বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ পি.এম
শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় কর্মরত ১ থেকে ২০ গ্রেডের সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য গভর্নমেন্ট এমপ্লয়ি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (জিইএমএস) অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে একটি চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
চিঠিটি বিভাগের আওতাধীন সকল দপ্তর ও সংস্থায় প্রেরিত হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং এর অধীনস্থ সকল দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত ১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য জিইএমএসে অন্তর্ভুক্ত করা আবশ্যক।
এ বিষয়ে পূর্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি আধাসরকারি চিঠি (ডিও লেটার) পাঠিয়েছিলেন।
প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো চিঠির উল্লেখ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আওতাধীন সকল দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই নির্দেশনার ফলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত ১ থেকে ২০ গ্রেডের সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য জিইএমএসে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো চিঠির সূত্র উল্লেখ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আওতাধীন সকল দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জরুরি চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম প্রদান করা হয়েছে।
জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা জোরদার করতে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৭ ও ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও টেকনাফে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে এসব সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওভারসিজ হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্স শেয়ার্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (ওএইচএএসআইএস) প্রকল্পের আওতায় এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এতে ১২০টি ট্রমা রেসপন্স ব্যাগসহ জরুরি চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রয়েছে এবং কোস্ট গার্ড সদস্যদের সিপিআর প্রশিক্ষণের জন্য ২১টি ম্যানিকিনও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাই এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, "এই সহায়তার মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে।"
এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবেলা কার্যক্রমে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
এছাড়া, এটি দুই দেশের পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে সক্ষম অংশীদারদের শক্তিশালী করতেও সাহায্য করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘মাঠ প্রশাসনকে অধিকতর জনবান্ধব, স্বচ্ছ, দক্ষ, সেবামুখী ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে সরকার বিদ্যমান নীতি ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।’
আজ বুধবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মো. নূরুল ইসলাম প্রশ্ন রাখেন, মাঠ প্রশাসনকে আরও বেশি জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সরকারের বিদ্যমান নীতিমালার কোনো সংস্কার বা আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে কিনা?
উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাঠ প্রশাসনকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে বর্তমানে সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ, অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তি, পরিদর্শন ও তদারকি, গণশুনানি কার্যক্রম, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এরই অংশ হিসেবে ২০২৬ সালে সেবা সহজীকরণ নির্দেশিকা ২০২৬ এবং সরকারি দপ্তরের ওয়েবসাইট নির্দেশিকা, ২০২৬ এবং জেলা প্রশাসকদের কার্যক্রম মূল্যায়ন নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।’
এছাড়াও, ডি-নথি, আইবাস, ই-নামজারি, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, ই-জিপি, অনলাইন জিডি, ই-রিটার্ন, ই-পর্চা, অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় এবং হেল্পলাইন নাম্বার ৯৯৯, ৩৩৩-সহ নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এছাড়া সরকারি কর্মসম্পাদনের অধিকতর কার্যকর পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্য গর্ভমেন্ট পারফরম্যান্স মনিটরিং সিস্টেম (জিপিএমএস) চালু করা হয়েছে এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।’
মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রমকে অধিকতর স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে প্রতিমাসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগের সঙ্গে অনলাইনে সভা অনুষ্ঠিত হয় বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে মাঠ প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব ও নাগরিককেন্দ্রিক করার লক্ষ্যে সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজীকরণ, প্রযুক্তিনির্ভরতা বৃদ্ধি, কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও তথ্যপ্রকাশ, অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি এবং কর্মসম্পাদনের ফলাফলভিত্তিক পরিবীক্ষণ জোরদার করার মাধ্যমে বিদ্যমান নীতি ও ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়ন অব্যাহত থাকবে।’
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সংগীতজগতের দুই জনপ্রিয় নাম সুনিধি চৌহান ও নেহা কক্কর। যদিও দুজনের ক্যারিয়ারের শুরু ভিন্ন সময়ে হয়েছে, কিন্তু নিজেদের স্বতন্ত্র গায়কী দিয়ে শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তাঁরা।
এবার সংগীতের বাইরে রিয়েলিটি শোকে কেন্দ্র করে উভয়ের বক্তব্যে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
নব্বইয়ের দশকে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন সুনিধি চৌহান। দীর্ঘদিন ধরে গান ও রিয়েলিটি শোর সঙ্গে যুক্ত এই শিল্পী সম্প্রতি এক পডকাস্টে রিয়ালিটি শোগুলোর নেপথ্যের নানা বিষয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। যদিও তিনি সরাসরি কারো নাম উল্লেখ করেননি, তবে তাঁর বক্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়।
সুনিধি বলেন, ‘বর্তমানে রিয়েলিটি শোগুলি সব স্ক্রিপ্টেড। আগে থেকেই সব সাজানো থাকে। এখন আর আগের মতো বাস্তবসম্মত বিষয় দেখা যায় না। বরং প্রাধান্য পায় অতিনাটকীয়তা।
যেমন টিআরপির জন্য দর্শকের আবেগ নিয়ে খেলা কিংবা আগে থেকে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিযোগীকে তোল্লাই দেওয়ার নির্দেশ দেন নির্মাতারা।’
শুধু তাই নয়, রিয়েলিটি শোয়ের প্রতিযোগী ও বিচারকদের পারফরম্যান্সে কারসাজির অভিযোগ তোলেন সুনিধি।
তাঁর কথায়, ‘এখনকার রিয়েলিটি শোয়ে প্রতিযোগী ও বিচারকদের পারফরম্যান্সে অবাধে অটোটিউন ব্যবহার করা হয়। সেকারণেই আমি আর রিয়েলিটি শোয়ের বিচারকের আসনে থাকি না।’
সুনিধির এমন মন্তব্যে অনেকেই সহমত পোষণ করেন।
তবে এবার সেই বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন নেহা কক্কর। দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন গানের রিয়েলিটি শোয়ের সঙ্গে যুক্ত নেহা। একাধিক জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বিচারকের আসনে তাঁর আবেগঘন প্রতিক্রিয়া ও নাটকীয় আচরণ নিয়ে অবশ্য কম আলোচনা হয়নি। এমনকি সমালোচকেরা তাঁকে ‘হাইভোল্টেজ ড্রামা ক্যুইন’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেহাকে প্রশ্ন করা হয়, রিয়েলিটি শোগুলো কি সত্যিই সব সাজানো? জবাবে তিনি জানান, এসব অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের আবেগ, জীবনসংগ্রাম ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার যে গল্প উঠে আসে, সেগুলো পুরোপুরি চিত্রনাট্য অনুযায়ী তৈরি করা সম্ভব নয়।
নেহার কথায়, ‘আমরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন প্রান্তের ছোট শহর থেকে উঠে এসেছি এবং অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখানে পৌঁছাতে পেরেছি। প্রতিযোগীরা নতুন করে কোনো গল্প বানিয়ে বলবে না। আর অনুষ্ঠানে আমরা সেটাই দেখতে পাই। কারো গল্প শুনে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লে সেই অনুভূতিটা তো স্বাভাবিক।’
রিয়েলিটি শোর টিআরপি নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান নেহা। তাঁর দাবি, তিনি যতদিন বিচারকের আসনে ছিলেন, ততদিন অনুষ্ঠানের টিআরপি ভালোই ছিল।
এরপরই সুনিধিকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষের সুরে নেহা বলেন, ‘আমি যতদিন শোয়ের বিচারকের আসনে বসেছি, ততদিন টিআরপি ভালোই ছিল। আসলে আঙুর ফল না পেলে টক-ই লাগে।’
নেহার এই মন্তব্য যে সুনিধি চৌহানের সাম্প্রতিক বক্তব্যেরই পাল্টা জবাব, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রংপুর নগরীর টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে অভিযান চালিয়ে ম্যানেজারসহ পাঁচজনকে আটক করেছে, যাদের মধ্যে দুই তরুণ ও দুই তরুণী অন্তর্ভুক্ত। এই অভিযানটি অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনার অভিযোগে করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে অভিযান চালানো হয়। আটক পাঁচজনকে পরে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, নগরীর টার্মিনাল এলাকায় ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে খাবার বিক্রির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল, এমন তথ্য পুলিশের কাছে এসেছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে ক্যাফেটিতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। এরপর বুধবার দুপুরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে ডিবির একটি দল।
অভিযানের সময় ক্যাফে থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে একজন ম্যানেজার এবং দুই তরুণ ও দুই তরুণী রয়েছেন।
তবে পুলিশ আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি। পুলিশ বলছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার জোবায়ের ইসলাম জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ