১১:০৪ পি.এম
বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধার এবং সরকারের বকেয়া শুল্ক-কর আদায়ের প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সংশোধনের বিষয়টি পর্যালোচনা করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ ও সংযুক্ত সম্পদের পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত সম্পদ থেকেও শুল্ক-কর আদায়ের সুপারিশ করার ক্ষমতা রাখবে।
শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই সাত সদস্যের কমিটিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধার এবং সরকারের প্রাপ্য শুল্ক-কর বা রাজস্ব আদায়ের আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল যে, বিদেশে পাচার হওয়া যেসব সম্পদ বা ব্যাংক হিসাব আদালত কর্তৃক অবরুদ্ধ বা সংযুক্ত করা হয়েছে, সেগুলো থেকে সরকারের বকেয়া শুল্ক ও কর আদায়ের আইনি পদক্ষেপ নির্ধারণ এবং কার্যকর সুপারিশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: জামায়াতের আইজিপির ক্রসফায়ার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ
সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটি বিদ্যমান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানি লন্ডারিং বিধিমালা, ২০১৯-এর প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়টি পর্যালোচনা করবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাত সদস্যের ওই কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিযুক্ত করা হয়েছে। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) মহাপরিচালক। অন্যান্য পাঁচ সদস্য হলেন—আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক অনুবিভাগ), দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক (মানি লন্ডারিং), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের (সিআইসি) মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডির ডিআইজি (অর্গানাইজড ক্রাইম)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন