ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রেমিকার হাত কেটে নিলো প্রেমিক


গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রেমিকার হাত কেটে নিলো প্রেমিক

মেহেরপুরে গভীর রাতে প্রেমিকার ঘরে প্রবেশ করে সায়ন নামে এক যুবক প্রেমিকার ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। এই ঘটনার সময় মেয়েকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বাবা-মাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন লর্ড মার্কেট এলাকার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন, তার স্ত্রী রেবেকা খাতুন এবং তাদের মেয়ে স্মৃতি আক্তার। অপরদিকে, অভিযুক্ত সায়ন হোসেন শহরের মল্লিকপাড়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের সন্তান।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সায়নের সঙ্গে স্মৃতিকে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান স্মৃতির মা-বাবা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। স্মৃতি তার বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। এর জের ধরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে স্মৃতির বাড়িতে হামলা চালান সায়ন। একপর্যায়ে ধারালো রামদা দিয়ে স্মৃতির ডান হাতে কোপ দিলে কবজির নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

মেয়ের চিৎকার শুনে মা-বাবা এগিয়ে গেলে তাদেরকেও উপুর্যপরি কুপিয়ে জখম করে সায়ন। স্মৃতির পরিবারের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদেরকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, স্মৃতি আক্তারের ডান হাতের কব্জির নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার বাম হাতেও কোপ লেগেছে। মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাতের ক্ষত রয়েছে। স্মৃতির বাবা সাইদুর রহমানের বুকে এবং বাম হাতে জখম হয়েছে। তার মায়ের বুক এবং ডান চোখে দায়ের কোপের গুরুতর ক্ষত রয়েছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর রাতেই তাদেরকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সায়নকে ধরতে রাতেই মাঠে নামে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, হামলাকারী সায়নকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। তাকে গ্রেপ্তার করতে পারলেই ঘটনার মোটিভ জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নব্বই দশকের রাবি ক্যাম্পাসের গল্প নিয়ে আসছে চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


নব্বই দশকের রাবি ক্যাম্পাসের গল্প নিয়ে আসছে চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ইতিহাস এবং নব্বইয়ের দশকের বিভিন্ন ঘটনার উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’ আগামী অক্টোবরে মুক্তি পেতে চলেছে। নির্মাতা মুনতাসীর আকিব জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রটির নির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থী বিভিন্নভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনে চলচ্চিত্রটির প্রদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

নির্মাতা মুনতাসীর আকিব বলেন, "চিরকুট চলচ্চিত্রটি তৈরি করতে আমাদের প্রায় তিন বছর সময় লেগেছে। সিনেমাটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী কাজ করেছেন। বাইরের অনেক পরিচিত শিল্পীও এতে অভিনয় করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শ্যামল মাওলা, নওশাদ আহমেদ ও সুমন পাটোয়ারী। চলচ্চিত্রটির প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজিজুল মীম।"

মুক্তির ব্যাপারে তিনি জানান, দুর্গাপূজার ষষ্ঠীতে চলচ্চিত্রটির শুভমুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও ভারতসহ বিশ্বের সাতটি দেশে এটি মুক্তি পাবে।

চলচ্চিত্রটির বাজেট সম্পর্কে নির্মাতা বলেন, "চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও আমরা নিজেরাই। শুরুতে ভেবেছিলাম খুব কম বাজেটে সিনেমাটি শেষ করতে পারব। কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি। সিনেমাটি শেষ করতে আমাদের প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়েছে।"

তিনি আরও জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের যেকোনো সিনেপ্লেক্সে ‘চিরকুট’-এর টিকিটের মূল্য অর্ধেক রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজশাহীতে চলচ্চিত্রশিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে নির্মাতা আকিব মন্তব্য করেন, "রাজশাহী একটা আলাদা ইন্ডাস্ট্রি হতে পারে। রাজশাহীর মানুষজন খুবই সহযোগিতাপরায়ণ। এখানে কাজ করতে গিয়ে অসম্ভব সাপোর্ট পেয়েছি।"

চলচ্চিত্রটির প্রধান অভিনেত্রী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আজিজুল মীম বলেন, "এটা আমার গল্প, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গল্প এবং সর্বোপরি রাজশাহীর গল্প। আপনারা রাজশাহীর গল্প ভেবেই চলচ্চিত্রটাকে গ্রহণ করবেন। সিনেমা হলে গিয়ে চলচ্চিত্রটি দেখবেন। গল্পটি আপনাদের ভালো লাগবে বলে আশা করছি।"

ক্যাম্পাস-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নব্বইয়ের দশকের রাবি যারা দেখেছেন, তাদের কাছে ‘চিরকুট’ হয়ে উঠতে পারে হারিয়ে যাওয়া দিনের স্মৃতির আয়না। নতুন প্রজন্মের দর্শকদের সামনে খুলে দিতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এক ভিন্ন সময়ের গল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শত কোটি টাকার পরিত্যক্ত ভবন ছাত্রী হলে করার চিন্তা ইবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


শত কোটি টাকার পরিত্যক্ত ভবন ছাত্রী হলে করার চিন্তা ইবির

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য নির্মিত আবাসিক ভবনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে, কারণ সেখানে বসবাস করতে আগ্রহী কেউ নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন এসব ভবনকে ছাত্রী হলে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে।

এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল অবকাঠামোগত ক্ষতি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো, পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সমাধান করা। খালি থাকা এসব ভবন সাময়িকভাবে ছাত্রী হল হিসেবে ব্যবহারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ক্যাম্পাসে নাগরিক সুবিধার অভাবের কারণে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেতন থেকে বাড়িভাড়া পূর্ণ হারে কর্তনের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুস্পষ্ট নির্দেশনা চেয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, সাংবাদিক সমিতি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে পর্যাপ্ত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা না থাকায় কোনো শিক্ষককে আইনগতভাবে এখানে বসবাসে বাধ্য করতে পারি না। ফলে তাঁদের জন্য নির্মিত আবাসিক ভবনগুলো অলস পড়ে থাকে। দিনের পর দিন এভাবে পড়ে থাকায় ভবনগুলো একসময় পরিত্যক্ত হয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত অবকাঠামোগুলো নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়েও ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সামনে বিষয়টি বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন থেকে যখন পূর্ণ হারে বাড়িভাড়া কর্তন করা হয়, তখন এর অর্ধেক টাকা দিয়েই কুষ্টিয়া বা ঝিনাইদহে আমরা ভালো বাসায় থাকতে পারি।”

উপাচার্য আরও জানান, “এ বিষয়ে সরকারের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে সুস্পষ্ট গাইডলাইন চেয়েছি। অবিলম্বে এ বিষয়ে একটি সুযোগ থাকা দরকার। তবে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আপাতত ভবনগুলোর সুরক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে এসব ভবন নারী শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য ব্যবহার করা যায় কি না, সে বিষয়ে ইউজিসির কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি গৃহীত হলে আশা করি অনেক নারী শিক্ষার্থীকে অন্তত আবাসন সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি আমাদের আবাসিক ভবনগুলোও সুরক্ষিত থাকবে।”

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য নির্মিত সাতটি আবাসিক ভবনে মোট ৬৯টি ফ্ল্যাটের মধ্যে প্রায় ৫০টি খালি পড়ে আছে। নব্বইয়ের দশকে নির্মিত পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা ভবনের ২৪টি ফ্ল্যাটের প্রায় অর্ধেকই অব্যবহৃত। কর্ণফুলী ও কপোতাক্ষ ভবন দুটিও দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি কপোতাক্ষ ভবনে আনসার সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করা হলেও কর্ণফুলী ভবন এখনো খালি।

এছাড়া, কয়েক বছর আগে নির্মিত ১০ তলা ভবনের ১৯টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ১০টি এবং প্রভোস্ট কোয়ার্টারের অধিকাংশ ফ্ল্যাটও খালি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত কোয়েল ভবনের ১০টির মধ্যে আটটি এবং ময়না ভবনের নয়টি ফ্ল্যাট অব্যবহৃত রয়েছে।

দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় এসব ভবনের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গল ও শ্যাওলা জমেছে। ফলে ভবনগুলোর অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। খালি পড়ে থাকা ভবনগুলোকে ছাত্রী হল হিসেবে ব্যবহার করা গেলে একদিকে নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট কিছুটা কমবে, অন্যদিকে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা ভবনগুলোর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাজারো মানুষ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাইজভান্ডারি আশেকানরা সেখানে আসতে শুরু করেন।

এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে। বেলা ১১টার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দক্ষিণ গেট থেকে জশনে জুলুস বের হওয়ার কথা রয়েছে।

জুলুসটি দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয়ের সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে শেষ হবে। এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ।

আজ সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে দলে দলে মানুষ অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাসগুলো আব্দুল গনি রোডসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে।

উদ্যানের দক্ষিণ পাশে নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক দুটি প্যান্ডেল করা হয়েছে। সকাল দিকে এক পশলা বৃষ্টি হওয়ায় অনুষ্ঠানস্থলের বিভিন্ন অংশ কাদায় ভরে গেছে। এর মধ্যেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে অংশগ্রহণকারীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশে জাতীয় রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সুফি স্কলার, পীর-মাশায়েখ, ওলামা, শিক্ষাবিদ ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেবেন। এতে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ সুন্নি সুফিবাদী জনতার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই গোলে পিছিয়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, ইসরায়েলি ক্লাবকে হারিয়ে সাবাহর ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


দুই গোলে পিছিয়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, ইসরায়েলি ক্লাবকে হারিয়ে সাবাহর ইতিহাস

আজারবাইজানের ফুটবল ইতিহাসে একটি নতুন রূপকথার অধ্যায় সৃষ্টি হলো। ৯ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত একটি ‘পুঁচকে’ ক্লাব একটি মহাকাব্য রচনা করল।

ইসরায়েলের শীর্ষ ক্লাব হাপোয়েল বিয়ের শেভাকে ৫-২ গোলে পরাজিত করে ইতিহাস গড়েছে সাবাহ এফকে। এই অসাধারণ জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্ব (লিগ ফেজ)-এর টিকিট অর্জন করল দেশের এই তরুণ ক্লাবটি।

প্রথম লেগের ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে কিছুটা পিছিয়ে ছিল সাবাহ। তাই ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ফিরতি ম্যাচটি তাদের জন্য ছিল জীবন-মরণের লড়াই।

সাধারণত ১৩ হাজার ধারণক্ষমতার মাসাজিরের ‘ব্যাংক রিপাবলিকা অ্যারেনা’য় খেলে সাবাহ। কিন্তু এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ম্যাচের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল বাকুর ৩০ হাজার ধারণক্ষমতার তৌফিক বাহরামোভ রিপাবলিকান স্টেডিয়াম। গ্যালারিতে ভরা দর্শকের গর্জন যেন প্রতিপক্ষের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল।

তবে ম্যাচের শুরুটা সাবাহর জন্য ভালো ছিল না।

ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় স্লাটানোভিচের গোলে সফরকারীরা এগিয়ে যায়। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে নোয়াচুকুরের গোলে সমতা ফেরায় স্বাগতিকরা। বিরতির পর ৬১ মিনিটে মিজরাহির গোলে আবারও এগিয়ে যায় ইসরায়েলের ক্লাবটি।

কিন্তু আজারবাইজানের ক্লাবটি হার মানেনি। ৭৪ মিনিটে রাখমোনালিয়েভ গোল করে সাবাহকে সমতায় ফিরিয়ে আনে।

তবে ম্যাচে সমতা ফিরে এলেও দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে ছিল ইসরায়েলি ক্লাবটি।

এরপরই নাটকের আসল অধ্যায় শুরু হয়! নির্ধারিত নব্বই মিনিটের খেলা যখন শেষ পর্যায়ে, ঠিক তখন মুতাল্লিমোভের সেই অবিশ্বাস্য গোল! এই এক গোলে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোর সমতায় আসায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।

অতিরিক্ত সময়ে দুই লাল কার্ডের কারণে ভেঙে পড়ে ইসরায়েলি দলের প্রতিরোধ। সেই সুযোগে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি সাবাহর আক্রমণভাগ। এমবিনা ও মিকেলসের পরপর দুই দুর্দান্ত গোলে ৫-২ ব্যবধানের একটি অবিস্মরণীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিক দল।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সাবাহ এফকের এই উত্থান কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। দেশটির দ্বিতীয় বিভাগ থেকে যাত্রা শুরু করে দ্রুতই প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বাকুর এই দলটি। ২০১৫-২৬ মৌসুমে দেশের ঘরোয়া লিগ শিরোপা জয়ের পাশাপাশি টানা দুইবার আজারবাইজান কাপও জিতেছে তারা। বছরের পর বছর ধরে আজারবাইজানের ফুটবলে ছড়ি ঘোরানো ক্লাব ‘কারাবাগ’-এর একচ্ছত্র আধিপত্য থামিয়ে দিয়ে ঘরোয়া ফুটবলে নতুন রাজত্বের সূচনা করেছে এই ক্লাব।

উয়েফা কনফারেন্স লিগে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও, ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলার যোগ্যতা এবারই প্রথম অর্জন করল তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%