ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শৈলকুপায় ৩ হাজার কৃষকের মাঝে পেঁয়াজের বীজ ও সার বিতরণ


শৈলকুপায় ৩ হাজার কৃষকের মাঝে পেঁয়াজের বীজ ও সার বিতরণ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তিন হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে পেঁয়াজের বীজ, সার ও পলিথিন বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কৃষকদের মধ্যে এই কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এটি সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলা একাডেমির ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’ সংস্কারে নতুন রূপ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) আনিসুজ্জামান, শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মিলন ঘোষ সহ অন্যান্য বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং উপকারভোগী কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, "সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩ হাজার কৃষকের প্রত্যেককে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বীজ, সার ও পলিথিন দেওয়া হয়েছে। এ সহায়তার মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের আবাদ সম্প্রসারণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।"

তিনি আরো বলেন, "দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে এ ধরনের প্রণোদনা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। কৃষি উপকরণ বিতরণের পাশাপাশি কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তাও প্রদান করা হবে।"

আরও পড়ুন: গাজীপুরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষককে মারধর, শিশুর বাবার বিচার দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আমিরাতে ছুটি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আমিরাতে ছুটি ঘোষণা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আগামী ২৮ আগস্ট সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২৮ আগস্ট (শুক্রবার) দিবসটিতে বেতনসহ ছুটি ভোগ করবেন দেশটির সরকারি ফেডারেল সরকার ও বেসরকারি খাতে কর্মরত কর্মীরা।

আমিরাতের গণমাধ্যম দপ্তর জানিয়েছে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন উপলক্ষে ২৮ আগস্ট ফেডারেল সরকার এবং বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য সরকারি ছুটি আসছে।

যেহেতু ছুটির দিন শুক্রবার, তাই ফেডারেল সরকার এবং বেসরকারি খাতের কর্মীরা যারা সাধারণত শনিবার এবং রবিবার তাদের সাপ্তাহিক ছুটি পালন করেন, তারা টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন।

এই ছুটি শুরু হবে ২৮ আগস্ট শুক্রবার থেকে এবং চলবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ৩১ আগস্ট (সোমবার) থেকে কাজের জন্য কর্মীদের ফিরতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকাকেন্দ্রিকতার কারণে বাকৃবিকে নীতিনির্ধারণের বাইরে রাখা সমীচীন নয়: উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


ঢাকাকেন্দ্রিকতার কারণে বাকৃবিকে নীতিনির্ধারণের বাইরে রাখা সমীচীন নয়: উপাচার্য

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষক ও গবেষকদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। তিনি বলেন, "ঢাকাকেন্দ্রিকতার কারণে দেশের অন্যতম প্রধান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নীতিনির্ধারণের বাইরে রাখা সমীচীন নয়।"

শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য আরও বলেন, "বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তার দীর্ঘ ৬৫ বছরের যাত্রায় দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের খাদ্য উৎপাদন থেকে বর্তমানে ১৮ কোটি মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, "বাকৃবির সাবেক শিক্ষার্থীরা শুধু দেশে নয়, নাসা, ইউএসডিএসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কৃষি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় অবদান রাখছেন।" তাই কৃষিসংক্রান্ত যেকোনো নীতি প্রণয়ন ও পরিকল্পনায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষক ও গবেষকদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, "কৃষি, ভেটেরিনারি কিংবা মৎস্য খাতের নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও গবেষণালব্ধ তথ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে।" তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন,

"এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের দীর্ঘদিনের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে।" কৃষক ও গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন বাড়াতে গবেষকদের সঙ্গে নীতিনির্ধারকদের সমন্বয় জরুরি।

তিনি বলেন, "সরকার চ্যালেঞ্জ দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা নীতি প্রণয়ন ও উপযুক্ত পরিকল্পনা তৈরিতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।"

প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে দেশি জাতের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, "বাণিজ্যিক খামারের জন্য উচ্চ উৎপাদনশীল জাত উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের আবহাওয়া ও গ্রামীণ খামার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দেশি গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে।"

তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, "বর্তমানে একটি দেশি গরু গড়ে দেড় লিটার দুধ দিলেও তা চার লিটারে উন্নীত করা সম্ভব।" আরও বলেন, "দেশি ছাগলের দুধ উৎপাদন গড়ে ৩০০ গ্রাম থেকে এক লিটার এবং মুরগির ডিম উৎপাদন বছরে ৫৩টি থেকে অন্তত ১৫০টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া যেতে পারে।"

এই প্রাণীর বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের আবহাওয়া ও সাধারণ খামার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় এগুলোর উৎপাদনশীলতা বাড়ানো টেকসই হবে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "উচ্চ উৎপাদনশীল বাণিজ্যিক খামারের জন্য উন্নত ব্রিডিং ব্যাকআপ ও হাইব্রিড লাইন তৈরির পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী খামার ব্যবস্থার জন্য দেশি জাত উন্নয়নের পৃথক পরিকল্পনা নিতে হবে।"

একই সঙ্গে, প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে।তিনি জোর দিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের স্থানীয় জীবাণু ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গবাদিপশুর টিকা দেশে উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।"

বিএসভিইআরের সভাপতি ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান ও ইন্টার অ্যাগ্রো বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ কে এম খসরুজ্জামান।

‘ট্রান্সলেটিং ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইনটু সাসটেইনেবল লাইভস্টক ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোবাল হেলথ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় সাড়ে ৬০০ গবেষক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ভেটেরিনারিয়ান অংশগ্রহণ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রদল নেতার মরদেহ নিয়ে পীরগাছা থানা ঘেরাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


ছাত্রদল নেতার মরদেহ নিয়ে পীরগাছা থানা ঘেরাও

 

সাভারে ছাত্রদল নেতা মোনারুল হোসেন বকশী (২৯) নিহতের ঘটনায় পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে, তাঁর মরদেহ নিয়ে পীরগাছা থানাকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্বজন ও স্থানীয় লোকজন। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে মোনারুলের মরদেহ পীরগাছায় পৌঁছানোর পর, তাঁরা থানার সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

এর আগে সকালে ৮টায় মরদেহ পীরগাছায় এসে পৌঁছায়। পরে স্বজন ও বিক্ষুব্ধরা থানার সামনে জড়ো হয়ে মোনারুলের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ হলো, নিখোঁজ এক কিশোরীকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে সাভারে পুলিশের অভিযানের সময়, নিখোঁজ কিশোরীর বাবা মিন্টু মিয়া ও তাঁর শ্যালক পুলিশের পোশাক পরে অভিযানে অংশ নেন। অভিযোগ আনা হয় যে, পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক ও উপপরিদর্শক (এসআই) কনক রঞ্জনের সহযোগিতায় তাঁরা পুলিশের পোশাক পরে সেখানে যান।

তাদের দাবি অনুযায়ী, সাভারের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) স্টাফ কোয়ার্টারে অভিযানের সময়, মোনারুল ভবনের ছাদে ছিলেন। মিন্টু মিয়া ও তাঁর শ্যালকসহ কয়েকজন সেখানে গেলে মোনারুল তাঁদের চিনে ফেলেন। এরপর তাঁদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয় এবং একপর্যায়ে অভিযোগ করা হয় যে, মোনারুলকে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

নিহতের বোন শাহিনুর বেগম বলেন, মিন্টু মিয়া পুলিশ বা প্রশাসনের কেউ নন। তাহলে তিনি ও তাঁর শ্যালক পুলিশের পোশাক কোথা থেকে পেলেন, সেটি তদন্ত করা প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ হলো, পীরগাছা থানার পুলিশের সহযোগিতায় তাঁরা সাভারে অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন।

নিহতের স্বজনেরা আরও দাবি করেন, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ বিদ্যমান রয়েছে। তাঁরা বলেন, ওই ফুটেজ পর্যালোচনা করলে অভিযানে অংশগ্রহণকারীদের সুষ্ঠু জানা যাবে এবং কী ঘটেছিল, তা স্পষ্ট হতে পারে।

তারা সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য যাচাই করে মোনারুলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছেন।

বিক্ষোভে আওলাদ মন্ডল নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, নিখোঁজ কিশোরীর বাবা মিন্টু মিয়া তাঁকে এবং কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময় হুমকি প্রদান করেছেন। পুলিশের সঙ্গে মিন্টুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।

পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ জুলাই পীরগাছার কৈকুড়ি ইউনিয়নের মোংলাকুটি এলাকা থেকে এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায়, তাঁর বাবা মিন্টু মিয়া পীরগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে কিশোরীকে উদ্ধারের জন্য পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পীরগাছা থানার চার পুলিশ সদস্য সাভারে যান। সাভার মডেল থানার পুলিশের সহযোগিতায় বিপিএটিসির স্টাফ কোয়ার্টারে অভিযানের আয়োজন করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় ওই বাসায় নিখোঁজ কিশোরীকে পাওয়া যায়নি। মোনারুলের বাবা জাফর আলী পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময়, ভবনের ওপর থেকে ভারী কিছু পড়ার শব্দ শোনা যায়। এরপর নিচে গিয়ে মোনারুলকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তাঁকে উদ্ধার করে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোনারুল হোসেন বকশী সাভার থানা ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন। তাঁর বাবা জাফর আলী বিপিএটিসিতে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত এবং সেখানে স্টাফ কোয়ার্টারের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। মোনারুলের বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের হাতিবান্ধা গ্রামে। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

মোনারুলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সাভার থানা পুলিশ পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস ও ট্রাফিক উত্তর) জাহাঙ্গীর আলমকে।

পীরগাছা থানার ওসি সেলিম মালিক জানিয়েছেন, মিন্টু মিয়া ও তাঁর শ্যালকের পুলিশের পোশাক পরার বিষয়টি সঠিক নয়। এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রংপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেছেন, নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধার করার জন্য সাভার থানার সহযোগিতার প্রয়োজন ছিল। সাভারে এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি রংপুরেও সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) আসিফা আফরোজ আদরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার জরুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


ডেঙ্গু মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার জরুরি

ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, কীটতত্ত্ববিদ এবং চিকিৎসকদের মতে, এবারের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নাজুক হতে পারে। সংক্রমণ এবং মৃত্যুর দিকে যাচ্ছে, যা সতর্কতা জানাচ্ছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলোর অবস্থাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের দেশে ডেঙ্গু রোগীর বৃদ্ধির জন্য চারটি কারণ রয়েছে। সেগুলো হলো- মশা নিধনে সুব্যবস্থার অভাব, স্বাস্থ্য সেবায় অপ্রতুলতা, ভিন্ন ধরনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা এবং দেশে অসময়ে বন্যা ও বৃষ্টিপাত।

আমাদের দেশে ডেঙ্গুর চারটি ধরণ রয়েছে- ডেন ১, ২, ৩, ৪। গত বছর দেশে ডেন-২ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গুতে দ্বিতীয়বার বা নতুন কোনো ধরণে আক্রান্ত হলে, সেই রোগীর পরিস্থিতি গুরুতর হতে পারে। ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডেঙ্গু বেশি ছড়ালে নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কেননা দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে রোগী বেশি হলে, তা সামলানো অনেক কঠিন হয়ে পড়বে। উল্লেখ্য, ঢাকার বাইরের এলাকায় মশা নিধনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো অত্যন্ত দুর্বল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষার জন্য আমাদের কিছু বিষয় জানা অত্যন্ত জরুরি।

ডেঙ্গু কি: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ। ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ হলো- জ্বর। ৯৯ থেকে ১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠতে পারে। জ্বর টানা থাকতে পারে এবং ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেওয়ার পর, আবারও আসতে পারে। এর সঙ্গে শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ বা ফুসকুরি দেখা দিতে পারে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে কি করা উচিৎ: ডেঙ্গু হলে কী ধরনের চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, তা নির্ভর করে এর ধরণ বা ক্যাটাগরির ওপর। ডেঙ্গু জ্বরের চারটি ধরণ বা ক্যাটাগরি আছে। প্রথম ক্যাটাগরির রোগী স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়াই যথেষ্ট। ধরণ বা ক্যাটাগরির ৩ এর ডেঙ্গু রোগী সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে থাকে। এতে লিভার, কিডনি, এবং মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউতে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর কি কি খাবার খাওয়া প্রয়োজন: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীরা প্রচুর প্রোটিন ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া প্রচুর পরিমাণ পানি, স্যালাইন, স্যুপ, ডাবের পানি, ফলের রস এবং দুধ জাতীয় তরল পানীয় গ্রহণ করতে হবে। ডেঙ্গু জ্বর থেকে সেরে ওঠার পরেও প্রচুর পরিমাণ তরল পান করতে হবে। এ সময় শরীর যেন পানিশূন্যতায় না ভোগে, সে জন্য প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।

কোন বয়সী ব্যক্তিগণ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন: ডেঙ্গুতে সাধারণত বেশি ঝুঁকিতে থাকে- ১ বছরের কম এবং ৬৫ বছরের উপরে যাদের বয়স। এছাড়া গর্ভবতী নারীদের যাদের ওজন বেশি, যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, যারা হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত, কিংবা যাদের নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হয়, তাদেরকে ডেঙ্গু সংক্রামণের শুরু থেকেই হাসপাতালে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে চিকিৎসকদের দ্বারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশা এবং ডেঙ্গু রোগীর ওপর নজরদারী বাড়াতে হবে। এডিস মশার লার্ভা জন্মে এমন সকল স্থান অপসারণ করতে হবে। জনগণকে ডেঙ্গু মশা নিধনে সম্পৃক্ত করতে হবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডেঙ্গু ছড়িয়েছে, যেখানে বেশীর ভাগ রোগী প্রথমবারের মতো আক্রান্ত হয়েছে। সুতরাং, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আগেই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%