বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৫ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কঠিন সময়ে হামলা, মামলা, জেল-জুলুম সহ্য করে রাজপথে শক্ত হাতে সংগঠন পরিচালনা করেছেন বরিশাল মহানগর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদা। দলের দুর্দিনের এই কান্ডারী নেত্রীকে নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন গ্রেপ্তার ও নিপীড়নের ভয়ে অনেকেই রাজপথে নামতে দ্বিধাবোধ করতেন, সেই সময় দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে বরিশাল মহানগর মহিলা দলকে চাঙ্গা রেখেছিলেন ফরিদা। মিটিং-মিছিল আয়োজনসহ কর্মীদের উৎসাহিত করে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। নিজের ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে রাজপথে হাজারো নারী কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছিলেন এই ত্যাগী নেত্রী। বর্তমান সভাপতি তিথিসহ অনেককে সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করা ও মহানগর মহিলা দলকে পুনরুজ্জীবিত করার পেছনে তার বড় অবদান রয়েছে বলে মনে করেন সাধারণ কর্মীরা।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলকে সুসংগঠিত করা এবং ত্যাগী এই নেত্রীর ইতিবাচক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে মহানগর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদা বলেন, "একটি চিহ্নিত মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে ক্রমাগত ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে আমি বাধ্য হয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
তিনি আরও বলেন, "বরিশালকে মাদকমুক্ত করতে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা যারা মাদক বিক্রেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আমি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।"
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে ফরিদা জানান, তিনি অতীতেও রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানেও দলের আদর্শ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়—এমন কোনো কাজে তিনি কখনোই যুক্ত ছিলেন না এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন না।
এদিকে তৃনমূলের সাধারণ নারী কর্মীদের দাবি, দলের জন্য ফরিদার ত্যাগ ও অবদান অনস্বীকার্য। নতুন কাউকে দিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব নয়। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উচিত দুর্দিনের এমন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেত্রীদের উপযুক্ত মূল্যায়ন করা, যাতে ভবিষ্যতে ত্যাগী কর্মীরা রাজনীতিতে নিরাশ না হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজে আসন পেয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়।
কলেজে আসন পাওয়া শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন না করলে তাদের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। নিশ্চায়নের পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
যেসব কাগজপত্র লাগবে
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখতে হবে। এগুলো হলো—
কত শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন
চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৮৭ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। তাদের মধ্যে ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭১ জন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন। অর্থাৎ মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর প্রায় ৮৪ শতাংশ একাদশে ভর্তির আবেদন করেছেন।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ শিক্ষার্থী আবেদন করেন। তাদের পছন্দের কলেজ অনুযায়ী মোট ৫৬ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫টি আবেদন জমা পড়ে। প্রথম ধাপের ফল অনুযায়ী, আবেদনকারীদের প্রায় ৯৮ শতাংশ কোনো না কোনো কলেজে আসন পেয়েছেন।
তবে বোর্ডের তথ্যে প্রথম ধাপে ২৫ হাজার ৩৩ শিক্ষার্থী কোনো কলেজে আসন পাননি। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীও রয়েছেন। আবার বোর্ডের অন্য একটি তথ্যে প্রথম ধাপে আবেদন করে আসন না পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৪১৫ জন বলা হয়েছে।
নিশ্চায়নের শেষ সময় ১৮ সেপ্টেম্বর
প্রথম ধাপে কলেজে আসন পাওয়া শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। এ জন্য বোর্ড নির্ধারিত নিশ্চায়ন ফি মোবাইল ব্যাংকিংসহ অনুমোদিত যেকোনো মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
নিশ্চায়নের শেষ সময় ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত ৮টা। এর মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
নিশ্চায়ন শেষে ২০ সেপ্টেম্বর রোববার থেকে ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবারের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে গিয়ে ভর্তি হতে হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সরাসরি ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩, ০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে—
জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৬ মিনিটে।
আসরের সময় শুরু হবে ৪টা ১৭ মিনিটে।
মাগরিবের সময় ৬টা ৪ মিনিটে।
এশার সময় শুরু হবে ৭টা ১৭ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৩৪ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৬টা এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪৫ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট সপ্তাহের বিভিন্ন দিন বন্ধ থাকে। তবে অনেক সময় গন্তব্যে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, সেদিন ওই এলাকার দোকান ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে।
এ কারণে, বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জেনে নিন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকার দোকানপাট, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপরারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, ১৭৫ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে অবস্থান করছে চীনের বেইজিং।
এই বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বায়ুমান স্কোর ৭৩ নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা তালিকার ২৮ নম্বরে রয়েছে। ঢাকার বাতাসের মানকে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৭৫ স্কোর নিয়ে চীনের বেইজিং শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে ১৬৫ স্কোর নিয়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। তৃতীয় স্থানে ১৬৩ স্কোর নিয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর রয়েছে। তালিকার চতুর্থ স্থানে থাকা ভিয়েতনামের সববৃহৎ শহর হো চি মিন সিটির স্কোরও ১৬৩ এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা ভারতের দিল্লির স্কোর ১৫৪।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে ধরা হয়।
আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে চিহ্নিত করা হয়। এছাড়া, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে।
সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ