ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ নারী হকি দল


প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ নারী হকি দল

বাংলাদেশ নারী জুনিয়র এএইচএফ হকি কাপে ইতিহাস তৈরি করেছে। ফাইনালে কাজাখস্তানকে ২-০ গোলে পরাজিত করে লাল-সবুজের নারী খেলোয়াড়রা প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করেছে। শনিবার ওমানে হওয়া ফাইনালে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারের শেষের দিকে বাংলাদেশের আইরিনের ফিল্ড গোলের মাধ্যমে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। পরে দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই এমা নাদিরা পেনাল্টি কর্নার থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর, বাকি দুই কোয়ার্টারে দুর্দান্ত রক্ষণাভিমুখী খেলা করে বাংলাদেশ আর কোন গোল হজম না করে ২-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।

ফাইনালে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের সাফা রিমন। ২০১৯ সালে নারী হকি দলের যে যাত্রা শুরু হয়, এটি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সাফল্য। এর আগে ২০২৪ সালের জুনিয়র এএইচএফ কাপে রানার্সআপ হয়েছিল বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: বাদীর লাশ ফেলার হুমকির পর এবার হামলা এজেআর কুরিয়ারের গাড়িতে

এই পাঁচ দলের টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান এবং হংকং, চায়নার প্রতিনিধিত্ব ছিল। পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দাপুটে পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬-০ গোলে পরাজিত করার পর উজবেকিস্তানকে ১-০, কাজাখস্তানকে ২-১ এবং দ্বিতীয়বার পাকিস্তানকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দেয় লাল-সবুজের খেলোয়াড়রা। এরপর ফাইনালেও কাজাখস্তানকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে।

চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দল রবিবার দেশে ফিরবে। সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শিরোপাজয়ী দল পৌঁছাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীনগরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১০ এম


শ্রীনগরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০

> সারা দেশ

> ঢাকা

শ্রীনগর উপজেলায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

এই ঘটনাটি ঘটে শনিবার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে শ্রীনগর স্টেডিয়ামে উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে।

ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের দল ‘শ্যামসিদ্ধি রয়েলস’ ও কুকুটিয়া ইউনিয়নের দল ‘কুকুটিয়া ওয়ারিয়র্স’-এর মধ্যে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং আয়োজক কমিটির সূত্রে জানা যায়, খেলার শেষার্ধে শ্যামসিদ্ধি রয়েলসের এক খেলোয়াড় কুকুটিয়া ওয়ারিয়র্সের খেলোয়াড় মঈনুলের জার্সি টেনে ধরার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে, বাকবিতণ্ডা সংঘর্ষে রূপ নিয়েছিল।

এ সময় অভিযোগ উঠেছে যে, শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী এবং সাধারণ সম্পাদক ইয়ামিনের নেতৃত্বে প্রায় এক থেকে দেড়শত সমর্থক মাঠে নেমে কুকুটিয়া ওয়ারিয়র্সের খেলোয়াড়দের উপর হামলা চালায়।

এই হামলার ফলে কুকুটিয়া ওয়ারিয়র্সের অন্তত পাঁচজন খেলোয়াড়সহ মোট ১০ জন গুরুতর আহত হন।

আহতদের মধ্যে সুরদিয়া এলাকার মঈনুল, পূর্ব মুন্সীয়া এলাকার রায়হান, রিসান, অভি খান এবং নাগরভাগ এলাকার সমিত সহ আরও কয়েকজন রয়েছেন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনার পরপরই পুলিশ এবং আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কুকুটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলম দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারি ঘটে এবং আমরা যেতেই মারামারি শেষ হয়ে যায়। মারামারির স্থায়িত্ব ছিল ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে, এবং এর মধ্যে দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হন। পরবর্তীতে আমি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নিয়ে ঢাকা চলে আসি।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুয়েল মিয়া বলেন, খেলায় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যে শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ এম


যুক্তরাজ্যে শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে অতীতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ শিশু যৌন নিপীড়ন ও দলবদ্ধ ধর্ষণের একটি ঘটনায় তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতসহ মোট আটজন পুরুষের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। দক্ষিণ ওয়েলসের গুয়েন্ট পুলিশ বিভাগ গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে দীর্ঘ ও জটিল তদন্ত শেষে দেশের নিউপোর্ট, সোয়ানসি, লন্ডন, বার্মিংহাম, ল্যাঙ্কাশায়ার, এডিনবার্গ এবং স্কটল্যান্ডের আর্গিল অ্যান্ড বিউট এলাকা থেকে এই আট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। ‘অপারেশন ওক’ নামক বিশেষ অভিযানের আওতায় এই চক্রটির বিরুদ্ধে মোট ৩৪টি সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭টি ধর্ষণের ঘটনা রয়েছে। আদালতের নথি ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে শিশু অবস্থায় যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া বেশ কয়েকজন নারী সম্প্রতি এই অভিযোগগুলো দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের বয়স বর্তমানে ৫৪ থেকে ৭৩ বছরের মধ্যে এবং তারা সবাই ব্রিটিশ নাগরিক। তবে অভিযুক্তদের নাম ও পরিচয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এদের মধ্যে মোহাম্মদ শেখ আব্দুল হান্নান, শেখ মোহাম্মদ তাহির উল্লাহ এবং আমিনুর রহমান চৌধুরী নামের তিনজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিক রয়েছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে বার্মিংহামের শাফাক মোহাম্মদ (৫৮) বিরুদ্ধে ১১ বছরের কম বয়সি ও ১৬ বছরের ঊর্ধ্বের নারী ধর্ষণসহ মোট ১১টি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এডিনবার্গের মোহাম্মদ শেখ আব্দুল হান্নানের (৫৪) বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ষড়যন্ত্রসহ আটটি অভিযোগ রয়েছে এবং ল্যাঙ্কাশায়ারের শাকিল বাবুরের (৫৮) বিরুদ্ধে ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুকে শ্লীলতাহানির চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে নিউপোর্টের সৈয়দ মোহাম্মদ আশান তাকভি (৬৫) এবং সোয়ানসির মুরাদ আলীর (৫৭) বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। নিউপোর্টের শেখ মোহাম্মদ তাহির উল্লাহর (৭৩) বিরুদ্ধে দুটি ধর্ষণের এবং টটেনহ্যামের আমিনুর রহমান চৌধুরীর (৫৮) বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণের অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। স্কটল্যান্ডের কেভিন লরেন্সের (৫৪) বিরুদ্ধে ধর্ষণের ষড়যন্ত্র ও পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার তিনটি অভিযোগ রয়েছে। ওয়েলসের প্রধান ক্রাউন প্রসিকিউটর জেনি হপকিন্স জানিয়েছেন, মামলাটি আদালতে তোলার জন্য এবং জনস্বার্থে অপরাধমূলক কার্যক্রমের বিচার নিশ্চিত করতে প্রসিকিউটররা যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তাদের ন্যায্য বিচার পাওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই নিউপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আট আসামিকে হাজির করার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলিম অবদানের উজ্জ্বল দলিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৭ এম


ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলিম অবদানের উজ্জ্বল দলিল

প্যারিসের লাতিন কোয়ার্টারের ঐতিহাসিক এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গ্র্যান্ড মসজিদ ২০২৬ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। একশ বছরের এ পথচলায় এটি এক সংগে একটি ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এবং ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলিমদের অবদান, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সামাজিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) পর গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই যুদ্ধে ফ্রান্সের পক্ষ হয়ে লড়াই করেছিলেন বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলিম সৈনিকরা, যারা উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা এবং ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছিলেন। যুদ্ধের সময় তাদের মধ্যে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি ও স্মৃতি সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশেই প্যারিসে একটি বড় মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়।

১৯২০ সালে ফরাসি পার্লামেন্ট গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের অনুমোদন দেয় এবং কয়েক বছরের নির্মাণকাজ শেষে ১৯২৬ সালের ১৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় প্যারিসের গ্র্যান্ড মসজিদ। উদ্বোধন করেন তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট গাস্তোঁ দুমের্গ। মসজিদের প্রথম রেক্তর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সি কাদ্দুর বেংগাব্রিত।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গ্র্যান্ড মসজিদ ফ্রান্সের মুসলিম সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে। এখানে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে থাকে। সময়ের সাথে এটি বর্তমানে ফ্রান্সে মুসলিম ঐতিহ্য ও উপস্থিতির একটি পরিচিত প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

প্যারিসের এ মসজিদের স্থাপত্যও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এর নকশায় আন্দালুসীয় ও মুরিশ স্থাপত্যশৈলীর প্রভাব রয়েছে। ৩৩ মিটার উঁচু মিনার, খিলানযুক্ত প্রবেশপথ, আরবি ক্যালিগ্রাফি, মোজাইক নকশা এবং বাগানের সমন্বয়ে তৈরি এ স্থাপনা প্যারিসের অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবেও পরিচিত।

একশ বছর পরে গ্র্যান্ড মসজিদের মূল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হয়। সাথে আরবি ভাষা শিক্ষা, ইসলামি শিক্ষা, ধর্মীয় আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শুক্রবারের জুমার নামাজ এবং রমজান ও ঈদের সময় মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

গ্র্যান্ড মসজিদের পরিচালনা ফ্রান্সের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হয়ে থাকে। ফরাসি সরকার কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ করে না। গ্র্যান্ড মসজিদও সরাসরি সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন নয়; এটি একটি স্বতন্ত্র ধর্মীয় কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বর্তমানে এর রেক্তর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শেমস এদ্দিন হাফিজ।

২০২৬ সালে শতবর্ষ উপলক্ষে গ্র্যান্ড মসজিদে নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মধ্যে ঐতিহাসিক প্রদর্শনী, পুরোনো ছবি ও দলিল উপস্থাপন, ইসলামি শিল্প ও সংস্কৃতির আয়োজন এবং আলোচনা সভা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে একশ বছরের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।

শতবর্ষের এ আয়োজনে ফ্রান্সের সরকারি প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, কূটনীতিক, ধর্মীয় নেতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনিয়েজ, মন্ত্রী অরোর বেরজে, প্যারিস পুলিশের প্রিফেক্ট পত্রিস ফোর, প্যারিসের মেয়র এমানুয়েল গ্রেগোয়ার, ইল দ্য ফ্রঁস অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ভালেরি পেক্রেস ও আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

গ্র্যান্ড মসজিদের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি মানবিক অধ্যায়ও উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে, নাৎসি দখলদারিত্বের সময় তৎকালীন রেক্তর সি কাদ্দুর বেংগাব্রিতের নেতৃত্বে মসজিদের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা কিছু নির্যাতিত মানুষকে সহায়তা করেছিলেন। তবে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে।

ফরাসি ইতিহাসবিদ বেনজামিন স্তোরা গ্র্যান্ড মসজিদকে ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলিমদের অবদান এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একশ বছর আগে যুদ্ধের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য যে মসজিদ নির্মাণের যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ তা ফ্রান্সের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বর্তমানে ফ্রান্সের একটি ঐতিহাসিক দলিল, যেখানে সংরক্ষিত আছে আত্মত্যাগ, সংস্কৃতি, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সহাবস্থানের একটি দীর্ঘ ইতিহাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল ৮ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৩ এম


ভারতে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল ৮ জনের

ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে অবস্থিত একটি অবৈধ আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় আরও অন্তত নয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে শনিবার (১৮ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আহমেদাবাদের ভাস্ত্রাল অঞ্চলে অবস্থিত ‘ট্যালেন্ট ফায়ারওয়ার্কস’ নামক কারখানাটির এই বিস্ফোরণ ঘটে। কারখানাটির লাইসেন্স আগে থেকেই বাতিল করা হয়েছিল। তাও স্থানীয় একটি খামারে অবৈধভাবে উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে থাকছিল প্রতিষ্ঠানটি।

বিস্ফোরণের পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মণিনগর সিভিল হাসপাতাল ও এলজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আহতদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে তারা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের জন্য দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে দুই লাখ রুপি করে এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%