জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৭:৪৮ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭নং জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানের পদ থেকে খাইরুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত পদত্যাগপত্র প্রদান করেছেন, যেখানে তিনি তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি জানিয়েছেন।
পদত্যাগপত্রে খাইরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তিনি ৭নং জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিন্তু তাঁর শারীরিক ও পারিবারিক কারণে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এর জন্য তিনি স্বেচ্ছায় প্যানেল চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
খাইরুল ইসলাম পদত্যাগপত্রে আরও বলেন, শারীরিক ও পারিবারিক কারণে তাঁর পক্ষে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না, এজন্য তিনি পদত্যাগপত্র প্রদান করেছেন।
পদত্যাগপত্রে তার স্বাক্ষরের সঙ্গে ৭নং জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে তার পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এসএসসি ও এইচএসসিসহ সব ধরনের পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে সরকার।
এই নীতিমালায় কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এত বিপুলসংখ্যক আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।
এ কারণে খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সহজে বাংলাদেশের ভিসা পেতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হলে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
এছাড়া অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইশতিয়াক আবেদিন এবং কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান বক্তব্য দেন। কিউএস ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ড. অশ্বিন ফার্নান্ডেজ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের ছিটমহল সিউটায় গত ৩০ ও ৩১ জুলাই মরক্কো সীমান্ত দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসী প্রবেশ করেছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে, এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
সম্প্রতি এই ছিটমহলটিতে নামা অভিবাসী ঢলের মাঝে ঘটেছে যৌন হামলার ঘটনা। এমন ১৫টি সম্ভাব্য যৌন হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে স্প্যানিশ পুলিশ এবং সিভিল গার্ড।
দ্য সানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে। সিউটা ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে বেশ কয়েকজন শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১০ বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।
দুই সপ্তাহ আগে মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ৭২ হাজার মানুষ সিউটায় প্রবেশ করেছেন, যা সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় সীমান্ত অনুপ্রবেশের ঘটনা। এর মাঝে তদন্তটি শুরু হয়েছে।
গত ৩০শে জুলাই অভিবাসী ঢলে আসা ১৫ জন সন্দেহভাজনের মধ্যে দুজন নিপীড়ককে আটক করা হয়েছে। পুলিশ এবং বিচার বিভাগের কর্মীরা প্রতিটি অভিযোগের আলাদাভাবে তদন্ত করছে।
ইতিমধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মরক্কোর নাগরিকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং একজনকে মরক্কোতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে সিউটাতে। এতে ছিটমহলটিতে বাস করা ৮৪ হাজার জনসংখ্যার অনেকেই স্পেনের মূল ভূখণ্ডে পালিয়ে গেছেন।
প্রাথমিক ঢল শুরু হওয়ার পর থেকে অভিভাবকহীন শিশুসহ প্রায় ৯ হাজার অভিবাসী এখনো সিউটাতে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের কাছে আশ্রয় চেয়ে রবিবার শহরের জনপ্রিয় এল ট্রাম্পোলিন সৈকতে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেছে। এর মধ্যে ‘আমরা মরক্কোতে ফিরতে চাই না’ লেখা সংবলিত ব্যানার ও পতাকা দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের হাতে।
বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, ‘আমরা ঠাণ্ডায় কষ্ট পাচ্ছি এবং পুলিশ শহরের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে হকারদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য শৃঙ্খলা আনতে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম জানান যে, নির্ধারিত স্থান ও সময়ের মধ্যে হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে হকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এর পাশাপাশি পথচারী ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, সড়কে শৃঙ্খলা আনা এবং নিরাপদ, পথচারীবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরী গড়ে তোলা।
আজ নগর ভবনে হকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিদের সামনে প্রস্তাবিত নীতিমালার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন, নিবন্ধিত হকারদের নির্দিষ্ট ব্যবসার শ্রেণি, বসার নির্ধারিত জোন বা অবস্থান, ব্যবসায়িক সময় এবং মাসিক ফি সংক্রান্ত তথ্য নিবন্ধন সনদে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। এছাড়া নিবন্ধিত হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থান অন্য কেউ দখল করতে পারবে না এবং ওই স্থান ব্যবহারের নামে হকারদের কাছ থেকে কেউ চাঁদা দাবি করতে পারবে না।
তিনি জানান, হকার নিবন্ধনের জন্য এককালীন ৫ হাজার টাকা ও প্রতি বছর নবায়ন ফি হিসেবে ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, ব্যবসা পরিচালনার জন্য সিটি কর্পোরেশনের স্থান ব্যবহার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার ফি হিসেবে প্রতি মাসে হকার প্রতি ৩ হাজার টাকা ধার্য করা হবে।
প্রশাসক বলেন, নিবন্ধনের আওতায় আসা প্রতিটি হকারকে পরিচয়পত্রের আওতায় স্মার্ট কার্ড বা লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এই স্মার্ট কার্ডে বারকোড ও কিউআর কোড থাকবে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা সহজেই তা যাচাই করতে পারবেন। লাইসেন্স হস্তান্তরযোগ্য থাকবে না এবং কোনো হকার ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাইলে সিটি কর্পোরেশনকে জানাতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, হকারের ব্যবসার ধরন পরিবর্তনও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। নির্ধারিত আকারের বাইরে কোনো স্টল বা ভ্যান বড় করা যাবে না এবং বরাদ্দকৃত স্থানের অতিরিক্ত জায়গা দখল করা যাবে না। শর্ত ভঙ্গ হলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করার কিংবা নিবন্ধন বাতিল করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক আরও জানান, আবেদন পাওয়ার এক মাসের মধ্যে জায়গা খালি থাকার সাপেক্ষে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীকে কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে এবং তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। একটি পরিবারের জন্য কেবল একটি লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।
তিনি বলেন, নিবন্ধিত হকারদের হালনাগাদ তালিকা সিটি কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে। তালিকায় হকারের নাম, পরিচয়, ঠিকানা ও ব্যবসার ধরনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত হকারদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
পথচারীদের চলাচলকে গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসক এই বিষয়টিও বলেছেন যে, হকার বসানোর ক্ষেত্রে এমন রাস্তা ও ফুটপাত নির্বাচন করা হবে, যেখানে হকার বসার পরও পথচারীদের চলাচলের জন্য ন্যূনতম ৫ থেকে ৬ ফুট জায়গা অবশিষ্ট থাকে।
প্রধান সড়কে হকার বসানোর অনুমতি থাকবে না। মেট্রো স্টেশন, বাস স্টপ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, যাতে যানজট সৃষ্টি না হয়।
এছাড়া তিনি জানা দিয়েছেন, সপ্তাহের ছুটির দিন ও সরকারি ছুটির দিনে নির্দিষ্ট স্থানে ‘হলিডে মার্কেট’ এবং বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকায় অফিস সময়ের পর ‘নৈশকালীন মার্কেট’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। হলিডে মার্কেটে খাবারের পাশাপাশি হস্তশিল্প ও গৃহস্থালি পণ্যকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। নৈশকালীন মার্কেটের জন্য দিনের বেলা ব্যস্ত কিন্তু রাতের বেলায় তুলনামূলক ফাঁকা থাকা বাণিজ্যিক এলাকার নির্দিষ্ট লেন বিবেচনা করা হবে।
হলিডে ও নৈশকালীন মার্কেটের স্থান নির্ধারণে পথচারী ও যান চলাচলে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি না করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধী এবং নারীদের অগ্রাধিকারের বিষয়টিও তিনি জানিয়েছেন। খেলার মাঠ, স্কুল মাঠ, উপাসনালয়ের মাঠ এবং কবরস্থানে কোনো মার্কেট বসানোর অনুমতি নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানিয়েছেন, জনস্বার্থ ও নগর উন্নয়নের স্বার্থে যদি কোনো এলাকাকে হকারমুক্ত ঘোষণা করা হয়, তাহলে তা অগ্রাধিকারে আসবে। আবাসিক এলাকায় হকার বসানো নিরুৎসাহিত করা হবে। একই সাথে লাইসেন্সবিহীন হকারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে।
এছাড়া, খাদ্য বিক্রেতা হকারদের স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি ছাড়া খাদ্য বিক্রির সুযোগ থাকবে না।
হকার ব্যবস্থাপনায় সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশের সমন্বয়ের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার হকারদের বিষয়গুলো স্থানীয় পর্যায়েই সমন্বয়ের মাধ্যমে দেখা হবে এবং হকারদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও আলোচনা করবে।
মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত নিবন্ধন ও মাসিক ফি কমানোর দাবি জানান। তারা হকারদের জন্য পুনর্বাসন, সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ এবং অপেক্ষাকৃত সংকীর্ণ ফুটপাতে হকার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রশাসক তাদের বক্তব্য শোনেন এবং নীতিমালার আলোকে বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন।
সভায় হকার নেতারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসা হকারদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন ও উপযুক্ত স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান। বিশেষ করে পুরান ঢাকা ও জুরাইন এলাকায় হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে পুনর্বাসনের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, হকারদের স্বার্থ এবং নগরবাসীর স্বার্থÑদুই দিক বিবেচনা করেই একটি মানবিক ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চায় সিটি কর্পোরেশন। প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে হকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং একই সাথে রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘সৃজনকলা গুণীজন সম্মাননা ২০২৬’ এর স্বীকৃতি হিসেবে অভিনেতা, পরিচালক, লেখক, চিত্রশিল্পী ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা আফজাল হোসেনকে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মাননা প্রদান করেছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে আফজাল হোসেনের হাতে সম্মাননা স্মারক এবং মানপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রবিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী (বীর বিক্রম), স্বর্ণকিশোরী নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফারজানা রশীদ ব্রাউনিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মনিরা পারভীন।
উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিক একাডেমিক উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রফিউল ইসলাম।
সম্মাননা পর্বে আফজাল হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনপরিচিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক পাঠ করেন। মানপত্র পাঠ করেন সংগীত বিভাগের প্রভাষক নিশাত তাবাসসুম।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননা গ্রহণের পর আফজাল হোসেন তার অনুভূতি এবং সৃজনযাত্রার নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ