প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পূর্বেই রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আলোচনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হতে পারে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলোচনা সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তির আগে রাশিয়ার সঙ্গে কিছু চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বর্তমানে ওয়াশিংটনের বিবেচনায় রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা মনে করেন, এ ধরনের চুক্তি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে মস্কোর কাছে স্পষ্ট করে তুলতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগ ট্রাম্পের পূর্ববর্তী অবস্থানের থেকে কিছুটা ভিন্ন। পূর্বে তিনি যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তি না করার কথা বলেছিলেন। নতুন অবস্থানে যুদ্ধ চলাকালীন সীমিত অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী করে তুলতে নতুন উপায় খুঁজছেন। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চুক্তিকে সেই আলোচনার একটি প্রণোদনা হিসেবে দেখা হতে পারে।
তবে, কী ধরনের চুক্তি হতে পারে সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জ্বালানি, বিনিয়োগ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হলেও, এসব বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে বলে জানা যায়নি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে উইটকফ ও কুশনার মস্কো সফর করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। রুশ পক্ষ ওই আলোচনা গঠনমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করলেও যুদ্ধ বন্ধে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতার ঘোষণা আসেনি।
এদিকে, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনায় রয়েছে। ফলে মস্কোর সঙ্গে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নিষেধাজ্ঞার চাপ—দুই ধরনের পদক্ষেপ একই সময়ে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তথ্যসূত্র: তাস, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন