ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিউটায় অভিবাসী সংকটের মধ্যেই ১৫টি যৌন নিপীড়নের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ


সিউটায় অভিবাসী সংকটের মধ্যেই ১৫টি যৌন নিপীড়নের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

স্পেনের ছিটমহল সিউটায় গত ৩০ ও ৩১ জুলাই মরক্কো সীমান্ত দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসী প্রবেশ করেছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে, এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

সম্প্রতি এই ছিটমহলটিতে নামা অভিবাসী ঢলের মাঝে ঘটেছে যৌন হামলার ঘটনা। এমন ১৫টি সম্ভাব্য যৌন হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে স্প্যানিশ পুলিশ এবং সিভিল গার্ড।

দ্য সানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে। সিউটা ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে বেশ কয়েকজন শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১০ বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।

আরও পড়ুন: বাদীর লাশ ফেলার হুমকির পর এবার হামলা এজেআর কুরিয়ারের গাড়িতে

দুই সপ্তাহ আগে মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ৭২ হাজার মানুষ সিউটায় প্রবেশ করেছেন, যা সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় সীমান্ত অনুপ্রবেশের ঘটনা। এর মাঝে তদন্তটি শুরু হয়েছে।

গত ৩০শে জুলাই অভিবাসী ঢলে আসা ১৫ জন সন্দেহভাজনের মধ্যে দুজন নিপীড়ককে আটক করা হয়েছে। পুলিশ এবং বিচার বিভাগের কর্মীরা প্রতিটি অভিযোগের আলাদাভাবে তদন্ত করছে।

ইতিমধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মরক্কোর নাগরিকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং একজনকে মরক্কোতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে সিউটাতে। এতে ছিটমহলটিতে বাস করা ৮৪ হাজার জনসংখ্যার অনেকেই স্পেনের মূল ভূখণ্ডে পালিয়ে গেছেন।

আরও পড়ুন: গাজায় হত্যাকাণ্ডের দায় ধ্বংসস্তূপের আড়ালে চাপা দেওয়া যাবে না : অ্যামনেস্টি

প্রাথমিক ঢল শুরু হওয়ার পর থেকে অভিভাবকহীন শিশুসহ প্রায় ৯ হাজার অভিবাসী এখনো সিউটাতে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের কাছে আশ্রয় চেয়ে রবিবার শহরের জনপ্রিয় এল ট্রাম্পোলিন সৈকতে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেছে। এর মধ্যে ‘আমরা মরক্কোতে ফিরতে চাই না’ লেখা সংবলিত ব্যানার ও পতাকা দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের হাতে।

বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, ‘আমরা ঠাণ্ডায় কষ্ট পাচ্ছি এবং পুলিশ শহরের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।’

আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় বিষাক্ত ধোঁয়া মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হকারদের নিবন্ধনের আওতায় এনে শৃঙ্খলা ফেরানো হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


হকারদের নিবন্ধনের আওতায় এনে শৃঙ্খলা ফেরানো হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে হকারদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য শৃঙ্খলা আনতে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম জানান যে, নির্ধারিত স্থান ও সময়ের মধ্যে হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে হকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এর পাশাপাশি পথচারী ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, সড়কে শৃঙ্খলা আনা এবং নিরাপদ, পথচারীবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরী গড়ে তোলা।

আজ নগর ভবনে হকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিদের সামনে প্রস্তাবিত নীতিমালার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন তিনি।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন, নিবন্ধিত হকারদের নির্দিষ্ট ব্যবসার শ্রেণি, বসার নির্ধারিত জোন বা অবস্থান, ব্যবসায়িক সময় এবং মাসিক ফি সংক্রান্ত তথ্য নিবন্ধন সনদে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। এছাড়া নিবন্ধিত হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থান অন্য কেউ দখল করতে পারবে না এবং ওই স্থান ব্যবহারের নামে হকারদের কাছ থেকে কেউ চাঁদা দাবি করতে পারবে না।

তিনি জানান, হকার নিবন্ধনের জন্য এককালীন ৫ হাজার টাকা ও প্রতি বছর নবায়ন ফি হিসেবে ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, ব্যবসা পরিচালনার জন্য সিটি কর্পোরেশনের স্থান ব্যবহার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার ফি হিসেবে প্রতি মাসে হকার প্রতি ৩ হাজার টাকা ধার্য করা হবে।

প্রশাসক বলেন, নিবন্ধনের আওতায় আসা প্রতিটি হকারকে পরিচয়পত্রের আওতায় স্মার্ট কার্ড বা লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এই স্মার্ট কার্ডে বারকোড ও কিউআর কোড থাকবে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা সহজেই তা যাচাই করতে পারবেন। লাইসেন্স হস্তান্তরযোগ্য থাকবে না এবং কোনো হকার ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাইলে সিটি কর্পোরেশনকে জানাতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, হকারের ব্যবসার ধরন পরিবর্তনও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। নির্ধারিত আকারের বাইরে কোনো স্টল বা ভ্যান বড় করা যাবে না এবং বরাদ্দকৃত স্থানের অতিরিক্ত জায়গা দখল করা যাবে না। শর্ত ভঙ্গ হলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করার কিংবা নিবন্ধন বাতিল করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও জানান, আবেদন পাওয়ার এক মাসের মধ্যে জায়গা খালি থাকার সাপেক্ষে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারীকে কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে এবং তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। একটি পরিবারের জন্য কেবল একটি লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।

তিনি বলেন, নিবন্ধিত হকারদের হালনাগাদ তালিকা সিটি কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে। তালিকায় হকারের নাম, পরিচয়, ঠিকানা ও ব্যবসার ধরনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত হকারদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

পথচারীদের চলাচলকে গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসক এই বিষয়টিও বলেছেন যে, হকার বসানোর ক্ষেত্রে এমন রাস্তা ও ফুটপাত নির্বাচন করা হবে, যেখানে হকার বসার পরও পথচারীদের চলাচলের জন্য ন্যূনতম ৫ থেকে ৬ ফুট জায়গা অবশিষ্ট থাকে।

প্রধান সড়কে হকার বসানোর অনুমতি থাকবে না। মেট্রো স্টেশন, বাস স্টপ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, যাতে যানজট সৃষ্টি না হয়।

এছাড়া তিনি জানা দিয়েছেন, সপ্তাহের ছুটির দিন ও সরকারি ছুটির দিনে নির্দিষ্ট স্থানে ‘হলিডে মার্কেট’ এবং বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকায় অফিস সময়ের পর ‘নৈশকালীন মার্কেট’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। হলিডে মার্কেটে খাবারের পাশাপাশি হস্তশিল্প ও গৃহস্থালি পণ্যকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। নৈশকালীন মার্কেটের জন্য দিনের বেলা ব্যস্ত কিন্তু রাতের বেলায় তুলনামূলক ফাঁকা থাকা বাণিজ্যিক এলাকার নির্দিষ্ট লেন বিবেচনা করা হবে।

হলিডে ও নৈশকালীন মার্কেটের স্থান নির্ধারণে পথচারী ও যান চলাচলে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি না করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধী এবং নারীদের অগ্রাধিকারের বিষয়টিও তিনি জানিয়েছেন। খেলার মাঠ, স্কুল মাঠ, উপাসনালয়ের মাঠ এবং কবরস্থানে কোনো মার্কেট বসানোর অনুমতি নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক জানিয়েছেন, জনস্বার্থ ও নগর উন্নয়নের স্বার্থে যদি কোনো এলাকাকে হকারমুক্ত ঘোষণা করা হয়, তাহলে তা অগ্রাধিকারে আসবে। আবাসিক এলাকায় হকার বসানো নিরুৎসাহিত করা হবে। একই সাথে লাইসেন্সবিহীন হকারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে।

এছাড়া, খাদ্য বিক্রেতা হকারদের স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি ছাড়া খাদ্য বিক্রির সুযোগ থাকবে না।

হকার ব্যবস্থাপনায় সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশের সমন্বয়ের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার হকারদের বিষয়গুলো স্থানীয় পর্যায়েই সমন্বয়ের মাধ্যমে দেখা হবে এবং হকারদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও আলোচনা করবে।

মতবিনিময় সভায় হকার প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত নিবন্ধন ও মাসিক ফি কমানোর দাবি জানান। তারা হকারদের জন্য পুনর্বাসন, সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ এবং অপেক্ষাকৃত সংকীর্ণ ফুটপাতে হকার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রশাসক তাদের বক্তব্য শোনেন এবং নীতিমালার আলোকে বিষয়গুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন।

সভায় হকার নেতারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসা হকারদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন ও উপযুক্ত স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানান। বিশেষ করে পুরান ঢাকা ও জুরাইন এলাকায় হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে পুনর্বাসনের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, হকারদের স্বার্থ এবং নগরবাসীর স্বার্থÑদুই দিক বিবেচনা করেই একটি মানবিক ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চায় সিটি কর্পোরেশন। প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে হকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং একই সাথে রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সৃজনকলা গুণীজন সম্মাননা ২০২৬’ পেলেন অভিনেতা আফজাল হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


‘সৃজনকলা গুণীজন সম্মাননা ২০২৬’ পেলেন অভিনেতা আফজাল হোসেন

‘সৃজনকলা গুণীজন সম্মাননা ২০২৬’ এর স্বীকৃতি হিসেবে অভিনেতা, পরিচালক, লেখক, চিত্রশিল্পী ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা আফজাল হোসেনকে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মাননা প্রদান করেছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে আফজাল হোসেনের হাতে সম্মাননা স্মারক এবং মানপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রবিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী (বীর বিক্রম), স্বর্ণকিশোরী নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফারজানা রশীদ ব্রাউনিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মনিরা পারভীন।

উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিক একাডেমিক উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রফিউল ইসলাম।

সম্মাননা পর্বে আফজাল হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনপরিচিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক পাঠ করেন। মানপত্র পাঠ করেন সংগীত বিভাগের প্রভাষক নিশাত তাবাসসুম।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মাননা গ্রহণের পর আফজাল হোসেন তার অনুভূতি এবং সৃজনযাত্রার নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার জীবনাবসান হয়েছে, তবে পরাজয় মেনে নেননি: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


খালেদা জিয়ার জীবনাবসান হয়েছে, তবে পরাজয় মেনে নেননি: রিজভী

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেলেও তিনি কখনো পরাজিত হননি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি আরো জানান, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন এবং পরাজিত হয়েছেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করলেও তিনি পরাজিত হননি।

সোমবার বিকেলে জিয়াউর রহমান আর্কাইভের আয়োজনে আইসিএমএ ভবন অডিটোরিয়ামে ‘মহিয়সী বেগম খালেদ জিয়া: ঐক্য, সংহতি এবং আলোকপ্রাপ্তির দ্বীপশিখা’ শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

রিজভী বলেন, মানুষ মৃত্যুবরণ করে, কিন্তু পরাজিত হয় না-আর্নেস্ট হেমিংওয়ের এই বিখ্যাত উক্তির একটি স্পষ্ট উদাহরণ বেগম খালেদ জিয়া। তাঁর প্রেরণা, অর্জন, কৃতিত্ব, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়ে গেছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, খালেদা জিয়ার জীবন, শাসনকাল, নেতৃত্ব, সংগ্রাম এবং নিপীড়ন-নির্যাতনের ইতিহাস অল্প কথায় বলা সম্ভব নয়। বেগম খালেদা জিয়া সেই বিরল মানুষের একজন, যারা মৃত্যুবরণ করলেও বিজয়ী হয়ে থাকেন।

খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্বের প্রসঙ্গ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে একটি পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছিল। কারাবন্দি অবস্থায় বেগম জিয়াকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়নি। সুস্থ অবস্থায় কারাগারে প্রবেশ করা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া পরে হুইলচেয়ারে বাসায় ফিরেছিলেন।

রিজভী বলেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আমাদের কাছে প্রতিবাদের প্রতীক ছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের আধার ছিলেন। ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছিলেন।

রাজনীতি ও সংস্কৃতির সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে রিজভী বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অভাব থাকলে নেতাকর্মীরা আলোকিত হতে পারেন না। ভালো ছবি দেখা, কবিতা ও গান পছন্দ করা এবং শিল্প-সাহিত্যের প্রতি অনুভূতি একজন রাজনীতিককে মানবিক করে তোলে। যে রাজনীতিকের মধ্যে শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি বোধ নেই, তিনি কখনো ভালো রাজনৈতিক নেতা হতে পারবেন না।

রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে জাসাস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই সংগঠনের সাথে দেশের খ্যাতিমান শিল্পী, পরিচালক, লেখক ও কবিদের যুক্ত করা হয়েছিল। তিনি জাসাসের সাংস্কৃতিক মান এবং কার্যক্রম বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের সাংস্কৃতিক মান যাতে খর্ব না হয়, সে দিকে নজর দিতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরো প্রসারিত করতে হবে। তা না হলে সমাজ এবং রাজনীতিতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার জাতি গঠনে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম: সংস্কৃতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার জাতি গঠনে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম: সংস্কৃতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, মুক্তচিন্তা, মানবিকতা, দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

তিনি আজ রাজধানীর জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে সরকারি গণ গ্রন্থাগারিকদের জন্য জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী এ সময় অবহিত করেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বইয়ের বদলে মাদক তুলে দিয়ে, তাদেরকে অটোপাশ করার ব্যবস্থা চালু করে জাতিকে মেধাশূন্য করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছিল।

তিনি মাদক পরিহার করে পাঠ্যাভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী জাতীয় গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন দেশব্যাপী সরকারি গ্রন্থাগারের পাশাপাশি কীভাবে আরো বেসরকারি গ্রন্থাগার নিবন্ধনের আওতায় আনা যায়, সে ব্যাপারে।

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালনা করেন আফসানা বেগম। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ মেজবাহ্-উল-ইসলাম।

মন্ত্রী এর আগে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%