বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০০ পি.এম
ভারতের সংগীতজগতের দুই জনপ্রিয় নাম সুনিধি চৌহান ও নেহা কক্কর। যদিও দুজনের ক্যারিয়ারের শুরু ভিন্ন সময়ে হয়েছে, কিন্তু নিজেদের স্বতন্ত্র গায়কী দিয়ে শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তাঁরা।
এবার সংগীতের বাইরে রিয়েলিটি শোকে কেন্দ্র করে উভয়ের বক্তব্যে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
নব্বইয়ের দশকে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন সুনিধি চৌহান। দীর্ঘদিন ধরে গান ও রিয়েলিটি শোর সঙ্গে যুক্ত এই শিল্পী সম্প্রতি এক পডকাস্টে রিয়ালিটি শোগুলোর নেপথ্যের নানা বিষয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। যদিও তিনি সরাসরি কারো নাম উল্লেখ করেননি, তবে তাঁর বক্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়।
সুনিধি বলেন, ‘বর্তমানে রিয়েলিটি শোগুলি সব স্ক্রিপ্টেড। আগে থেকেই সব সাজানো থাকে। এখন আর আগের মতো বাস্তবসম্মত বিষয় দেখা যায় না। বরং প্রাধান্য পায় অতিনাটকীয়তা।
যেমন টিআরপির জন্য দর্শকের আবেগ নিয়ে খেলা কিংবা আগে থেকে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিযোগীকে তোল্লাই দেওয়ার নির্দেশ দেন নির্মাতারা।’
শুধু তাই নয়, রিয়েলিটি শোয়ের প্রতিযোগী ও বিচারকদের পারফরম্যান্সে কারসাজির অভিযোগ তোলেন সুনিধি।
তাঁর কথায়, ‘এখনকার রিয়েলিটি শোয়ে প্রতিযোগী ও বিচারকদের পারফরম্যান্সে অবাধে অটোটিউন ব্যবহার করা হয়। সেকারণেই আমি আর রিয়েলিটি শোয়ের বিচারকের আসনে থাকি না।’
সুনিধির এমন মন্তব্যে অনেকেই সহমত পোষণ করেন।
তবে এবার সেই বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন নেহা কক্কর। দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন গানের রিয়েলিটি শোয়ের সঙ্গে যুক্ত নেহা। একাধিক জনপ্রিয় অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বিচারকের আসনে তাঁর আবেগঘন প্রতিক্রিয়া ও নাটকীয় আচরণ নিয়ে অবশ্য কম আলোচনা হয়নি। এমনকি সমালোচকেরা তাঁকে ‘হাইভোল্টেজ ড্রামা ক্যুইন’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেহাকে প্রশ্ন করা হয়, রিয়েলিটি শোগুলো কি সত্যিই সব সাজানো? জবাবে তিনি জানান, এসব অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের আবেগ, জীবনসংগ্রাম ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার যে গল্প উঠে আসে, সেগুলো পুরোপুরি চিত্রনাট্য অনুযায়ী তৈরি করা সম্ভব নয়।
নেহার কথায়, ‘আমরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন প্রান্তের ছোট শহর থেকে উঠে এসেছি এবং অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখানে পৌঁছাতে পেরেছি। প্রতিযোগীরা নতুন করে কোনো গল্প বানিয়ে বলবে না। আর অনুষ্ঠানে আমরা সেটাই দেখতে পাই। কারো গল্প শুনে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লে সেই অনুভূতিটা তো স্বাভাবিক।’
রিয়েলিটি শোর টিআরপি নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান নেহা। তাঁর দাবি, তিনি যতদিন বিচারকের আসনে ছিলেন, ততদিন অনুষ্ঠানের টিআরপি ভালোই ছিল।
এরপরই সুনিধিকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষের সুরে নেহা বলেন, ‘আমি যতদিন শোয়ের বিচারকের আসনে বসেছি, ততদিন টিআরপি ভালোই ছিল। আসলে আঙুর ফল না পেলে টক-ই লাগে।’
নেহার এই মন্তব্য যে সুনিধি চৌহানের সাম্প্রতিক বক্তব্যেরই পাল্টা জবাব, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রংপুর নগরীর টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে অভিযান চালিয়ে ম্যানেজারসহ পাঁচজনকে আটক করেছে, যাদের মধ্যে দুই তরুণ ও দুই তরুণী অন্তর্ভুক্ত। এই অভিযানটি অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনার অভিযোগে করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে অভিযান চালানো হয়। আটক পাঁচজনকে পরে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, নগরীর টার্মিনাল এলাকায় ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে খাবার বিক্রির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল, এমন তথ্য পুলিশের কাছে এসেছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে ক্যাফেটিতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। এরপর বুধবার দুপুরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে ডিবির একটি দল।
অভিযানের সময় ক্যাফে থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে একজন ম্যানেজার এবং দুই তরুণ ও দুই তরুণী রয়েছেন।
তবে পুলিশ আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি। পুলিশ বলছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার জোবায়ের ইসলাম জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যাফে গ্রিন ভ্যালিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ডকে জরুরি চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম প্রদান করেছে।
জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা ও দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৭ ও ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও টেকনাফে এসব সরঞ্জাম কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাইয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওভারসিজ হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্স শেয়ার্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (ওএইচএএসআইএস) প্রকল্পের আওতায় ১২০টি ট্রমা রেসপন্স ব্যাগ এবং সিপিআর প্রশিক্ষণের জন্য ২১টি ম্যানিকিন প্রদান করা হয়েছে। এই ট্রমা রেসপন্স ব্যাগগুলোতে জরুরি চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দূতাবাস জানায়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের সদস্যদের জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়া, দুর্যোগ মোকাবেলা ও মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে সংস্থাটির প্রস্তুতিও আরও শক্তিশালী হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার অংশ হিসেবে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ভাঙ্গারি মালামাল কেনার কথা বলে এক ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে জিম্মি করে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা ও একটি স্মাটফোন হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম (৩৫) ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ধাওয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. সোহাগ মৃধা ও মো. সোহাগ হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আসাদুল ইসলাম বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার শিরোখালী গ্রামের আশ্রাব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী।
আসাদুল ইসলাম জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে ভাঙ্গারি মালামাল কেনার উদ্দেশ্যে সুমন নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেখা করতে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ওভারব্রিজ এলাকায় যান তিনি। সেখানে পৌঁছে মোবাইল ফোনে সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যস্ত থাকার কথা জানিয়ে সাগর নামের এক ব্যক্তিকে তার কাছে পাঠান। পরে সাগর গোডাউনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে উপজেলার ধাওয়া এলাকার ‘গোড়াখাল’ নামের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন আসাদুল ।
আসাদুল বলেন, সেখানে যাওয়ার পর পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি বিপদের আশঙ্কা করেন। একপর্যায়ে ধাওয়া গোড়াখালের একটি সাইক্লোন শেল্টারের কাছে মোটরসাইকেল থেকে লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি।
এ সময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করা ৫ নম্বর ধাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান পলাশ কাজী, সাবেক ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য মশিউর রহমান টিটু হাওলাদার, ধাওয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. রুবেল হাওলাদার, ধাওয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. সোহাগ মৃধাসহ স্থানীয় অরুণ বৈরাগী, মো. সোহাগ হাওলাদার, সুকান্ত, সুমন ও সঞ্জয়সহ কয়েকজন তাকে ঘিরে ফেলেন।
স্থানীয় দোকানদারদের কাছে সাহায্য চাইলে তাকে মারধর করে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে মশিউর রহমান টিটুর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন আসাদুল । সেখানে তাকে আটকে রেখে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং মারধর করা হয়।
আসাদুল ইসলামের দাবি, জিম্মি অবস্থায় তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সেখানে অবৈধ মালামালের ছবি পাঠানো হয়। পরে এসব ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার ভয় দেখানো হয়। একপর্যায়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, পাঁচটি ব্যাংক চেক, দুটি এটিএম কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র ও নগদ ২২ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। এ ছাড়া বিকাশ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা এবং নগদ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে জোরপূর্বক সিটি ব্যাংকের এটিএম কার্ডের পিন নম্বর আদায় করে এটিএম বুথ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা উত্তোলন এবং মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের একটি হিসাবে ১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা স্থানান্তর করা হয়। সব মিলিয়ে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি করেন আসাদুল ।
ঘটনার পর মুক্ত হয়ে আসাদুল ইসলাম প্রথমে স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানান। পরে তিনি পিরোজপুরের পুলিশ সুপার ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মন্ডল বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে মো. সোহাগ মৃধা ও মো. সোহাগ হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সীতাকুণ্ডের কদমরসুল বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ফলে ৪০টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভোরের দিকে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের কদমরসুল বাজারে একটি দোকানে আগুন লেগে যায়, যা দ্রুত আশপাশের ৪০টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় অধিকাংশ দোকানের মালপত্র পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত ফার্নিচার ব্যবসায়ী শাহা আলম জানান, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে তারা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
তার দুটি বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য জরুরি ফার্নিচার আজ বুধবার ডেলিভারি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। চার লাখ টাকার এই ফার্নিচারসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। মুহূর্তের মধ্যে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।
অন্যদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী মাওলানা মোহাম্মদ ইয়াকুব জানান, তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি তার বাবা এক যুগ আগে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
এই ভয়াবহ আগুনে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সমস্ত মালপত্র পুড়ে গেছে। বাজারের ৪০ ব্যবসায়ী দেড় কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে তারা জানিয়েছেন।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. আল মামুন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে দোকানিরা ৪০টি দোকান পুড়েছে বলে জানালেও ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা ৩০টি দোকান পুড়েছে বলে উল্লেখ করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করেছে।
এর মধ্যে দুটি ইউনিট কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে এবং অপর একটি আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস থেকে এসেছে। ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তারা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি বলে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ