৌপথের নিরাপত্তা ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার সম্ভাব্য উদ্যোগ, সরাসরি সেনা মোতায়েন নয়। বৃহস্পতিবারও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, হরমুজ নিয়ে আলোচনার মূল লক্ষ্য নৌপথের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সুরক্ষা।
এখন প্রেসিডেন্ট লির ঘোষণায় স্পষ্ট হলো, দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তামূলক সীমিত ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা বিবেচনা করলেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে সরাসরি সামরিকভাবে জড়াবে না। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন