বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৩ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, বুধবার কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আরএমপির বিশেষ মাদকবিরোধী টিম অভিযান চালিয়ে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনসাধারণের শান্তি বিনষ্টের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। ।
তারা হলেন রাজপাড়া থানার দাসপুকুর গ্রামের আব্দুল্লাহ (৩৫), চন্দ্রিমা থানার ঘোড়ামারা গ্রামের শাহীন (৩৬), শিরোইল কলোনির জুবায়ের হোসেন শিমুল (২৫), রাজপাড়ার লক্ষ্মীপুর ডিঙ্গাডোবা এলাকার মো. খোকন এবং তেরখাদিয়া মধ্যপাড়ার আলী খান।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।
এদিকে শাহমখদুম থানা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে থানা পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য সেবনের অভিযোগে মোঃ আলামিন হোসেনকে আটক করা হয়। তিনি চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম বাররাস্তার মোড় এলাকার বাসিন্দা।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত আলামিন হোসেনকে মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বিভাগে নতুন সভাপতি নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নবনিযুক্ত সভাপতিদের মধ্যে কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগে সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয়, ফাইন আর্টস বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রায়হান উদ্দিন ফকির, ফার্মেসি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক ড. মাসুদ রানা এবং ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাব (শাহীন) দায়িত্ব পেয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন সূত্রে, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, ফাইন আর্টস বিভাগের সভাপতি আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান এবং ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির সংশোধিত ১০(১) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপকদের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য নিজ নিজ বিভাগের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিলাসী সাহা গত ২৫ আগস্ট সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হয় আল ফিকহ এন্ড ল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাবকে (শাহীন)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কঠিন সময়ে হামলা, মামলা, জেল-জুলুম সহ্য করে রাজপথে শক্ত হাতে সংগঠন পরিচালনা করেছেন বরিশাল মহানগর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদা। দলের দুর্দিনের এই কান্ডারী নেত্রীকে নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন গ্রেপ্তার ও নিপীড়নের ভয়ে অনেকেই রাজপথে নামতে দ্বিধাবোধ করতেন, সেই সময় দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে বরিশাল মহানগর মহিলা দলকে চাঙ্গা রেখেছিলেন ফরিদা। মিটিং-মিছিল আয়োজনসহ কর্মীদের উৎসাহিত করে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। নিজের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে রাজপথে হাজারো নারী কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছিলেন এই ত্যাগী নেত্রী। বর্তমান সভাপতি তিথিসহ অনেককে সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করা ও মহানগর মহিলা দলকে পুনরুজ্জীবিত করার পেছনে তার বড় অবদান রয়েছে বলে মনে করেন সাধারণ কর্মীরা।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলকে সুসংগঠিত করা এবং ত্যাগী এই নেত্রীর ইতিবাচক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে মহানগর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদা বলেন, "একটি চিহ্নিত মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে ক্রমাগত ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে আমি বাধ্য হয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
তিনি আরও বলেন, "বরিশালকে মাদকমুক্ত করতে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা যারা মাদক বিক্রেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আমি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।"
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে ফরিদা জানান, তিনি অতীতেও রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানেও দলের আদর্শ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়—এমন কোনো কাজে তিনি কখনোই যুক্ত ছিলেন না এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন না।
এদিকে তৃনমূলের সাধারণ নারী কর্মীদের দাবি, দলের জন্য ফরিদার ত্যাগ ও অবদান অনস্বীকার্য। নতুন কাউকে দিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব নয়। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উচিত দুর্দিনের এমন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেত্রীদের উপযুক্ত মূল্যায়ন করা, যাতে ভবিষ্যতে ত্যাগী কর্মীরা রাজনীতিতে নিরাশ না হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ